-
গার্ম শহর থেকে এক পালোয়ান এল হীসার শহরের বাজারে সেখানকার পালোয়ানের সঙ্গে শক্তির লড়াই করে দেখার ইচ্ছা হল তার।
‘এস দেখা যাক, আমাদের মধ্যে কে বেশি শক্তিশালী?’ বলল গার্মের পালোয়ান।
লড়াই আরম্ভ হল তাদের। সে লড়াই দেখতে লোক জড় হল।
লড়াই করতেই লাগল তারা, কিন্তু কেউ কাউকে হারাতে পারে না কিছুতেই। সূর্য পাটে বসেছে। আঁধার নামছে ওদিকে। তখন গার্মের পালোয়ান গীসারের পালোয়ানকে বলল, ‘চল, চাখানায় যাওয়া যাক, চা খাওয়া যাবে আর বাজি রেখে দেখব কে যেতে। আমাদের মধ্যে যে বলতে পারবে সবচেয়ে বড় গাঁজাখুরি গল্প যে গল্পে উপস্থিত শ্রোতাদের কেউ বিশ্বাস করবে না, সেই জিতবে।’
‘ঠিক আছে।’ বলল হীসারের পালোয়ান।
-
এক-যে ছিল বুড়ো আর বুড়ি। বড়ো গরিব তারা। বুড়ি একদিন বললে: ‘তুমি বুড়ো বনে গিয়ে কিছু লাইম কাঠ কেটে আনলেও তো পার। আঁচ দেবার মতো তো কিছু থাকবে।’
বুড়ো বললে, ‘বেশ।’ কুড়ুল নিয়ে চলে গেল বনে।
বুড়ো তো এল বনে। একটা লাইম গাছ বেছে নিয়ে কাটবার জন্যে যেই কুড়ল হাঁকিয়েছে, হঠাৎ শোনে মানুষের ভাষায় লাইম বলছে: ‘হেই গো, ভালো মানুষ, কেটো না আমায়, তোমার বিপদে কাজে লাগব।’
ভয়ে বুড়োর হাত থেকে কুড়ুল খসে পড়ল। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবল কিছুক্ষণ, তারপর ফিরে গেল বাড়ি।
বাড়ি এসে বললে কী ঘটেছিল। বুড়ি কিন্তু বলে: ‘আহ্ কী বোকা তুমি? এক্ষুনি লাইম গাছের কাছে গিয়ে বলো
-
অনুবাদ: মণীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘোড়ায়টানা গাড়ীর জায়গায় যখন লোহার ঘোড়া অর্থাৎ রেল গাড়ীর পত্তন হো'ল তখন দক্ষিণ রাশিয়ার ইয়ানা জেলার বড় সহরটার সম্প্রতলীর যে জায়গাটায় কোচোয়ানদের বাসস্থান ছিল সেই জায়গায় গড়ে উঠল এক বেশ্যাপল্লী। আগে যেখানে পুরোণ বাড়ীগুলোতে গোলাপ রাঙা গাল আর ঠেলে ওঠা বুক নিয়ে কোচোয়ানদের বিধবারা ভদকা আর বিনি পয়সায় প্রেম বিক্রি এগত, সেই খানেই রাস্তার দুপাশে নিখনার বাড়ীগুলো দাঁড়ালো মাথা তুলে। ইয়ামার ঐ পল্লীর ত্রিশটা বাড়ীর জীবনযাত্রা ছিল একই ধরণের। সবগুলোই ছিল সরকারী তত্ত্বাবধানে। একমাত্র পার্থক্য যা চোখে পড়ত তা হচ্ছে তাৎক্ষণিক নিবিড় অনুরাগ আর ভালোবাসার মূল্যের পার্থক্য।
বড় ইয়ামা স্ট্রীটের বাঁদিকের প্রথম বাড়ীটা অর্থাৎ ট্রেপেলের বাড়ীটাই ছিল
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে আসবে। ছুটে বেড়াবে ভেড়ার পালের পাহারাদার কুকুরগুলোর সঙ্গে। চেয়ে দেখবে তার আদরের শাদা-লেজো ভেড়াটাকে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, তার বাপ-মায়ের এখনকার ঘরটির তলে গিয়ে ঢুকবে, কেননা ওটা তো সাধারণ ঘর নয়, চাকায় বসানো। কোনো ভিত নেই তার, শুধু চারটে চাকা। সবচেয়ে আগে অবিশ্যি দরকার আশপাশটা দেখা।
মা-বাপে কিন্তু মাম্বেতকে ছাড়ছিল না। কেবলি জিজ্ঞেস করছিল গাঁয়ের লোকের খবর কী, কেমন আছেন দিদিমা, কাকু কী করছে...
