-
'সাম্প্রদায়িক' শব্দটি যে সর্বদা খারাপ বা নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়, তা অবশ্যই নয়। শব্দটির গঠনের দিকে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় যে, যা কিছু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা সম্প্রদায় সম্পর্কীয়, তা সবই সাম্প্রদায়িক (সম্প্রদায়+ঞিক)। কাজেই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে শব্দটি মোটেই নিন্দাৰ্থক নয়। যদি বলি: দুর্গা পূজা, ঈদ, বড়দিন, বুদ্ধপূর্ণিমা—এগুলো সবই সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান, তাহলে কি ওগুলোকে নিন্দা করা হলো? হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—এইসব ধর্মীয় সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা এই অনুষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের ধর্মের অনুশাসন রূপেই পালন করে থাকে। তাই এগুলো সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান। এতে নিন্দার কিছু নেই। কিন্তু অনুষ্ঠানগুলো যদি এ রকম হয়ে দাঁড়ায় যে হিন্দুরা দুর্গা পূজার পর বিসর্জন দেয়ার জন্য দুর্গা মূর্তি নিয়ে যাবে
-
এক
১৩৪৮ সালের ২২শে শ্রাবণ রাত্রে রবীন্দ্রনাথের প্রজ্বলিত মরদেহের সামনে দুঃখছিন্ন আরেক বয়ঃকনিষ্ঠ কবি গভীর বেদনায় বলে উঠেছিলেন, এই একটি লোকের চলে যাওয়ায় এখন থেকে সব পাল্টে গেল। সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রায়-দৈবী সেই উচ্চারণের যাথার্থ্য যত দিন গেছে তত বেশি স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে। মৃত্যু যখন জীবন থেকে ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেয় তখন শূন্যতা নেমে আসে হয়তো এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনে, হয়তো-বা একটি কি দুটি পরিবারে। সেই ফাঁকটুকু ধীরে ধীরে ভরে দেয় সময়। জীবন নিরবধি বয়ে চলে, মৃত্যু ক্রমশ দূরস্মৃতি হয়ে থেকে যায়। বকরূপী রাক্ষস যুধিষ্ঠিরের নিকট যখন সপ্ত পরমাশ্চর্যের ধাঁধা ধরেছিলেন তখন ধর্মপুত্র একটি উত্তরে বলেছিলেন, ‘এক পরমাশ্চর্য হলো এই যে,
-
মহাকালের প্রবাহে ভাসমান জীবনের ধারাবাহিক যাত্রা বহুকাল ধরে চলে আসছে। এক মুহূর্তও না থেমে এই অবিরাম চলা এরই মধ্যে জীবন কোথাও কোথাও হয়ে উঠছে মহাজীবন, রেখে যাচ্ছে স্থায়ী চিহ্ন। অস্তিত্বের প্রখর বৈশিষ্ট্যে কোনো কোনো বিরল ব্যক্তিত্ব কালের বুকে খোদিত করে যাচ্ছেন নিজ নাম, নিজের কীর্তি। প্রত্যয়-শীলিত বক্তব্যের ও কর্মের অভিজ্ঞান ঐতিহ্য-মন্দ্রিত অতীতকে বহন করে, সমকালীন যুগ চেতনা ধারণ করে বর্তমানের সীমা অতিক্রম করে ভাবীকালের জন্য রেখে যাচ্ছে পাথেয়, পথের সন্ধান দিয়ে আহ্বান করছে প্রার্থিত গন্তব্যে পৌঁছাতে।
তেমনি একজন সত্যান্বেষী জ্ঞানসাধক, ভাবসম্পদ সমৃদ্ধ আদর্শবাদী, সৃষ্টিশীল স্বপ্নদ্রষ্টা এবং বিশ্বের বিপুল কর্মযজ্ঞের অক্লান্ত ও শ্রমনিষ্ঠ মহান পুরুষ কবি রবীন্দ্রনাথ। তাঁর জন্মের আগে থেকেই
-
এক
রবীন্দ্রনাথের জীবনের লক্ষ্য ছিল—মনুষ্যত্বের সাধনা। সে সাধনা দেশকাল বা বিশেষ ধর্মমতের গণ্ডিতে ঠেকে থাকে না। সেই জীবনসাধনার কথা তাঁর নানা রচনায় বার বার প্রতিফলিত হয়েছে। ‘মানুষের ধর্ম’ গ্রন্থটির বক্তব্য আলোচনা সূত্রে ঐ প্রসঙ্গটি আমরা এখানে তুলে ধরব।
