-
সে অনেকদিন আগেকার কথা, আমাদের বাপ-ঠাকুর্দার তখন হয়ত জন্মই হয় নি, সেই সেকালে বৌয়ের সঙ্গে নিজেদের মতো থাকত এক গরিব মানুষ ৷
তাদের ছিল একটি ছেলে, এমন সে টিংটিঙে মরকুটে যে বলবার নয়। কিছু একটা যে করবে, তা করে না, সারা দিন কাটায় চুল্লির ওপরকার মাচায়। মা যদি মাচায় খেতে দেয় খায়, না দেয় তো না খেয়েই পড়ে থাকে, আঙুলে কুটোটি নাড়ে না।
মা-বাপে বলে: ‘তোকে নিয়ে কী করি বাছা, তোকে নিয়েই আমাদের জ্বালা। সব ছেলেমেয়েই তো তাদের মা-বাপের কত কাজ করে দেয়, আর তুই কেবল রুটির ভুট্টিনাশ করিস!’
দঃখু করে, দুঃখু করে, শেষে বুড়ি একদিন বললে: ‘কী তুমি ভাবছ
-
সে অনেককাল আগের কথা, ভয়ংকর এক নাগ হানা দিতে লাগল এক বসতিতে। সবাইকে সে খেয়ে উজাড় করল, রইল শুধু এক বুড়ো।
নাগ ঠিক করল, ‘তা এটাকে কাল খাওয়া যাবে।’
এইসময় কাঙাল এক ছোকরা যাচ্ছিল বসতি দিয়ে। গিয়ে তো উঠল সেই বুড়োর কাছে, রাত কাটাতে চাইল সেখানে।
বুড়ো শুধায়, ‘জীবনে তোর ঘেন্না ধরে গেল নাকি?
‘কেন?’ বলে সেই কাঙাল ছোকরা।
বুড়ো তখন তাকে বলতে লাগল যে নাগ সেখানকার সবাইকে খেয়ে উজাড় করেছে, কাল তাকে খাবার কথা ভাবছে।
ছোকরা বললে, ‘ও কিছু, না, নিজেই গলায় ঠেকে মরবে।’
সকালে তো উড়ে এল নাগ, ছোকরাকে দেখে ভারি তার আনন্দ : “মন্দ নয় তো! ছিল
-
অনাথ হল তিন ভাই, নেই বাপ, নেই মা। চাল-চুলোও নেই। গাঁয়ে গঞ্জে ঘোরে, খোঁজে কেউ মুনিষ খাটতে নেবে কিনা। যেতে যেতে ভাবে, ‘আহ্, মায়াদয়া আছে এমন কোনো মনিব যদি মুনিষ নেয়, বেশ হয়।’ দেখে, যাচ্ছে এক বুড়ো, একেবারে থুত্থুড়ে, কোমর পর্যন্ত শাদা দাড়ি।
ভাইদের সঙ্গ ধরে বুড়ো শুধোয়: ‘কোথায় চলেছ বাছারা?’
ওরা বলে: ‘কোথাও মুনিষ খাটতে।’
‘তোমাদের নিজেদের কি জোতজমি নেই?’
