-
পাড়ায় ছ’সাত ঘর ব্রাহ্মণের বাস মোটে। সকলের অবস্থাই খারাপ। পরস্পরকে ঠকিয়ে পরস্পরের কাছে ধার-ধোর করে এরা দিন গুজরান করে। অবিশ্যি কেউ কাউকে খুব ঠকাতে পারে না, কারণ সবাই বেশ হুঁশিয়ার। গরিব বলেই এরা বেশি কুচুটে ও হিংসুক, কেউ কারো ভালো দেখতে পারে না বা কেউ কাউকে বিশ্বাসও করে না।
আগেই বলেছি, সকলের অবস্থা খারাপ এবং খানিকটা তার দরুন, খানিকটা অন্য কারণে সকলের চেহারা খারাপ। কিশোরী মেয়েদেরও তেমন লালিত্য নেই মুখে, ছোট ছোট ছেলেরা এমন অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে এবং এমন পাকা পাকা কথা বলে যে, তাদের আর শিশু বা বালক বলে মনে হয় না। কাব্যে বা উপন্যাসে যে শৈশবকালের কতই প্রশস্তি
-
মতিলাল ছেলেকে বললে—বোসো বাবা, গোলমাল করো না। হিসেব দেখছি—
ছেলে বাবার কোঁচার প্রান্ত ধরে টেনে বললে—ও বাবা, খেলা করবি আয়—
—না, এখন টানিসনে—আমার কাজ আছে—
—ও বাবা, খেলা কববি আয়—ঘোয়া খেলা কববি আয়—
—আঃ জ্বালালে—চল দেখি—
মতিলাল হিসাবের খাতা বন্ধ করে ছেলের পিছু পিছু চলল। ছেলে তার কোঁচার কাপড় ধরে টেনে নিয়ে চলল কোথায় তা সেই জানে।
—কোথায় রে?
—ওভেনে হাত তুলে খোকা একটা অনির্দেশ্য অস্পষ্ট ইঙ্গিত করে—ভালো বোঝা যায়। অবশেষে দেখা যায়, ভাঁড়ারঘরের পেছনে যে ছোটো রোয়াক আছে, বর্ষার জলে সেটা বেজায় পেছল, শ্যাওলা জমে বিপজ্জনক ভাবে মসৃণ—সেখানে নিয়ে এসে দাঁড় করালে মতিলালকে—
—এখানে কী রে?
—আউভাজা খা, আউভাজা
-
অনেকদিন পর সতীশের সঙ্গে দেখা। বেচারা হন্তদন্ত হয়ে ভিড় ঠেলে বিকাল বেলা বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের বাঁ-দিকের ফুটপাথ দিয়ে উত্তর মুখে চলেছিল। সমস্ত আপিসের সবেমাত্র ছুটি হয়েছে। শীতকাল। আধো-অন্ধকার আধো-আলোয় পথ ছেয়ে ছিল। ক্লান্ত দেহে ছ্যাকরা গাড়ির মতো ধীরে ধীরে পথ ভেদ করে চলেছিলাম। সহসা সতীশকে দেখে ওর জামাটা চেপে ধরে চিৎকার করে উঠলাম— আরে সতীশ যে!
সতীশ সবিস্ময়ে আমার পানে চেয়ে বলে উঠল— খগেন! মাই গড! আমি তোমাকেই খুঁজছিলাম!
বললাম— তার প্রমাণ আমাকে ধাক্কা দিয়েই তুমি চলে গেছিলে আর একটু হলে! ভাগ্যিস ডাকলাম!
—সরি! আমি একটু বিশেষ ব্যস্ত।
—তা সে বুঝতেই পারছি। তা, কোথায় চলেছ শুনি?
