২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
লেখক: কাজল বন্দোপাধ্যায়ায়
১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয় 'ভাষা শহীদ গ্রন্থমালা'। এই গ্রন্থমালার বই স্বপ্ন লেখার দায়িত্ব পেয়ে আমি যেমন সম্মানিত বোধ করি, তেমনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টির নানা দিক ও মাত্রা রয়েছে। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থিত করাও ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। 'স্বপ্ন' বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু মনোস্তত্ত্বের বস্তুবাদী ধারার সঙ্গে তখনও আমার পর্যাপ্ত পরিচয় ঘটেনি। আমাদের দেশের জ্ঞানবিজ্ঞানের এলাকায় মনোবিজ্ঞানী হিসেবে ফ্রয়েড, ইয়ুং, এ্যাডলারদেরই জয়-জয়কার; শিল্পসাহিত্যেও ফ্রয়েডীয় ভাবধারার বিশাল, প্রায় একচ্ছত্র প্রভাব। এমনকি মার্ক্সবাদীরাও দেখেছি ফ্রয়েডীয় মনোস্তত্ত্বের ভাববাদী চরিত্র সম্পর্কে অবগত নন। এরূপ একটি পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধেয় যতীন সরকার আমাকে অত্যন্ত বড় সাহায্য করেন। তিনিই আমাকে বলেন শ্রী
-
লেখক: মামেদকুলিজাদে (১৮৬৬-১৯৩২)
[বর্তমান আজেরবাইজান সাহিত্যের পথপ্রদর্শক, প্রাচ্যের সুপরিচিত পত্রিকা ‘মোল্লা নাসিরুদ্দিনের’ স্রষ্টা ও সম্পাদক। তিনি রেখে গেছেন অমূল্য সাহিত্যসম্পদ ছোট গল্প, হাস্যরসিক প্রবন্ধ, বড় গল্প (‘হারিয়ে যাওয়া গাধা’ ইত্যাদি), নাটক (‘লাশ’, ‘কেমান্চা’ ইত্যাদি), উপন্যাস ‘দানাবাশা গ্রামে’ ইত্যাদি। এখন পর্যন্তও আজেরবাইজানের শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প লেখক বলে স্বীকৃত। তীব্র সামাজিক বিরোধ হল তাঁর ছোট গল্পগুলির মূল বিষয়। ছোট গল্পগুলি সংক্ষিপ্ত, ভাবগর্ভ। এই সংকলনে অন্তর্ভুক্ত ছোট গল্প ‘ডাকবাক্স’—এক গরীব কৃষকের সম্বন্ধে হাস্যকর, বিষণ্ণ গল্প।]
সে দিনটা ছিল বারই নভেম্বর। শীত বেশ পড়েছে কিন্তু বরফ পড়া এখনও আরম্ভ হয় নি।
ডাক্তারবাবু ভেলি-খানের অসুস্থা স্ত্রীকে আর একবার বেশ ভাল করে পরীক্ষা করে বললেন যে
-
লেখক: আবুলহাসান (জন্ম ১৯০৬)
[সোভিয়েত আজেরবাইজানের বয়োজ্যেষ্ঠ গদ্যলেখক। শ্রমিকদের জীবনের গল্প এবং নতুন সমাজতান্ত্রিক মনোভাব ও নীতিবোধ সম্পর্কে গল্পগুলির জন্য তিনি সুপরিচিত। তাঁর ‘চড়াই’ (গ্রামের কৃষির যৌথীকরণ সম্বন্ধে), ‘পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে’ (সোভিয়েত শাসনের জন্য আজেরবাইজানের জনগণের সংগ্রাম সম্বন্ধে), ‘সাদাগেত' (আধুনিক গ্রামের জীবন সম্পর্কে ‘বন্ধুত্বের দূর্গ’ (পিতৃভূমির মহাযুদ্ধের সময়ে সেভাস্তোপোলের বীরোচিত প্রতিরক্ষা সম্বন্ধে) উপন্যাসগুলি যথাযোগ্য মর্যাদা পায়। ছোট গল্প ‘বুলবুলি গান গাও!’ যুদ্ধের বিষয়ে—গোলন্দাজ বাহিনীর একটা ছোট দলের বীরোচিত কার্যকলাপকে কেন্দ্র করে।]
‘ফা-য়া-র!’
