-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে বলে এরকম দিনে সাগরের ঢেউ ওঠে তিন তলা বাড়ির সমান উঁচু, বাতাসের ঠান্ডা ঝাপট তলোয়ারের মতো শনশনে, মেঘে ছেয়ে আসমান এমন জমাট যে চোখে কিছু দেখা যায় না।
উলদুজ দাদুর কাছে শুনেছে যে লোকে সাগরের বুকে মস্তো এক শহর তুলেছে। রাস্তাগুলো তার ভারী লম্বা লম্বা। দুধারে তার বড়ো বড়ো উঁচু বাড়ি। তারই একটা বাড়িতে থাকেন দাদু। এক হপ্তা থাকেন সেখানে, তেল তোলার ডেরিকে যতক্ষণ কাজ চলে, তারপর ফিরে আসেন বাড়িতে। ক’দিন জিরিয়ে আবার চলে যান তাঁর সাগরের শহরে। সত্যি বলতে
-
ত্যুলকা মেয়েটির চোখ দুটি নীল, মাথায় মজার দুটি বেণী, একটা চাকার মতো, আরেকটা ছাগলের শিঙের মতো। জেলেদের জেটি বরাবর মনমরার মতো সে হাঁটছে। মাথার ওপর হাসিখুশি হালকা মেঘ উড়ে বেড়াচ্ছে হাসিখুশি গাঙচিল, হাসিখুশি রোদ্দুর চারদিকে, কিন্তু মেয়েটির মন ভার। চুপ করে তাকিয়ে দেখছে সমুদ্রের দিকে।
আর সে কী সমুদ্র! এই নীল। এই আবার ছেয়ে সবুজ। হঠাৎ একেবারে সোনালি। কিন্তু ত্যুলকার চোখ অন্যদিকে...দূরের ওইখানটায়, যেখানে সবচেয়ে নীল, সেখানে সমুদ্রের গভীরে আছে গন্ধকী-হাইড্রোজেনের রাজ্য, জীবন্ত সবকিছুই মারা পড়ে তাতে, কাঁকড়া, মাছ, জেলি ফিশ, এমনকি সিন্ধুঘোটক পর্যন্ত...
এই বিছছিরি গ্যাসটার কথা সে শুনেছে স্কুলের শিক্ষিকা আল্লা ফেদোরভনার কাছ থেকে। সেই থেকে ত্যুলকার মনে
-
একবার আমরা গোটা ক্লাস গেলাম সার্কাসে। ভারী আনন্দ হল আমার, কেননা শিগগিরই আমার আট বছর পেরুবে, অথচ সার্কাসে গেছি কেবল একবার, তাও অনেক দিন আগে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, আলিয়োঙ্কার সবে ছয় বছর বয়স, কিন্তু সার্কাস দেখেছে তিন তিনবার। কষ্ট হয় না? তারপর তো গোটা ক্লাসই আমরা এলাম সার্কাসে। ভাবলাম, ভাগ্যি এখন আমি বড়ো হয়েছি, যেমন করে দেখা দরকার সব দেখব। তখন আমি ছিলাম ছোট, সার্কাস কী তা ভালো বুঝিনি। সেবার যখন খেলা দেখাতে এসে একজন আরেকজনের মাথায় উঠে দাঁড়ায় তখন আমি হো-হো করে হেসে উঠেছিলাম, ভেবেছিলাম এটা ওরা ইচ্ছে করে করছে, রগড়ের জন্যে, কেননা বাড়িতে তো আমি কখনো দেখিনি
-
দক্ষিণের নীল আকাশটুকু ধুলোয় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে; প্রদীপ্ত সূর্য যেন ধূসর পর্দার ভিতর দিয়ে আব্ছা দৃষ্টিতে হরিৎ সমুদ্রের দিকে চেয়ে আছে। জলে সূর্যের প্রতিবিম্বটুকুর পর্যন্ত অবসর নেই, কর্মব্যস্ত বন্দরের সেই জল ক্রমাগত দাঁড়ের আঘাতে আর স্টীমারের চাকার আবর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, দিকবিদিক—গামী তুর্কী জাহাজ ও নানা অর্ণবপোত অবিরাম সমুদ্রের জল যেন চষে চলেছে; উন্মুক্ত ঢেউগুলি গুরুভার জলযানের চাপে পাষাণ প্রাচীরে অবরুব্ধ হয়ে জাহাজের গায়ে ও তটভূমিতে আছড়ে পড়ছে। মন্থনক্ষুব্ধ ফেনিল ও আবর্জনাময় জলরাশি আছড়ে পড়ে যেন তার অভিযোগ জানায়।
নোঙরের শিকলের ঝন্ঝন শব্দ, মালবাহী রেলগাড়ির ঝম্ঝমানি, পাথরের মেঝের উপর লোহার পাত ফেলার তীব্র ঝনৎকার, কাঠ নামানোর দুমদাম শব্দ, ভাড়াটে
-
ঝন্টু যে, একেবারে সক্কাল বেলা? আমাদের বাড়ীর বাইরের বারান্দায় বসে মুড়ি চিবুতে চিবুতে প্রশ্ন করলুম। ঝন্টু আমার কাঁধে একটা ঝাঁকি দিয়ে বলল: সকাল। এই বেলা নটার সময় তোর সকাল হ'ল?
