-
উর্দু থেকে অনুবাদ: ফহিম আনোয়ার ও স্বপন দাসাধিকারী
হাওয়ার কেল্লার বিষয়বস্তু হলো হিন্দুস্থানের কাল্পনিক পোলাও। হিন্দুস্থানের আদর্শ হলো ক্ষুধা এবং এটি তার প্রতি একটি চমৎকার ইঙ্গিত। এ একটি সীমিত বাগ্বিধি এবং এর কেন্দ্রবিন্দু শুধু পেট, কিন্তু হাওয়ার কেল্লা একটি বিস্তীর্ণ ও সু-উচ্চ বাগ্বিধি এবং তাতে কাল্পনিক পোলাও ছাড়াও কয়েকটি সুন্দর বস্তু মিশে আছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাল্পনিক পোলাওতে হাওয়ার কেল্লা ঢুকতে পারবে না, কিন্তু হাওয়ার কেল্লায় বসে কাল্পনিক পোলাও পাকানো যায়। এই ভাবেও ভাবা যায় যে সারা ভারতবর্ষ একটি হাওয়ার কেল্লা। আপনি কোন হাওয়ার কেল্লা তৈরী করেছেন? আমি আপনার ছোট বেলার কথা বলছি না, কেননা সারা জীবনকেই আমার
-
লেখক:কু ইউ
ছেলেমেয়ের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের মনের ভাব লক্ষ্য করে ওয়াং-এর মা আর মেয়ের বাপ তাদের বিয়ের ব্যাপারে কোনো আপত্তি তুললো না। ওয়াং বেশ বলিষ্ঠ চমৎকার ছেলে, জেলা শাসন বিভাগে কাজ করবার জন্য তৈরি হচ্ছে। ফান ফেং-ল্যানকে সবাই জানে শক্ত সমর্থ, দক্ষ খেত কর্মী বলে। কৃষকরা সকলে তাদের দুজনকে বেশ পছন্দই করে। তাদের ধারণা দুজনে মিলেছে ভালো।
পৃথক পৃথক দুই গ্রামে দুজনের বাস, তবে এক গ্রাম থেকে অন্যটাতে যেতে হলে ছোট্ট একটা নদী পার হতে হয় মাত্র। বাগদত্ত অবস্থায় ফেং-ল্যানকে দেখতে আসার জন্য ওয়াং সবসময় কোনো না কোনো ছুতো একটা খুঁজে বার করতোই। তাই অচিরেই ওর ঘন ঘন আসা
-
১. মানুষ কাজ করে কেন
আকাশ এককালে ছিলো মাটির খুব কাছে। সত্যি বলতে, মাথার ওপর হাত তুললে হাতটা যতটা উঁচুতে ওঠে, আকাশটা কিন্তু তার চাইতে বেশি উঁচুতে ছিলো না। যখনই কারোর খিদে পেতো, তাকে শুধু হাতটা ওপরে তুলে আকাশের একটা টুকরো ভেঙে খেয়ে ফেললেই হ’তো। সেইজন্যেই কাউকে কখনো কোনো কাজকর্ম করতে হতো না ৷
তা কিছুকাল তো দিব্যি খাসা চললো এই ব্যবস্থায়, কিন্তু সময় সময় লোকে এমন একেকটা বড়ো টুকরো ভেঙে নিতো যা তাদের পেটেই আঁটে না—ফলে যা তারা খেয়ে শেষ করতে পারতো না, মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিতো। আকাশ কিনা এতই বড়ো যে চিরকালই লোকের খাবার মতো অনেকটা আকাশ থেকেই
-
সেম্বেন উসমান
সন্ধোবেলাগুলো আমরা যেতুম মেন্-এর ওখানে; সেখানে পুদিনা মেশানো চা খেতে-খেতে কত বিষয়ে কথা হ’তো আমাদের—যদিও অনেক বিষয়েই আমাদের জ্ঞান ছিলো সামান্য। কিন্তু ইদানীং আমরা বড়ো-বড়ো সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতুম—যেমন বেলজিয়ান কঙ্গোর কথা, মালি যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডগোলের বিষয়, আলজেরিয়ার স্বাধীনতার লড়াই অথবা জাতিপুঞ্জের পরবর্তী অধিবেশনের কথা। তার কারণ ছিলো সেয়ার, বেশির ভাগ সময়েই যার মাথা থাকতো ঠাণ্ডা, আর যার স্বভাবটা ছিলো গম্ভীর। প্রশ্নটা সে-ই তুলেছিলো। ‘আমাদের জাতের লোকের গায়ে ও-রকম জখমের দাগ থাকে কেন?’