দূরপাল্লার কামানগুলির চাকা দারুণভাবে নড়ে উঠল আর একসঙ্গে তাদের লম্বা নল থেকে দ্রুত বেরিয়ে এল অগ্নিধারা। দারুণ আওয়াজে পাহাড়গুলি কেপে উঠল, বনটা দুলে উঠে সরসর মর্মর আওয়াজ
-
সমরখন্দ এক বাই থাকত, আর এক বাই থাকত পাহাড় এলাকায়। যে পাহাড়ী এলাকায় থাকত সে ছিল আশ্চর্য কিপ্পণ। তার ছিল কতকগুলো ভেড়ার পাল, কতকগুলো ঘোড়ার পাল, কয়েকজন খেতিমজুর আর তিন বউ। সমরখন্দের বাইও কম যেত না তার কাছে কিপটেমিতে: ধনসম্পত্তি তারও কম ছিল না: টালির তৈরী বাড়ি, ঘোড়ার পাল, ভেড়ার পাল। কিন্তু সে এমনকি গরীব মানুষকে একটুকরো রুটিও দিত না, কখনও ভিক্ষা দিত না, দিনমজুর রাখত না, সব কাজ নিজে করার চেষ্টা করত।
সমরখন্দের বাইয়ের স্ত্রী যুবতী, তার মোটেই ভালো লাগে না বাইয়ের এই কিপটেমি। সে প্রতিজ্ঞা করল যে তার স্বামী মরে গেলে সে আবার বিয়ে করবে এক উড়নচণ্ডিকে।
বাই
-
এক ছিল ময়দাকলের মালিক। তার ছিল তিন ছেলে। নিজের বয়স হয়েছে, মরার সময় হয়েছে বুঝতে পেরে সে বড় ছেলেকে কাছে ডেকে বলল: ‘আমি মরতে বসেছি। উত্তরাধিকার হিসাবে কি চাস তুই আমার কাছে—ধনসম্পদ না পিতৃ উপদেশ?’
‘ধনসম্পদ ছাড়া আবার কি!’ বলল সে ছেলে। ‘শুধু উপদেশ কি আর পেট ভরে।’
‘ঠিক আছে। তুই পাবি আমার ময়দাকল, আর আমার ধনের অর্ধেক, যেমন চাস তেমনি ভাবেই থাকবি।’ বলল তার বাবা।
তারপর লোকটি মেজ ছেলেকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল সেই একই কথা।
‘ধনসম্পত্তি দিও, বাবা। শুধু উপদেশ নিয়ে বাঁচা যায় না এ জগতে।’
‘ঠিক আছে আমি মরলে তুই পাবি আমার বাড়িটা আর আমার ধনের অর্ধেক, যেমন
-
এক-যে ছিল বুড়ো আর বুড়ি। বুড়ো হল কিন্তু ছেলেপুলে নেই ৷ কষ্ট হয়, দুঃখ, করে, ‘বুড়ো বয়সে কে আমাদের দেখবে? মরণকালে কে আমাদের পাশে থাকবে?” বুড়োকে বুড়ি বলে: ‘বনে যাও গো, আমার জন্যে একটা কাঠের পায়া আর একটা দোলনা বানিয়ে দাও; পায়াটাকে দোলনায় রেখে দোলাব। অন্তত খানিক মন-ভুলানি তো হবে।’
বুড়ো প্রথমটা গা করে নি, বুড়ি কিন্তু কেবলি মিনতি করে; শেষ পর্যন্ত বুড়ো শুনল তার কথা, বনে গেল। কাঠের একটা পায়া চেঁছে তুলল, দোলনা বানাল। বুড়ি পায়াটাকে দোলনায় রেখে দোলায় আর গুনগুন করে:
তেলেসিক, যাদু আমার,
রেঁধেছি তোর জইয়ের মাড়,
রেঁধেছি তুলতুলে খাবার,
তেলেসিক, যাদু আমার!
