-
অনেক রাত্রে কে যেন এসে হোটেলে উঠল। অন্ধকারে ঘরের ভিতর সে নড়াচড়া করছে, আমার পাশের ফাঁকা বিছানাটায় শোবার জন্য তৈরী হচ্ছে।
আধঘুমন্ত অবস্থায় শুনতে পাচ্ছি নতুন লোকটি তার জমে যাওয়া বর্ষাতি চুল্লীর কাছে ঝুলিয়ে দেবার চেষ্টা করল, ব্রীফকেসটা—নাকি ফীল্ড ব্যাগ—বালিশের তলে ঢুকিয়ে দিয়ে বিছানায় বসে মোটা বুটগুলো খুলতে সুরু করল।
বর্ষাতি আর বুটজোড়ায় কড়া হিমের গন্ধ। হিমে বোধ হয় একেবারে জারিয়ে গেছে, তামাকের গন্ধে লোকের জামাকাপড় যেমন হয়।
পুরোপুরি জেগে গেলাম। বিরক্তির সঙ্গে মনে পড়ল তিনদিন ধরে চলেছে জানুয়ারীর সেই সাংঘাতিক বরফঝড়।
পাহাড়ের গ্রামগুলোয় গাড়ি ঘোড়া হাঁটাচলা সব বন্ধ।
আমার প্রতিবেশী শুয়ে পড়ল। তার শরীরের ভারে করুণ আর্তনাদ তুলে ঝুলে
-
ভ্লাদিমির শহরে বাস করত এক তরুণ ব্যবসায়ী। তার নাম ছিল ইভান ডিমিস্ট্রিচ আকসিওনভ। তার গোটাদুই দোকান এবং একটি সুন্দর বাড়ী ছিল।
আকসিওনভকে সুপুরুষ বলা যায়। সুন্দর কোঁকড়া চুলওয়ালা লোকটি বেশ আমুদে প্রকৃতির, আর গান-বাজনাও সে ভালবাসত খুব। দোষের মধ্যে বলতে গেলে, মদ খেত খুব বেশী। আর মদের মাত্রা চড়লেই প্রায়ই সে কোনো না কোনো গোলমাল পাকিয়ে বসত। অবশ্য বিয়ে করার পর কখনো-সখনো একটু-আধটু পান করা বাদে মদ খাওয়া বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছিল।
একদা এক গ্রীষ্মকালে আকসিওনভ 'নিজনি'র মেলায় ব্যবসার উদ্দেশে যাবে বলে মনস্থ করল। পরিবারের লোকজনদের বিদায় জানিয়ে যখন সে রওনা হতে যাচ্ছে তখন তার স্ত্রী এসে বলল, 'ওগো, তুমি
-
বন্ধুরা ওকে বলত জরদ্গব। তার ঢিলে-ঢালা, জবুথুবু, ভ্যাবাচ্যাকা স্বভাবের জন্যে। ক্লাসে কোনো সাপ্তাহিক পরীক্ষার সময় কখনোই ওর সময়ে কুলাত না, প্রশ্নটা মাথায় ঢুকতে ঢুকতে ঘন্টা পড়ে যেত। চা খেতে বসলে তার টেবিল পিরিচের চারপাশে জমত চায়ের ডোবা। চলত এদিক-ওদিক হেলে দুলে, নির্ঘাৎ ধাক্কা খেত টেবিলের কানায়, নয়ত উল্টে পড়ত চেয়ার। নতুন জুতো হপ্তার মধ্যেই এমন তুবড়ে যেত যেন ওই পরে সে সেনাপতি সুভোরভের সঙ্গে আল্প্স্ পর্বত পেরিয়েছে। মুখের ভাব ঢুলুঢুলু, যেন এইমাত্র ঘুম ভাঙল, নয়ত এখুনি ঘুমিয়ে পড়বে। সবকিছুই ওর খসে পড়ত হাত থেকে, কিছুই উৎরাত না। এক কথায় জরদ্গব।
গায়ে আঁট হয়ে বসত কোট, প্যান্টে পা ঢুকত কোনোক্রমে। মুটকো
-
পাইওনিয়ার শিবিরের ব্র্যাস ব্যাণ্ড বাজিয়েদের মধ্যে পাশা সেদভ ছিল সবার ছোটো। কিন্তু তার ড্রামটি ছিল প্রকাণ্ড। এমনকি যে রামশিঙাটা তার পেতলের অজগর পাকে ঢ্যাঙা কারাভায়েভ’কে জড়াত, সেটাও হার মানত ড্রামের কাছে। কাঁধে তারপলিনের স্ট্র্যাপ গলিয়ে আশা ঝুলিয়ে নিতে ভারি ড্রামটা, ভারসাম্য রাখার জন্যে সামান্য পেছনে হেলতে হত তাকে। হাতে তার থাকত বিস্ময়চিহ্নের মতো হালকা সরু কাঠি নয়, ফেল্ট-মোড়া বাঁটুল লাগানো রীতিমতো বাজন-ডাণ্ডা। তা দিয়ে পাশা নিপূণ বোল তুলত, প্রকাণ্ড যন্ত্রটা দিয়ে তান ধরত ট্রাম্পেটের সঙ্গে। যে জানে না, তার কাছে মনে হবে ড্রাম বাজাতে সবাই পারে। একেবারে ভুল কথা! যে-স্বরলিপি দেখে পাশা বাজাতে তাতে লেখা ছিল: ‘ড্রামের পালা’। গোটা ব্যাণ্ডই