সকল মানুষের ভিতরেই এমন একটি বিশিষ্টতা আছে, যার সার অংশ দিয়ে কালে কালে দেশে দেশে তৈরি হয়ে ওঠে একটি মানবসত্তা। রবীন্দ্রনাথ বলছেন—এই সত্তাটি হচ্ছে “সর্বজনীন সর্বকালীন মানব”। আপন জীবসত্তার দিনানুদৈনিক প্রয়োজনের সীমানা পার হয়ে সেই মানবসত্তার উপলব্ধিতে উত্তীর্ণ হতে হয় মানুষকে। উপলব্ধিতে একদেশদর্শিতার সংকীর্ণতা বা বিকৃতি থাকলে সাধনা অসফল থেকে যাবে। মানুষের জানা হবে না আপন আত্মা বা আত্মস্বরূপ তথা সত্যকে। সীমা
-
আমরা যে-বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করছি, সে-বিষয়ে আলোচনার অসুবিধের দিকটা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আমরা অধিকাংশই রবীন্দ্রনাথের মূল ছবি দেখার সুযোগ পাই নি; রিপ্রিন্ট দেখেছি এবং তার পরিমাণও খুব বেশি নয়। রবীন্দ্রনাথ কত ছবি এঁকেছেন, এ নিয়েও একেক জন একেক রকম কথা বলেছেন। আমার মনে পড়ে, পৃথ্বীশ নিয়োগী প্রথম হিসেব দিয়েছিলেন যে, রবীন্দ্রনাথের ছবির সংখ্যা দুহাজারের কিছু বেশি। আজকের আলোচনায় বুলবন ওসমান উল্লেখ করেছেন যে, রবীন্দ্রনাথের ছবি হবে তিন হাজারের মতো। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, সাড়ে তিন হাজার। মনজুরুল ইসলামের বক্তব্যের ভিত্তি হচ্ছে শিবনারায়ণ রায়ের প্রবন্ধ। শিবনারায়ণ রবীন্দ্রভবনের অধ্যক্ষ ছিলেন, তিনি জানতেন, তাই বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের ছবির
-
এক
‘রবীন্দ্রনাথ ও আধুনিক সাহিত্য’ বিষয়ে কিছু বলবার জন্যে আমি আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার আলোচ্য বস্তুর দু’টি অংশের প্রথমটি, অর্থাৎ ‘রবীন্দ্রনাথ’ (১৮৬১– ১৯৪১) যেমন স্পষ্ট, পরবর্তী অংশ ‘আধুনিক সাহিত্য’ তেমনি অনচ্ছ। সুতরাং আলোচনার মর্মে প্রবেশের আগে এই বিষয়টি আমি একটু স্বচ্ছ ক’রে নিতে চাই।
আমার লক্ষ্য, আধুনিক সাহিত্যের যে-অংশ বাংলা ভাষায় রচিত সেটি। আবার অ্যাকাডেমিক আলোচনায় আধুনিক বাংলা সাহিত্য বলতে মাইকেল বা বঙ্কিমচন্দ্র অর্থাৎ উনিশ শতাব্দী থেকে ধরা হয়; কেউ কেউ রবীন্দ্রনাথ বা শরৎচন্দ্র থেকে আধুনিক সাহিত্যের সূচনা বলে মনে করেন: আমি এই রচনায় আধুনিক সাহিত্য বলতে বুঝিয়েছি রবীন্দ্রোত্তর অর্থাৎ মোটামুটিভাবে তিরিশের দশকের প্রগতি-কল্লোল-কালিকলম-কবিতা-পরিচয় ইত্যাদি পত্রিকা–বাহিত নতুন সাহিত্যকে।
-
ভাষাতাত্ত্বিক হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কৃতির মূল্যায়ন খুব একটা কম হয় নি। পশ্চিমবঙ্গে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, পবিত্র সরকার, সুনীল সেনগুপ্ত; বাংলাদেশে মুহম্মদ আবদুল হাই, কাজী দীন মুহম্মদ, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্; বিদেশে, রাশিয়ায় এ. এম. বিকোভা রবীন্দ্রনাথের ভাষাসংক্রান্ত রচনাবলির অনুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ করে কবির ভাষাতাত্ত্বিক প্রজ্ঞার গভীরতায় বিমুগ্ধ হয়েছেন। এদেশে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের উদ্গাতা মুহম্মদ আবদুল হাই বলেছেন:
