২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
লেখক: তাপসী বন্দ্যোপাধ্যায়
যাগটা উদারিকরণের। নিবাস এক অগাধ ভুবনগ্রামে। ভাবনার ডানা যত্রতত্র বিহারী। স্থানিক-দূরত্বকে বেঁধে ফেলি হাতের মুঠোয়, আবার সময় পলায়নপর সেই বন্ধনী খুলে। জীবনের এই আকাশপাতাল অমিল অথবা মিল্লিশ্ নিয়ত ধরা দিচ্ছে সৃষ্টির বিচিত্র পথে। আর সাহিত্যের ক্ষেত্রটি এপথে সর্বাধিক প্রশস্ত ও ফলস্ত। এই উত্তর-আধুনিক কালে সাহিত্যের মূল্যায়নে নানা 'বাঁধি বোল' আর 'বাঁধা ওজন'-এর বাড়-বাড়ন্ত। ঔপনিবেশিক্ষতার বাঁধনমুক্ত এইসব সাহিত্যের মূল্যায়নকর্তারা আসলে নানা তত্ত্বকথার আধারে প্রত্যাশা করেছেন অবাধ স্বাধীনতা। নির্মাণ থেকে বিনির্মাণ কিংবা পুনর্নির্মাণ এসবই এখন সাহিত্যের উপভোক্তার কুক্ষিগত। এমনকি সাহিত্যের আস্বাদনে স্রষ্টার ওপর নির্ভরতারও দায়মুক্ত আজ পাঠক। একালের পাঠক প্রবল দাপটে সৃষ্টিকর্তার অধিকারকে অস্বীকার করে পুনঃপাঠ প্রক্রিয়ায় নিমগ্ন হয়।
-
যাত্রা সম্ভবতঃ অনেক আগেই শুরু হয়েছিল, যদিও তার সঠিক কোন দিনপঞ্জী নেই। উনিশশো সাইত্রিশ সালে ঢাকার বৃষ্টিস্নাত এক নিদাঘ অপরাহ্নে বিশ্বখ্যাত আইলিংটন কোরিম্বিয়ানস ফুটবল দলকে হারিয়ে এ দেশের খেলাধুলার প্রথম স্বীকৃতি ঘটে। তখন বৃটিশ আমল। সারা দেশে জেলা ক্রীড়া সংস্থা আর সংস্থার মাঠ সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে। বৃটিশ জাতের যত দোষই থাকুক না কেন তাদের একটা গুণ অনেক দোষকে ঢেকে দেবে সন্দেহ নেই। এ গুণটা হচ্ছে খেলাধুলার প্রতি তাদের ভালবাসার, আকর্ষণ ও ঐকান্তিকতা। তারা জাতীয় জীবনে রাষ্ট্রীয় জীবনে মানবিক জীবনে এই খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের কথা বুঝেছিল। যার জন্য আমাদের নিজেদের প্রচেষ্টার চেয়ে তাদের খেলাধুলার প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গি ক্রীড়া
-
গল্পকার: ফজলুল হক
হঠাৎ একটা গুলির শব্দ শুনলাম—আর সঙ্গে সঙ্গেই একটা আর্ত চীৎকারের শব্দ কানে এল। চোখে দেখলাম এক ঝলক রক্ত—যা আমার জানালার পর্দাকে রঙিন করে তুলল! চোখ মুদে বুঝলাম, জানালার কাছে দাঁড়ানো রাস্তার পাগলটাকে ওরা গুলি করেছে। এখন বুঝি পাগল মারা শুরু হ’ল!
