-
'৪৮ সালের প্রথম ভাষা আন্দোলনের পরে তখনকার মুক্তিসংগ্রামী রাজ- নৈতিক কর্মীদের যে ধরপাকড় শুরু হয়, তার ধারাটা '৭১ পর্যন্ত প্রায় একই রকম ছিল। একবার ঢোকালে আর বের করার নাম নেই। দরকার হয়েছে বড় বড় ঠেলার। তবে জেলের দরজা খুলেছে। যেমন '৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারীর ঠেলা, '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয়ের ঠেলা, '৬২ সালের এন, ডি, এফ'এর ঠেলা, '৬৯ এর এগারো দফার ঠেলা। তারপর '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কত জেলের রাস্তা তো সদর রাস্তা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রথম প্রথম জেলবন্ধের সময়টা বেশী হতো। ভেতরে যারা থাকতো তারা মনে করতো সারা পৃথিবীটা নিঝুম। কবে জাগবে ছাত্র-জনতা? নোয়াখালির কৃষকনেতা মমতাজ মিঞা গাঁয়ের চেয়ারম্যান, প্রথম
-
সে-বার মায়ের সঙ্গে আমরা গাঁয়ের বাগান-বাড়িতে আছি। মিশকা এল দিনকতক বেড়াতে। কী যে আনন্দ হল বলবার নয়। ও না থাকায় ভারি একলা লাগছিল। মা-ও খুশি হল খুব।
বলল, ‘যাক, এসেছিস বাঁচা গেল। দুজনে মিলে তোদের আনন্দে কাটবে। তবে শোন, কাল আমায় শহরে যেতে হবে, দিন কতক আটকে যেতেও পারি। আমি না থাকলে অসুবিধা হবে না তো?’
আমি বললাম, ‘কিছু অসুবিধা হবে না, আমরা তো বাচ্চা নই!’
‘তোদের কিন্তু নিজেই রান্না করে নিতে হবে, পারবি?’
‘পারব বইকি,’ বলল মিশকা, ‘না পারার কী আছে।’
‘বেশ, তাহলে সুরুয়া আর পরিজ রাঁধিস। পরিজ রাঁধা সবচেয়ে সোজা।’
‘তা পরিজই রাঁধব, কী আর হয়েছে!’ বলল মিশকা।
-
মা একদিন বাবাকে বললেন, ‘হ্যাঁগো, মৌমাছি পাললে হয় না? পাড়ার সবাই পালে। ঘরের মধু খায়।’
‘ঠিক আছে, পালা যাবে’, বললেন বাবা।
রবিবার বাজার থেকে উনি দুটি মৌমাছি পালনের খাঁচা নিয়ে এলেন।
প্রায়ই দেখতাম, বাবা এসে খাঁচার ডালাটা খুলতেন, চাকটা বার করে আনতেন সেখান থেকে, তারপর মা সেখান থেকে ঘন মধু ঢালতেন সোনালি রঙের। প্রথম প্রথম বাবা ডালা খোলার আগে মাথায় কাপড় জড়িয়ে নিতেন। পরে খালি মাথাতেই খুলতেন। মৌমাছির কামড়ের কথা কখনো বলেননি।
একদিন মা-বাবা গেছেন কী একটা বিয়ের ভোজে। একা একা আমার বিছছিরি লাগছিল, ডেকে আনলাম আহমেদকে। মৌমাছির আলাপটা ঠিক কী থেকে উঠেছিল মনে নেই। তবে আমি বড়াই করে বলেছিলাম,
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে বলে এরকম দিনে সাগরের ঢেউ ওঠে তিন তলা বাড়ির সমান উঁচু, বাতাসের ঠান্ডা ঝাপট তলোয়ারের মতো শনশনে, মেঘে ছেয়ে আসমান এমন জমাট যে চোখে কিছু দেখা যায় না।
উলদুজ দাদুর কাছে শুনেছে যে লোকে সাগরের বুকে মস্তো এক শহর তুলেছে। রাস্তাগুলো তার ভারী লম্বা লম্বা। দুধারে তার বড়ো বড়ো উঁচু বাড়ি। তারই একটা বাড়িতে থাকেন দাদু। এক হপ্তা থাকেন সেখানে, তেল তোলার ডেরিকে যতক্ষণ কাজ চলে, তারপর ফিরে আসেন বাড়িতে। ক’দিন জিরিয়ে আবার চলে যান তাঁর সাগরের শহরে। সত্যি বলতে
-
‘আচ্ছা, মেঘগুলো সব গেল কোথায়?’ বলল ল্যুবাশকা।
ঘাসের ওপর শুয়ে শুয়ে সে নীল আগুনে পোড়া আকাশটাকে দেখছিল। পরিষ্কার ফাঁকা আকাশ। শুধু ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে একটা তপ্ত গোলক—সূর্য। আজ দু’দিন ধরে এই চোখ ধাঁধানো গোলকটায় মেঘের ছায়া পড়েনি।
