-
ম্যাকের সঙ্গে আমার দেখা হয় মেক্সিকোয়—চিহুয়াহুয়া সিটিতে—নববর্ষের পূর্ব সন্ধ্যায়। সে ছিল স্বদেশের এক ঝলক বাতাস, অমার্জিত এক আমেরিকান। আমার মনে পড়ে চী-লীতে একপাত্র টম-আর-জেরির (Tom and Jerry—সুরাসারযুক্ত পানীয় বিশেষ) জন্য হোটেল থেকে আমরা যখন হুড়মুড় করে বেরিয়ে এসেছিলাম তখন প্রাচীন ক্যাথিড্রালে মধ্যরাত্রের মাস (Mass)[১]-এর জন্য ফাটা ঘন্টাগুলো উন্মত্তের মতো বাজছিল। আমাদের মাথার ঊর্ধ্বে তপ্ত মরুভূমির তারার দল। সারা শহর জুড়ে কুয়ারটেলগুলো (Cuartels—শিবিরগুলো), যেখানে ভিলার (Villa)[২]সেনাবাহিনী সন্নিবেশিত ছিল সেখান থেকে, নিরাবরণ পাহাড়গুলোর ওপরের সুদূর ছাউনিগুলো থেকে রাস্তাগুলোর রক্ষীদের কাছ থেকে পরম উল্লসিত গুলির শব্দ আসছিল। প্রমত্ত এক অফিসার আমাদের পাশ দিয়ে যাবার সময় ফিয়েস্তাকে (Fiesta—উৎসব) ভুল করে
-
কম্পমান বেলে পাথরের সুড়ঙ্গের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে সুবিন্যস্ত অগণিত কলাবাগানগুলো পেরিয়ে চলতে শুরু করলো, বাতাস হয়ে গেলো সেঁতসেঁতে, সমুদ্রের হাওয়া আর তারা পাচ্ছিল না। কামরার জানলা দিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ধোঁওয়ার একটা প্রবাহ ভেসে এলো। রেল লাইনের সমান্তরাল একটা সরু রাস্তার ওপর সবুজ সবুজ কলার কাঁদি ভর্তি বলদের সব গাড়ি। রাস্তার ওপাশে অকর্ষিত জমির ওপর ইতঃস্ততভাবে ছাড় দিয়ে দিয়ে তৈরি ইলেকট্রিক পাখা দেওয়া অফিসগুলো, লাল ইঁটের সব ইমারত, ধুলো মাখা তাল গাছ, গোলাপের ঝোপগুলোর মাঝে ছাদের ওপর সাদা রঙের ছোট ছোট টেবিল চেয়ার সাজানো বসতবাড়িগুলো। বেলা তখন এগারোটা, তাপটা তখনও প্রখর হতে শুরু করেনি।
“জানালাটা বন্ধ করো,” মহিলাটি বললে। “মাথাটা
-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
-
১৯৫২ সালে যখন বিশ শতকের বৃহত্তম নিৰ্ব্বুদ্ধিতা ‘ঠাণ্ডা লড়াইয়ে’ গোটা দুনিয়া শ্বাসরূদ্ধ তখন প্রফেসর বার্ণ বিপুল এক শ্রোতৃমণ্ডলীর সামনে আইনস্টাইনের এই বিষণ্ন শ্লেষোক্তির পুনরুক্তি করেন, ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে যদি লড়া হয় পরমাণু বোমা নিয়ে, তাহলে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধে লড়তে হবে লাঠি দিয়ে…’
প্রফেসর বার্ণ ‘বিশ শতকের সবচেয়ে বিশ্বজনীন বৈজ্ঞানিক’ বলে পরিচিত। তাঁর মুখ থেকে এই কথা বেরনয় যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় সেটা একটা সাধারণ বক্রোক্তির চেয়ে অনেক বেশি। চিঠির বন্যা আসতে শুরু করল, কিন্তু বার্ণ তার জবাব দিতে পারেননি; ঐ বছরেরই শরৎকালে, মধ্য এশিয়ায় তাঁর দ্বিতীয় ভূপদার্থ অভিযানে মৃত্যু হয় তাঁর।
এই ছোটো অভিযানটায় তাঁর একমাত্র সঙ্গী ছিলেন ইঞ্জিনিয়র নিমায়ের। তিনি পরে
-
থাকত এক বুড়ো আর বুড়ি। তাদের তিন ছেলে: দুুজন বুদ্ধিমান, একজন বোকা। বুদ্ধিমানদের ভালোবাসত বুড়োবুড়ি। হপ্তায় হপ্তায় বুড়ি কামিজ দেয় বুদ্ধিমানদের, আর বোকাটাকে নিয়ে হাসাহাসি করে সবাই, বকাবকি করে। চুল্লির ওপরকার মাচায় সে বসে থাকে খাদি কাপড়ের কামিজ গায়ে; বুড়ি খেতে দিলে খায়, না দিলে উপোসেই কাটায়।
একদিন গাঁয়ে খবর এল: রাজা তার মেয়ের বিয়ে দেবে, গোটা রাজ্যের লোককে ডাকবে নেমন্তন্নে। আর মেয়েকে রাজা সম্প্রদান করবে তাকে, যে উড়ন্ত জাহাজ বানিয়ে তাতে করে উড়ে আসবে।
বুদ্ধিমান ভাইয়েরা গেল বনে।
গাছ কেটে ভাবতে লাগল উড়ন্ত জাহাজ বানাতে পারলে হয়।