দোলাতে, দোলাতে, শেষে ঘুমিয়ে
-
লেখক: অন্তরা চৌধুরী
সাধক শিল্পী ও সুরস্রষ্টাগণ ভাবতীয় সঙ্গীতকে উদার ভাবধারায় মণ্ডিত করে গেছেন—তাকে সংকীর্ণ গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাই তাঁদের অবদান দেশ কাল পাত্রের সীমা অতিক্রম করে চিন্তাশীল শিল্পীদের অন্তরে প্রেরণা এনেছে। মনীষী রমা রল্যা বলেছেন, 'Music and Poesy would go side by side, dreaming and their dreams mingling.' বাংলাদেশে সঙ্গীতের একটি মহান আদর্শ ছিল, সে আদর্শ হল কাব্যভাব ও সুরভাবের পূর্ব সমন্বয়। অনুশীলনেব ফলে এবং বাংলার গীতিকার ও সুরকারগণের নব নব অবদানে সঙ্গীতের মধ্যে অনেককিছু মৌলিকত্ব এসেছিল এবং বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে সেগুলি স্বীকৃতিও পেয়েছিল। বাউলসঙ্গীত এই অভিযান-পর্বেরই এক উর্বর ফসল।
চৈতন্য সমসাময়িককালে বাস্তবজীবনে উদাসীন, বাইরের দিক থেকে অসম্বদ্ধ—এমন
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে আমি এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। ১০ই এপ্রিল ভারতে যাই এবং আগরতলা অবস্থান করি। ইষ্টার্ন জোনের এক থেকে চারটি সেক্টরের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়। এখানে মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করি। ভারতে জেনারেল মানেক শ, জেনারেল অরোরা, জেনারেল গিল, জেনারেল সরকার, জেনারেল কালকাট প্রমুখ অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। ৭ই মে তারিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আমি মুক্তিবাহিনী ইপিআর-দের নিয়ে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে অপারেশন চালাই। হবিগঞ্জ থেকে শুরু করে শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, শমসেরনগর, শেরপুর, সিলেট প্রভৃতি স্থানে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলি। পাক বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আমাদের দু’জন সৈন্য শহীদ
-
অনুবাদ: মণীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘোড়ায়টানা গাড়ীর জায়গায় যখন লোহার ঘোড়া অর্থাৎ রেল গাড়ীর পত্তন হো'ল তখন দক্ষিণ রাশিয়ার ইয়ানা জেলার বড় সহরটার সম্প্রতলীর যে জায়গাটায় কোচোয়ানদের বাসস্থান ছিল সেই জায়গায় গড়ে উঠল এক বেশ্যাপল্লী। আগে যেখানে পুরোণ বাড়ীগুলোতে গোলাপ রাঙা গাল আর ঠেলে ওঠা বুক নিয়ে কোচোয়ানদের বিধবারা ভদকা আর বিনি পয়সায় প্রেম বিক্রি এগত, সেই খানেই রাস্তার দুপাশে নিখনার বাড়ীগুলো দাঁড়ালো মাথা তুলে। ইয়ামার ঐ পল্লীর ত্রিশটা বাড়ীর জীবনযাত্রা ছিল একই ধরণের। সবগুলোই ছিল সরকারী তত্ত্বাবধানে। একমাত্র পার্থক্য যা চোখে পড়ত তা হচ্ছে তাৎক্ষণিক নিবিড় অনুরাগ আর ভালোবাসার মূল্যের পার্থক্য।
বড় ইয়ামা স্ট্রীটের বাঁদিকের প্রথম বাড়ীটা অর্থাৎ ট্রেপেলের বাড়ীটাই ছিল
-
পাকিস্তান রাষ্ট্রের ‘ইষ্ট (পূৰ্ব্ব) পাকিস্তান’ নাম পরিবর্ত্তন করিয়া ‘পূর্ব্ব বাংলা’ বা শুধু ‘বাংলা’ করিবার প্রস্তাব আসিয়াছে। যদি ইহা শেষ পর্য্যন্ত সম্ভব হইয়া উঠে, এবং যাহার সম্ভাবনা সমধিক, তাহা হইলে কেবল পূৰ্ব্ব বা পশ্চিম নহে, যেখানে যত বাঙ্গালী আছে সকলেই গৰ্ব্বানুভব করিবে। পাকিস্তানের অন্যতর জাতীয় ভাষা (উর্দুর সঙ্গে সমপর্যায়ে) বাংলা নিজ উৎসের সন্ধান এবং পুনর্বাসনে উৎফুল্ল হইয়া নিজ মহিমায় ফুটিয়া উঠিবার শক্তিলাভ করিবে। একদিন ইহা যে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হইয়া উঠিবে না তাহাই বা কে বলিতে পারে? সপত্নী উদ্দুর শিরঃ-পীড়ার কথা পরে আলোচনা করিতেছি।