মনে হ’ল জেগে জেগেই স্বপ্ন দেখছি। এই বীভৎস স্বপ্ন থেকে মুক্তি পাবার জন্য ঘুমোবার চেষ্টা করলাম, কিন্তু ঘুম আসে কই? পাড়ার কোণের বাড়ি থেকে ওরা সন্ধ্যা রাতে দু’টি মেয়েকে জোর করে ধরে নিয়ে গেছে। একটু আগে শুনেছি। ভেবেছি ওদের হত্যা করল না কেন? হত্যা করলে তো ওদের পরিবারে আর এই অশান্তির ঘূর্ণিঝড় বইত না। কারণ পরশু
-
লেখক: আসফ-উজ-জামান
মুক্তি, আমি পালিয়েছি। দেশের জন্যে আমি সংগ্রাম করিনি। আমি ভীরু, স্বার্থপর। আমি চরিত্রহীন। তাই তো তোমাদেরও ফেলে রেখে চলে আসতে পারলাম। অথচ তুমি যখন মাতৃগর্ভে তখন তোমার ভবিষ্যৎ স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যে কত পরিকল্পনাই না আমার ছিল। তোমার মায়ের সঙ্গে আমিও স্বপ্ন দেখেছি কী করে তোমার আগামী জীবনকে কুসুমাস্তীর্ণ করব আমি।
আয়োজনের অভাব ছিল না। তুমি যখন চোখ মেলে পৃথিবীর প্রথম আলো দেখেছিলে তখন যদি তোমার বোঝবার ক্ষমতা থাকত তা’হলে দেখতে আধ ডজন নার্স তোমাদের ঘিরে রেখেছে সর্বদা। তোমাদের সামান্যতম সুবিধাটুকু সর্বসত্তা দিয়ে মুছে দিতে তারা অনুক্ষণ প্রস্তুত। ভেবো না, সেইসব নার্সরা তোমাদের ভালবেসেছিল, আসলে তার খুশী করতে চেয়েছিল আমাকে।
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
এপ্রিল মাসে বড়ো কঠিন সময় কাটল, তবে তার ইতিবাচক ফলাফল ক্রমশ দেখা দিতে লাগল; এবং যা-কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল সবই বাস্তবায়িত হতে লাগল। বিচ্ছিন্ন কিছু জাহাজ আমাদের নৌবহরের গতিপথ অনুসরণ করে বন্দরে এসে ভিড়ল এবং মাল খালাস করল।
মে মাসের প্রথম দিকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট 'সুদর্শনা হংকং' ট্যাঙ্কার জ্বালানি বহন করে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করল। এটা ছিল উদ্ধারাভিযানের প্রথম সাফল্য। এর ফলে এদেশে প্রেরিত যাবতীয় সহায়তা ও মালামাল বন্দরে খালাস করার সুযোগ মিলল।
বাংলাদেশের জনজীবনে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এই বন্দর অবস্থিত। তার পানি পলিমাটি-ভরা হওয়ার কারণে
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
বন্দর থেকে বড়ো ধরনের তিনটি জাহাজ নিরাপদে সরানোর পরে পরবর্তী অন্যান্য জাহাজের জন্য একটি স্থায়ী রুট তৈরি হল। তবে তা ছিল ভারতীয় মাইন-অনুসন্ধানকারীদের তৈরি করা রুটের চেয়ে অনেক বেশি দীর্ঘ। বঙ্গোপসাগরে জোয়ার-ভাঁটার ধারাবাহিকতা পর্যবেক্ষণ করে ও সাগরে মাইন স্থাপনের বিন্যাস বিশেষণ করে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম সাগরে চলাফেরার জন্য কোন্ ব্যবস্থা সবচেয়ে নিরাপদ হবে। বর্তমান কার্যকর রুট ২রা মে থেকে স্বল্পতম সময়ে তিন মাইল পর্যন্ত চওড়া করা যাতে যে কোনো জাহাজ বন্দরে নিরাপদে পৌঁছতে পারে। কার্যকর রুটের দৈর্ঘ্য বরাবর বিশেষ সংকেতচিহ্ন (সিগন্যাল) স্থাপন করে রুটের পুব পাশের সকল মাইন একযোগে নিষ্ক্রিয় করার কাজ আরম্ভ করতে হবে।
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
জাহাজ উত্তোলনের জন্য বরাদ্দ ছ'টি বিশেষ স্থানে পরিকল্পনা মাফিক সব কাজ এগিয়ে যাচ্ছিল এবং সেগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার আত্মবিশ্বাসও আমাদের ছিল। ডুবুরীরা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে এবং দিনে যতটা সময় কাজ করা সম্ভব তার পুরোটাই সদ্ব্যবহার করেছে। দিন-রাত একের পর এক ডুবুরী পানিতে সমানে ওঠা-নামা করেছে। এখানে আবারো বলতে হয়, ছোট-বড়ো কোনো কাজেই বন্দরের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় নি যদিও তাতে আমাদের কাজের গতি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছিল। তবে আমরাও বন্দর সচল রাখার ব্যাপারে সতর্ক ছিলাম, যে-কারণে বন্দরে জাহাজ আসা-যাওয়ার সময়সূচি পরীক্ষা করে যে সময়ে সবচেয়ে কমসংখ্যক জাহাজ আসে সে সময়টুকুতেই কাজ করতাম।
মে মাসের
