-
অনেকদিন আগে এক সদাচারী জ্ঞানী লোক ছিল। তার তিন ছেলে ছিল। লোকে বলে: শিকারীর ছেলে তীরে শান, দেয়, দর্জির ছেলে কাপড় কাটে। জ্ঞানী লোকটির ছেলেরা ছোট বয়স থেকেই বিভিন্ন জ্ঞানবিজ্ঞানের বই পড়েই সময় কাটায়। তাদের মধ্যে বড় যে ভাই সে তখনও ঘোড়ায় উঠে বসতে পারে না আর ইতিমধ্যে বিচার, পরামর্শ করার জন্য লোক আসে ভাইয়েদের কাছে।
একদিন তাদের কাছে দুজন লোক এল দুটি উট আর একটি উটের বাচ্চা সঙ্গে নিয়ে ৷ তারা বলল: ‘আমাদের দু’জনেরই একটি করে উট আছে। উটদুটি সর্বদাই একসঙ্গে চরত মাঠে। কয়েকদিন আগে ওদের ফিরিয়ে আনতে গিয়ে দেখি দুটি সদ্যজাত উটশিশু, একটি জীবিত, অপরটি মৃত। এখন আমরা
-
এক গ্রামে এক কিপ্পন বুড়ো ছিল। নিজে সে ছেঁড়া পোশাক আশাক পরে থাকে, ছেলেমেয়ে, বউকে রাখে আধপেটা খাইয়ে, নিজেও পেটভরে খায় না—এমনি ভাবে অর্থ জমাবার চেষ্টা করে। এক ঘড়া সোনার আর এক ঘড়া রূপোর মোহর জমিয়ে সে নিজের বাড়ির বেড়ার নীচে মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।
কিন্তু সে বছর ফসল মোটে হল না, তাই বুড়োর মনে পড়ল সেই সঞ্চিত ধনের কথা।
একটা কোদাল নিয়ে গিয়ে সে মাটি খুঁড়তে লাগল সে ধন তুলবে বলে। সোনার মোহরভরা ঘড়াটা তুলে যেই খুলতে যাবে অমনি কে যেন বলে উঠল: ‘ছুঁয়ো না—এ হল কুরবানের ধন!’
‘আরে এ আবার কি?’ অবাক হল বুড়ো, তাড়াতাড়ি সে ঘড়ার মুখটা
-
অনেক অনেকদিন আগে ছিল এক শিকারী—এক নিপূণ তীরন্দাজ। শিকারে গিয়ে খালি হাতে ফিরত না সে কখনও।
একদিন সে অনেক জীবজন্তু শিকার করে নিয়ে ফিরছিল, পথে দেখা হল তার এক গরীব চাষীর সঙ্গে।’
‘ভাল শিকার করেছ হে, তীরন্দাজ! বেশ ভালো দামে বেচতে পারবে তোমার আজকের শিকার।’
তীরন্দাজ গরীব চাষীকে লক্ষ্য করে বলল, ‘লক্ষ্য স্থির করা আর হাতের তীর ছোঁড়ার নিপূণতারই হল আসলে দাম। এই পাখিটার দাম অন্যের কাছে কি পাব জানি না, কিন্তু তোমায় এটা খুব শস্তায় দিয়ে দেব। এর জন্য যা দেওয়া কুলোয় তোমার ক্ষমতায় তা-ই দেবে।’
‘শোন গো ভালমানুষের ছেলে, আমার কি পাখি কেনার সামর্থ্য আছে? খাজনা দিতেই ফতুর
-
ছিল একজন লোক। তার ছয় ছেলে, একটি মেয়ে।
গেল তারা জমি চষতে, বোনকে বললে যেন খাবার নিয়ে যায়। বোন বললে: ‘কিন্তু কোথায় তোমরা চষবে? আমি তো জানি না।’
ওরা বললে: ‘যেখানে চষব, বাড়ি থেকে সে জায়গাটা পর্যন্ত ফালের দাগ দিয়ে যাব। তুই সেই দাগ ধরে চলে যাবি।’
এই বলে চলে গেল তারা।
এখন সেই মাঠের কাছে বনে এক নাগ থাকত ৷
দাগটা সে বুজিয়ে দিতে শুরু করল। আর নিজে তার বদলে আরেকটা দাগ টেনে নিয়ে গেল তার নিজের পুরী পর্যন্ত।
মেয়েটি এদিকে ভাইদের জন্যে খাবার নিয়ে এগিয়ে যেতে লাগল সেই দাগ ধরে।
যেতে যেতে যেতে গিয়ে পৌঁছল একেবারে নাগের আঙিনায়।
-