... বিস্ময়ের বিষয় এই যে যাঁকে আমরা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলাভাষার অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠ কবি বলে জানি; সেই কবি রবীন্দ্রনাথই বাংলাভাষার বর্ণনাভিত্তিক আলোচনার জনক এবং পথিকৃৎ হয়ে রয়েছেন (হাই ১৩৬৮: ৬৯)।
ভাষাতাত্ত্বিকেরা রবীন্দ্রনাথের দুটো ভাষাসংক্রান্ত গ্রন্থ ‘বাংলা শব্দতত্ত্ব’ ও ‘বাংলা ভাষা পরিচয়’ বিশ্লেষণ করে তাতে বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
-
রবীন্দ্র-সাহিত্য মূলত বিশ্বের জিনিস, সে ভাবের জিনিস, কোনো ভাষার গণ্ডি, কোনো দেশের গণ্ডি তাকে সম্পূর্ণ বেঁধে ফেলতে পারে না—তার ভাব হতে রূপে আবার রূপ হতে ভাবে অবিরাম যাওয়া আসা। এ প্রসঙ্গেগীতাঞ্জলি’র ভূমিকায় কবি ইয়েটসের উক্তি স্মরণীয় : “রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের কবিতাবলীর গদ্যানুবাদ আমার রক্তে এমন দোলা দিয়েছে যা বহুকাল অনুভব করিনি। দিনের পর দিন এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি আমি সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছি—রেঁস্তোরা, বাস ও ট্রেনের কামরায় কবিতাগুলো পড়তে পড়তে আমি অনেক সময় পড়া বন্ধ করেছি, যাতে আমার ভাবাবেগ সহযাত্রীদের চোখে না পড়ে।... সমস্ত জীবনব্যাপী যে জগতের স্বপ্ন আমি দেখেছি কবিতাগুলো আমাকে সে রাজ্যে পৌঁছে দিয়েছে। এ কাব্য মহত্তর ঐতিহ্যের সৃষ্টি;
-
মেঘ-বৃষ্টি রবীন্দ্রসাহিত্যে নানা বর্ণিলতায় ও বিবিধ মাত্রায় রূপ লাভ করেছে; রবীন্দ্র-চেতনায় তা কখনো হয়ে উঠেছে বেদনা ও সংবেদনাময়, আবার কখনো-বা উপনিষদের মন্ত্রবিজড়িত তত্ত্বময়। নিরুদ্দেশ উদ্বেগ, সূক্ষ্মরহস্য, desolation ও বিরহবিষাদ, বৃন্দাবনের স্মৃতিমুখর অভিসার এবং ক্ল্যাসিক না-পাওয়ার অনুভূতি—মেঘ-বৃষ্টি তথা বর্ষার হাত ধরেই, রবীন্দ্রসাহিত্যে, সূচনামুহূর্ত থেকে চলাচল করেছে। প্রাচীন ভারতের নিভৃত বৃষ্টি, সন্ত্রস্ত অভিসারিকা, প্রতীক্ষা—উৎকণ্ঠিতা নায়িকা, রামগিরির ঘনায়মান মেঘ—এসব রবীন্দ্রকবিতায়, চিরদিন জন্ম দিয়েছে এক গতিশীল রোম্যান্টিক ব্যাকুলতার। এসব স্মৃতিদীপ্ত কল্পনায়, রবীন্দ্রনাথ এক উজ্জ্বল মহানুভবতায় ত্রিকালের ভেদরেখাকে বিলুপ্ত করে দেন; তিনি সত্য হয়ে ওঠেন প্রত্নকল্পে, স্মৃতি-বিস্মৃতিতে, অনন্ত কালের রূপ ঐশ্বর্যে। এ-সূত্রে এসে পড়বে তাঁর দার্শনিক সত্তার কথা। উপনিষদ-পরিশ্রুত বিশিষ্টদ্বৈতাদ্বৈতবাদী রবীন্দ্রনাথের মেঘ-বৃষ্টি তথা প্রকৃতি বিশ্বপ্রাণের
-
বিবিক্ত, বিষণ্ন ও ভয়াবহভাবে নির্জন এই কালে লোকসাহিত্যের চর্চা, পঠন-পাঠন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের চেতনার শরীরে স্নিগ্ধ মধুর প্রলেপের মতো। লোকসাহিত্যের সরল সহজ অনাড়ম্বর পৃথিবী একমাত্র ঠাঁই যেখানে মুখ লুকোবার মতো জায়গা আছে, অন্তত পিতৃমাতৃহীন এ-যুগে। লোকসাহিত্যের মধ্যে যুক্তিশাস্ত্রের নিয়মকানুন মানবার তেমন আয়োজন নেই অথচ শুধু তারই ভিতরে পর্যাপ্ত হৃদয় একেবারে ছড়িয়ে আছে, আর সেখানেই আমরা পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সংলাপে স্নিগ্ধ হতে পারি। একালের ধূসর সৃষ্টিহীন মুহূর্তে লোকসাহিত্য দেশের বিপুল জনসাধারণের সঙ্গে একাত্ম হতে শেখায়, আমাদের একাকিত্ববোধ, স্বল্পকালের জন্য হলেও, মুখর জনকণ্ঠের মধ্যে হারিয়ে যায়, ব্যক্তির আলাদা নির্জন অস্তিত্ব জন-অস্তিত্বের স্বাদ পায়, তদুপরি দেশ-কাল-পাত্রের দিগ্বলয় বিশ্ববলয়ের মধ্যে স্থিতি পায়, আমাদের বিষাক্ত
