-
এক-যে ছিল বুড়ো আর বুড়ি। বাজারে গিয়ে বুড়ো একটা পাঁঠী কিনল। বাড়ি নিয়ে এসে রাতে ঘুমাল, পরের দিন বুড়ো ছেলেকে বললে পাঁঠীটা চরিয়ে আনতে। ছোকরা পাঁঠী চরায়, চরাল একেবারে সন্ধে পর্যন্ত। সন্ধেয় তাকে নিয়ে চলল বাড়ি। এল বেড়ার দরজা পর্যন্ত, বুড়ো সেখানে তার লাল বুট পরে দাঁড়িয়ে। শুধাল: ‘পাঁঠী আমার, ছাগলীটি, জল খেয়েছিস তুই, ঘাস খেয়েছিস?’
‘না দাদু, কিছু, খাই নি, দাই নি: কেবল সাঁকো দিয়ে যাওয়া, পাতা খুঁটে নেওয়া, খালের পাড়ে ছোটা, একফোঁটা জল জোটা—ওইটুকুনি ভোজন, ওই তেষ্টা মিটন।’
ছেলের ওপর রেগে গেল বুড়ো, দিল তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে ৷ পরের দিন ছোটো ছেলেকে পাঠাল। ছাগল চরায় সে, চরাল
-
[সামাজিক বৈষম্য, বিশেষ করে বর্ণবৈষম্যের ওপর লিখিত তাঁর গল্পগুলির জন্য সুবিদিত লেখিকা নাডাইন গর্ডিমারের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার এক শ্বেতাঙ্গ পরিবারে। পঞ্চাশ দশকে যখন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা সম্বন্ধে তাঁর জোরালো গল্পগুলি লিখতে আরম্ভ করেন তখন ওটা ঠিক ফ্যাশানও ছিল না বা শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবিচারগুলোর কথা প্রকট করা যুক্তিযুক্তও ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও অত্যন্ত সাহসের এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি তা ব্যক্ত করে গেছেন। অগণিত ছোটগল্প ছাড়া বেশ কয়েকটি উপন্যাসও তিনি লিখেছেন। ১৯৯১ সালে সাহিত্যের জন্য তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।]
রক্তিম দিগন্তের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে একক সিধা রেল লাইন ধরে সবেগে তাদের দিকে নেমে এলো। স্টেশন মাস্টার তার ছুঁচোলো
-
আরচিল ঘুমোতে পারলো না...। সে হয় অন্ধকারাচ্ছন্ন ছাদের দিকে ক্লান্তভাবে তাকিয়ে চিৎ হয়ে শুচ্ছিলো, নয় তো উপুড় হয়ে শুয়ে বালিশের মধ্যে তার উত্তপ্ত মুখখানা গুঁজছিলো। চোখ বুজলেই চোখের সামনে ভাসছিলো কেতিনোর পাণ্ডুর মুখখানা। তুষার-ধবল বালিশের গায়ে তার কুচকুচে কালো চুল যেন আরও কালো লাগছিল। তার কালো কালো চোখ দুটো আঁখিপল্লবে ঢাকা, তার ঠোঁট দুটি কাঁপছিল, যেন সে ফিস ফিস করে কিছু বলছে।
আরচিল উঠে বসলো, চোখ খুলে যে ভয়ঙ্কর স্বপ্নগুলো তার চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে তাদের মন থেকে তাড়াবার ব্যর্থ চেষ্টা করতে লাগলো।
উদ্বিগ্ন এক মা তার অসুস্থ কন্যার শয্যার উপর ঝুঁকে পড়েছে। নিদ্রাহীন রাতগুলোর পর ক্লান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই
-
দীর্ঘকাল সফরের পর বেরিং বাড়ি ফিরে আসার আগে আগে তার ছেলে, ছোট্ট টম বেরিং কর্ণেলিয়া-পিসি আর তার স্বামী কার্ল-পিসেমশাইয়ের কাছে নাস্তানাবুদ হল।
টম অন্ধকার লাইব্রেরী-ঘরে সাবানের ফেনার রঙিন বুদ্বদ ছাড়ছিল। এর চেয়েও বড় বড় অপরাধ অবশ্য সে করেছে: যেমন, আতসকাচ দিয়ে হলুদ পর্দা ফুটো করে দেওয়া ‘দেকামেরন’ বই খুলে তার ছবি দেখা, পড়শীর ছেলের সঙ্গে মারামারি—তবে কর্ণেলিয়াকে বিশেষ করে উত্তেজিত করে তোলে সাবানের বুদ্বুদ। বিশাল, কেতাদুরস্ত বাড়িতে এরকম চাপল্য অসহ্য, তাই কার্ল -পিসেমশাই গম্ভীর ভাবে বালকের কাছ থেকে সাবানের ফেনাসুদ্ধ পাত্রটা কেড়ে নিলেন, আর কর্ণেলিয়া-পিসি কাচের নলটা।
কর্ণেলিয়া অনেকক্ষণ ধরে টমকে নষ্ট ছেলেদের নিদারুণ ভাগ্য সম্পর্কে—ভবিষ্যদ্বাণী করে বললেন যে তারা
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
গ্রীষ্মের পালা চললো পুরো এক মাস ধরে। বড়োরা বলাবলি করতে লাগলো তাপটাকে যেন দেখাও যায়।
তানিয়া ক্রমাগত সবাইকে প্রশ্ন করে চললো, ‘গরমকে আবার দেখবে কী করে?’