আয়ূব খাঁনের পর (মেজর জেনারেল আঘা মহম্মদ) ইয়াইয়া খাঁন ১৯৬৯ মার্চ্চ ২৫-এ পাকিস্তানের ডিক্টেটর বা হর্তাকর্তা হইয়া
-
রুশ দেশে গত দেড়শো বছর ধরে ভারতীয় সংস্কৃতি, ভাষা, সাহিত্য ইত্যাদির গবেষণা ও আলোচনা চলছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে গেরাসিম লেবেডেফ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে মিনায়েফ্ ছাড়া উনিশ শো সতেরো সালে নভেম্বর বিপ্লবের পূর্বেকার ভারতবিজ্ঞানী রুশ পণ্ডিতদের মধ্যে কেউই আধুনিক ভারতের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ইত্যাদির দিকে নজর দেননি। আলেক্সি পেত্রোভিচ্ বারান্নিকফ প্রথম দেশীয় পণ্ডিত যিনি সংস্কৃতের পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক ভারতের ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণার জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন। আধুনিক ভারতের সঙ্গে সোবিয়েতবাসীর গভীর পরিচয়ের কৃতিত্ব বহুলাংশে তাঁরই প্রাপ্য। আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের জন্য এতবড় কাজ আর কোনো দেশে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান করেনি। বারান্নিকফের কাজ সব দিক দিয়ে অতুলনীয়। তাঁর
-
লেখক: গুণময় দাস
“আমার জীবনই আমার সাহিত্য।”—তুর্গিয়েনেফ
যে সমস্ত প্রতিভাধর সাহিত্যিকের রচনাসম্ভারে রুশ জাতীয় সংস্কৃতির গৌরব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তুর্গিয়েনেফ। লেনিন এঁকে “স্বনামধন্য রুশ লেখক” বলে অভিহিত করেছেন।
সামন্ত-ভূমিদাস প্রথা থেকে বুর্জোয়া-ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে এক বিরাট পটপরিবর্তন হল, সেই এক সমগ্র ঐতিহাসিক যুগের রুশ জনজীবনের সার্থক প্রতিফলন দেখা যায় তুর্গিয়েনেফ-এর রচনায়। এই বিরাট শিল্পী-রিয়ালিস্ট রুশ সমাজ-আন্দোলনের যে সব উজ্জ্বল চিত্র এঁকেছেন তাদের সঞ্চারকাল ঊনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ‘ছাত্র-চক্র’ থেকে শুরু করে ১৮৭৪-১৮৭৬ খৃষ্টাব্দের ‘জনগণের কাছে যাও’ আন্দোলনের সময় পর্যন্ত ৷
গভীর স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তুর্গিয়েনেফ, এবং তারই উদ্দেশে পরিপূর্ণরূপে নিয়োজিত করেছিলেন আপন শিল্পক্ষমতাকে।
-
মস্কো শহরের মাঝখানে ক্রেমলিনের কাছাকাছি তিনতলা একটা বাড়ি। বাড়িটা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন কেন্দ্রীয় স্মৃতি-সৌধ ৷ এখানে দেখতে পাওয়া যাবে মহান নেতা লেনিনের হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, তাঁর নিজের লেখা বইয়ের প্রথম সংস্করণ, যে-সব বই তিনি পড়তেন, কাজে লাগাতেন সেই বই গুলি। আর তারই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র—ফটো, ছবি, মূর্তি, দলিলপত্র। এর প্রত্যেকটি জিনিস দেখলেই মনে হবে কি এক অদ্ভুত অপূর্ব মানুষই না ছিলেন দুনিয়ার প্রথম সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা লেনিন ৷