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ পূর্ব বাংলায় অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বায়ান্নোর একুশের প্রতীক ২১-দফার ভিত্তিতে হক-ভাসানী-সোহ্রাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্ট তদানীন্তন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করার পর শেরে বাংলার নেতৃত্বে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়েছিল। এ সরকার পঞ্চাশ দিনের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ভেঙে দিয়েছিল। সে সুযোগ অবশ্য করে দিয়েছিল '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তড়িঘড়ি শেরে বাংলার নেতৃত্বে গঠিত কৃষক শ্রমিক দলের ক্ষমতা দখল। যুক্তফ্রন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আতাউর রহমান খানের আওয়ামী লীগ; কিন্তু যুক্তফ্রন্ট সরকারে আওয়ামী লীগ প্রথমে যোগ দেয়নি, যদিও ওই দলের ১৪৩ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কৃষক
-
লেখক: অজয় রায়
১৯৬৮-৬৯-এর গণআন্দোলন, স্বাধীনতা-পূর্ব স্বায়ত্তশাসন থেকে একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবং এর ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মচারীরা এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের অবদান, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সর্বোপরি রণাঙ্গনে ছাত্রদের সাহসী অবদান আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। শুধু কি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়গুলোতে, এরও আগে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের প্রতিটি স্তরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি শিক্ষকরা প্রকাশ করেছিলেন। সেদিনের ছাত্রদের ভূমিকা আজ আর কারও অজানা নেই, কাজেই তাদের কথা আজ আর বলব না। শুধু এটুকু বলি, সেদিন আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সেদিনের ছাত্র শেখ
-
লেখক: দুলাল ভৌমিক
দেশ ও জাতির স্বার্থে, এমনকি আমাদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থেও ১৯৭১ সনে আমরা পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই করেছিলাম। সে লড়াইয়ে জিতেছিলাম বলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন, বাঙালি জাতি স্বাধীন; আজ আমরা রবীন্দ্রনাথের সেই তালগাছের মতো বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু হেরে গেলে বাঙালি জাতি যে বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে যেত, এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। জেতার পরেও বারংবার ভুলের কারণে আমাদের অস্তিত্ব আজ সঙ্কটের সম্মুখীন। তবে আশা-এ সঙ্কট একদিন কেটে যাবে।
আমরা যুদ্ধ করেছিলাম আমাদের স্বার্থে। আমাদের রাজনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, অথনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, বাঙালির সভ্যতা-সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে। কিন্তু অবাঙালি ও অবাংলাদেশী অনেক ব্যক্তি এ যুদ্ধে
-
লেখক: মুহম্মদ সবুর
টমাস জন বাটা জানতেন যুদ্ধংদেহী পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে থাকা পূর্ব পাকিস্তানে তাদের প্রতিষ্ঠানটি জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে কঠিন অবস্থান নিয়েছে ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি এবং এর প্রধান কর্মকর্তা। সে এক বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান। পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনী ঘুণাক্ষরে টের পেলে অবস্থা হবে ভয়াবহ। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন রক্ষাই হয়ে পড়বে কঠিন, প্রতিষ্ঠানও হবে বেহাত। কিন্তু পিছু হটে যাওয়ার কোনো জো নেই। নীতিগত কারণে এই অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভবও ছিল না আর। বিজয় অর্জন পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনে কাজ চালাতে হয়েছে। তবে সদাসতর্ক থাকার জন্য ঢাকা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই '৭১ সালে। বিশ্ব মানচিত্রের
-