তানিয়ার বয়স তখন পাঁচ। সেই বয়স যখন প্রতিদিন শিশুরা নতুন নতুন জিনিস শেখে। গ্লেব খুড়ো ঠিকই বলেছিলেন যে তিনশো বছর ধরে বাঁচলেও সবকিছু জানা যায় না।
‘আমার সঙ্গে ওপরে আয়, গরমটা তোকে দেখাবো। সেখান থেকে ভালো দেখতে পাবি।’
তানিয়া খাড়াই সিঁড়িটা দিয়ে উঠলো। চিলেকোঠাটা আলোয় ভরা, কিন্তু রোদ পোড়া ছাদের তলায় বলে গরম। চিলেকোঠার জানালাগুলোর ভিতর দিয়ে বাইরের বুড়ো মেপ্ল গাছটা ডাল পালা ঢোকাতে এতো জোর চেষ্টা করছে যে সেগুলোকে বন্ধ
-
বহুদিন আগে এক বাদশাহ ছিলেন, দীর্ঘদিন তাঁর কোন সন্তান হয় না। শেষে তাঁর স্ত্রী এক ছেলের জন্ম দিয়ে মারা যান সঙ্গে সঙ্গেই। স্ত্রীর শোকে এমন ভেঙে পড়লেন তিনি যে ছেলের মুখও দেখতে চাইলেন না সেই তার মায়ের মৃত্যুর কারণ বলে: ধাইয়ের ওপর তাকে বড় করে তোলার ভার দিয়ে কড়া আদেশ দিলেন তাকে যেন লুকিয়ে রাখা হয় লোকচক্ষুর আড়ালে, এমন কি দিনের আলোয় যেন তাকে কখনও বাইরে আনা না হয়।
ছেলেটির নাম দেওয়া হল মুজাফ্ফর। রাখা হল তাকে মাটির নীচে তৈরী এক বাড়ীতে, যেখানে দিনের আলোর প্রবেশ নিষেধ—কেবল বাড়ীর ছাদের গম্বুজটা উঠে আছে মাটির উপরে। বাড়ীর বাইরে কখনও যেতে দেওয়া হয়
-
সমরখন্দ এক বাই থাকত, আর এক বাই থাকত পাহাড় এলাকায়। যে পাহাড়ী এলাকায় থাকত সে ছিল আশ্চর্য কিপ্পণ। তার ছিল কতকগুলো ভেড়ার পাল, কতকগুলো ঘোড়ার পাল, কয়েকজন খেতিমজুর আর তিন বউ। সমরখন্দের বাইও কম যেত না তার কাছে কিপটেমিতে: ধনসম্পত্তি তারও কম ছিল না: টালির তৈরী বাড়ি, ঘোড়ার পাল, ভেড়ার পাল। কিন্তু সে এমনকি গরীব মানুষকে একটুকরো রুটিও দিত না, কখনও ভিক্ষা দিত না, দিনমজুর রাখত না, সব কাজ নিজে করার চেষ্টা করত।
সমরখন্দের বাইয়ের স্ত্রী যুবতী, তার মোটেই ভালো লাগে না বাইয়ের এই কিপটেমি। সে প্রতিজ্ঞা করল যে তার স্বামী মরে গেলে সে আবার বিয়ে করবে এক উড়নচণ্ডিকে।
বাই
-
সাম্প্রতিককালে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ‘পরিচয়ের রাজনীতি’ (Identity Politics)। অনেকেই এই শব্দটি সম্পর্কে আগে থেকেই কিছুটা অবগত। কারণ অনেক বিতর্ক, বিশেষ করে জাতি, লিঙ্গ এবং যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো, পরিচয়ের রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। পরিচয়ের রাজনীতি এমন অনেক বিতর্কে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে—অনেকেই মনে করতে পারে যে বামপন্থী রাজনীতি মানেই পরিচয়ের রাজনীতি, আর পরিচয়ের রাজনীতিই যেন বামপন্থী রাজনীতির পুরোটা। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্যাপারটা এমন নয়।
ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনীতি ছিল শ্রেণি রাজনীতির (Class Politics) ওপর ভিত্তি করে। কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী ও অন্যান্য বামপন্থী দলগুলো শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে বড় গণসংগঠন তৈরি করত। এর পেছনের ধারণা ছিল সব জাতি,
-
ফুটো ভিস্তি
আর্সলান তাকিয়ে ছিল দাদুর দিকে। রহিম-আগা পাকা খুবানি পাড়ছিলেন গাছ থেকে। দাদু প্রকান্ড আর ফলগুলো ছোটো ছোটো। আর্সলান আরো দেখছিল একটা পিঁপড়েকে। পিঁপড়েটা ছোট্ট, কিন্তু মস্তো একটা শুকনো ঘাস সে বইছিল।
‘দাদু, দাদু!’ ডাকল আর্সলান।
নাতির কাছে এলেন রহিম-আগা।
পিঁপড়েটাকে দেখাল নাতি, ‘দেখেছ, কোথায় সে এত বড়ো জিনিসটা নিয়ে যাচ্ছে?’