—তোমাকেও আমার সঙ্গে যেতে হবে।
-
কয়েক বছর পূর্বে এ-ঘটনা ঘটেছে, তাই এখন মাঝে মাঝে আমার মনে হয় ব্যাপারটা আগাগোড়া মিথ্যে; আমারই কোনোপ্রকার শারীরিক অসুস্থতার দরুন হয়তো চোখের ভুল দেখে থাকব বা ওইরকম কিছু। কিন্তু আমার মন বলে, তা নয়; ঘটনাটি মিথ্যে ও অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেবার কোনো কারণ ঘটেনি। আমার তখনকারের অভিজ্ঞতাই সত্যি, এখন যা ভাবছি তা-ই মিথ্যে।
ঘটনাটি খুলে বলা দরকার।
প্রসঙ্গক্রমে গোড়াতেই এ-কথা বলে রাখি যে, গত দশ বৎসরের মধ্যে আমার শরীরে কোনো রোগবালাই নেই। আমার মন বা মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ সুস্থ আছে এবং যে-সময়ের কথা বলছি, এখন থেকে বছর চারেক আগে, সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। আমার স্কুলমাস্টারের জীবনে অত্যাশ্চর্য বা অবিশ্বাস্য ধরনের কখনো কিছু
-
লেখক: পাভেল পার্থ
পরিবেশ ও প্রতিবেশ
বাংলাদেশের নিম্নবর্গের প্রতিবেশ দর্শনের নিশান ও ইশারাগুলো বোঝার নিয়তে একটা প্রাথমিক জায়গা থেকে চলতি আলাপখানির বিস্তার শুরু হচ্ছে। নিম্নবর্গের চিন্তাপদ্ধতির প্রতিবেশীয় মেজাজ ও এর জটিল বিন্যস্ত দার্শনিকতার বৈচিত্র কোনোভাবেই এই এক বিঘত আলাপ তলে জারি করা সম্ভব নয়। এর জন্য যে প্রস্তুতি ও চর্চা দরকার তা চলতি আলাপের শরীর কি মগজে খুব একটা নাই। আলাপখানি নিম্নবর্গের প্রতিবেশ দর্শনের ঐতিহাসিকতা ও এর সংগ্রামী বিকাশমানতার প্রতি আজন্ম দায়বদ্ধ ও নতজানু হয়েই এখানে সামিল হয়েছে। রাষ্ট্রের ইতিহাস কাঠামো ও প্রবল চিন্তাপদ্ধতি থেকে এর নাভীমূল কি পত্রপল্লব আন্দাজ করা সম্ভব নয়। এর জন্য অন্যতম মৌলিক শর্ত দেশ ও
-
যখন তুমি আমার কাছে থাক, তুমি আমাকে প্রায়ই নানা রকমের প্রশ্ন কর, আমিও তার উত্তর দিতে চেষ্টা করি। এখন তুমি রয়েছ মুসৌরী, আর আমি আছি এলাহাবাদ, আমাদের দু'জনের মধ্যে কথাবার্তা কিন্তু এখন আর তেমনটি হবার যো নেই। তাই আনি ভাবছি, আমাদের এই পৃথিবী আর তার যে-সব ছোট বড় নানা দেশ আছে, তারই গল্প তোমাকে মাঝে মাঝে চিঠিতে লিখব। তুমিতো ইংলণ্ড আর ভারতবর্ষের ইতিহাস কিছু কিছু পড়েছ। ইংলণ্ড কিন্তু একটি অতি ছোট্ট দ্বীপ, আর ভারতবর্ষ একটা মস্ত দেশ হলেও পৃথিবীর একটি অতি ছোট অংশ; কাজেই পৃথিবীর কথা কিছু জানতে হলে, কেবল আমাদের নিজেদের জন্মভূমির কথা জানলেই হবে না, আরও যে সব
-
[এ বছর ২৫ নভেম্বর আপেক্ষিকতা তত্ত্বের শতবর্ষ পূর্তিতে লেখাটি পুনঃপ্রকাশিত হলো। ইতোপূর্বে লেখাটি ত্রৈমাসিক ‘নতুন দিগন্ত’-এ প্রকাশিত হয়েছিল।]
II ১ II
ঠিক একশো বছর আগে, ১৯০৫ সালে চব্বিশ বছরের এক জার্মান যুবক সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে সুইস পেটেন্ট অফিসের নিম্নপদস্থ একজন কর্মচারী অফিস ছুটির শেষে জার্মান বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকা ‘Annalen Din Physik’ এর ঠিকানায় একটি খাম পোস্ট বাক্সে ফেলে আসেন। খামের মধ্যে ছিল তিনটি ছোট বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ। পেটেন্ট অফিসের সেই কর্মচারী যুবকের নাম আলবার্ট আইনস্টাইন। পদার্থবিদ্যার উপর প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া সমাপ্ত করেছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে শিক্ষকতার কোন কাজ পাননি। তাই চাকুরী নিতে হয়েছিল পেটেন্ট অফিসে যেখানে বিজ্ঞানচর্চার কোন সুযোগই ছিল না। তবু