লেখক: ড. আশফাক হোসেন, অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মুক্তিযুদ্ধকালে স্নায়ুযুদ্ধে বিশ্ব ছিল বিভাজিত। এই বিভাজনের দুই পাশে পুঁজিবাদী যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল দুই বিপরীত আকাঙ্ক্ষাও শক্তির প্রতিভূ। আর স্বতন্ত্র অভিলাষ নিয়ে কিছুটা পাশে ছিল চীন। মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এই তিন যুযুধান শক্তির টানাপোড়েনে ১৯৭১ সালে জাতিসংঘ উত্তাল হয়ে পড়ে। তৎকালীন বিশ্বপটে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলির ওপর তার প্রভাব ছিল অত্যন্ত তীব্র।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাঙালিদের একটি জনযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার জন্য এক পরিপূর্ণ সংগ্রাম। দ্রুতগতিতে বিষয়টি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংকট থেকে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে রূপান্তরিত হয়। বস্তুত, ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রেও ছিল বাংলাদেশ এবং ডিসেম্বরে নিরাপত্তা
-
রিপোর্টার: সাইমন ড্রিং
[ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত লন্ডনের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের এই লেখাটি ছিল একাত্তরের গণহত্যা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম কোনো প্রতিবেদন]
পূর্ব পাকিস্তনের জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব বড় নেতাকেই গারদে ঢোকানো হয়েছে।
প্রথম সারির রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর শেখ মুজিবের আন্দোলনের সমর্থক দুটো পত্রিকার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার রাস্তার যে ট্যাংক নেমে আসে, সেগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল ছাত্ররা। অবস্থাদৃষ্টে তা-ই মনে হচ্ছে।
তিন ব্যাটালিয়ন সেনা ঢাকা আক্রমণে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল আর্মড, একটি আর্টিলারি ও আরেকটি পদাতিক। তারা রাত ১০টার পরপরই গ্যারিসন
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
লেখক: শহিদুল ইসলামএক. অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রথম সূর্য ওঠার খরবটা পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এমনকি ২৫ মার্চ ১৯৭১, মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সে বাংলাদেশকে দখল করার জন্য শানিত আক্রমণ চালিয়ে প্রথম রাতেই হাজার হাজার মানুষকে লাশে পরিণত করেছে, সে খবরও আমি পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। প্রকৃতির অবধারিত নিয়মানুসারে সেই কণ্ঠটি চিরকালের জন্য নীরব হয়ে গেলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বসে আমার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য ওঠার আগের ঘটনাটি সেলুলয়েডে বন্দী ছবির মতো আমার চোখে ভেসে উঠলো। সেদিনের ইতিহাস নিয়ে আমি অনেক লিখেছি। সেখানে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ আছে। কিন্তু তার বেশি না। তাই দেবদুলালহীন পৃথিবীতে আজ তাঁর কথা আরো
-
লেখক: মার্ক টালি
বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে আমি যেমন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিলাম, তেমনি এ দেশের সঙ্গে আমার একটা আত্মার সম্পর্কও রয়েছে। আমার মা এই দেশে জন্মেছিল। তাঁর জন্মস্থান আখাউড়া। আমার নানা ব্যবসায়িক কারণে আখাউড়াতে ছিলেন। আমার জন্ম কলকাতায়। ১০ বছর পর্যন্ত ভারতে ছিলাম। আবার ৩০ বছর বয়সে চাকরি নিয়ে এসেছি। জীবনের অনেকটা সময় এ অঞ্চলেই কেটেছে। বলা চলে, এ অঞ্চলটি আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষের ওপর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর হামলার পর আমি এখানে আসার অনুমতি পাই। সে সময় আমার সঙ্গে ঢাকায় আসেন আরও কয়েকজন বিদেশি সাংবাদিক। এই দলটিই প্রথম ঢাকায় আসে। অবশ্য পাকিস্তানি
-
বক্তা: এডওয়ার্ড কেনেডি
[মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২৫ আগস্ট ২০০৯) বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রাখেন। সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বক্তৃতা দেন।]
