ক্যাটাগরি : শিশু-কিশোর
-
আর সকলের বিবৃতি শেষ হইলে শৈলেনের উপর তাগাদা হইল, 'এবার এ-বিষয়ে তোমার কি অভিজ্ঞতা আছে বল।'
শৈলেন বলিল, 'আমায় বরং
-
খগেন্দ্রনাথ মিত্র
কর্তাবাবুর অনেক সম্পত্তি, বয়সও অনেক, পাড়ার লোকে খাতিরও করে খুব। বাড়িতে চাকর-বাকর, ঝি-রাঁধুনিও কম নয়। তারা থাকে মস্ত
-
বিশ্বনাথ পাড়াগাঁয়ের ছেলে।
ঘুটঘুটে অন্ধকারে দুপুররাত্রে বাঁশবনের ভেতর দিয়ে সে তিন ক্রোশ অনায়াসে বেড়িয়ে আসতে পারে। অমাবস্যায় গ্রামের সীমানার শ্মশান
-
মহাপ্লাবনের পর বহু বছর কেটে গেছে।
আরবে আদ নামক একটা জাতি অতিশয় শক্তিশালী হয় উঠেছিলো। তারা খোদাকে মানতো না—ইচ্ছা মতো
-
ইব্রাহিম খলিলুল্লা খোদাতা’লার প্রিয়জন
কোরবানি দেন ইসমাইলে তার সন্তান আপন।
এক রাত্রে তিনি খোয়াব দেখলেন
খোদা যেন তাকে হুকুম করেছেন,
-
পূর্বে খোদাতা’লার এবাদতের জন্য কোন মসজিদ বা গৃহ নির্দিষ্ট ছিলো না। খোদার আদেশে হযরত ইব্রাহিম সর্বপ্রথম মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন।
-
বৃদ্ধ বয়সে বিবি সারা খাতুনের গর্ভে হযতর ইব্রাহিমের এক পুত্র সন্তান জন্মে। তাঁহার নাম ইসরাইল (আঃ)। ইসরাঈলের দুই পুত্র ইয়াশা
-
অনেকদিন আগের কথা। একদিন হযরত ঈসা সিরিয়ার পথে যেতে যেতে একটা মানুষের মাথার খুলি পড়ে রয়েছে দেখতে পেলেন। সেই খুলিটার
-
মহাপ্লাবনের পর বহুকাল অতিবাহিত হয়েছে। নূহের বংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বংশে একজন পরম ধার্মিক লোক জন্মগ্রহণ করলেন, তাঁর নাম ইসরাইল।
-
চীন-সম্রাটের প্রাসাদের মতো চমৎকার প্রাসাদ পৃথিবীতে আর একটিও ছিল না। আগাগোড়া মিহি চীনে-মাটির তৈরি, এমনি পাতলা যে, এতটুকু ছুঁলেই বুঝি
-
নৌবহরের গল্পের সাথে যে সাগরটির নাম সবচেয়ে বেশী জড়িত, তার চারদিকে তিনটি মহাদেশের ভূমি—এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ। তাই অজানাকাল থেকে
-
লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। এভাবেই রাজপথে মার্চ করে চলে পৃথিবীর সবদেশের সৈনিকেরা। এখন তোমাদের কাছে যে দেশের গল্প করব, সে দেশের সৈনিকেরা
-
নানাবাড়ি পুকুরঘাটে কাত হয়ে থাকা ঝাকড়া-পাতার চালতা গাছটায় বসে ভীষণ জটিল এবং চরম আপমানজনক একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করছিলাম আমরা
-
শেষ পর্যন্ত আমাদের সবার আশার গুড়ে এক ট্রাক বালি ছিটিয়ে দিয়ে বৃষ্টিটা শুরুই হয়ে গেল। প্রথমে টিপটিপ ইলশেগুড়ি বৃষ্টি। আমরা
-
নানাবাড়ির ড্রয়িংরুমের নরম কার্পেটে বসে টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখছি রবিন, মনি আর আমি। আইসিসি চ্যাম্পিয়ান ট্রফির ফাইনাল খেলছে ইংল্যান্ড আর
-
প্রতিবারই গ্রীষ্মের ছুটির আগে আমরা বসে যাই বেড়ানোর প্ল্যান করতে। আমাদের লিডার মাসুল মামা। সাথে রবিন, মনি আর আমি। মনি
-
আমার পিসিমা ভীষণ ভালো হলেও বেজায় ভীতু। সব জিনিসে তার ভয়। যেখানে যা আছে তাতে তো ভয় আছেই, আবার অনেক
-
দারুণ গরমে বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক বজ্রেশ্বর গড়গড়ির ঘুম ভাঙল।
ঘরে ইলেকট্রিক পাখা ঘুরছিল, সেটা কখন থেমে গেছে। একট পাঁচ পাওয়ারের নীল
-
সে-বার মায়ের সঙ্গে আমরা গাঁয়ের বাগান-বাড়িতে আছি। মিশকা এল দিনকতক বেড়াতে। কী যে আনন্দ হল বলবার নয়। ও না থাকায়
-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে
-
মা একদিন বাবাকে বললেন, ‘হ্যাঁগো, মৌমাছি পাললে হয় না? পাড়ার সবাই পালে। ঘরের মধু খায়।’
‘ঠিক আছে, পালা যাবে’, বললেন
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে
-
‘আচ্ছা, মেঘগুলো সব গেল কোথায়?’ বলল ল্যুবাশকা।
ঘাসের ওপর শুয়ে শুয়ে সে নীল আগুনে পোড়া আকাশটাকে দেখছিল। পরিষ্কার ফাঁকা আকাশ।
ট্যাগ
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৯)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৭)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৭)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- বন্দে আলী মিয়া (১৫)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