আমি আরও একমুঠো মুড়ি মুখে পুরে দিয়ে বললুম: আমি সে কথা বলছি নে। বলছিলুম যে তুই তো কোনদিন এত সকালে বাড়ী থেকে বেরুস না। তোর আব্বা না তোকে দশটার আগে বাড়ী থেকে বেরুতে নিষেধ করেছেন?'
: আব্বা তো নেই, অফিসের কাজে সিলেট গেছেন। নইলে কি আর এত সকালে বেরুতে পারি?
আমি কোন কথা না বলে একমনে মুড়ি চিবুতে লাগলুম। ঝন্টু কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে বলল: তোর কোন ভদ্রতা জ্ঞান নেই দেখছি।
-
সেদিন বিকেলে ঝন্টুদের রোয়াকে বসে আমি, ঝন্টু আর খুরশীদ গল্প করছিলাম। এমন সময় নোটন এসে উপস্থিত হলো। এসেই বলল: আষাঢ়ে গল্প হচ্ছে বুঝি।
কটু বলল: আষাঢ়ে গল্প করব কেন? আমরা করছি শ্রাবণী গল্প।
আমি আরও একটু বিদ্যা জাহির করবার জন্য বললাম: আরে এতো কার্তিক মাস। কার্তিক মাসে শ্রাবণী গল্প করে নাকি?
খুরশীদ বলল: ঠিক বলেছিস। কার্তিক মাসে কার্তিকী গল্প বলাই ভালো। 'ক' দিয়ে যে সব লোকের নাম হয় তাদের গল্প বল।
নোটন বলল: কায়েদে আজমের গল্প বল।
কটু ফস করে বলল: কায়েদে আযমের কথা আমরা সবাই জানি। কালিদাসকে নিয়েই আরম্ভ কর।
খুরশীদ বলল: দূর, তোদের ঐ কালিদাস টালিদাস বাদ দে।
-
কামাল ভাইকে বললাম: আজ মোহামেডান ভিকটোরিয়ার খেলা। টিকিট কাটবে না?
কামাল ভাই বলল: খেলা ত বিকালে, এখন কোথায় যাচ্ছিস?
: সে কি। এডভান্স টিকিট করতে হবে না?
: দূর, দূর। এসব খেলা আবার টিকিট করে দেখব আমি? বিনে টিকেটেই যাব।
: পাসে যাবে বুঝি? কিন্তু জান তো এটা চ্যারিটি ম্যাচ। এই ম্যাচে সব পাস বন্ধ।
: আরে না, না, পাসে যাব না।
আমি আশ্চর্য হয়ে বললাম: তবে কি করে যাবে?
কামাল ভাই হো হো করে হেসে উঠল: ওসব তোরা বুঝবি নে।
আমি বললাম: ও বুঝেছি। তুমি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে চোরের মত লুকিয়ে যাবে।
: আরে ছোঃ। চোরের মত যাব কেন?
-
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মাল নামানো দেখছিলাম। পাশের বাড়ীতে নতুন ভাড়াটে আসছে। দুটো ট্রাক ভরে মাল এসেছে। আর একটা ট্যাক্সিতে করে ভাড়াটেরা এসেছে। ওরা মোট সাতজন। দু'ভাই, তিন বোন আর আব্বা, আম্মা। ওরা যখন নামছে তখন দেখলাম যে আমার চেয়ে কিছু বড় একটা ছেলেও আছে। আমি ভাবলাম, যাক ওর সঙ্গেই ভাব করতে হবে।
বিকেলে ওদের বাসায় গেলাম। বাসার কড়া নাড়তেই ভেতর থেকে কে যেন বলল: ভেতরে এস।
আমি ভেতরে ঢুকে গেলাম। দেখলাম সেই ছেলেটি কি যেন বসে বসে লিখছে। সে আমার দিকে তাকালোও না।
আমি একটু অপ্রস্তুতের মত কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। সে বসতেও বলল না। কতক্ষণ আর দাঁড়িয়ে থাকা যায়। সামনের
-
ছোট্ট মফস্বল শহর। তাই খবরটা ছড়িয়ে পড়তে বেশীক্ষণ লাগল না। পিন্টুরা তখন বাড়ীর সামনের মাঠটায় খেলা করছিল। তারাও খবরটা শুনেছে। যে সার্কাস পার্টিটা এসেছে, তাদের একটা বাঘ খাঁচা থেকে পালিয়েছে। খবরটা শুনে সারা শহরে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছে। যে যার বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে। রাস্তাঘাটে থাকতে কেউ আর সাহস করছে না। কে জানে কখন কোন্দিক থেকে এসে হঠাৎ করে ঘাড়টা ভেঙে দেবে। তাই লোক চলাচল খুব কম। শহরের সর্বত্রই যেন একটা চাঞ্চল্য। একটা চাপা বিভীষিকা।
কিন্তু পিন্টু ও তার সঙ্গী-সাথীরা এতে মোটেই ভয় পেল না। তারা যেন একটু খুশীই হয়ে উঠেছে। পিন্টু শওকতকে ডেকে বলল: এতদিন পরে একটা সত্যিকারের এডভেঞ্চারের স্বাদ
-