হাজার হাজার জিনিসের প্রদর্শনী। প্রত্যেকটি জিনিসের পেছনেই রয়েছে তার নিজস্ব কাহিনী। ঐতিহাসিক দলিলপত্রের ভিতরে রয়েছে ভারতবাসীদের পাঠানো একখানা অভিনন্দপত্র। আবছা হয়ে এসেছে লেখা। কালি মুছে আসা বিবর্ণ সেই কাগজখানার দিকে তাকালেই
-
বাঙলা দেশের অভ্যুদয় (২৫-২৬ মার্চ, ১৯৭১) এবং তার স্বতন্ত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ (১৭ই এপ্রিল) দক্ষিণ এশিয়ায়, তথা সমগ্র বিশ্বে, রীতিমত এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই আলোড়নের অন্যতম একটি কারণ হলো এই যে এই নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা পূর্ব পরিকল্পিত কোনও এক রাজনৈতিক চক্রান্তের প্রতিফল নয় অথবা কোনও বিদেশী শক্তির (ভারতেরতো নয়ই) ষড়যন্ত্র প্রসূত নয়। বাঙলাদেশ নিঃসন্দেহে কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনাচক্রের এক অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। বাস্তবিকই, সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে যে অসহ্য শোষণ ব্যবস্থা পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব-পাকিস্তানের উপর আরোপ করেছিল, তার অবসান কামনা প্রত্যেকটি পূর্ববাঙলার মানুষের হৃদয়ের দাবি হিসেবে দেখা দিল ৷ তারপর যখন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এই দাবি পরিপূরণের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেল,
-
দুই দশকেরও বেশি আগে বিজ্ঞানচেতনা পরিষদের যাত্রার শুরুতে বিজ্ঞান ও চেতনা শব্দ দুটি আলাদা না কি একসঙ্গে লিখব তা নিয়ে আমাদের মধ্যে তর্ক ছিল। পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিই দুটি শব্দ একসঙ্গেই লিখব: বিজ্ঞানচেতনা। আমাদের সমাজে পরীক্ষাগার, গবেষণা ইত্যাদি সম্পর্কিত ভাবনার জায়গা থেকে বিজ্ঞানকে দেখার চল বেশ প্রতিষ্ঠিত, শক্তিশালীও বটে। কিন্তু এসব থেকে প্রকৃতি ও মানুষ বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সামগ্রিকতা পায় না। তাই শুরু থেকেই আমরা বিজ্ঞান ও চেতনাকে আলাদা করিনি। বিজ্ঞানকে চেতনা থেকে আলাদা করলে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে প্রকৃতির জন্য, মানুষের জন্য। এই সামগ্রিকতার মধ্যে পরস্পরের সম্পর্ক ও অবস্থানকে বিশ্লেষণ ও যাচাই করা, মানুষের মধ্যে প্রশ্ন করার সক্ষমতা তৈরির
-
তারাপদ পান
মহাভারত
মহাকাব্য অপেক্ষা ‘ইতিহাস’ হিসাবে মহাভারতের প্রসিদ্ধি সর্বাধিক। রবীন্দ্রনাথ-এর কথায়: ‘ইহা একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস!’ তাঁর মতে আর্যসমাজে যত কিছু জনশ্ৰুতি ছড়িয়ে ছিল, ব্যাসদেব সেগুলিকে একত্রিত করেছিলেন। ‘জনশ্রুতি নহে, আর্যসমাজে প্রচলিত সমস্ত বিশ্বাস, তর্কবিতর্ক ও চারিত্রনীতিকেও তিনি এই সঙ্গে এক করিয়া একটি জাতির সমগ্রতার এক বিরাট মূর্তি এক জায়গায় খাড়া করিলেন। ইহার নাম দিলেন মহাভারত।’ শুধু তাই নয়। ‘মহাভারত অতি প্রাচীন সমাজ ও নীতি বিষয়ক তথ্যের অনন্ত ভাণ্ডার।’ অর্থাৎ মহাভারতে আমরা সুপ্রাচীন সমাজের এবং তৎকালীন সভ্যতার একটা স্পষ্ট বিবরণ বা চিত্র পাচ্ছি। এবং তা থেকে সে-যুগের চলমান জীবনের প্রকৃতি উপকরণ ইত্যাদির পরিচয়ও পাই। সমাজতথ্যের এহেন অনন্ত ভাণ্ডার
-
নন্দদুলাল পাড়িয়া
