-
১৯৯৩ সালে সিপিবি এক বড় রাজনৈতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে, অনেক পার্টি কমরেড দল ত্যাগ করে চলে যান, অনেকে একদম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, পার্টিকে অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে নামতে হয়েছিল, সারাদেশের মতো ময়মনসিংহ-নেত্রকোনাতেও পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, নেতৃত্বের বড় অংশ বিভ্রান্ত হয়ে দলত্যাগ করে বিভিন্ন দলে চলে যান, তাদের কেউ একথাও বলতেন, কমিউনিস্ট পার্টির আর কোনো প্রয়োজন নেই, এই পার্টি বাংলাদেশে থাকবে না। পার্টিকে বিলোপ করার গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পার্টিকে নিষ্ক্রিয় রেখে, কমরেডদের বিভ্রান্ত করে পার্টির অস্তিত্ব বিলোপ করতে চেয়েছে। এ কাজে পার্টির বিভিন্ন জেলার মূল নেতৃত্ব জড়িয়ে যান, তারা ছিলেন প্রভাবক শক্তি, ইন্টেকলেচুয়ালি নানা ডাইমেনশনে পার্টির সাধারণ কমরেডদের সরিয়ে দিতে
-
ভূমিকা
১৯৯০-এর দশকে কিছুটা আগে-পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের বিদ্যমান সমাজতান্ত্রিক দেশগুলিতে বিস্ময়কর দ্রুততার সঙ্গে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়। এসব দেশে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে এবং নিকৃষ্ট পুঁজিবাদের প্রত্যাবর্তন ঘটে। কেউ কেউ যাকে “ মাফিয়া পুঁজিবাদ” হিসাবে অভিহিত করেছেন। এই দিক থেকে অনেক প্রগতিশীলই একে প্রতি বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারো কারো মতে অবশ্য এই পরিবর্তন ছিল “মন্দ” থেকে অধিক “মন্দে” পরিবর্তন। তারা আমলাতান্ত্রিক সোভিয়েত সমাজতন্ত্রকে ভালো বলতে নারাজ। পরিবর্তনের প্রকৃতি যাই হোক না কেন প্রগতিশীল আদর্শিক জগতে এর একটি বিরাট বিরূপ প্রভাব পড়ে। দেশে দেশে বিপ্লবী আন্দোলন প্রবল আদর্শিক আক্রমণের সম্মুখীন হয়। ঘোষণা করা হয় যে,
-
“That in the year 1921 the said Communist International determined to establish a branch organisation in British India, and the accused Sripad Amrit Dange, Shaukat Usmani and Muzaffar Ahmad entered into a Conspiracy with certain other persons to establish such branch Organisations with a view to deprive the King Emperor of his sovereignty of British India.”
১৯২৯ সালের মার্চ মাসে মিরাটের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ভারত গভর্নমেন্ট মিরাট কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্র মোকদ্দমা দায়ের করতে গিয়ে যে দরখাস্ত দাখিল করেছিল ওপরের উদ্ধৃতি তা থেকে নেওয়া হয়েছে। ১৯২৪ সালের মার্চ মাসে কানপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে কানপুর কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্র মোকদ্দমা দায়ের করতে গিয়েও ভারত গভর্নমেন্ট
-
কিশোর কবির কথা মনে উঠতেই আমাদের চোখের পাতায় ভেসে ওঠে সুকান্তের গালে হাত দেওয়া ছবিটি। পুরো নাম সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬-১৯৪৭)। একুশ বছর না পুরতেই তিনি যক্ষ্মা রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। মাত্র সাত বছরের কাব্যচর্চার মধ্যদিয়ে খ্যাতিমান হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিশোর বয়সে কাব্যচর্চার কারণে কিশোর কবির অভিধায় পরিচিতি লাভ করেছিলেন। জীবনের শুরুতেই তিনি লক্ষ্য স্থির করেছিলেন ব্রিটিশ পদানত দেশকে স্বাধীন করবেন, দেশের মানুষকে বিশেষ করে কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষকে নিপীড়ন-নির্যাতন, শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্ত করবেন। আর কলমকেই বেছে নিয়েছিলেন হাতিয়ার হিসেবে।