-
লেখক: ডা. মো. তোফায়েল হোসেনআয়রন ঘাটতি জনিত রক্তাল্পতা এ সমস্যার প্রতিপাদ্যে দেখা যাচ্ছে দেহে আয়রনের ঘাটতি আছে এবং এ কারণে রক্তাল্পতা ধরা পড়েছে। চায়ে চিনি কম পড়লে আমরা চিনি দেই, তরকারীতে নুন কম পড়লে আমরা লবণ দেই, মোটর সাইকেল বা গাড়িতে পেট্রোল-অকটেনের অভাব পড়লে আমরা পেট্রোল-অকটেন ভরাই, মবিলের দরকার হলে মবিল দেই, ফুটা দিয়ে তেল পড়লে আমরা ফুটা ঠিক করাই, গাড়ির চাকার হাওয়া লিক করলে ছিদ্র সনাক্ত করে ঠিক করাই।আয়রন কোথায় থাকে? আয়রন হিমোগ্লোবিনের হিম অণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। এ ছাড়া আয়রন মায়োগ্লোবিনের অংশ। বিভিন্ন কোষকলায় এনজাইম হিসাবে কাজ করে। জমা থাকে ফেরিটিন ও হিমোসাইডেরিন আকারে অস্থিমজ্জায়, লিভার
-
লেখক: মীর মোশাররফ হোসেনআমরা বরং ‘অংক’ নিয়ে কথা বলি। ছোটবেলায় গণিতকে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ‘অংক’ বলতাম। আমরা কেন, বোধকরি সিংহভাগ শিক্ষার্থী এখনও একে এ নামেই চেনে। অথচ ‘অংক’ হচ্ছে ‘গণিত’ এর যুক্তি বোঝানোর প্রতীক। গণিত যদি ভাষা হয়, অংক তাহলে অক্ষর; গণিত যদি যুক্তি হয়, অংক তাহলে ‘টুলস’।ছোট্ট এই পার্থক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন্য। গণিতের ক্ষেত্রে যা ‘ভয়াবহতম’।II ১ IIঅন্য আলোচনায় ঢোকার আগে প্রথমে আমরা কিছু অনুষঙ্গ খুঁজি। এই যেমন গণিতে ‘ভালো’ হলে কি কি হয়? যেসব দেশের ছেলেমেয়েরা যুক্তিবাদী এবং অনুসন্ধিৎসু, সেসব দেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় বিজ্ঞান, বিশেষত গণিত শিক্ষায়। অধুনা ইউরোপ -
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা সম্ভব কি না, অথবা এর আদৌ প্রয়োজন আছে কি না, সে নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। সম্প্রতি এমন আরও একটি ধারাবাহিক বিতর্ক ঘনিষ্ঠভাবে দেখার সুযোগ হলো, যে কোন বিতর্কের অনাকাঙ্খিত ব্যক্তিগত আক্রমণগুলো বাদ দিলে এই বিতর্কে বিজ্ঞান শিক্ষা, সমাজে বিজ্ঞান চেতনার বিস্তার এবং সাধারণভাবে এগুলোর সাথে মাতৃভাষায় শিক্ষার সম্পর্কের প্রশ্নটি উঠে এসেছে দারুণভাবে। এই বিতর্কটির সবচে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি ছিল দেশে এবং বিদেশে অগ্রগণ্য কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার সাথে জড়িত ব্যক্তিত্বদের পর্যবেক্ষণজাত মতামত এবং পরামর্শ।
শুরুটা হয়েছিল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদীর একটা প্রশ্ন থেকে, বাঙলায় সেটা দাঁড়াবে এমন: তো ছেলে-মেয়েরা, বিজ্ঞানকরার সময়ে
-