তিনশো বছবের কলকাতা আজ তার বার্ধক্যের প্রতীক নয়, বরং আধুনিক সভ্যতার ক্রম-পরিবর্তন, রূপ-লাবণ্য ও বৈচিত্রোর বহিঃপ্রকাশ। তাব বত্নভাণ্ডারে আজ অজস্র সম্পদ। সেই সম্পদের মাঝে অসংখ্য উদ্ভিদ এক বিশেষ স্থান অধিকাব করে বেখেছে। এখানকার আবহাওয়া ও পরিবেশ, বিশেষ কবে মাটির গুণ, আদ্রতা, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এমন এক অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে যে, দেশ-বিদেশ থেকে নিয়ে আসা অসংখ্য গাছ স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে এখানকার দেশজ গাছপালার সঙ্গে মিশে এক অপূর্ব উদ্ভিদসম্ভার গড়ে তুলেছে। রাজপথের দুধারে, পার্কে, বাগানে, ময়দানে, অলিতে-গলিতে বাড়ির ছাদে, ঘরের কোণে-কলকাতার সর্বত্র আজ নতুন করে সবুজেব চর্চা লক্ষ্য করা যায়। রাজধানীর এই সবুজ আভরণ তার শৈশবের গৌরবকে স্মরণ করিয়ে দেয়,
-
আর কে মুনির:কৃষণ চন্দর প্রকৃত অর্থেই এক মহান অন্তঃকরণের মানুষ। আমি তাঁকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি যতখানি পারা যায় মানুষের কল্যাণের কথাই ভাবতেন। নিজের সাধ্যানুসারে অন্যকে সাহায্য করা পছন্দ করতেন। অন্যের ক্ষতি হয় এই রকম কোন কাজ চিন্তাও করতেন না। তাঁর কাছে অনেক জীবন ধারার মানুষজন আসতেন, আসতেন যেমন সাধারণ মানুষ তেমনি অসাধারণরাও। প্রত্যেকের জন্য তাঁরা ছিলো অকৃত্রিম ব্যবহার। নবীন লেখকেরা আসতেন তাঁদের মতামত জানাতে এবং তাঁদের সৃজন কৃষণজীকে দেখাতে। তিনি কারো জন্য চিঠি লিখে নিতেন, কারো জন্য অনুমোদন পত্র। ফিল্ম রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর জন্য তিনি প্রভৃত কাজ করেছেন। এই জগতের লেখক কলাকুশলীদের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ ছিল। সামাজিক
-
মধুসুদন:আমি কৃষণজীর সঙ্গে পরিচিত হই ১৯৪০ সালে। সেই সময় আমি ২৮ বছরের যুবক এবং একমাত্র কৃষণজীর সঙ্গে মিলবার জন্য আমি দিল্লী থেকে লাহোর আসি। কৃষণজী তখন লাহোর অল ইন্ডিয়া রেডিওতে চাকরি করেন। আমাকে দেখে উনি অবাক হন। আমি তো সামান্য যুবক। আমার নিজের লেখা কিছু গল্প দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি পড়ে আমাকে বলেন, মধুসুদন তুমি লেখাতে নিজের স্টাইল তৈরী করো। একটা ব্যাপার পরিষ্কার ছিলো, তখন আমি কৃষণজীর লেখার দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত এবং তাই আমার নিজের লেখার মধ্যে প্রায় পুরোটাই তাঁর স্টাইলের ছাপ পড়েছিলো। এর পর তিনি একই কাজ নিয়ে দিল্লী রেডিওতে চলে আসেন। কৃষণজী দিল্লী এলে সপ্তাহে প্রায় পাঁচ
-
সেম্বেন উসমান
সন্ধোবেলাগুলো আমরা যেতুম মেন্-এর ওখানে; সেখানে পুদিনা মেশানো চা খেতে-খেতে কত বিষয়ে কথা হ’তো আমাদের—যদিও অনেক বিষয়েই আমাদের জ্ঞান ছিলো সামান্য। কিন্তু ইদানীং আমরা বড়ো-বড়ো সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতুম—যেমন বেলজিয়ান কঙ্গোর কথা, মালি যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডগোলের বিষয়, আলজেরিয়ার স্বাধীনতার লড়াই অথবা জাতিপুঞ্জের পরবর্তী অধিবেশনের কথা। তার কারণ ছিলো সেয়ার, বেশির ভাগ সময়েই যার মাথা থাকতো ঠাণ্ডা, আর যার স্বভাবটা ছিলো গম্ভীর। প্রশ্নটা সে-ই তুলেছিলো। ‘আমাদের জাতের লোকের গায়ে ও-রকম জখমের দাগ থাকে কেন?’