(এখানে আমার যোগ করা উচিত যে সেয়ার ছিলো আধা-ভোলতেইক, আধা-সেনেগালি; কিন্তু তার নিজের গায়ে কোনো জাতিগত ক্ষতচিহ্ন ছিলো না।)
আমাদের সকলের মুখে যদিও ও-রকম কোনো ঘায়ের দাগ
-
লোকটা অদ্ভুত। ছাই রঙা ফেল্ট টুপিটার তলায় তার দ্বিধায় ভরা হাসিটা আমায় খানিকটা বিভ্রান্ত ক’রে দিয়েছিলো, কেননা হঠাৎ আমার কেমন একটা অদ্ভুত ধারণা হ’লো যে আমি তাকে অস্বস্তিতে ফেলছি। সে অনেকক্ষণ চুপ ক’রে রইলো। আমি তার মধ্যে একটা অলুক্ষুনে কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম।
হঠাৎ প্রায় ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে সে ব’লে উঠলো, ‘তুমি কি মিস্ গ্ল্যাডিসের ছেলে?’ দাঁতের মাজন আর মদের একটা মৃদু গন্ধ। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। সে অনেকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলো, মুখটা আধখোলা। চোখদুটো কেমন জলে ভরা, কৌতূহলী আর খানিকটা ব্যথাতুর।
আমি জিগেস করলাম, ‘আমি কি ওঁকে আপনার কাছে ডেকে আনবো?’
‘অ্যাঁ?’ আমি যে কোনো প্রশ্ন করতে পারি,
-
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে।
-
অনুবাদ: অজয় গুপ্ত
বাচ্চাদের মধ্যে যারা প্রথমে সাগরের ওপর দিয়ে কালো ফুলে ওঠা জিনিসটাকে ধীরে-ধীরে ভেসে আসতে দেখেছিলো, ভেবেছিলো বুঝি শত্রুপক্ষের কোনো জাহাজ। পরে তারা দেখতে পেলো ওর কোনো নিশান বা মাস্তুল নেই, তখন তারা ভাবলো ওটা তিমিমাছ। কিন্তু জিনিসটা যখন ঢেউয়ের দোলায় কূলে এসে পড়লো, তারা সামুদ্রিক আগাছার ঝাড়, জেলিফিশের, মাছের আর সমুদ্রে ভেসেবেড়ানো জিনিসের টুকিটাকি তার গা থেকে সরিয়ে ফেললো, আর তখনই কেবল তারা দেখতে পেলো, ওটা একজন ডুবে-যাওয়া মানুষ।
সারাটা বিকেল তারা তার সঙ্গে খেলা করলো, বালির নিচে তাকে কবর দিলো, কবর খুঁড়ে আবার তাকে তুললো, সেইসময় কেউ একজন হঠাৎ তাদের দেখে ফেললো আর খবরটা গাঁয়ে রটিয়ে
-
নানারকমের খুচরো সৌখীন জিনিষ নিয়ে যাদের কারবার সেইসব দোকানকে বলে কিউরিওসিটী শপ্। কিউরিও (curio মানে বিচিত্র—অদ্ভুত সব জিনিস, সেই দোকানে পাওয়া যায়। যা দেখতে আমাদের কৌতুহল হয়, যা দেখে আমাদের বিস্ময়ের সীমা থাকে না, এমনি সব জিনিস! আমাদের দেশেও এরকম দোকান ঢের আছে—হয়ত তোমারা দেখেও থাকবে! পেতলের চীনে বুদ্ধমূর্তি, পুরানো তুর্কি গালিচা, মিশরের তৈরী হয়ত পাথরের খেলনা—নানাবর্ণের, নানা দেশের বিচিত্র সব জিনিস, যাদের পয়সা আছে তারা সখ করে কেনে, যাদের যথেষ্ট নেই তারা চেয়ে থাকে, কিম্বা দর করে।
অনেকদিন আগে বিলেতে এমনি একটা দোকান ছিল। তার বৃদ্ধ মালিক আর তাঁর নাতনী নেলি ঐ দোকানেরই ওপর তলায় বাস করতেন। বাড়ীটা নিজের—দোকানেরও
-
একটি মেয়েছেলে গর্ভবতী অবস্থায় পথ হেঁটে যেতে যেতে একদিন পথের কষ্টে অজ্ঞান হয়ে পড়ল। তখনই তাকে তুলে সেই গ্রামের আঁতুরালয়ে নিয়ে যাওয়া হল বটে, কিন্তু মেয়েটিকে আর বাঁচানো গেল না। সেই অবস্থাতেই একটি পুত্রসন্তান ভূমিষ্ট হবার পর সে বেচারা মারা গেল।
ছেলেটির কি অবস্থা বুঝে দেখ! নাম নেই, গোত্র নেই, কার ছেলে, কী বৃত্তান্ত, কিছুই জানা নেই; এ অবস্থায় ছেলেটিকে নিয়ে কি করা যায় এই কথা ভেবে ভেবে ত অনাথ আশ্রমের কর্তাদের মাথা গরম হয়ে উঠল। চারিদিকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হল যদি তা দেখে কেউ এসে ছেলেটিকে দাবী করে এই ভরসায়, কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। ছেলেটি ওঁদেরই ঘাড়ে চাপল।