তাদের কাছে এল এক থুথুরে বুড়ো: ‘ভগবান মঙ্গল করুন তোমাদের! দাও বাছা
-
পাঞ্জাবী সাহিত্যের সূচনালগ্নেই পাঞ্জাবী গল্পের উদয় হয়েছে। পাঞ্জাবী সাহিত্যের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও, এই সাহিত্য-প্রবাহের গতি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্য, বিশেষতঃ উত্তর ভারতের সাহিত্যেরই অনুরূপ। যে সময়ে হিন্দী ভাষায় রাসো সাহিত্য রচিত হচ্ছিল ও মারাঠি ভাষায় পওয়াড়ো সাহিত্য জন্ম নেয়-সেই যুগেই পাঞ্জাবী ভাষায় ‘ওয়ারোঁ’-র উদয়। ‘ওয়ারোঁ’গুলি পাঞ্জাবের বীরগাথা, কাব্যরূপে বর্ণিত। ‘ওয়ারোঁ-র নায়ক হতেন সাধারণতঃ জননেতা, এগুলি জনসাধারণের সমুখে গেয়ে শোনানো হত। পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীর স্বাধিকার ছিল না। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণকারীদের আনাগোনা থাকত অব্যাহত।
পাঞ্জাবের গ্রামগুলিকে নিজেদেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করতে হত। যখনই বিদেশী সেনা সদলবলে আক্রমণ চালাতো, লোকেদের লড়তে হয়েছে আপন ধনপ্রাণ ও সম্মান রক্ষার জন্য, আর আক্রমণ শিথিল হয়ে গেলে স্বীয় যোদ্ধা
-
হোঁচট খেতে খেতে, টলতে টলতে বুড়ো লোকটি বালির রাস্তায় বেয়ে উঠছিল। সরু সরু আগাছা আর ঝোপে ঢাকা নিচু একটা টিলার গা বেয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে রাস্তাটা।
কাছে পিঠের শহরতলি থেকে কাজের শেষে ফেরার মুখে মেরি তাকে পার হয়ে এলো। পিছন থেকে বুড়ো লোকটির ডাকে মেরি থমকে দাঁড়ালো, সে কোন রকমে টলতে টলতে মেরির দিকে এগিয়ে এলো। ছেঁড়া জুতোর ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা, রাঙাধুলোর পুরু প্রলেপ মাখা ফাটা ফাটা আঙুলগুলো মেরিকে বলে দিলো লোকটি আসছে বহু দূর থেকে।
“এন’ গুলা!” লোকটি চেঁচিয়ে উঠলো। “হ্যাঁ গো মা, ‘নেটিভ ক্যাম্পে (আদিবাসী শিবির) এন’ গুলা বলে কোনো মেয়ে আছে কিনা জানো?”
“কস্মিন কালে
-
১. মানুষ কাজ করে কেন
আকাশ এককালে ছিলো মাটির খুব কাছে। সত্যি বলতে, মাথার ওপর হাত তুললে হাতটা যতটা উঁচুতে ওঠে, আকাশটা কিন্তু তার চাইতে বেশি উঁচুতে ছিলো না। যখনই কারোর খিদে পেতো, তাকে শুধু হাতটা ওপরে তুলে আকাশের একটা টুকরো ভেঙে খেয়ে ফেললেই হ’তো। সেইজন্যেই কাউকে কখনো কোনো কাজকর্ম করতে হতো না ৷
তা কিছুকাল তো দিব্যি খাসা চললো এই ব্যবস্থায়, কিন্তু সময় সময় লোকে এমন একেকটা বড়ো টুকরো ভেঙে নিতো যা তাদের পেটেই আঁটে না—ফলে যা তারা খেয়ে শেষ করতে পারতো না, মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিতো। আকাশ কিনা এতই বড়ো যে চিরকালই লোকের খাবার মতো অনেকটা আকাশ থেকেই
-
সেম্বেন উসমান
সন্ধোবেলাগুলো আমরা যেতুম মেন্-এর ওখানে; সেখানে পুদিনা মেশানো চা খেতে-খেতে কত বিষয়ে কথা হ’তো আমাদের—যদিও অনেক বিষয়েই আমাদের জ্ঞান ছিলো সামান্য। কিন্তু ইদানীং আমরা বড়ো-বড়ো সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতুম—যেমন বেলজিয়ান কঙ্গোর কথা, মালি যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডগোলের বিষয়, আলজেরিয়ার স্বাধীনতার লড়াই অথবা জাতিপুঞ্জের পরবর্তী অধিবেশনের কথা। তার কারণ ছিলো সেয়ার, বেশির ভাগ সময়েই যার মাথা থাকতো ঠাণ্ডা, আর যার স্বভাবটা ছিলো গম্ভীর। প্রশ্নটা সে-ই তুলেছিলো। ‘আমাদের জাতের লোকের গায়ে ও-রকম জখমের দাগ থাকে কেন?’