(এখানে আমার যোগ করা উচিত যে সেয়ার ছিলো আধা-ভোলতেইক, আধা-সেনেগালি; কিন্তু তার নিজের গায়ে কোনো জাতিগত ক্ষতচিহ্ন ছিলো না।)
আমাদের সকলের মুখে যদিও ও-রকম কোনো ঘায়ের দাগ
-
[গত ২৫শে জুন, ১৯৯৭ বাংলাদেশের লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক তথা সর্বস্তরের, সর্বজন স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীরা রণেশ দাশগুপ্তকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যে আবেদন জানান তার অনুলিপি নীচে প্রকাশ করা হল।]
শ্রী রণেশ দাশগুপ্ত
শ্রদ্ধাভাজনেষু
বাংলাদেশে আপনার নবীন-প্রবীণ অগণিত অনুরাগীজনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন। এদেশের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, আনন্দবেদনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত থেকে আপনার আদর্শ-উজ্জ্বল ত্যাগী সুদীর্ঘ সংগ্রাম আমরা সর্বদা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। পাকিস্তানি যুগের সূচনা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তিচেতনা পরিপুষ্ট করতে, জেল-জুলুম-নিপীড়ন হাসিমুখে উপেক্ষা করে আপনি যে জীবনসংগ্রামে ব্রতী ছিলেন তা আমাদের কাছে অশেষ প্রেরণাদায়ক হয়ে আছে। আপনার বিপুল পঠন-পাঠন ও গভীর জীবন জিজ্ঞাসার পরিচয়বহ রচনাসমূহ আমাদের সাহিত্য ও শিল্পচেতনাকে
-
লেখক: মাসুদুর রহমান
পাওলো ফ্রেইরী লিখিত 'অত্যাচারিতের শিক্ষা' বইটি ১৯৬৭ সালে ব্রাজিলে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশের পরপরই বইটি ব্যাপক গুরুত্ব লাভ করে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বইটির গুরুত্ব অদ্যাবধি এতটুকুও মলিন হয়নি।
পাওলো ফ্রেইরী একজন অধ্যাপক, শিক্ষা উন্নয়ন গবেষক। ধর্মীয় শিক্ষাকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে শিক্ষা বিষয়ে ধার্মিকদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর ক্ষেত্রে এবং গ্রামীণ জীবনের শিক্ষা ও শহর জীবনের শিক্ষার বৈষম্যমূলক পরিবেশ দূরীকরণের ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য সমাজকর্মী। ‘অত্যাচারিতের শিক্ষা' বইটি পৃথিবীর কমবেশি অত্যাচারিত যে কোনো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি মানবিক করার লক্ষ্যে ও ক্ষেত্রে এক অনন্য অবদান রেখে চলেছে।
বইটি মূলত চারটি অধ্যায়ে রচিত হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে গুরুত্ব পেয়েছে মানবতা, মানবিকতা, মানবিকীকরণ ইত্যাদি বিষয় সমূহের
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- লোককাহিনী
- নির্বাচন
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- জীবনী
- যুক্তরাষ্ট্র
- চলচ্চিত্র
- লেখক
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভারত
- মুক্তিযুদ্ধ
- ছোটগল্প
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- স্মৃতিকথা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- নারী
- বাংলা
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- আলোচনা
- বই
- ভাষা
- ঢাকা
- দর্শন
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- লালন
- ইসলাম
- পাকিস্তান
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- উদ্ভিদ
- কলকাতা
- চিঠি
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- বিজ্ঞানী
- শিশুতোষ
- রূপকথা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- গদ্য
- আন্দোলন
- বিশ্ববিদ্যালয়
- গণহত্যা
- পশ্চিমবঙ্গ
- কৃষি
- রবীন্দ্রনাথ
- বইমেলা
- নৃত্য
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- কবিতা
- গবেষণা
- ভৌতিক
- ফুটবল
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- যুক্তরাজ্য
- সরকার
- খাদ্য
- বিপ্লব
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- খুলনা
- সমাজ
- জ্যোতির্বিদ্যা
- মহাকাশ
- ভাষণ
- গণিতশাস্ত্র
- সঙ্গীত
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- সংবাদ
উৎস
- পরিচয়
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- মূল্যায়ন
- প্রক্রিয়াধীন
- তাজিক লোককাহিনী
- বিজ্ঞানচেতনা
- বিজ্ঞান পাঠ
- সমকালীন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইউক্রেনের লোককথা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- প্রবাসী
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- সাহিত্যচিন্তা
- উক্রাইনীয় উপকথা
- কাজাখ লোককাহিনী
- বাংলাদেশ কথা কয়
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- আশ্বাস
- গল্পগুচ্ছ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- ঢাকা প্রকাশ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১২)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (২)
- ২০১৫ (১৪)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৩)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.