দৈনিক স্বাধীনতা পত্রিকার ‘কিশোর সভা’ পরিচালনা এবং কিশোর সংগঠন ‘কিশোর বাহিনী’ গড়ে তোলার দায়িত্ব তিনি স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছিলেন। তিনি তাঁর জীবনের
-
আমরা মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্ম। সঙ্গত কারণেই ব্রিটিশবিরোধী লড়াকু বিপ্লবীদের সান্নিধ্য আমরা পাইনি। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখযোদ্ধাদের আমরা দেখেছি, সান্নিধ্যও পেয়েছি। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাঁদের সংগ্রাম আমাদের উদ্বেলিত করে। আগে এক শিশুতোষ ভাবনা ছিল—যদি সেই অগ্নিযুগে জন্ম হতো তবে দেশমাতার মুক্তির জন্য ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতাম, অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতাম। এখন বুঝি, এসব রোমান্টিক ভাবনা নেহাতই ছেলেমানুষি। লড়াই বা সংগ্রাম শুধু ঘটমান অতীত বিষয়টি মোটেও তেমন নয়—লড়াই—ছিল, আছে, এবং থাকবে। এই সময়ে চলমান লড়াইকে সুসংঘবদ্ধ ও সুসংহত করতে পারলে নিশ্চয়ই অতীতের মতো আমরাও ইতিহাসের পাতায় স্বাক্ষর রাখতে পারবো।
মানুষের মুক্তির মন্ত্র ঘরের মধ্যে অথবা নিজের
-
বিশ্বজগৎ নিয়মের রাজ্য, এইরূপ একটা বাক্য আজকাল সর্ব্বদাই শুনিতে পাওয়া যায়। বিজ্ঞান সম্পৃক্ত যে কোন গ্রন্থ হাতে করিলেই দেখা যাইবে যে, লেখা রহিয়াছে, প্রকৃতির রাজ্যের অনিয়মের অস্তিত্ব নাই; সর্ব্বত্রই নিয়ম, সর্ব্বত্রই শৃঙ্খলা। ভূতপূর্ব্ব আর্গাইলের ডিউক নিয়মের রাজত্ব সম্পর্কে একখানা বৃহৎ কেতাবই লিখিয়া গিয়াছেন। মনুষ্যের রাজ্যে আইন আছে বটে, এবং সেই আইন ভঙ্গ করিলে শাস্তিরও ব্যবস্থা আছে; কিন্তু অনেকেই আইনকে ফাঁকি দিয়া অব্যাহতি লাভ করে। কিন্তু বিশ্বজগতে অর্থাৎ প্রকৃতির রাজ্যে যে সকল আইনের বিধান বর্তমান, তাহার একটাতেও ফাঁকি দিবার যো নাই। কোথাও ব্যভিচার নাই, কোথাও ফাঁকি দিয়া অব্যাহতি লাভের উপায় নাই। কাজেই প্রাকৃতিক নিয়মের জয়গান করিতে গিয়া অনেকে পুলকিত হন ভাবাবেশে
-
১
রাজকন্যার নাম অপরাজিতা। উদয়নারায়ণের সভাকবি শেখর তাঁহাকে কখনো চক্ষেও দেখেন নাই। কিন্তু যে দিন কোনো নূতন কাব্য রচনা করিয়া সভাতলে বসিয়া রাজাকে শুনাইতেন সেদিন কণ্ঠস্বর ঠিক এতটা উচ্চ করিয়া পড়িতেন যাহাতে তাহা সেই সমুচ্চ গৃহের উপরিতলের বাতায়নবর্তিনী অদৃশ্য শ্রোত্রীগণের কর্ণপথে প্রবেশ করিতে পারে। যেন তিনি কোনো-এক অগম্য নক্ষত্রলোকের উদ্দেশে আপনার সংগীতোচ্ছ্বাস প্রেরণ করিতেন যেখানে জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর মধ্যে তাঁহার জীবনের একটি অপরিচিত শুভগ্রহ অদৃশ্য মহিমায় বিরাজ করিতেছেন।
কখনো ছায়ার মতন দেখিতে পাইতেন, কখনো নূপুরশিঞ্জনের মতন শুনা যাইত; বসিয়া বসিয়া মনে মনে ভাবিতেন, সে কেমন দুইখানি চরণ যাহাতে সেই সোনার নূপুর বাঁধা থাকিয়া তালে তালে গান গাহিতেছে। সেই দুইখানি রক্তিম শুভ্র কোমল
-
এক-যে ছিল বুড়ো আর বুড়ি। বুড়ো গাছ কেটে তার রসে আলকাতরা বানাত আর বুড়ি দেখত ঘরকন্না।
বুড়ি ঝোঁক ধরল: ‘আমায় একটা খড়ের এঁড়ে বাছুর বানিয়ে দাও!’