বলে, ‘নেই। দরদি কোনো মনিব পেলে ধম্মমতে তার জন্যে খাটতাম, কথা শুনতাম, আপন বাপের মতো মান্যি করতাম তাকে।’
ভেবেচিন্তে বুড়ো তখন বললে: ‘তা বেশ, তোমরা হবে আমার ছেলে, আমি হব তোমাদের বাপের মতো। তোমাদের মানুষ করে তুলব, ধৰ্ম্মমতে, বিবেক
-
একবার বুখারার চোর ধরতে গিয়ে ধরা হল একজন নিরপরাধী লোককে।
‘ফাঁসি দাও এই চোরটাকে।’ বলল বাদশাহ।
‘হায়! এখন আর কেউ সে কাজ করতে পারবে না, যা আমি পারি!’ বলে উঠল লোকটা।
‘কিসের কথা বলছিস তুই। কি করতে পারিস তুই?’ জিজ্ঞাসা করা হল তাকে।
‘আমি সোনার চাষ করতে পারি।’ বলল লোকটা।
ফাঁসি স্থগিত রেখে ছুটল সবাই বাদশাহর কাছে।
‘হুজুর, যে লোকটাকে ফাঁসি দেওয়ার আদেশ হয়েছে, সে সোনার চাষ করতে জানে।’ বাদশাহ লোকটাকে নিয়ে আসতে আদেশ দিল।
‘যদি তুই সোনার চাষ করতে জানিস তো সোনাচাষ কর আমার জন্য, তার বদলে তোর জীবন ফিরিয়ে দেব আমি।’ বলল বাদশাহ।
রাজি হল লোকটি। জমিতে লাঙল
-
সাম্প্রতিককালে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ‘পরিচয়ের রাজনীতি’ (Identity Politics)। অনেকেই এই শব্দটি সম্পর্কে আগে থেকেই কিছুটা অবগত। কারণ অনেক বিতর্ক, বিশেষ করে জাতি, লিঙ্গ এবং যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো, পরিচয়ের রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। পরিচয়ের রাজনীতি এমন অনেক বিতর্কে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে—অনেকেই মনে করতে পারে যে বামপন্থী রাজনীতি মানেই পরিচয়ের রাজনীতি, আর পরিচয়ের রাজনীতিই যেন বামপন্থী রাজনীতির পুরোটা। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্যাপারটা এমন নয়।
ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনীতি ছিল শ্রেণি রাজনীতির (Class Politics) ওপর ভিত্তি করে। কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী ও অন্যান্য বামপন্থী দলগুলো শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে বড় গণসংগঠন তৈরি করত। এর পেছনের ধারণা ছিল সব জাতি,
-
বর্তমানকালে সমগ্র বিশ্বজুড়ে পরিচিতি সত্তার রাজনীতি সাধারণভাবে রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উপাদান রূপে উঠে এসেছে। ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত পরিচিতি কেন্দ্রিক রাজনীতির ধারণারই কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সময়টা হল ১৯৮০-র দশক, যখন থেকে পরিচিতির রাজনীতি গুরুত্ব লাভ করতে থাকে।
পটভূমি
১৯৮০-র দশকে বিশ্বায়িত ফিনান্স পুঁজির ইন্ধনে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের আবির্ভাব। নয়া উদারবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম এই সময় থেকে জোরদার হতে শুরু করল। তথ্য-প্রযুক্তির মতো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বিশ্বায়ন এবং ফিনান্স পুঁজির গতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করল।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের এই পর্যায় এবং সমাজতন্ত্রের পতন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভাজন সমসাময়িক। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হল শোষণ। সমাজতন্ত্র থেকে পশ্চাদপসরণের কারণে শোষণ থেকে মুক্তির সর্বজনীন লক্ষ্যে
-
ফুটো ভিস্তি
আর্সলান তাকিয়ে ছিল দাদুর দিকে। রহিম-আগা পাকা খুবানি পাড়ছিলেন গাছ থেকে। দাদু প্রকান্ড আর ফলগুলো ছোটো ছোটো। আর্সলান আরো দেখছিল একটা পিঁপড়েকে। পিঁপড়েটা ছোট্ট, কিন্তু মস্তো একটা শুকনো ঘাস সে বইছিল।
‘দাদু, দাদু!’ ডাকল আর্সলান।
নাতির কাছে এলেন রহিম-আগা।
পিঁপড়েটাকে দেখাল নাতি, ‘দেখেছ, কোথায় সে এত বড়ো জিনিসটা নিয়ে যাচ্ছে?’