আমি বাংলাদেশে এসেছি আপনাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লাখো মানুষের শুভকামনা পৌছে দিতে। বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বলে, আমরা সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে। যারা স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদার ও অন্যান্য মানবিক মূল্যবোধ অটুট রাখতে কাজ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁদের সঙ্গে আছে। কোনো কোনো সরকার আপনাদের এখনো স্বীকৃতি না দিলেও পৃথিবীর মানুষ শোষণ আর নিপীড়ন থেকে আপনাদের মুক্তি অর্জনকে স্বীকৃতি
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট ভারত সফরে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি। তিনি পাকিস্তানেও যেতে চেয়েছিলে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তার ভিসা বাতিল করে দেন। এর মাসখানেক আগে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ভারত সফরে এসেছিলেন। তিনি ভারতের রাজনীতিক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই পাকিস্তানের পথে পা বাড়ান। অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি চলে যান পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে। লাখ লাখ শরণার্থী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংস হামলার মুখে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে এসেছেন। তাদের অনেকে নিকটজন হারিয়েছেন।
দি ব্লাড টেলিগ্রাম: ইন্ডিয়াস সিক্রেট ওয়ার ইন ইস্ট পাকিস্তান গ্রন্থে গ্যারি জে বাস লিখেছেন, উন্নয়ন ও উদ্বাস্তু ত্রাণবিষয়ক আমেরিকান
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অধিকৃত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে মুক্তিবাহিনী ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিল। তারা দেশের সর্বত্র গুলি-বোমায় নাস্তানাবুদ করছিল খানসেনাদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও দিল্লি সফরকালে সেটা ভালোভাবেই অবহিত হতে পেরেছেন। স্বদেশে ফিরে তিনি নিজেও বোমা ফাটালেন, যা কাঁপিয়ে দিল হোয়াইট হাউসকে। রিচার্ড নিক্সন ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খানের বর্বর গণহত্যা শুরুর পর থেকেই দাবি করে আসছিলেন—পাকিস্তানের সৈন্যরা তাদের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহার করছে না। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এডওয়ার্ড কেনেডি কংগ্রেসের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাকিস্তানে ২০ লাখ ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের
-
লেখক: সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাত্তরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তাঁদের ভূমিকা ছিল অগ্রসৈনিকের। শুধু লেখালেখি নয়, তাঁরা রাজপথে মিটিং-মিছিল করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দেশের ভেতরে থেকে কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাঁদের পক্ষে ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে সাধ্যমতো ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের কবি-লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে তখন যোগ দেন ভারতের বাঙালি কবি-সাহিত্যিকেরা। তাঁরা বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
কলকাতার উর্দুভাষী কবি-সাহিত্যিকেরা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এগিয়ে আসেননি। তবে কেউই আসেননি তা
-
মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহাশয়, ঢাকার আলোচনা ভেঙে যাওয়ার খবর এবং সামরিক প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যবস্থা অবলম্বন প্রয়োজন মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সামরিক বলপ্রয়োগ করেছেন-এই মর্ম খবর সোভিয়েত ইউনিয়নের গভীর উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।
এই ঘটনার ফলে পাকিস্তানের অগণিত মানুষের প্রাণহানি, নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্টের খবরে সোভিয়েতের জনগণ বিচলিত না হয়ে পারে না। মুজিবুর রহমান ও অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী ও নির্যাতন করায়ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই নেতারা হালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সন্দেহাতীত সমর্থন লাভ করেছিলেন। সোভিয়েত জনগণ সর্বদাই পাকিস্তানের মানুষের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশের জটিল সমস্যার সমাধানে তাদের সফলতায় আনন্দিত
