আগন্তুক
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে। ফলে অনেক পবিবার উজাড হ'য়ে গেলো; হিন্দুবা মুসলমানদেব বাড়িতে আগুন লাগালে, মসলমানবাও উলটে তাব শোধ নিলে হিন্দুদেব ওপব। তৈবি হ'যে গেলো মস্ত এক কহানী, জটিল আব বক্তাক্ত। আমাদের কাছে এ-সব নতুন-কিছু নয়; বাপদাদাদেব আমল থেকেই এই মিছিল আব লাঠিব খেলা চ'লে আসছে। আল্লাহ না-করুন, এই জাতীয় বৈশিষ্ট্য যেন আমবা না-হাবাই।
হিন্দু মুসলমানে তখন এ-বকমই একটা মাব-মাব কাট-কাট দাঙ্গা চলছে-এব মাঝে আমি কেমন ক'বে বিজ মাসিকে দেখতে যাই? এ-পাড়া ও-পাডা, অলি-গলি, হাট-বাজাব-সবখানেই আগুন জ্বলছে। মাথাগবম মসলমান। যাতে এই বক্তাবক্তি থামিয়ে দেয়, সেইজন্যে বিজ সাবাদিন' হাত জোড ক'বে তলসীতলায় পজো করছে। সেদিন অবিশ্যি ঐ পজোআচ্চা কোনোই কাজে আসেনি। পবের পর দল এসে বাঙিব সদর দরজার কাছে হামলা করেছে, হাওযা তাতিষে বেখেছে।
বাতে শুতে যাবার আগে বিজব মা ভালো ক'বে সব দেখে নিতো যাতে সবে একটা মাছিব গলতে না-পাবে। তাছাড়া পরেব পাশেই পাহাবাস থাকতে। এক ওর্থা দাবোযান। একদিন, বাত এণাবোটা নাগাদ, পাশের গলিতে ছেতা-খোঙা "মাকাপড় পরা এক জখম লোক বেজায় জোবে আছাড় খেয়ে পড়ে, আব তাতে বিজব ঘুম ভেঙে যাস, তাকিয়ে দ্যাখে জানলা টপকে ভয়াবহ একটা চানা ঘবেব মধ্যে ঢুকে পড়েছে। দৃশ্যটা দেখেই তার গলা শুকিয়ে যায়, বাক বোধ, এমনকী শব্দটি করার ক্ষমতা পর্যন্ত তাব ছিলো না। সেই ভয়বহ ছামাটা তাব দিকে ঝুঁকে প'ডে বলে, 'সাবধান, যদি কোনো...' বিজ্ব বিছানায প্রায মডাব মতোই প'ডে থাকে, আচ্ছন্ন। পাশের গলিতে বেজায শোবগোল, কাবণ শিকাবিব কবল থেকে শিকাব পালিয়ে গিষে বেমক্কা কাক বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু লোকটা যদি তাকে খুন কববাব মতলবেই এসে থাকে, বিজু তাহ'লে কী করবে? বিজু চ্যাঁচাতে যাবাব জন্যে মুখ খুলতে যাবে, অমনি লোকটা তাব নোংবা হাত দিযে চটপট তাব মুখটা চেপে ধবে।
'চেচিযেছো কি মবেছো, আমি তোমায গলা টিপে সাবাড ক'বে দেবো। ওবা আম'কে মাবতে আসছে, আমাকে খন কবতে চাষ। যত ছোটোলোকের বাচ্চা।' লোকটা চাপা গলায় এ-কথা ব'লেই হাপাতে থাকে।
বিজ কোনোরকমে বিছানায় উঠে বসে। সে তখন কাপছে। লোকটাব মুখে মুচকি হাসিব বেখা ফুটে ওঠে। 'তমি সত্যি একটা ভিতব ডিম।'
'কে তুমি? এমনভাবে—'
'আমি যে-ই হই না কেন, মোদ্দা কথাটা এই যে ওবা আমায় খুন করতে আসছে। আল্লাহর দোহাই। ওবা আমায় এদিকটায় পালিয়ে আসতে দ্যাখেনি আশা কবি।'
ততক্ষণে গলিব মোডে শোরগোল আবো বেডে নিয়েছে
অন্ধকাবে লোকটাব মুখচোখ দেখতে পায়নি বটে ৩বে 'আল্লাহব দোহাই' শুনে বিঘ্ন বঝতে পাবে লোকটা মসলমান। ভীষণ বিপদেব সম্যও লোকজন আল্লাহব নাম নিষে ফেসে যায়।
বিজ্ব আপনা থেকেই একটু দবে স'বে যাস। বলে, 'তমি এক্ষনি আমাব ঘব থেকে বেবিসে যাও।'
'এখন। এই অবস্থায়? লোবট। অবাক হ'য়ে যাস। ওবা যে আমাকে নির্ঘাৎ—
লোকটাকে এভাবে চমকাতে আব ঘাবড়ে যেতে দেখে বিজ এবাবে একট জোব পায়। 'হ্যা, এক্ষুনি, এই অবস্থাতেই—
'বাঃ, বিপদের
লেখাটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
এক বছর
এক মাস
রেজিস্ট্রেশন করা নেই? রেজিস্ট্রেশন করে ৭ দিন বিনামূল্যে ব্যবহার করুন
যোগাযোগ করতে
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).

Comments