এদিকে শীতের সন্ধে তো ছোট্ট। দেখতে-না-দেখতেই বাতি জ্বলে উঠল, শুরু হল রাতের খাওয়া। শুইয়ে দিল মাম্বেতকে।
-
এক-যে ছিল রাখাল ছেলে, একেবারে ছোটোটি থেকে কেবল ভেড়াই চরায়, আর কিছুই করত না, কিছুই জানত না। একদিন আকাশ থেকে পড়ল পাথর, আর পাথর বলতে পাথর—আট মন ভারি। পাথরটা নিয়ে মজা করতে ভালো লাগত রাখাল ছেলের: কখনো সেটা বাঁধত তার পাঁচনবাড়ির সঙ্গে, কখনো আকাশে ছড়ে দিয়ে নিজে ঘুমিয়ে নিত, ঘুম ভেঙে দেখত পাথর তখনো আকাশে, মাটিতে পড়ে নি, আর যেই পড়ত, দেবে যেত মাটিতে।
মা বকাবকি করত: ‘অমন নুড়িপাথর নিয়ে খেলতে হয়? গায়ে আঁচড় লাগবে।’
ও সেসব খেয়ালই করে না।
এখন রাখাল ছেলে যেখানে থাকত, সে রাজ্যের রাজার পেছনে লাগল এক নাগ, এগল রাজধানীর দিকে; মন তিরিশেক ওজনের এক-একটা পাথর
-
অনেক কাল আগে কিয়েভে ছিল এক প্রিন্স। আর কিয়েভের কাছেই থাকত নাগ। প্রতি বছর নাগকে ভেট দিতে হত: হয় কোনো নওল কুমার, নয় কুমারী। তারপরে তো একদিন প্রিন্সের মেয়েকে পাঠাবার পালা এল। করবার কিছু, নেই: প্রজারা পাঠিয়েছে, প্রিন্সকেও পাঠাতে হয়। নিজের মেয়েকে তাই নাগের কাছে ভেট পাঠাল প্রিন্স।
আর মেয়েটি এত সুন্দরী, এত মিষ্টি যে কাহিনীতে বলবার নয়, কলম, দিয়ে লিখবার নয়।
নাগ তার প্রেমে পড়ে গেল। একদিন মেয়েটি তাকে সোহাগ দেখিয়ে শুধাল: ‘আচ্ছা, দুনিয়ায় এমন লোক আছে যে তোমায় হারাতে পারে?’
নাগ বললে, ‘আছে, তেমন একজন আছে কিয়েভে, নিপার নদীর পাড়ে। বাড়িতে যখন আঁচ দেয়, ধোঁয়ায় আকাশ যায় ছেয়ে,
-
বন্যার জল নেমে গেলে নদীর পাশের গরিব মানুষদের আবার গোড়ার থেকে জীবন যাত্রা শুরু করতে হয়।
অবশেষে বন্যার জল নেমে গেল। কর্দমাক্ত মাঠগুলোর মধ্যে দিয়ে একটু করে সরু রশিতে বাঁধা শ্রান্ত একটা গাইকে টেনে নিয়ে চলেছে কৃষ্ণাঙ্গ এক বাপ, কৃষ্ণাঙ্গ এক মা, আর কৃষ্ণাঙ্গ এক শিশু। একটি টিলার ওপর দাঁড়িয়ে তারা কাঁধের ওপরের পোঁটলাপুটলিগুলো একটু নাড়াচাড়া করে রাখলো। যতদূর দৃষ্টি যায় চারিপাশের জমি বন্যার জলে বয়ে আসা পলিতে আচ্ছন্ন হয়ে আছে। ছোট মেয়েটি শীর্ণ একটা আঙুল তুলে কর্দমাক্ত এক কুটিরের দিকে দেখালো।
“বাবা দেখো। ওই তো আমাদের বাড়ি, তাই না?” আনত কাঁধ, নীল রঙের জীর্ণ ওভার অল (একত্রে সংযুক্ত সার্ট
-
কম্পমান বেলে পাথরের সুড়ঙ্গের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে সুবিন্যস্ত অগণিত কলাবাগানগুলো পেরিয়ে চলতে শুরু করলো, বাতাস হয়ে গেলো সেঁতসেঁতে, সমুদ্রের হাওয়া আর তারা পাচ্ছিল না। কামরার জানলা দিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ধোঁওয়ার একটা প্রবাহ ভেসে এলো। রেল লাইনের সমান্তরাল একটা সরু রাস্তার ওপর সবুজ সবুজ কলার কাঁদি ভর্তি বলদের সব গাড়ি। রাস্তার ওপাশে অকর্ষিত জমির ওপর ইতঃস্ততভাবে ছাড় দিয়ে দিয়ে তৈরি ইলেকট্রিক পাখা দেওয়া অফিসগুলো, লাল ইঁটের সব ইমারত, ধুলো মাখা তাল গাছ, গোলাপের ঝোপগুলোর মাঝে ছাদের ওপর সাদা রঙের ছোট ছোট টেবিল চেয়ার সাজানো বসতবাড়িগুলো। বেলা তখন এগারোটা, তাপটা তখনও প্রখর হতে শুরু করেনি।
“জানালাটা বন্ধ করো,” মহিলাটি বললে। “মাথাটা
-
ছোট্ট এই গল্পটা বলা কঠিন—এতই সাদাসিধে এটা। আমি যখন এক তরুণ বালক, গ্রীষ্মের আর বসন্তের রবিবারগুলোয় আমাদের রাস্তার বাচ্চাদের এক সঙ্গে জড়ো করতাম—আর তাদের নিয়ে যেতাম মাঠে মাঠে, বনবাদাড়ের মধ্যে। পাখীদের মতো প্রাণচঞ্চল এই ক্ষুদে মানুষগুলোর সঙ্গে আমি বন্ধুত্বের সম্পর্ক রেখে চলতে চাইতাম।