-
লেখক: এনামুল হক
একটা সময় ছিল যখন কিংবদন্তির ব্যান্ড দল বিটলস-এর জনপ্রিয়তা পশ্চিমা দুনিয়ায় আকাশকে স্পর্শ করেছিল। সেটা ছিল ষাটের দশক। হিপ্পি আন্দোলনের জোয়ার বইছিল পশ্চিমে। সেই জোয়ারে মিশে গিয়ে তরুণ সমাজের এক বিরাট অংশ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ, রাজনীতি, আদর্শ, দর্শন সবকিছুকেই অস্বীকার করে বসে। তারা তাদের পোশাকআশাক, চালচলন, জীবনযাপনের দ্বারা সমাজের প্রতি বিজাতীয় ঘৃণার প্রকাশ ঘটায়। তারা লম্বা চুল রাখতে থাকে, উদ্ভট ধরনের পোশাক পরে, মারিজুয়ানা, কোকেন প্রভৃতি ড্রাগে আসক্ত হয় এবং সেই সঙ্গে লিপ্ত হয় অবাধ যৌনাচারে। ব্যান্ড দল বিটলস যেন এদের দর্শনকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নিয়েছিল। এই ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ষাটের দশকের
-
লেখক: আ ন ম আমিনুর রহমানজেমকন স্টেট হারবাল গার্ডেনের কর্মকর্তা অনুজ সাজ্জাদের আমন্ত্রণে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর দুর্গা পূজার ছুটি কাটাতে গেলাম পঞ্চগড়ে। ৬ অক্টোবর ওর সাথে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্থান ও চা বাগান ঘুরে দেখছিলাম। বেলা সাড়ে এগারটায় পুরনো তেঁতুলিয়ায় পৌঁছালাম। মহিষের এক পরিত্যক্ত বাথান দেখে গাড়ি থেকে নামলাম। সামনেই মহানন্দা নদী। হ্যাঁ, যাদের খুঁজছি এদিকেই তাদের পাওয়া যেতে পারে। অতএব, দেরি না করে নদীর তীর ধরে হাঁটা দিলাম। এদিক ওদিক তাকিয়ে হঠাৎ একজোড়া অন্যরকম পাখির দেখা পোলাম। হ্যাঁ, পেয়ে গেছি। ফোকাস করে যেই না ক্লিক করবো, পাখি দু’টো উড়ে গিয়ে মহানন্দার অন্য তীরে গিয়ে বসল। একেবারে সীমান্তের ওপারে।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহিনী
- শিশুতোষ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ছোটগল্প
- শিল্পকলা
- ঢাকা
- সঙ্গীত
- লোককাহানি
- নৃত্য
- নারী
- জীবনী
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- মুক্তিযুদ্ধ
- ভাষা
- স্মৃতিকথা
- হিন্দু
- চিঠি
- ভারত
- লেখক
- পাকিস্তান
- গদ্য
- বই
- বিশ্ববিদ্যালয়
- আন্দোলন
- ইসলাম
- নির্বাচন
- মার্কসবাদ
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- রোজনামচা
- চলচ্চিত্র
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- বাংলা
- জ্যোতির্বিদ্যা
- মহাকাশ
- কবিতা
- সমাজতন্ত্র
- আলোচনা
- গণিতশাস্ত্র
- গবেষণা
- ওষুধ
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- রূপকথা
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- লালন
- পশ্চিমবঙ্গ
- খাদ্য
- বিজ্ঞানী
- বইমেলা
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ক্রিকেট
- উদ্ভাবন
- সমাজ
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- রবীন্দ্রনাথ
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- দাঙ্গা
- উদ্ভিদ
- কলকাতা
- ভৌতিক
- দর্শন
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- ফুটবল
- যুক্তরাজ্য
- গণহত্যা
- সংবাদ
- সরকার
- বিপ্লব
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- চিরায়ত
উৎস
- উক্রাইনীয় উপকথা
- পরিচয়
- প্রক্রিয়াধীন
- ইউক্রেনের লোককথা
- সমকালীন
- ঢাকা প্রকাশ
- সাহিত্যচিন্তা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- মূল্যায়ন
- প্রবাসী
- আশ্বাস
- বিজ্ঞানচেতনা
- কাজাখ লোককাহিনী
- তাজিক লোককাহিনী
- বিজ্ঞান পাঠ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- গল্পগুচ্ছ
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বাংলাদেশ কথা কয়
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১০)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (১)
- ২০১৫ (১২)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১০)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৩)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৪)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.