লিন্টু আর পিন্টু দু ভাই। যমজ। একই ক্লাসে পড়ে। তবে পড়াশুনার সঙ্গে তাদের ঘোড়াই সম্পর্ক ছিল। শয়তানি ও বাঁদরামিতে দুজনেই ওস্তাদ। দুটো ছোটখাট বিছে বললেও অত্যুক্তি হবে না।
ক্লাস সিক্সে পর পর দুবার যখন ওরা ফেল করল তখন ওদের আব্বা হায়দার সাহেব ঠিক করলেন যে, ওদের জন্যে এবার প্রাইভেট টিউটর রাখতে হবে। রাখলেনও একজন মাস্টার। কিন্তু কয়েক দিন পরই বিদেয় হতে হল মাস্টারকে। ব্যাপারটা আর কিছুই নয়।
মাল্টার সাহেব পরম আরামে চেয়ারে বসে চোখ বুজে নিদ্রাদেবীর আরাধনা করছিলেন।
আর তখনই হায়দার সাহেবের দৃষ্টিতে পড়ল ব্যাপারটা। পরের দিনই বিদেয় করে দিলেন মাস্টারকে। এ রকম ফাঁকিবাজ মাস্টারকে তিনি কিছুতেই বরদাশত করতে পারেন
-
গুরুদয়ালের পায়ে ব্যথা, হাঁটিতে কষ্ট হয়। তবু না হাঁটিলে বুঝি তার চলে না? সকালবেলা বাহির হইয়া যায়। কোনোদিন দুপুরে ফিরে, কোনোদিন ফিরেও না। কোনোদিন সূর্যের অস্তগমনের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে ফিরে, ফিরিয়া হয়তো অপরিচ্ছন্ন বিছানাটা হাতড়াইয়া দেশলাই বাহির করিয়া 'ডিবা' জ্বালিল, না-হয় তো বাড়ির পূব দিককার নিমগাছটার তলায় হাত-পা ছড়াইয়া দিয়া গান ধরিল:
রাধে, রাধে গো রাধে,
তোর লাগি মোর পরাণ কাঁদে;
নইলে কি আর কালো শশী
অতি সাধের চূড়া বাঁশী
অই চরণে তুলে দিল সাধে,
রাধে, রাধে গো রাধে...
বাড়ির একমাত্র অধীশ্বর সে। সে ছাড়া এবাড়িতে আর একটিও জীবন্ত প্রাণী নাই। কাজেই তার এই স্বেচ্ছাচারিতা। কেহই বাধা দেয় না।
প্রতিবেশীদের
-
দূর ছাই। জায়গাটা তাকে ছাড়তেই হবে। তমোনাশ রায়ের আর একটা দিনও ইচ্ছা করে না এখানে থাকতে। কী নিয়ে থাকে সে এখানে? কী এখানে আছে? ভোঁস ভোঁস করে এক-একটা ট্রেন আসে; হাত-পা ছুড়ে যেন অচল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। কোনোটা পাঁচ মিনিট, আর কোনোটা দু-মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে আবার স্টার্ট দেয়। ক্ষুদ্র প্ল্যাটফর্মে সংখ্যায় অপ্রচুর যাত্রী-যাত্রিনীরা ভিড় করে। বেরোবার একটা লোহার গেট আগলে তমোনাশ আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকে। তারা তার সঙ্গে বোঝাপড়া করে, কাকুতি করে, আবার বচসাও করে, বলে, ধনেখালির টিকেট করে ফকিরের হাটে কেন নেমেছি, শুধচ্ছো বাবু! আমরা গরিব, আমরা খেতে পাই না, এক বেলা খাই, তো দুবেলা উপোস করে থাকি।
আমরা
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পুরাণের গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- পাতাবাহার
- জন্ম ও মৃত্যু
- গল্পগুচ্ছ
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- বাংলাদেশ কথা কয়
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- অনুসন্ধান
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- বনফুল গল্পসমগ্র
- বারো মামার এক ডজন
- পরিচয়
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মানুষের জন্ম
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- শিউলি-মালা
- সুকান্তসমগ্র
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- মেঘমল্লার
- নবাগত
- রূপহলুদ
- কিন্নর দল
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- রাঙা পাল
- বিধু মাস্টার
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- বিজ্ঞানচেতনা
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.