-
একটিবার দৌড় দিতে পারতাম।
এই আফশোসটুকু বারবার নাজেমের মনে আঘাত করতে লাগল।
কিন্তু তা আর এ জন্মে সম্ভব নয়। ডান হাত এবং বাম উরুর দিকে তাকিয়ে নাজেম সিদ্ধান্ত আর একবার মৌরসী করে নিলে। নিজে ঘাড় দুলিয়ে সমর্থন জানাতে অস্ফুট উচচারণের দিকে তাকিয়ে রইল।
অন্ধকারে গুলি কী ভাবে তার উরুর উপর লাগল সে বুঝতে পারেনি। তবে কি সাবেক অভ্যেস অনুযায়ী সে দাঁড়িয়ে পড়েছিল গুলি চালানোর সময়? “রাইফেল নিয়ে বুকে হামাগুড়ি সহযোগে সব সময় এগোনো বা পেছানো উচিত, যদি শত্রুর এলাকায় এসে পড়ো বা অপারেশান শুরু হয়ে যায়, কখনও দাঁড়াবে না বা হঠাৎ উঠে দৌড়ানোর চেষ্টা করবে না।” ক্যাপ্টেনের কথাগুলো সাঁইসাই নাজেমের
-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
-
সে ভেসে চলেছিল।
পঞ্চভূত এখনও তার সহায় হয়নি। শুধু বাতাস আর জলের সাথে সে এগিয়ে চলেছে। স্রোতের টান মৃদু। বাতাসের আমেজ ঝিরিঝিরি ৷ বাইরের জগতে কোন তাড়াহুড়৷ নেই। আর যে ভাসছে, তার কাছে গতি এখন অর্থহীন। শ্লথ বা দ্রুত—কী আসে যায়। মহাকাল সামনে পড়ে আছে। বেসবুর হওয়ার প্রয়োজন অনেক আগেই ফুরিয়ে গেছে। বুকে যখন বাতাস থাকে, তখন বাইরের বাতাসকে জমা খরচের হিসেবে আনা যায় ৷ আজ সব হিসেব-নিকেশ আগামী ইতিহাসের কাছে তুলে দিয়ে সে পরম নিশ্চিন্ত।
সে ভেসে চলেছে।
সটান চিৎশায়িত। মুখ আকাশের দিকে। চোখ নেই। দাঁড় কাক দু'তিন দিন ধরে তা খুবলে খুবলে খেয়ে শেষ করেছে। কারণ, চোখের মালিকের
-
মেজো মামার বিয়ে। ছোট মামা আর মেজো মামা তাই এসেছেন দাওয়াত দিতে। বাড়ীর সবাই বিয়ের তিন দিন আগে মামা বাড়ী যাবে। শুধু আমিই যেতে পারব না। কারণ আমার পরীক্ষা। হ্যা, মামার যেদিন বিয়ে ঠিক তার আগের দিনই আমার পরীক্ষা শেষ হবে। মানে সতেরোই ডিসেম্বর মামার বিয়ে, আর ষোলই ডিসেম্বর আমার পরীক্ষা শেষ হবে। সুতরাং তিন দিন আগে যাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না।
মেজো মামা পরদিনই চলে গেলেন। শুধু ছোট মামা রইলেন। তিনি বিয়ের তিন দিন আগে সবাইকে (অবশ্য আমি বাদে) নিয়ে যাবেন।
সেদিন খাওয়ার পর ছোট মামার সাথে গল্প করছিলাম।
আমি বলছিলাম: মেজো মামার বিয়েতে এবার আর যাওয়া হল না।
-
আর থোড়া অক্ত।
আর কিছু সময়।
অনন্তের সুড়ঙ্গে এই হামাগুড়ি আর কতক্ষণ দেওয়া যায়?