বাচ্চাগুলো শহরের ধুলোভরা গুমোট রাস্তাগুলো ছেড়ে যেতে খুশি হতো, তাদের মায়েরা তাদের সঙ্গে গোটা গোটা রুটিই দিয়ে দিতো, আমি মিষ্টি লজেন্স কিছু কিনে কাভাস (Kavass) এর একটা বোতলে জল ভরে নিতাম আর শহরের মধ্যে দিয়ে মাঠঘাট পেরিয়ে নিঃশঙ্ক বাচ্চা ভেড়াদের পিছু পিছু রাখালের মতো বসন্তের সাজে সাজা সুন্দর নরম সবুজ জঙ্গলের দিকে যেতাম।
আমরা শহর ছাড়তাম, সাধারণত
-
লেখক গ্রিন—আলেক্সান্দর স্তেপানভিচ গ্রিনেভস্কির মৃত্যু হয় ১৯৩২ সালের জুলাই মাসে, প্রাচীন ক্রিমিয়ায়—প্রাচীন বাদাম গাছের বনাকীর্ণ এক ছোট শহরে। গ্রিনের জীবন ছিল কঠিন। সে জীবনের মধ্যে সব কিছুই যেন একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এমনভাবে গড়ে উঠেছিল যা গ্রিনকে একজন অপরাধী কিংবা হীন কূপমণ্ডক করে তুলতে পারত। এই বিষণ্ন প্রকৃতির মানুষটি যে কীভাবে যন্ত্রণাদায়ক অস্তিত্বের মধ্য দিয়ে বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন কল্পনার প্রতিভা, অনুভূতির বিশুদ্ধতা ও সলজ্জ হাসিকে অকলঙ্কিত অবস্থায় বহন করে আনেন তা দুর্বোধ্য।
বিপ্লব-পূর্ব সমাজব্যবস্থায় যে-ধরনের মানবিক সম্পর্ক ছিল আলেক্সান্দর গ্রিনের জীবনী তার বিরুদ্ধে কঠোর দন্ডবিধান। সেকালের রাশিয়া গ্রিনকে নিষ্ঠুর পরস্কারে পুরস্কৃত করে—শিশুকাল থেকেই ছিনিয়ে নেয় বাস্তবতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। পরিমণ্ডল ছিল
-
I
IT WAS a dark autumn night. The old banker was walking up and down his study and remembering how, fifteen years before, he had given a party one autumn evening. There had been many clever men there, and there had been interesting conversations. Among other things they had talked of capital punishment. The majority of the guests, among whom were many journalists and intellectual men, disapproved of the death penalty. They considered that form of punishment out of date, immoral, and unsuitable for Christian States. In the opinion of some of them the death penalty ought to be replaced
-
এক বাদশাহর কোন ছেলেমেয়ে ছিল না, স্ত্রীকে সর্বদা তিনি বলতেন, ‘ছেলের জন্ম দেবে তুমি, যদি মেয়ের জন্ম দাও তো তোমাকে ঐ মেয়ের সঙ্গে একসঙ্গে কেটে ফেলার আদেশ দেব।’
কিন্তু বাদশাহর এমনি শাসানিতে বিশ্বাস হয় না তাঁর স্ত্রীর, তাই মন খারাপ করে না সে হাসিখুশী আমোদ-আহ্লাদে ডুবে থাকতে সে ভালবাসে। বিশেষ করে ভালবাসে সে নৌকায় চড়তে। একদিন তার লোকজনেরা তাকে নৌকায় নিয়ে বেরিয়েছে নদীতে, হঠাৎ নৌকাটা পড়ল ঘূর্ণির মাঝে। ভয়ে জ্ঞান হারাল বাদশাহর স্ত্রী। নিজের শয়নকক্ষে চোখ মেলেই আবার সেই ভয়ঙ্কর ঘূর্ণির কথা মনে পড়ল তার। স্বামীকে সে বলল, ‘নদীটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেবার আদেশ দিন আর এ ঘূর্ণির জায়গাটা মাটি
উৎস
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- প্রক্রিয়াধীন
- সোনার পেয়ালা
- রূপের ডালি খেলা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- কাজাখ লোককাহিনী
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- রাঙা পাল
- ভাবনা সমবায়
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পরিচয়
- কথা পাঞ্জাব
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- ভেদ-বিভেদ (২)
- তানিয়া
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.