‘দূর ছাই, খড়ের এঁড়ে নিয়ে কী হবে তোমার?’
‘ওকে চরাব।’
কী আর করে বুড়ো, খড়ের এঁড়ে বাছুর বানাল, তার গায়ে মাখাল আলকাতরা।
সকালে বুড়ি তকলি নিয়ে চলে গেল এঁড়ে বাছুরটা চরাতে।
ঢিপির ওপর বসে বুড়ি সুতো কাটে আর আওড়ায়: ‘চর, চররে খড়ের এঁড়েটা, আলকাতরা গা! চর, চররে খড়ের এঁড়েটা, আলকাতরা গা!’
সুতো কাটতে কাটতে বুড়ি ঘুমিয়ে পড়ল।
হঠাৎ ঘুরঘুটি জঙ্গল থেকে, পঞ্চবটী বন থেকে বেরিয়ে এল ভালুক।
সোজা গেল সে এঁড়ের কাছে: ‘কে রে
-
পথ চলার সময় মানুষকে যেমন মন খুলে কথা বলায় পেয়ে বসে, এমন আর কখনও হয় না। যে কথা আমরা ঘনিষ্ঠতম বন্ধুকেও কখনো বলব না, সে কথা একেক সময় দেখেছি সহযাত্রীকে সহজেই বলে ফেলেছি। তার সঙ্গে এই প্রথম দেখা, জীবনে আর হয়ত কোনদিন দেখা হবে না, তাই যে কথা বার কয়েক বলেও মনের ভার লাঘব করা যায়নি সে কথা বলার পক্ষে এই লোকটিই কি সবচেয়ে ভাল নয়? এই লোকটি ছাড়া আর কার কাছে প্রকাশ করব বহুদিনের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা, অন্যের মুখে শোনা কাহিনী আর তেমন হলে কিছু অহঙ্কারও?
ভ্রমণ মানে শুধু চলাই নয়। হয়ত বদলীর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি কিম্বা রাস্তার মোড়ে
-
পনের বছর আগে শ্বেত তিস্সা তার দুই ছেলে পিওতর আর সেমিওনকে টেনে নিয়েছে।
বসন্তের বন্যার সময় তারা ভেলিকয়ে বিচ্কভোর দিকে কাঠ ভাসিয়ে নিয়ে চলেছিল। পাথুরে চড়ার গায়ে পড়ে হিমশীতল জলের তখন কী গর্জন আর ফেনা ছড়ান! সংকীর্ণ কার্পেথিয়ান উপত্যকা সে গর্জনে ভরে গেছে আর হৃৎসুলের ভেলাওয়ালা জলের ঝাপটায় রামধনু রং তুলে তরতর করে ভেলা নিয়ে চলেছে—এত জোরে যে ঘোড়ায় চড়েও তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া চলে না।
দুপাশের গ্রামের ছোট ছোট ছেলেরা আর ঘরকুনো বুড়োরা ভেলা দেখতে নদীর পাড়ে ছুটে এসেছে।
‘সা-মা-ল!’ ভেলাওয়ালাদের উদ্দেশে চেঁচাচ্ছে বুড়োরা।
তারা নিজেরাই একদিন শ্বেত তিস্সার বুকে ভেলায় কাঠ নিয়ে পাড়ি দিয়েছে।
‘সা-মা-ল!’ ছোট ছেলেরা বুড়োদের
-
স্তুদেনিৎসায়, স্তুদেনিৎসা কেন, সারা স্নেগোভেৎস অঞ্চলেই ওলিওনা স্তেফাকের ছেলে আন্দ্রেইয়ের মতো সুপুরুষ ব্যক্তি আর পাওয়া যাবে না।
তার সবকিছুই সুন্দর চলাফেরা,—তামাটে মুখের কাট, ধূসর তীক্ষ্ণ চোখদুটি, বাঁ ভুরুর বাঁকা ভঙ্গিমা সবই। ভুরুর ঐ বাঁকাভাবটির জন্য তার মুখে একটা বিস্ময় বা ঠাট্টার অভিব্যক্তি লেগে থাকে।
আন্দ্রেই স্তেফাক শুধু যে তার সৌন্দর্যের জন্যই খ্যাত তা নয়, তার মতো ফুলবাবুও আর কেউ নেই। পাহাড় অঞ্চলের কাঠের কলের ট্র্যাক্টরড্রাইভার সে, বয়স তার মাত্র উনিশ, কিন্তু সাজসজ্জা প্রসাধনের দিকে তার যা নজর, ভেরখভিনার নাম করা সুন্দরীরাও হার মেনে যায়। সবুজ কানাৎ দেওয়া সাদা পশমের জ্যাকেট, পুঁতির নক্সাকরা সার্ট, ফারের গুচ্ছ লাগান টুপি আর কাঁটা লাগান
-
অনেক রাত্রে কে যেন এসে হোটেলে উঠল। অন্ধকারে ঘরের ভিতর সে নড়াচড়া করছে, আমার পাশের ফাঁকা বিছানাটায় শোবার জন্য তৈরী হচ্ছে।
আধঘুমন্ত অবস্থায় শুনতে পাচ্ছি নতুন লোকটি তার জমে যাওয়া বর্ষাতি চুল্লীর কাছে ঝুলিয়ে দেবার চেষ্টা করল, ব্রীফকেসটা—নাকি ফীল্ড ব্যাগ—বালিশের তলে ঢুকিয়ে দিয়ে বিছানায় বসে মোটা বুটগুলো খুলতে সুরু করল।