সোলেমান সারেঙের কাছে তখন কি প্রশ্ন বার বার ঘাই মেরেছিল, তা আজ জানার কথা নয়।
কারণ, মুহূর্ত নির্যাস হয়ে এলে অনেক ছবি, অনেক কথা, ঘটনা একাকার যে রূপপরিগ্রহ করে তা নিতান্ত অনুভবের ব্যাপার। ক্যামেরার লেস অতি দ্রুত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একই ফিল্মের সমতলে নানা ছাপ সংগ্রহ সহজ। তার পাঠ উদ্ধারও সম্ভব। সেখানে একক ছবি ছাড়া আর কিছু নেই।
কিন্তু ঘটনা আবেগ-প্রবাহ যখন তেমন কায়দায় গতির চোটে একটার পর একটা—একটার ভিতর একটা সেঁধিয়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে স্বতন্ত্র জানান দেওয়ার দাবি হাঁক-ফুকর ছড়াতে থাকে, তখন অর্থহীনতার কাছে সব
-
১
মেয়েটির নাম যখন সুভাষিণী রাখা হইয়াছিল তখন কে জানিত সে বোবা হইবে। তাহার দুটি বড়ো বোনকে সুকেশিনী সুহাসিনী নাম দেওয়া হইয়াছিল, তাই মিলের অনুরোধে তাহার বাপ ছোটো মেয়েটির নাম সুভাষিণী রাখে। এখন সকলে তাহাকে সংক্ষেপে সুভা বলে।
দস্তুরমত অনুসন্ধান ও অর্থব্যয়ে বড়ো দুটি মেয়ের বিবাহ হইয়া গেছে, এখন ছোটোটি পিতামাতার নীরব হৃদয়ভারের মতো বিরাজ করিতেছে।
যে কথা কয় না সে যে অনুভব করে ইহা সকলের মনে হয় না, এইজন্য তাহার সাক্ষাতেই সকলে তাহার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করিত। সে যে বিধাতার অভিশাপস্বরূপে তাহার পিতৃগৃহে আসিয়া জন্মগ্রহণ করিয়াছে এ কথা সে শিশুকাল হইতে বুঝিয়া লইয়াছিল। তাহার ফল এই হইয়াছিল, সাধারণের
-
বারুদের গন্ধ আর ভাল লাগে না।
ক্যাপ্টেন বশীর নিজের মনে বিড়বিড় করলে। মহকুমা কাচারির পাশেই এই বিল্ডিং সে অফিস বানিয়ে নিয়েছিল গত চার মাস। এলাকার লোক শান্তিপ্রিয়। তেমন কোন গোলমাল করেনি কেউ। ‘সব সাচ্চা মুসলমান। সবাই পাকিস্তান চায়। এই দিক থেকে ক্যাপ্টেন বশীর নিশ্চিন্ত ছিল। মাঝে মাঝে গোয়েন্দারা দু’চারটে কালো ভেড়ার খবর আনত, তাদের রাস্তার কাঁটার মত সরিয়ে ফেলতে বেশী দেরী হোত না। গেরেপ্তার করে নিয়ে আসা এবং দিন শেষ হওয়ার যা অপেক্ষা। অন্ধকারে তারপর পাকিস্তান-বিরোধী নিমকহারামদের আর কোন নাম-নিশানা থাকত না দুনিয়ায়। বিলম্ব অথবা প্রকাশ্যে শাস্তি দিলে ফল খারাপ হয়, তা ক্যাপ্টেন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছিল এই এলাকায় নয়,
-
দুর্গার এক নাম ‘পার্বতী’, অর্থাৎ, পর্বতের মেয়ে। তাঁর পিতা হিমালয়, মা মেনকা। শিবের সঙ্গে যাতে তাঁর বিয়ে হয় এজন্য পার্বতী অনেক দিন ধরে কঠিন তপস্যা করেছিলেন, তার ফলে শেষে শিবের সঙ্গেই তাঁর বিয়ে হল।
পার্বতীর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে শিব তাঁকে বিবাহ করতে চাইলেন। কিন্তু বর যে, সে তো আর নিজে কনের বাপের কাছে গিয়ে বিয়ে ঠিক করতে পারে না, তাহলে লোকে হাসে। কাজেই শিব সপ্তর্ষিদের ডেকে পাঠালেন। সপ্তর্ষিরাও তখনই সোনার বল্কল পরে, মুক্তামালা গলায় দিয়ে, মণি-মানিকের গহনা ঝলমলিয়ে তাঁর কাছে এসে জোড় হাতে বললেন, ‘আমাদের কী সৌভাগ্য! প্রভু আজ আমাদের স্মরণ করেছেন। আজ্ঞা করুন, আমাদের এখন কী করতে হবে।’
শিব
-
নানাবাড়ির ড্রয়িংরুমের নরম কার্পেটে বসে টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখছি রবিন, মনি আর আমি। আইসিসি চ্যাম্পিয়ান ট্রফির ফাইনাল খেলছে ইংল্যান্ড আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আমরা তিনজনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাপোর্টার। ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাটিং করে মাঝারি ধরনের একটা স্কোর করেছে। কিন্তু ওই রান চেজ করতে গিয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রায় সব ব্যাটসম্যান একেবারে কুপোকাত। কিন্তু শেষদিকে ব্রাডস ও ব্রাউনের দুর্দান্ত লড়াই খেলাটাকে দারুণভাবে উপভোগ্য করে তুলল।