-
ছোট্ট কলিয়ার যতদূর মনে পড়ে, যুদ্ধের দিনগুলোয় তার কেবলি ক্ষিতে পেত। ক্ষিদে সে কিছুতেই সইতে পারত না, মানিয়ে নিতে পারত না, রাগের ঝলক ফুটত তার কোটরে ঢোকা চোখে, অনবরত খাবার খুঁজে বেড়াত। না-ছাঁটা এলোমেলো কালো কালো চুল আর খোঁচা খোঁচা পাঁজরায় তাকে দেখাত যেন ছোট্ট রোগটি এক নেকড়েছানা। খাওয়ার মতো কিছু একটা পেলেই সে তা মুখে তুলত—সরেল মুুখ আটকে আসা বৈঁচি, বার্ড-চেরি, কী সব শিকড়বাকড়, অসহ্য টক আর শক্ত বুনো আপেল। বাড়িতে সে পেত জলের মতো কিছু ঝোল আর রুটি। ঝাড়াই-করা জোয়ারের গুছি গুঁড়ো করে মা মেশাত ময়দার সঙ্গে, ফলে রুটি হত ভারি, চ্যাটচেটে, সোঁদা সোঁদা কাদাটে গন্ধ উঠত। কিন্তু
-
সে গ্রীষ্মে গরম একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দিনের গরমের পর আসে সাঁঝের গরম, সাঁঝের পর রাতের। শুধু ভোরের দিকেই একটু তাজা আমেজ আসে সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই ক্ষীণ শীতলতাটুকুও টেকে বেশিক্ষণ নয়। তার তাপ ছড়ায় কেবল সূর্যই নয়। পাথর, বালি, এমনকি গাছের পাতা থেকেও চুইয়ে পড়ে গরম। মাথার ওপর আলস্যে ভাসা বিরল দু’ একটি মেঘ দেখে আর তুষারের কথা মনেও পড়ে না। এমন গরমে আদৌ কল্পনা করারই অসম্ভব যে দুনিয়ার কোথাও আছে তুষার-কণা, বরফ, ঠাণ্ডা।
সমুদ্রতীরের এই বসতটায় নিথর হয়ে গেল জীবন। লোকে হাঁটে গা-ছাড়াভাবে, নেতিয়ে পড়ে, রোদে বেরতে ভয় পায়। এমনকি ঝানু পুলিন-বিলসীরাও হামলা সইতে না পেরে ঠাঁই নিয়েছে
-
মানুষের স্বভাবই এই যে গ্রীষ্মে তার মন কেমন করে নীলাম তুষার-কণা আর শাসির্তে বরফের নক্সার জন্যে। আবার শীতে তার চাই তপ্ত সূর্য, পল্লবের সবুজ খস-খস, বিলবেরির গন্ধ।
যাচ্ছিলাম আমি গভীর মুড়মুড়ে তুষারের ওপর দিয়ে আর ভাবছিলাম গ্রীষ্মের কথা। অনাড়ম্বর রুশী গ্রীষ্ম নয়, দক্ষিণী গ্রীষ্ম—জ¦লজ¦লে ফুলের গন্ধে যা চনমনে, পাথর যেখানে আতপ্ত, গরমে-সমুদ্র যেখানে অলস, নিস্তেজ। ভাবতে ভাবতে আমার নিজেরই কেমন গরম ঠেকল, ওভারকোটের বোতাম খুলে ফেললাম, টুপিটা সরিয়ে দিলাম কপাল থেকে। তুষার-কণা হয়ে দাঁড়াল ঝুরঝুরে চকমকি বালি, ফর গাছ উঠে দাঁড়াল সাইপ্রাস গাছ হয়ে, পাইনের ডাল নড়ে উঠল পাম গাছের সবুজ পাখার মতো।
এই সময়েই শাদা তুষার স্তূপের ওপর দেখলাম
-
লকড়ি-গুদামটায় উঠে উর্সের কাছে ঘেঁষবে এমন কোনো ছেলের কথা আমি শুনিনি। কিন্তু একটি মেয়ের কথা জানি, কেট—সে এটা পারে। উর্সকে সে ভয় পায় না। কাঁটা-তারের তল দিয়ে সে ঢোকে, উর্স কিন্তু খেঁকিয়ে আসে না, ডাকে না ভাঙা-ভাঙা গলায়, কামড়ে ছেঁড়ে না তার ফ্রক। দু’জনের মধ্যে বেশ ভাব—রোগা সরু ঠেঙে কেট আর দক্ষিণ রাশিয়ার পাহারাদার কুকুর উর্স।
ছেলেপিলেরা বলে, কেট কী একটা মন্ত্র জানে। সেটা বাজে কথা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাতে নাক কুঁচকে ওঠে তার কেউ মিথ্যে কথা বললে সে বরাবরই নাক কোঁচকায়।
উর্স দেখতে প্রকাণ্ড। গায়ের লোম তার ঝুলে ঝুলে থাকে নোলকের মতো। কপালের নোলকগুলো পড়ে চোখর ওপর। চোখের
-