বর্ষাতি আর বুটজোড়ায় কড়া হিমের গন্ধ। হিমে বোধ হয় একেবারে জারিয়ে গেছে, তামাকের গন্ধে লোকের জামাকাপড় যেমন হয়।
পুরোপুরি জেগে গেলাম। বিরক্তির সঙ্গে মনে পড়ল তিনদিন ধরে চলেছে জানুয়ারীর সেই সাংঘাতিক বরফঝড়।
পাহাড়ের গ্রামগুলোয় গাড়ি ঘোড়া হাঁটাচলা সব বন্ধ।
আমার প্রতিবেশী শুয়ে পড়ল। তার শরীরের ভারে করুণ আর্তনাদ তুলে ঝুলে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- রূপকথা
- শিশুতোষ
- কিশোর
- ছোটগল্প
- দাঙ্গা
- গদ্য
- নজরুল
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- উপকথা
- চিরায়ত
- পৌরাণিক
- ঢাকা
- পাকিস্তান
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মুক্তিযুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- ভাষা
- মার্কসবাদ
- সাম্যবাদ
- স্মৃতিকথা
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- সমাজতন্ত্র
- ভারত
- সাংবাদিকতা
- লোককাহানি
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- জীবনী
- দর্শন
- বই
- খাদ্য
- বিজ্ঞানী
- নারীবাদী
- বিয়োগান্তক
- রমন্যাস
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- বাংলা
- আন্দোলন
- শৈশব
- কবিতা
- নদী
- চীন
- অতিপ্রাকৃত
- সঙ্গীত
- ভৌতিক
- পরিবেশ
- রবীন্দ্রনাথ
- চিঠি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- পাখি
- কৃষি
- গণিতশাস্ত্র
- গান
- নির্বাচন
- ইসলাম
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- নারী
- বইমেলা
- ফিচার
- পশ্চিমবঙ্গ
- হিন্দু
- দুর্ভিক্ষ
উৎস
- ঠাকুরমা'র ঝুলি
- বনফুল গল্পসমগ্র
- প্রক্রিয়াধীন
- আলোর উদ্দাম পথিক
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পুরাণের গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- জিজ্ঞাসা
- গল্পগুচ্ছ
- ইউক্রেনের লোককথা
- হেগেল ও মার্কস
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ব্যথার দান
- ঢাকা : পাচাস বারাস পাহলে
- মেঘমল্লার
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- কে আমি?
লেখক
- অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবু ইসহাক (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২০)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জহির রায়হান (১)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৯)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফিরোজ আহমেদ (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (২)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৪০)
- মন্মথ রায় (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৩)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৬)
- রাজশেখর বসু (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রেবতী বর্মন (৪)
- লুনা নূর (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (১)
- হাকিম হাবিবুর রহমান (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.