-
বর্তমানকালে সমগ্র বিশ্বজুড়ে পরিচিতি সত্তার রাজনীতি সাধারণভাবে রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উপাদান রূপে উঠে এসেছে। ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত পরিচিতি কেন্দ্রিক রাজনীতির ধারণারই কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সময়টা হল ১৯৮০-র দশক, যখন থেকে পরিচিতির রাজনীতি গুরুত্ব লাভ করতে থাকে।
পটভূমি
১৯৮০-র দশকে বিশ্বায়িত ফিনান্স পুঁজির ইন্ধনে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের আবির্ভাব। নয়া উদারবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম এই সময় থেকে জোরদার হতে শুরু করল। তথ্য-প্রযুক্তির মতো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বিশ্বায়ন এবং ফিনান্স পুঁজির গতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করল।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের এই পর্যায় এবং সমাজতন্ত্রের পতন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভাজন সমসাময়িক। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হল শোষণ। সমাজতন্ত্র থেকে পশ্চাদপসরণের কারণে শোষণ থেকে মুক্তির সর্বজনীন লক্ষ্যে
-
লেখক: শহিদুল ইসলামএক. অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রথম সূর্য ওঠার খরবটা পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এমনকি ২৫ মার্চ ১৯৭১, মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সে বাংলাদেশকে দখল করার জন্য শানিত আক্রমণ চালিয়ে প্রথম রাতেই হাজার হাজার মানুষকে লাশে পরিণত করেছে, সে খবরও আমি পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। প্রকৃতির অবধারিত নিয়মানুসারে সেই কণ্ঠটি চিরকালের জন্য নীরব হয়ে গেলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বসে আমার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য ওঠার আগের ঘটনাটি সেলুলয়েডে বন্দী ছবির মতো আমার চোখে ভেসে উঠলো। সেদিনের ইতিহাস নিয়ে আমি অনেক লিখেছি। সেখানে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ আছে। কিন্তু তার বেশি না। তাই দেবদুলালহীন পৃথিবীতে আজ তাঁর কথা আরো
ট্যাগ
লেখক
- অম্লান দত্ত (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আনোয়ারা বেগম (১)
- আবদুল মান্নান সৈয়দ (১)
- আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন (১)
- আবু মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (১)
- আহমদ রফিক (১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- নরেন বিশ্বাস (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১)
- মনসুর মুসা (১)
- মযহারুল ইসলাম (১)
- যতীন সরকার (৭)
- সন্জীদা খাতুন (১)
- সৈয়দ আকরম হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়াৎ মামুদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.