গুমোট। গরম। তপ্ত হাওয়ায় তালু জ্বলে যায়। পুড়ছে, পুড়ছে। ফ্যাকাশে নীল আগুনে পুড়ছে উঁচু আকাশটা। পুড়ছে একদিন, দু’দিন, দু’সপ্তাহ। সাদা মেঘগুলো যেন দানা বাঁধতে-না-বাঁধতেই সে আগুনে বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে।
‘অমন মনমরা কেন ওগুলো, অমল চুপচাপ?’ বলল ক্ষেতের গম শিষগুলোকে লক্ষ করে।
গমগাছগুলো দাঁড়িয়ে আছে একেবারে নিশ্চল। গম, ঘাস, গাছপালা—সবকিছুই। এতটুকু খসখসানি নেই।
‘হবে না মনমরা!’ পাশ দিয়ে যাচ্ছিল শুরা মাসি, আমার
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে আসবে। ছুটে বেড়াবে ভেড়ার পালের পাহারাদার কুকুরগুলোর সঙ্গে। চেয়ে দেখবে তার আদরের শাদা-লেজো ভেড়াটাকে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, তার বাপ-মায়ের এখনকার ঘরটির তলে গিয়ে ঢুকবে, কেননা ওটা তো সাধারণ ঘর নয়, চাকায় বসানো। কোনো ভিত নেই তার, শুধু চারটে চাকা। সবচেয়ে আগে অবিশ্যি দরকার আশপাশটা দেখা।
মা-বাপে কিন্তু মাম্বেতকে ছাড়ছিল না। কেবলি জিজ্ঞেস করছিল গাঁয়ের লোকের খবর কী, কেমন আছেন দিদিমা, কাকু কী করছে...
এদিকে শীতের সন্ধে তো ছোট্ট। দেখতে-না-দেখতেই বাতি জ্বলে উঠল, শুরু হল রাতের খাওয়া। শুইয়ে দিল মাম্বেতকে।
-
গল্পগুলো আমি শুনেছিল বেসারবিয়ার উপকূল অঞ্চলে, জায়গাটা আক্কেরমানের কাছে।
সন্ধ্যা হয়েছে। সারা দিনের আঙ্গুর তোলার কাজ শেষ করেছি আমরা; কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার কর্মসঙ্গী মল্দভীয় লোকগুলি সাগর বেলার দিকে চলে গের। বুড়ি ইজেরগিলের সঙ্গে আমির রয়ে গেলাম সেখানে। ঘন আঙ্গুর-ঝোপের ছায়ায় মাটিতে গা এলিয়ে দিলাম, চুপ করে দেখতে লাগলাম, সৈকতাভিমুখী কারো ছায়াগুলি ধীরে ধীরে রাত্রির অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
হাসি গানে মসগুল হয়ে তারা চলেছে বেলাভূমির দিকে। পুরুষগুলোর পরনে খাটো আলখাল্লা ও ঢিলে পাৎলুন, পোড়া তামাটে চেহারা, কালো মোটা গোঁফ আর মাথা ভরা কালো চুল কাঁধ পর্যন্ত পড়েছে। মেয়েরা চলেছে হাসিখুশি, লাবণ্যে ভরা দেহ, চোখ ঘন নীল, চেহারা তাদেরও
-
ঝন্টু যে, একেবারে সক্কাল বেলা? আমাদের বাড়ীর বাইরের বারান্দায় বসে মুড়ি চিবুতে চিবুতে প্রশ্ন করলুম। ঝন্টু আমার কাঁধে একটা ঝাঁকি দিয়ে বলল: সকাল। এই বেলা নটার সময় তোর সকাল হ'ল?
আমি আরও একমুঠো মুড়ি মুখে পুরে দিয়ে বললুম: আমি সে কথা বলছি নে। বলছিলুম যে তুই তো কোনদিন এত সকালে বাড়ী থেকে বেরুস না। তোর আব্বা না তোকে দশটার আগে বাড়ী থেকে বেরুতে নিষেধ করেছেন?'
: আব্বা তো নেই, অফিসের কাজে সিলেট গেছেন। নইলে কি আর এত সকালে বেরুতে পারি?
আমি কোন কথা না বলে একমনে মুড়ি চিবুতে লাগলুম। ঝন্টু কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে বলল: তোর কোন ভদ্রতা জ্ঞান নেই দেখছি।
-
সেদিন বিকেলে ঝন্টুদের রোয়াকে বসে আমি, ঝন্টু আর খুরশীদ গল্প করছিলাম। এমন সময় নোটন এসে উপস্থিত হলো। এসেই বলল: আষাঢ়ে গল্প হচ্ছে বুঝি।
কটু বলল: আষাঢ়ে গল্প করব কেন? আমরা করছি শ্রাবণী গল্প।
আমি আরও একটু বিদ্যা জাহির করবার জন্য বললাম: আরে এতো কার্তিক মাস। কার্তিক মাসে শ্রাবণী গল্প করে নাকি?