আমাদের একটু পেছনেই বড় সোফাটায়ার খুব আয়েশী ভঙ্গিতে বসে সত্যজিৎ রায়ের জমজমাট গোয়েন্দা কাহিনি ‘দার্জিলিং জমজমাট’ পড়ছে টুটুল মামা। মাঝে-মধ্যে আবার ঢাউস সাইজের একটা নোটবুকে কী যেন লিখছে আর হাসছে মুচকি মুচকি।
খেলা শেষ। শেষ পর্যন্ত জিতে গেল ওয়েস্ট
-
রসুলপুরের মির সাহেবদের অবস্থা দেখিতে দেখিতে ফুলিয়া ফাঁপাইয়া উঠিল। লোকে কানাঘুষা করিতে লাগিল, তাহারা জিনের বা যক্ষের ধন পাইয়াছে। নতুবা এই দুই বৎসরের মধ্যে আলাদিনের প্রদীপ ব্যতীত কেহ এরূপ বিত্ত সঞ্চয় করিতে পারে না।
দশ বৎসর পূর্বেও মির সাহেবদের অবস্থা দেশের কোনো জমিদারের অপেক্ষা হীন ছিল না সত্য, কিন্তু সে জমিদারি কয়েক বৎসরের মধ্যেই ‘ছিল ঢেঁকি হল তুল, কাটতে কাটতে নির্মূল’ অবস্থায় আসিয়া ঠেকিয়াছিল।
মুর্শিদাবাদের নওয়াবের সহিত টেক্কা দিয়া বিলাসিতা করিতে গিয়াই নাকি তাঁদের এই দুরবস্থার সূত্রপাত।
লোকে বলে, তাঁহারা খড়মে পর্যন্ত সোনার ঘুঙুড় লাগাইতেন। বর্তমান মির সাহেবের পিতামহ নাকি স্নানের পূর্বে তেল মাখাইয়া দিবার জন্য এক গ্রোস যুবতি সুন্দরী
-
এক
সে অনেকদিনের ঘটনা। সত্যেন্দ্র চৌধুরী জমিদারের ছেলে; বি.এ. পাশ করিয়া বাড়ি গিয়াছিল, তাহার মা বলিলেন, মেয়েটি বড় লক্ষ্মী বাবা, কথা শোন্, একবার দেখে আয়।
সত্যেন্দ্র মাথা নাড়িয়া বলিল, না মা, এখন আমি কোনমতেই পারব না। তা হলে পাশ হতে পারব না।
কেন পারবি নে? বৌমা থাকবেন আমার কাছে, তুই লেখাপড়া করবি কলকাতায়, পাশ হতে তোর কি বাধা হবে আমি ত ভেবে পাইনে, সতু!
না মা, সে সুবিধে হবে না এখন আমার সময় নেই, ইত্যাদি বলিতে বলিতে সত্য বাহির হইয়া যাইতেছিল।
মা বলিলেন, যাস্নে দাঁড়া, আরও কথা আছে। একটু থামিয়া বলিলেন, আমি কথা দিয়েচি বাবা, আমার মান রাখবি নে?
সত্য
-
সেই জীর্ণপ্রায় বাঁধাঘাটের ধারে আমার বোট লাগানো ছিল। তখন সূর্য অস্ত গিয়াছে।
বোটের ছাদের উপরে মাঝি নমাজ পড়িতেছে। পশ্চিমের জ্বলন্ত আকাশপটে তাহার নীরব উপাসনা ক্ষণে ক্ষণে ছবির মতো আঁকা পড়িতেছিল। স্থির রেখাহীন নদীর জলের উপর ভাষাতীত অসংখ্য বর্ণচ্ছটা দেখিতে দেখিতে ফিকা হইতে গাঢ় লেখায়, সোনার রঙ হইতে ইস্পাতের রঙে, এক আভা হইতে আর-এক আভায় মিলাইয়া আসিতেছিল।
জানালা-ভাঙা বারান্দা-ঝুলিয়া-পড়া জরাগ্রস্ত বৃহৎ অট্টালিকার সম্মুখে অশ্বত্থমূল-বিদারিত ঘাটের উপরে ঝিল্লিমুখর সন্ধ্যাবেলায় একলা বসিয়া আমার শুষ্ক চক্ষুর কোণ ভিজিবে-ভিজিবে করিতেছে, এমন সময়ে মাথা হইতে পা পর্যন্ত হঠাৎ চমকিয়া উঠিয়া শুনিলাম, “মহাশয়ের কোথা হইতে আগমন।”
দেখিলাম, ভদ্রলোকটি স্বল্পাহারশীর্ণ, ভাগ্যলক্ষ্মী কর্তৃক নিতান্ত অনাদৃত। বাংলাদেশের অধিকাংশ বিদেশী চাক্রের
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- গল্পগুচ্ছ
- পুরাণের গল্প
- বারো মামার এক ডজন
- শিউলি-মালা
- পাতাবাহার
- বাংলাদেশ কথা কয়
- বনফুল গল্পসমগ্র
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- রূপের ডালি খেলা
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- ভেদ-বিভেদ (২)
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- কথা পাঞ্জাব
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বিধু মাস্টার
- নবাগত
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- কিন্নর দল
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.