দাদু হেসে হাত রাখলেন আর্সলানের মাথার ওপর।
‘জেনে রাখ রে বাছুর, পিঁপড়ে হল দুনিয়ায় সবচেয়ে খাটিয়ে জীব। ওই ঘাসটা কাজে লাগবে উইঢিবি বানাতে, কিংবা ওটা ওরা খাবে। শীত আসছে, হিমে জমে যাবে মাটি, কিন্তু পিঁপড়েদের ভয় নেই। বাড়িতে থাকবে গরমে, খেয়ে-দেয়ে।’
আর্সলান বললে, ‘তাহলে আমিও খাটব। বাড়ি থাকবে
-
‘দুই পপলার’ কুয়ো
আমরা যাচ্ছি কারাকুম মরুভূমিতে। আমাকে সঙ্গে নিয়েছেন কুলি চাচা। তিনি মেষপালক।
আগে রাখালেরা ভেড়ার পাল নিয়ে চলে যেত বহু মাসের জন্যে। কিন্তু এখন মোটর গাড়ি অনেক, রাখালদের বদলি আসে দুই সপ্তাহ অন্তর অন্তর। আমরাও বদলিতে চলেছি। লম্বা রাস্তা, যাব ‘দুই পপলার’ নামে একটা কুয়োর কাছে। লোকেদের মতো মরুভূমির সমস্ত কুয়োরই এক-একটা নাম আছে। এ কুয়োটার কাছে আছে দুটো পপলার গাছ। গোটা মরুভূমিটার মাঝখানে দুটো পপলার, সমস্ত রাখাল তাদের জানে। রাখালদের ডেরায় আমার অপেক্ষায় আছেন দাদু চারি-আগা। ভেড়ার পাল নিয়ে সারা জীবন তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন মরুভূমিতে। বসন্ত শুরু হতেই তিনি চলে যান ‘দুই পপলারে’, থাকেন বেশ শীত পড়া
-
স্তুদেনিৎসায়, স্তুদেনিৎসা কেন, সারা স্নেগোভেৎস অঞ্চলেই ওলিওনা স্তেফাকের ছেলে আন্দ্রেইয়ের মতো সুপুরুষ ব্যক্তি আর পাওয়া যাবে না।
তার সবকিছুই সুন্দর চলাফেরা,—তামাটে মুখের কাট, ধূসর তীক্ষ্ণ চোখদুটি, বাঁ ভুরুর বাঁকা ভঙ্গিমা সবই। ভুরুর ঐ বাঁকাভাবটির জন্য তার মুখে একটা বিস্ময় বা ঠাট্টার অভিব্যক্তি লেগে থাকে।
আন্দ্রেই স্তেফাক শুধু যে তার সৌন্দর্যের জন্যই খ্যাত তা নয়, তার মতো ফুলবাবুও আর কেউ নেই। পাহাড় অঞ্চলের কাঠের কলের ট্র্যাক্টরড্রাইভার সে, বয়স তার মাত্র উনিশ, কিন্তু সাজসজ্জা প্রসাধনের দিকে তার যা নজর, ভেরখভিনার নাম করা সুন্দরীরাও হার মেনে যায়। সবুজ কানাৎ দেওয়া সাদা পশমের জ্যাকেট, পুঁতির নক্সাকরা সার্ট, ফারের গুচ্ছ লাগান টুপি আর কাঁটা লাগান
-
স্নেগোভেৎসের উপকণ্ঠে আসতেই ভীষণ ঝড়বৃষ্টি সুরু হয়ে গেল।
চারিদিক অন্ধকার। বৃষ্টির পর্দার আড়ালে পাহাড়গুলো ঢাকা পড়ে গেছে। ধূলোর প্রচণ্ড ঘূর্ণি রাস্তা থেকে লোকের ফেলে যাওয়া ছেঁড়া কাগজের টুকরো আর কাটা ঘাসের গোছা উড়িয়ে নিয়ে চলেছে। বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা পড়ল রাস্তায়। এক মুহূর্তের মধ্যেই রাস্তার গা বিচিত্র ফোঁটায় ভরে গেল।
বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য কাছের বাড়িটার দিকে আমরা দৌড় মারলাম। কাঠের গুঁড়ির বাড়ি। বহু পুরনো কালের চালটা সবুজ শ্যাওলায় সম্পূর্ণ ছেয়ে গেছে। রাস্তার লেভেলের নিচেই বাড়িটা দাঁড়িয়ে। মাটির গায়ে কয়েকটা সিঁড়ি, পাশটা পাথরের তৈরী, চলে গেছে দরজা পর্যন্ত।
লাফ দিয়ে বাড়িটার প্রবেশপথে ঢুকেছি এমন সময় অন্ধকার চিরে চমকে উঠল বিদ্যুৎ।
-
অনেক রাত্রে কে যেন এসে হোটেলে উঠল। অন্ধকারে ঘরের ভিতর সে নড়াচড়া করছে, আমার পাশের ফাঁকা বিছানাটায় শোবার জন্য তৈরী হচ্ছে।
আধঘুমন্ত অবস্থায় শুনতে পাচ্ছি নতুন লোকটি তার জমে যাওয়া বর্ষাতি চুল্লীর কাছে ঝুলিয়ে দেবার চেষ্টা করল, ব্রীফকেসটা—নাকি ফীল্ড ব্যাগ—বালিশের তলে ঢুকিয়ে দিয়ে বিছানায় বসে মোটা বুটগুলো খুলতে সুরু করল।
বর্ষাতি আর বুটজোড়ায় কড়া হিমের গন্ধ। হিমে বোধ হয় একেবারে জারিয়ে গেছে, তামাকের গন্ধে লোকের জামাকাপড় যেমন হয়।
পুরোপুরি জেগে গেলাম। বিরক্তির সঙ্গে মনে পড়ল তিনদিন ধরে চলেছে জানুয়ারীর সেই সাংঘাতিক বরফঝড়।
পাহাড়ের গ্রামগুলোয় গাড়ি ঘোড়া হাঁটাচলা সব বন্ধ।
আমার প্রতিবেশী শুয়ে পড়ল। তার শরীরের ভারে করুণ আর্তনাদ তুলে ঝুলে
-
১
বুড়ো ভাসিল য়াৎসিনা ছ মাস হাসপাতালে ছিল। প্রতিদিনই তার অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল। ডাক্তাররা আর কিছুই করতে পারছিল না। য়াৎসিনা তখন তার গাঁয়ে ফিরে যাবার অনুমতি চাইল, ভেরখভিনাতেই সে মরতে চায়।
মরতে সে ভয় পায় না, স্বর্গরাজ্যের উপর আস্থা রেখেই সে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে।
ভাসিল ভাবতে লাগল, ‘সারা জীবন এত দুঃখকষ্ট ভোগ করেছি—না আছে ঘরবাড়ি, না আছে নিজের জমিজমা, গোরুঘোড়া,—এর ক্ষতিপুরণ নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও ঘটবে... সারা জীবন তো কেবল অজানা অচেনাদের দ্বারে দ্বারে কাজ মেগে বেড়িয়েছি…’
‘কিন্তু তবু সে ওস্তাদ কাঠুরে। অমন ওস্তাদ বড় একটা দেখা যায় না। ভাসিল য়াৎসিনার সঙ্গে গাছ কাটায় পাল্লা দিতে পারে সাব্-কার্পেথিয়ান
উৎস
- ইউক্রেনের লোককথা
- পরিচয়
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- তাজিক লোককাহিনী
- সোনার পেয়ালা
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- কথা পাঞ্জাব
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- রাঙা পাল
- কাজাখ লোককাহিনী
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- রূপের ডালি খেলা
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ভাবনা সমবায়
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- তানিয়া
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.