খুরশীদ বলল: ঠিক বলেছিস। কার্তিক মাসে কার্তিকী গল্প বলাই ভালো। 'ক' দিয়ে যে সব লোকের নাম হয় তাদের গল্প বল।
নোটন বলল: কায়েদে আজমের গল্প বল।
কটু ফস করে বলল: কায়েদে আযমের কথা আমরা সবাই জানি। কালিদাসকে নিয়েই আরম্ভ কর।
খুরশীদ বলল: দূর, তোদের ঐ কালিদাস টালিদাস বাদ দে।
-
রোববার সকাল। বেলা তখন নটা-দশটা হবে। আমরা সবাই ঝন্টুদের রোয়াকে বসে রয়েছি। বছরের নতুন ক্লাস আরম্ভ হবে কাল। তাই পড়াশোনার বড় একটা ঝামেলা নেই। সেইজন্য বসে বসে আড্ডা দেওয়া হচ্ছিল। এই সময় কটু বলল: জানিস কাল আমার বাঘা মামা আসছে।
আমি চমকে উঠলাম। কারণ 'ব্যাঘ্র' শব্দটার উপর আমার একটুও আস্থা নেই। শব্দ থেকে ওটা যে কখন আসল জিনিস হয়ে ওঠে, বলা যায় না।
বাঘ দেখার অভিজ্ঞতা একবার আমার হয়েছিল। না, চিড়িয়াখানায় নয়—বাঘের মাতৃভূমি একেবারে সেই সুন্দরবনে। ছোট চাচার কাছে একবার গিয়েছিলাম সুন্দরবনে। আমাকে নিয়ে গেলেন সুন্দরবন দেখাতে। ফরেস্ট অফিসের ডাক বাংলা থেকে হাঁটা পথে চললাম বনের দিকে। বনে গিয়েই বলতে
-
আমাদের ক্লাসটিচার হক সাহেব রিটায়ার করেছেন। তাঁর বদলে আজ নাকি একজন নতুন মাস্টার আসবেন। আমাদের ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চের সেরা শয়তানগুলি মানে আমি, করিম, ইকবাল, সিরাজ আর নাসির একথা শুনে তো একবারে মেতে উঠলাম। ক্লাসে এসেই হৈ চৈ শুরু করে দিলাম। নাসির আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল: কিছু ভেবেছিস, কি করবি?
আমি বললাম: ওসব সিরাজই আমার চেয়ে ভাল জানে।
সিরাজ বলল: তোরা কিসুটি ভাববিনে। আমি তো রয়েছি। ক্লাস আরম্ভ হলেই মজা দেখতে পাবি।
সিরাজের উপর আমাদের বেশ ভরসা। আমাদের ধারণা, সিরাজের বুদ্ধি আমাদের সকলের চেয়ে তীক্ষ্ণ (অবশ্য পড়াশোনার বেলায় তার মাথা আমাদের মতই অচল)। তাই সিরাজের উপর আমাদের সকলেরই আস্থা
-
[প্রাচীন কাল থেকে তাজিক সাংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে পারস্য ও ভারতে সাংস্কৃতির।
সাদ্রিদ্দীন আইনি (১৮৭৮-১৯৫৪) ছিলেন মহাপন্ডিত ও ধ্রুপদী কবি এবং তাজিক গদ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর রচনাবলী তাজিক জনগণের উপকথা বিশেষ।
বারো বছরের সাদ্রিদ্দীন বোখারায় আসেন জ্ঞান পিপাসার তাগিদে। কিন্তু মাদ্রাসার দুঃস্থ ছাত্রটির বেশির ভাগ সময় কাটত অন্য লোকের কাপড়জামা ধোওয়ায়, পড়াশুনোয় নয়। সুদীর্ঘ রাত্রে ঘুমের কথা ভুলে সে সাগ্রহে পড়ত হাফিজ, সাদি, কামল খুজান্তি এবং আহমেদ দানিশ এর মতো মহাকবিদের রচনা।
বিপ্লবের পর বোখারা আমিরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সাদ্রিদ্দীন আইনি, তাঁর নিজের ভাষায়, ‘অক্টোবর বিপ্লবের পাঠশালায় চল্লিশ বছর বয়সের পড়ুয়া হলেন,’’ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োগ করলেন সাহিত্য সেবায়। তাজিক
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- শিউলি-মালা
- গল্পগুচ্ছ
- পুরাণের গল্প
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- বারো মামার এক ডজন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মৌরীফুল
- জ্যোতিরিঙ্গন
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- পাতাবাহার
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মেঘমল্লার
- কুশলপাহাড়ী
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- অনুসন্ধান
- নবাগত
- ফুলকি ও ফুল
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৮)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১৪)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৫)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৩)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.