দাদু হেসে হাত রাখলেন আর্সলানের মাথার ওপর।
‘জেনে রাখ রে বাছুর, পিঁপড়ে হল দুনিয়ায় সবচেয়ে খাটিয়ে জীব। ওই ঘাসটা কাজে লাগবে উইঢিবি বানাতে, কিংবা ওটা ওরা খাবে। শীত আসছে, হিমে জমে যাবে মাটি, কিন্তু পিঁপড়েদের ভয় নেই। বাড়িতে থাকবে গরমে, খেয়ে-দেয়ে।’
আর্সলান বললে, ‘তাহলে আমিও খাটব। বাড়ি থাকবে
-
সারার পা দুখানা অচল হয়ে পড়ার আগে সে আমাদের কাছেই কাজ করতো। খুবই মোটা ছিল সে আর তার গায়ের রঙ ছিল হালকা হলদেটে-বাদামী, যেন একটা বেলুনের মতো, বেলুন ফোলালে যেমন রঙটা তার হালকা হয়ে যায়, পিগমেন্টের (প্রাণী ও উদ্ভিদের তত্ত্বরঞ্জক পদার্থ বিশেষ) পাতলা স্তরের নিচের মেদ বৃদ্ধি হলে সেটা টানটান হয়ে আরও বেশি পাতলাভাবে ছড়িয়ে যায়। গিল্টি করা ছোট্ট সরু ফ্রেমের চশমা পরতো সে আর ভালো রাঁধুনী ছিল, মাখনের ব্যাপারে শুধু যা তার হাতটা ছিল দরাজ।
তার সম্বন্ধে এই সব জিনিসগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু এর ওপর তার ছিল একটি মাত্র স্বামী, আইনসম্মতভাবে তার সঙ্গে গীর্জায় বিবাহিত, আর ছিল তিনটি
-
রোজই ওকে মিলের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে দেখি। বছর বারো বয়স, মুখে বসন্তের দাগ, রোগা, কালো ছেলেটি। রোজই ও মিলের সামনে দিয়ে হেঁটে যায়। সকালবেলা হাজিরা ডাকার সময়ে, বিকেল বেলা জলখাবার খাওয়ার সময়ে, সন্ধ্যেবেলা মিল থেকে বাড়ি ফেরবার সময়ে ওকে আমি দেখি। চাকরির খোঁজে ও এখানে আসে না কারণ ও অন্ধ। আর এই দেশে চক্ষুষ্মান লোকেরাও চাকরি পায় না, অন্ধদের কথা ছেড়েই দেওয়া যাক্। অন্ধদের পক্ষে সব চেয়ে উপযুক্ত জীবিকা হল ভিক্ষে করা।
কিন্তু এই ছেলেটি বেশ চালাকচতুর। ওকে আমি কখনো ভিক্ষে করতে দেখিনি। ওর গলার স্বর সরু কিন্তু চমৎকার গাইয়ে-গলা। হাতে সব সময়ে এক তাড়া গানের বই আর মিলের
-
নানারকমের খুচরো সৌখীন জিনিষ নিয়ে যাদের কারবার সেইসব দোকানকে বলে কিউরিওসিটী শপ্। কিউরিও (curio মানে বিচিত্র—অদ্ভুত সব জিনিস, সেই দোকানে পাওয়া যায়। যা দেখতে আমাদের কৌতুহল হয়, যা দেখে আমাদের বিস্ময়ের সীমা থাকে না, এমনি সব জিনিস! আমাদের দেশেও এরকম দোকান ঢের আছে—হয়ত তোমারা দেখেও থাকবে! পেতলের চীনে বুদ্ধমূর্তি, পুরানো তুর্কি গালিচা, মিশরের তৈরী হয়ত পাথরের খেলনা—নানাবর্ণের, নানা দেশের বিচিত্র সব জিনিস, যাদের পয়সা আছে তারা সখ করে কেনে, যাদের যথেষ্ট নেই তারা চেয়ে থাকে, কিম্বা দর করে।
অনেকদিন আগে বিলেতে এমনি একটা দোকান ছিল। তার বৃদ্ধ মালিক আর তাঁর নাতনী নেলি ঐ দোকানেরই ওপর তলায় বাস করতেন। বাড়ীটা নিজের—দোকানেরও
উৎস
- ইউক্রেনের লোককথা
- রাঙা পাল
- প্রক্রিয়াধীন
- তাজিক লোককাহিনী
- ভাবনা সমবায়
- সোনার পেয়ালা
- ফুলকি ও ফুল
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- উক্রাইনীয় উপকথা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মানুষের জন্ম
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- কাজাখ লোককাহিনী
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- তানিয়া
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- পরিচয়
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.