তখন
-
অনুবাদ: কমলেশ সেন
দেশ বিভাগের দু-তিন বৎসর পর পাকিস্তান এবং হিন্দুস্থানের সরকারের খেয়াল হল কয়েদীদের মতো পাগলদের আদান প্রদান হওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ যে সব মুসলমান পাগল হিন্দুস্থানের পাগলা গারদে আছে তাদের পাকিস্তানে এবং যে সব হিন্দু ও শিখ পাকিস্তানের পাগলা গারদে আছে তাদের হিন্দুস্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
জানি না এ ঠিক ছিল কি বেঠিক ছিল। যাই-ই হোক, বুঝদার মানুষের রায় অনুসারে উচ্চস্তরের কনফারেন্স হল এবং শেষে এক দিন পাগলদের আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ঠিক হয়ে গেল। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অনুসন্ধান চালানো হলো। যে সব মুসলমান পাগলদের আত্মীয়-স্বজন হিন্দুস্থানে আছে তাদের সেখানেই রাখা ঠিক হল। আর পাকিস্তান থেকে যেহেতু সব হিন্দু এবং শিখ হিন্দুস্থানে
-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
ভুলু ও গামা দুই ভাই। খুবই পরিশ্রমী। ভুলু কুলিগিরি করতো। একটা টুকরি মাথায় নিয়ে, সারাদিন এখানে-সেখানে কুলিগিরি করতো। বিকেলে ঘরে ফিরে এলে দেখা যেতে৷ তার কোঁচার গিটে তিন-চার টাকা জমা হয়েছে।
গামা খাঞ্চা বিক্রি করতো। সারাদিনের ফেরী কাজে তিন-চার টাকা উপার্জন হতো। কিন্তু তার মদের নেশা ছিলো। রাতে দীনার হোটেলে খাবার আগে তাকে এক পোয়া মদ খেতেই হতো। সবাই জানতো যে সে পান করে আর এভাবেই বেঁচে থাকে।
ভুলু, গামার দু’বছরের বয়োজ্যেষ্ঠ। গামাকে সে অনেক করে বোঝালো যে, মদাসক্ততা খুবই খারাপ জিনিস। বিয়ে করেছ, অযথা কেন টাকা নষ্ট করছ? এক পোয়া মদের জন্যে যে
-
পাঁউরুটির শেষ টুকরোটা দিয়ে প্লেট থেকে ময়দার তরকারির অবশিষ্টটুকু চেঁচেপুঁছে তুলে নিল টম কিঙ্। টুকরোটাকে মুখে পুরে ধীরেসুস্থে চিন্তামগ্নভাবে চিবোতে শুরু করল। খাওয়া শেষ করে টেবিল থেকে ওঠার পরেও মনে হচ্ছে খিদেটা মেটেনি। তবু তো বাড়ির মধ্যে ও একাই আজ খেয়েছে। ছেলে দুটোকে আগেভাগে ঘুম পাড়িয়ে পাশের ঘরে শুইয়ে দেওয়া হয়েছে—যাতে ওরা খেতে পায়নি বলে চেঁচামেচি না করে। টমের স্ত্রী মুখে কিছু ঠেকায়নি। চেয়ারে বসে স্নেহ-ভরা চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রমিক ঘরের মেয়ে টমের বউ। শুকনো রোগা চেহারা, কিন্তু তবু মুখ থেকে লাবণ্যটুকু এখনো পুরো মুছে যায়নি। তরকারির জন্যে ময়দাটা সে প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করে এনেছিল। শেষ পুঁজি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কথা পাঞ্জাব
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- কাজাখ লোককাহিনী
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পরিচয়
- রূপের ডালি খেলা
- ফুলকি ও ফুল
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- উক্রাইনীয় উপকথা
- সোনার পেয়ালা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- ভেদ-বিভেদ (২)
- তানিয়া
- রাঙা পাল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- ভাবনা সমবায়
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭০)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.