[জন্ম : ১৫ এপ্রিল ১৪৫২, আনচিয়ানো, ভিঞ্চি, রিপাবলিক অব ফ্লোরেন্স (বর্তমানে ইতালি), মৃত্যু : ২ মে ১৫১৯, ফ্রান্স]লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালিয় চিত্রকর, স্থাপত্য-নকশাকার, ভাস্কর, স্থপতি ও প্রকৌশলী। অন্য সকলকে ছাপিয়ে তিনি পরিণত হয়েছেন পুনর্জাগরণের (রেনেসাঁর) মানবতাবাদের সর্বোত্তম প্রতিনিধিতে। তাঁর লাস্ট সাপার ও মোনালিসা রেনেসাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাববিস্তারকারী চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম। তাঁর নোটবইগুলোতে জানা যায় কয়েক শতকের অগ্রসর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার আগ্রহ ও যন্ত্রকৌশলের উদ্ভাবনী চিন্তা।তাঁর জীবনকালে তো বটেই এখন অব্দি যে অনন্য জনপ্রিয়তা লিওনার্দোর আছে তার মূলকারণ আসলে তার অপরিসীম জ্ঞান পিপাসা যা তার চিন্তা-ভাবনা ও কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করেছে। আদতে শিল্পী হওয়ায় তিনি তার চোখ দুটোকে গন্য
-
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে—
মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে খুন হাসে
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে।
আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে—
বান ডেকে ঐ জাগল জোয়ার দুয়ার— ভাঙা কল্লোলে।
আসল হাসি, আসল কাঁদন
মুক্তি এলো, আসল বাঁধন,
মুখ ফুটে আজ বুক ফাটে মোর তিক্ত দুখের সুখ আসে।
ঐ রিক্ত বুকের দুখ আসে—
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!
আসল উদাস, শ্বসল হুতাশ
সৃষ্টি-ছাড়া বুক-ফাটা শ্বাস,
ফুললো সাগর দুললো আকাশ ছুটলো বাতাস,
গগন ফেটে চক্র ছোটে, পিণাক-পাণির শূল আসে!
ঐ ধূমকেতু আর উল্কাতে
চায় সৃষ্টিটাকে উল্টাতে,
আজ তাই দেখি আর বক্ষে আমার লক্ষ বাগের ফুল হাসে
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!
আজ হাসল আগুন, শ্বসল
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- উপকথা
- চিরায়ত
- ছোটগল্প
- পৌরাণিক
- শিশুতোষ
- গদ্য
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- স্মৃতিকথা
- বিজ্ঞান
- রবীন্দ্রনাথ
- জীবনী
- দর্শন
- বই
- মার্কসবাদ
- ইসলাম
- কবিতা
- অতিপ্রাকৃত
- নজরুল
- শৈশব
- পাকিস্তান
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ভারত
- কিশোর
- অনুবাদ
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আন্দোলন
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মুক্তিযুদ্ধ
- পাখি
- গান
- ভাষা
- নির্বাচন
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- নদী
- সঙ্গীত
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- কৃষি
- বিজ্ঞানী
- চীন
- ভৌতিক
- পরিবেশ
- চিঠি
- খাদ্য
- গণিতশাস্ত্র
উৎস
লেখক
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আব্দুল লতিফ (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৬)
- এম এ আজিজ মিয়া (২)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- নিতাই দাস (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফিরোজ আহমেদ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৪০)
- মন্মথ রায় (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৬)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রেবতী বর্মন (৪)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শিশির কর (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.