পনের বছর আগে শ্বেত তিস্সা তার দুই ছেলে পিওতর আর সেমিওনকে টেনে নিয়েছে।
বসন্তের বন্যার সময় তারা ভেলিকয়ে বিচ্কভোর দিকে কাঠ ভাসিয়ে নিয়ে চলেছিল। পাথুরে চড়ার গায়ে পড়ে হিমশীতল জলের তখন কী গর্জন আর ফেনা ছড়ান! সংকীর্ণ কার্পেথিয়ান উপত্যকা সে গর্জনে ভরে গেছে আর হৃৎসুলের ভেলাওয়ালা জলের ঝাপটায় রামধনু রং তুলে তরতর করে ভেলা নিয়ে চলেছে—এত জোরে যে ঘোড়ায় চড়েও তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া চলে না।
দুপাশের গ্রামের ছোট ছোট ছেলেরা আর ঘরকুনো বুড়োরা ভেলা দেখতে নদীর পাড়ে ছুটে এসেছে।
‘সা-মা-ল!’ ভেলাওয়ালাদের উদ্দেশে চেঁচাচ্ছে বুড়োরা।
তারা নিজেরাই একদিন শ্বেত তিস্সার বুকে ভেলায় কাঠ নিয়ে পাড়ি দিয়েছে।
‘সা-মা-ল!’ ছোট ছেলেরা বুড়োদের
-
অক্টোবরের এক সুন্দর দিনে ভোরবেলা আমি স্নেগোভেৎস ছেড়ে চলেছি। দিনের এই প্রথম ঘণ্টায় পাহাড়ের উপরে জাঁকিয়ে বসেছে হেমন্তের ঠুনকো কুয়াশার পর্দা। মনে হচ্ছে হঠাৎ নড়লে বা চেঁচিয়ে উঠলে চারপাশের সবকিছু টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়বে, জেগে উঠবে এক শুভ্র রূপোলি শব্দের বিচিত্র তরঙ্গ।
কাজ শেষ হয়ে গেছে। আমায় উজগরদ নিয়ে যাবার জন্য নিচে, হোটেলের সামনে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আলোটা না জ্বালিয়েই ভোরের আধো আলো আধো অন্ধকারে আমার পাণ্ডুলিপি বাক্সে ভরে নিলাম। পাতাগুলোর ক্ষীণ খস্খস্ আওয়াজ কানে পৌঁছল, মনে হল ওরা যেন নিজেদের মধ্যে কানাকানি করছে।
আবার মনে পড়ল তাদের কথা, যাদের সঙ্গে গিরিদ্বারের কাছের জেলার এই ছোটো হোটেলটায় এ কয়দিন
-
তখন আমরা ভাবতাম যে কারাভান্নায় রাস্তায় নিশ্চয় ঠুন-ঠুন ঘন্টি বাজিয়ে যায় ক্লান্ত ধূলি-ধূসর উট, ইতালিয়ানস্কায়া রাস্তায় থাকে কালো-চুল ইতালিয়ানরা, আর চুমকুড়ি সাঁকোতে সবাই চুমু খায়। পরে মিলিয়ে গেছে কারাভান আর ইতালিয়ানরা, রাস্তাগুলোর নাম পর্যন্ত এখন অন্য। অবিশ্যি চুমকুড়ি সাঁকোর নামটা এখনো তাই আছে।
আমাদের পাড়ার আঙিনাটা ছিল পাথরের খোয়ার বাঁধানো। খোয়া পড়েছিল সমানভাবে নয়, কোথাও উঁচু কোথাও নিচু। জোর বৃষ্টি হলে নিচু জায়গাগুলো জলে ভরে যেত, উঁচুগুলো থাকত পাথুরে দ্বীপের মতো! জুতো যাতে না ভেজে তার জন্যে আমরা দ্বীপ থেকে দ্বীপে লাফিয়ে লাফিয়ে আসতাম। তাহলেও বাড়ি পৌঁছতাম ভেজা পায়েই।
বসন্তে আঙিনাটা ভরে উঠত পপ্লারের ঝাঁঝালো রজনের গন্ধে, শরতে আপেল। আপেলের
-