আফ্রিকাতেও কিরণ দেয় আমাদের এই একই সূর্য। কিন্তু সূর্য সেখানে মাটির অনেক কাছে, তাই রোদ হয় কাঠ-ফাটা। আর সিংহ ভাবে সূর্য বোধ হয় দুটো: একটা গরম, একটা ঠাণ্ডা।
সিংহ থাকে খাঁচায়। যেন লাইন-টানা কাগজের ওপর আঁকা। আঁকা হয়েছে হলুদ-বাদামী রঙে। সিংহের আধখানায় ঘন, লম্বা লম্বা চুল, অন্য আধখানা রোগা, লোম-ছাঁটা, মসৃণ। হয়ত আধখানায় তার সর্বদাই গরম লাগে, অন্য আধখানায় ঠাণ্ডা।
খাঁচায় থাকলে শুধু এক জায়গাতেই থাকতে হয়, কিছুই ভালো করে দেখা হয় না। যেমন, শুঁড়-ওয়ালা একটা মাথা দেখতে পায় সিংহ, কুলো-পানা তার কান। কিন্তু মাথার ওই মালিকটির পা কটা, তা সে জানে না। নাকি তিমি মাছের মতো লেজ নেড়ে সে
-
খড়কুটোর সেপাই দেখেছেন কখনো?
প্রিয় পাঠকবর্গের কাছে আমি সেই-যে সেই চটের থলে আর খড়ের আঁটি দিয়ে বানানো ডামি-লড়াইয়ের কথাই শুধোচ্ছি। আমার ধারণা, আপনারা জীবনে অন্তত একবার ওদের নিশ্চয়ই দেখেছেন।
সত্যিকারের লড়ুয়েরা যখন যুদ্ধের মহড়া দেয়, তখন ঐ খড়ো-সেপাইদের সিনা লক্ষ্য করে সঙিন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পচা কুটো-কাটা আর বাতিল বস্তার ছোঁড়া টুকরো দিয়ে সাধারণতঃ এই ডামিগুলো তৈরী হয় যদিও, কিন্তু মাঝে মাঝে আবার কেউ কেউ মনযোগ দিয়েও বানায় বৈকি! যেমন কোনো কোনো ডামির মুখে মানুষের মুখের আদল সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে, চোখ আর নাক বানাতে তো রীতিমতো পরিশ্রমই করা হয়।
কাৎলো গাঁয়ের ছোঁড়ারা একদিন হৈ হৈ করতে করতে এসে ছাউনীটা ভরে
-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
-
গ্রীষ্মের একটা দিনে গির্জার ঘণ্টাগুলোর শোকার্ত ধ্বনির সহযোগে দুটি রমণী এইভাবে একটি গান রচনা করেছিল। আরজামাস-এর নির্জন এক রাস্তায়, সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে, আমি যে বাড়িতে বাস করতাম তারই সামনের এক বেঞ্চিতে বসে। জুন মাসের একটা দিনের গুমোট নিস্তব্ধতার মধ্যে সারা শহর যেন ঝিমোচ্ছিল। জানলার ধারে একটা বই নিয়ে বসে আমি আমার প্রতিবেশী, গ্রামের প্রধানের পরিচারিকার সঙ্গে মোটাসোটা গোলগাল, মুখে বসন্তের দাগওয়ালা আমার রাঁধুনী উস্তিনাইয়ার মৃদু কন্ঠের কথপোকথন শুনছিলাম।
“আর কি লেখে তারা?” পুরুষালি কিন্তু অত্যন্ত নমনীয় কন্ঠে প্রশ্ন করলো সে। “নাঃ, আর কিছু নয়,” পরিচারিকাটি মৃদুকণ্ঠে, চিন্তান্বিত বিষণ্ণতার সঙ্গে টেনে টেনে উত্তর দিলো। মেয়েটির গায়ের রঙ অতটা উজ্জ্বল নয়, কৃশতনু,
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কথা পাঞ্জাব
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- কাজাখ লোককাহিনী
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পরিচয়
- রূপের ডালি খেলা
- ফুলকি ও ফুল
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- উক্রাইনীয় উপকথা
- সোনার পেয়ালা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- ভেদ-বিভেদ (২)
- তানিয়া
- রাঙা পাল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- ভাবনা সমবায়
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭০)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.