ক্যাটাগরি : শিশু-কিশোর
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
এক হতভাগা নেকড়ে। খিদেয় তার প্রাণ যায় যায়। কোথাও কোনো
-
বাতাস ছুটে যাচ্ছিল বোঁ বোঁ বোঁ শন্ শন্ শন্—
খুকু বলল, বাতাস ও বাতাস, দাঁড়াও দাঁড়াও, আমি তোমার সঙ্গে যাব।
-
মাছের রাজা বোয়াল। রাজার মতো রাজা। যেমন নাম তেমন কাম। নদীর যত মাছ সব তার প্রজা। তার কথায় ওঠে বসে।
-
পিঠোপিঠি দুটি ভাই। লোকে বলে রাম আর লক্ষ্মণ। আজকালকার দিনে এমন নাকি দেখা যায় না। যেখানে যাবে দুটিতে এক সঙ্গে
-
লাল গরুটা বুড়ো হয়ে গেছে। দুধও দেয় না, কোনো কাজেও লাগে না। বাড়ির কর্তা নিধিরাম বলল, এটাকে রেখে আর কি
-
সবাই এক রকম জিনিস ভালোবাসে না। এক একজনের এক এক রকম পছন্দ। কেউ ভালোবাসে মিষ্টি, কেউ টক, কেউ নোনতা, কেউ
-
প্রাচীন পৃথিবীর সনাতন বিশ্বাস অনুসারে মানুষ ভাবত যে পৃথিবীর সবকিছুই পরিচালিত হয় এক ধরনের অপার্থিব সত্ত্বা দ্বারা। তাদের বলা হয়ে
-
তমসা নদীর ধারে বাল্মীকি মুনির তপোবন ছিল। দু-ধারে গভীর বন, তাহার মাঝখান দিয়া সুন্দর ছোট নদীটি কুল-কুল করিয়া বহিতেছে। তাহার
-
শুম্ভ আর তাহার ভাই নিশুম্ভ, এই দুটো অসুর দেবতাদিগকে বড়ই নাকাল করিয়াছিল। তাহারা তাঁহাদিগকে স্বর্গ হইতে তাড়াইয়া দিয়া আর অস্ত্র-শস্ত্র
-
অসুরেরা দেবতাদের শত্রু, তাই তাহাদিগকে মারিবার জন্য দেবতারা সর্বদাই চেষ্টা করেন। একবার ইন্দ্রের হুকুমে অগ্নি আর বায়ু দুজনে মিলিয়া অসুরদিগকে
-
দেবতাদের যিনি রাজা, তাঁহাকে বলে ইন্দ্র। তাঁহার কথা তোমরা অবশ্যই শুনিয়াছ। (তাঁহার এক হাজার চক্ষু আর সবুজ রঙের দাড়ি ছিল;
-
এক রাজা ছিলেন, তাঁহার নাম ছিল শূরসেন। রাজার পুত্র না থাকায় তাঁহার মনে বড়ই দুঃখ ছিল। সেই দুঃখ দূর করার
-
জরৎকারু মুনি সর্বদাই কঠিন তপস্যায় ব্যস্ত থাকিতেন। বিবাহ বা সংসারের অন্য কোনো কাজ করার ইচ্ছা তাঁহার একেবারেই ছিল না। তপস্যা
-
আমার বাড়ির পাশেই বাজারের কসাইখানা। সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই মোষ, গোরু, ছাগল জবাই হয়। এমনকি সপ্তাহের যে দু'দিন মাংসবিহীন থাকার কথা
-
এক জোলা ছিল, সে পিঠে খেতে বড় ভালবাসত।
একদিন সে তার মাকে বলল, 'মা আমার বড্ড পিঠে খেতে ইচ্ছে করছে,
-
আর সকলের বিবৃতি শেষ হইলে শৈলেনের উপর তাগাদা হইল, 'এবার এ-বিষয়ে তোমার কি অভিজ্ঞতা আছে বল।'
শৈলেন বলিল, 'আমায় বরং
-
খগেন্দ্রনাথ মিত্র
কর্তাবাবুর অনেক সম্পত্তি, বয়সও অনেক, পাড়ার লোকে খাতিরও করে খুব। বাড়িতে চাকর-বাকর, ঝি-রাঁধুনিও কম নয়। তারা থাকে মস্ত
-
বিশ্বনাথ পাড়াগাঁয়ের ছেলে।
ঘুটঘুটে অন্ধকারে দুপুররাত্রে বাঁশবনের ভেতর দিয়ে সে তিন ক্রোশ অনায়াসে বেড়িয়ে আসতে পারে। অমাবস্যায় গ্রামের সীমানার শ্মশান
-
বুড়ো মাঝিটাকে তাড়া লাগানো বৃথা জেনেই অনিমেষ বহুক্ষণ আগে চুপ করেছিল। তার ফলে মাঝি আর আরোহী দুজনেই হাল ছেড়ে নিশ্চিন্ত
-
আমি যতই বলি ভূত নেই, ওসব স্রেফ গাঁজার কলকে, কেষ্টা ততই চেঁচাতে থাকে।
‘যেদিন ঘাড় মটকে দেবে, সেদিন টের পাবি,
-
পৃথিবী সৃষ্টির একেবারে প্রথশ দিকের কথা। তখন এখানে কোন জীবজন্তু, পশুপক্ষী বা কীটপতঙ্গ কিছুই ছিল না। সমস্ত দুনিয়ায় বাস করতো
-
মাটির দ্বারা প্রস্তুত তুচ্ছ মানব আদমের জন্য আজাযিলের এই দুর্দশা ঘটলো। আজাযিল সেই নিরপরাধ আদমকে জব্দ করবার জন্য সুযোগ খুঁজতে
ট্যাগ
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৯)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৭)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৭)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- বন্দে আলী মিয়া (১৫)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