ছোট্ট কলিয়ার যতদূর মনে পড়ে, যুদ্ধের দিনগুলোয় তার কেবলি ক্ষিতে পেত। ক্ষিদে সে কিছুতেই সইতে পারত না, মানিয়ে নিতে পারত না, রাগের ঝলক ফুটত তার কোটরে ঢোকা চোখে, অনবরত খাবার খুঁজে বেড়াত। না-ছাঁটা এলোমেলো কালো কালো চুল আর খোঁচা খোঁচা পাঁজরায় তাকে দেখাত যেন ছোট্ট রোগটি এক নেকড়েছানা। খাওয়ার মতো কিছু একটা পেলেই সে তা মুখে তুলত—সরেল মুুখ আটকে আসা বৈঁচি, বার্ড-চেরি, কী সব শিকড়বাকড়, অসহ্য টক আর শক্ত বুনো আপেল। বাড়িতে সে পেত জলের মতো কিছু ঝোল আর রুটি। ঝাড়াই-করা জোয়ারের গুছি গুঁড়ো করে মা মেশাত ময়দার সঙ্গে, ফলে রুটি হত ভারি, চ্যাটচেটে, সোঁদা সোঁদা কাদাটে গন্ধ উঠত। কিন্তু
-
সে গ্রীষ্মে গরম একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দিনের গরমের পর আসে সাঁঝের গরম, সাঁঝের পর রাতের। শুধু ভোরের দিকেই একটু তাজা আমেজ আসে সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই ক্ষীণ শীতলতাটুকুও টেকে বেশিক্ষণ নয়। তার তাপ ছড়ায় কেবল সূর্যই নয়। পাথর, বালি, এমনকি গাছের পাতা থেকেও চুইয়ে পড়ে গরম। মাথার ওপর আলস্যে ভাসা বিরল দু’ একটি মেঘ দেখে আর তুষারের কথা মনেও পড়ে না। এমন গরমে আদৌ কল্পনা করারই অসম্ভব যে দুনিয়ার কোথাও আছে তুষার-কণা, বরফ, ঠাণ্ডা।
সমুদ্রতীরের এই বসতটায় নিথর হয়ে গেল জীবন। লোকে হাঁটে গা-ছাড়াভাবে, নেতিয়ে পড়ে, রোদে বেরতে ভয় পায়। এমনকি ঝানু পুলিন-বিলসীরাও হামলা সইতে না পেরে ঠাঁই নিয়েছে
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
খড়কুটোর সেপাই দেখেছেন কখনো?
প্রিয় পাঠকবর্গের কাছে আমি সেই-যে সেই চটের থলে আর খড়ের আঁটি দিয়ে বানানো ডামি-লড়াইয়ের কথাই শুধোচ্ছি। আমার ধারণা, আপনারা জীবনে অন্তত একবার ওদের নিশ্চয়ই দেখেছেন।
সত্যিকারের লড়ুয়েরা যখন যুদ্ধের মহড়া দেয়, তখন ঐ খড়ো-সেপাইদের সিনা লক্ষ্য করে সঙিন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পচা কুটো-কাটা আর বাতিল বস্তার ছোঁড়া টুকরো দিয়ে সাধারণতঃ এই ডামিগুলো তৈরী হয় যদিও, কিন্তু মাঝে মাঝে আবার কেউ কেউ মনযোগ দিয়েও বানায় বৈকি! যেমন কোনো কোনো ডামির মুখে মানুষের মুখের আদল সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে, চোখ আর নাক বানাতে তো রীতিমতো পরিশ্রমই করা হয়।
কাৎলো গাঁয়ের ছোঁড়ারা একদিন হৈ হৈ করতে করতে এসে ছাউনীটা ভরে
-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
উৎস
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- প্রক্রিয়াধীন
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- কথা পাঞ্জাব
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- রাঙা পাল
- কাজাখ লোককাহিনী
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- রূপের ডালি খেলা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- পরিচয়
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ভাবনা সমবায়
- সোনার পেয়ালা
- তানিয়া
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.