(এখানে আমার যোগ করা উচিত যে সেয়ার ছিলো আধা-ভোলতেইক, আধা-সেনেগালি; কিন্তু তার নিজের গায়ে কোনো জাতিগত ক্ষতচিহ্ন ছিলো না।)
আমাদের সকলের মুখে যদিও ও-রকম কোনো ঘায়ের দাগ
-
বরিস ইয়েফিমোভিচ আমায় একদিন জানালেন, ‘আজ সন্ধ্যায় বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে একটা আসর করা যাবে।’
জানতাম জাহাজে পলিয়নটলজিস্ট নিজোভস্কি ছাড়াও ভাসিলিয়েভ নামে একজন ভূগোলবিদও এসেছেন। দূরে দীপপুঞ্জে অভিযানের দায়িত্ব তাঁর।
তাছাড়া একজন… জ্যোতির্বিজ্ঞানীও ছিলেন।
‘সেদোভ’-এ তাঁর আবির্ভাব ঘটেছিল যখন জাহাজটা থেমেছিল ‘উস্তিয়ে’তে। একজন ভাগ্যহত ক্যাপ্টেন তার জাহাজের বোটগুলো হারিয়ে বসে। তাকে কতগুলো বোট দেওয়া হচ্ছিল জাহাজ থেকে।
সেদিন ভোরেই আমি এসে দাঁড়িয়েছিলাম ডেকে। তীরভূমিটা যদি দূর থেকেও খানিকটা দেখা যায় এই লোভে। কয়েক মাস কেটে গেছে তীর চোখে পড়েনি।
দিগন্তে ধু ধু করছিল কেবল একটা ফালির মতো...
তবু ওইটেই মহাভূমির তট!
ভোরবেলার আকাশের মতোই পানিটা কমলা রঙের, তার ওপর দেখা গেল একটি
-
ঘুম যখনই ভাঙুক না কেন, একটা না একটা দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পাওয়াই যায়। এক অশরীরী দম্পতি হাত ধরাধরি করে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে যাচ্ছে। এখানে এটা তুলছে, ওখানে সেটা খুলছে। আবার দেখছে সব ঠিক আছে কি না।
‘দেখো দেখো! এটা এখানেই রেখে গিয়েছিলাম!’ মেয়েটা বলে।
ছেলেটা সঙ্গে জুড়ে দেয়, ‘হ্যাঁ! এই যে দেখো এখানেও!’
'ওপরতলায়', মেয়েটা বিড়বিড় করে, ‘আর বাগানেও।’
ছেলেটা ফিসফিস করে বলে, ‘আরে! চুপ চুপ!’ তারপর দুজনে একসঙ্গে বলে, ‘নইলে যে ওদের ঘুম ভেঙে যাবে!’
ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে ওরা আমাদের ঘুম ভাঙায়। একদমই অমন কিছু হয় না। ‘দেখেছ, ওরা না খুঁজেই চলেছে; কেমন পর্দা
-
এক গ্রামে এক কিপ্পন বুড়ো ছিল। নিজে সে ছেঁড়া পোশাক আশাক পরে থাকে, ছেলেমেয়ে, বউকে রাখে আধপেটা খাইয়ে, নিজেও পেটভরে খায় না—এমনি ভাবে অর্থ জমাবার চেষ্টা করে। এক ঘড়া সোনার আর এক ঘড়া রূপোর মোহর জমিয়ে সে নিজের বাড়ির বেড়ার নীচে মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।
কিন্তু সে বছর ফসল মোটে হল না, তাই বুড়োর মনে পড়ল সেই সঞ্চিত ধনের কথা।
একটা কোদাল নিয়ে গিয়ে সে মাটি খুঁড়তে লাগল সে ধন তুলবে বলে। সোনার মোহরভরা ঘড়াটা তুলে যেই খুলতে যাবে অমনি কে যেন বলে উঠল: ‘ছুঁয়ো না—এ হল কুরবানের ধন!’
‘আরে এ আবার কি?’ অবাক হল বুড়ো, তাড়াতাড়ি সে ঘড়ার মুখটা
উৎস
- পরিচয়
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- ইউক্রেনের লোককথা
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- তাজিক লোককাহিনী
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- প্রক্রিয়াধীন
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- কাজাখ লোককাহিনী
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- ভাবনা সমবায়
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- তানিয়া
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.