-
এক-যে বেড়াল আর মোরগছানা। দুজন দুজনকে ভারি ভালোবাসত, সর্বদাই থাকত একসঙ্গে, একটা চাষিবাড়িতে। কাঠ আনবার জন্যে বেড়াল একদিন বনে যাবে, মোরগছানাকে বললে: ‘দেখিস পেতেন্কা, চুল্লির তাকে বসে থাকবি, মিঠে রুটি খাবি, কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দিবি না। নিজেও বেরবি না, যতই কেউ ডাকাডাকি করুক। আমায় বনে যেতে হবে কাঠ আনতে।’
‘বেশ,’ বললে মোরগছানা, বেড়াল বেরিয়ে যেতেই দরজা বন্ধ করে দিল ভালো করে।
ছুটে এল শেয়ালি দিদি, কচি মুরগির মাংস সে সাঙ্ঘাতিক ভালোবাসে।
মোরগছানাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে বার করে আনতে চাইল বাড়ি থেকে: ‘আয় বেরিয়ে মোরগছানা! আমার আছে মিষ্টি দানা, জল আছে বেশ টলটলে, নইলে যাব জানলা গলে।’
মোরগছানা জবাব দেয়: ‘কোঁকর-কোঁ, কোঁকর-কোঁ,
-
ছিল একটা লোক, ছিল তার একটা বেড়াল, কিন্তু এতই বুড়ো যে ইঁদুর ধরতে পারত না। বাড়ির কর্তা ভাবলে, ‘এ বেড়াল দিয়ে আমার কী হবে? নিয়ে যাই, বনে ছেড়ে দিয়ে আসি।’ তাই নিয়ে গেল।
আমাদের বেড়ালটি ফারগাছের তলে বসে বসে কাঁদে। ছুটে আসে শেয়ালি দিদি শুধোয়: ‘তুমি কে গা?’
বেড়াল তার লোম ফুলিয়ে বললে: ‘হুঁ-হুঁ-হুঁ, আমি রায়বাহাদুর মার্জারচাঁদ!’
এমন গণ্যমান্য এক মহাশয়ের সঙ্গে আলাপ হওয়ায় ভারি আনন্দ হল শেয়ালির। বললে: ‘আমায় বিয়ে করো। ভালো বৌ হব আমি। খাওয়াব তোমায়।’
‘বেশ,’ বেড়াল বললে, ‘তা বিয়ে করা যাক।’
কথাবার্তা হয়ে গেল, শেয়ালির বাড়িতে থাকতে লাগল তারা ৷
সবরকমে শেয়ালি তোয়াজ করত তার: কখনো
-
বনের পশুরা একদিন জুটে পরামর্শ করতে লাগল কাকে রাজা করা যায়, সবাই যাকে কেবল ভয়ই করবে না, ন্যায্য বিচারক বলে মান্যও করবে। কিন্তু রাজা ঠিক করা গেল না—জমায়েতে সবাই আসে নি: সবচেয়ে বড়োসড়ো বলবান জন্তুরাই হাজির ছিল না। তখন ঠিক হল আবার সবাইকে ডাকা হবে―ছোটো থেকে বড়ো পর্যন্ত সবাইকে, যাতে ব্যাপারটা চুকে যায়।
সব জন্তুই এল সেদিন। ছিল: হাতি, সিংহ, বাঘ, জলহস্তী, গণ্ডার, ভালুক, নেকড়ে, হরিণ, উট, শেয়াল, খরগোশ, বনশুয়োর, জেব্রা, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, গরু, কুকুর, বেড়াল, মেরু-বেড়াল, ধেড়ে ইঁদুর, নেংটি ইঁদুর, যতরকম জন্তু ছিল দুনিয়ায়; বলতে-কি গাধাও বাদ যায় নি।
সবাই যখন জুটল, প্রথম কথা বলতে শুরু করল হরিণ:
-
থাকত এক বুড়ো আর বুড়ি। তাদের তিন ছেলে: দুুজন বুদ্ধিমান, একজন বোকা। বুদ্ধিমানদের ভালোবাসত বুড়োবুড়ি। হপ্তায় হপ্তায় বুড়ি কামিজ দেয় বুদ্ধিমানদের, আর বোকাটাকে নিয়ে হাসাহাসি করে সবাই, বকাবকি করে। চুল্লির ওপরকার মাচায় সে বসে থাকে খাদি কাপড়ের কামিজ গায়ে; বুড়ি খেতে দিলে খায়, না দিলে উপোসেই কাটায়।
একদিন গাঁয়ে খবর এল: রাজা তার মেয়ের বিয়ে দেবে, গোটা রাজ্যের লোককে ডাকবে নেমন্তন্নে। আর মেয়েকে রাজা সম্প্রদান করবে তাকে, যে উড়ন্ত জাহাজ বানিয়ে তাতে করে উড়ে আসবে।
বুদ্ধিমান ভাইয়েরা গেল বনে।
গাছ কেটে ভাবতে লাগল উড়ন্ত জাহাজ বানাতে পারলে হয়।
তাদের কাছে এল এক থুথুরে বুড়ো: ‘ভগবান মঙ্গল করুন তোমাদের! দাও বাছা
-
অনাথ হল তিন ভাই, নেই বাপ, নেই মা। চাল-চুলোও নেই। গাঁয়ে গঞ্জে ঘোরে, খোঁজে কেউ মুনিষ খাটতে নেবে কিনা। যেতে যেতে ভাবে, ‘আহ্, মায়াদয়া আছে এমন কোনো মনিব যদি মুনিষ নেয়, বেশ হয়।’ দেখে, যাচ্ছে এক বুড়ো, একেবারে থুত্থুড়ে, কোমর পর্যন্ত শাদা দাড়ি।
ভাইদের সঙ্গ ধরে বুড়ো শুধোয়: ‘কোথায় চলেছ বাছারা?’
ওরা বলে: ‘কোথাও মুনিষ খাটতে।’
‘তোমাদের নিজেদের কি জোতজমি নেই?’
বলে, ‘নেই। দরদি কোনো মনিব পেলে ধম্মমতে তার জন্যে খাটতাম, কথা শুনতাম, আপন বাপের মতো মান্যি করতাম তাকে।’
ভেবেচিন্তে বুড়ো তখন বললে: ‘তা বেশ, তোমরা হবে আমার ছেলে, আমি হব তোমাদের বাপের মতো। তোমাদের মানুষ করে তুলব, ধৰ্ম্মমতে, বিবেক
-
একবার বুখারার চোর ধরতে গিয়ে ধরা হল একজন নিরপরাধী লোককে।
‘ফাঁসি দাও এই চোরটাকে।’ বলল বাদশাহ।
‘হায়! এখন আর কেউ সে কাজ করতে পারবে না, যা আমি পারি!’ বলে উঠল লোকটা।
‘কিসের কথা বলছিস তুই। কি করতে পারিস তুই?’ জিজ্ঞাসা করা হল তাকে।
‘আমি সোনার চাষ করতে পারি।’ বলল লোকটা।
ফাঁসি স্থগিত রেখে ছুটল সবাই বাদশাহর কাছে।
‘হুজুর, যে লোকটাকে ফাঁসি দেওয়ার আদেশ হয়েছে, সে সোনার চাষ করতে জানে।’ বাদশাহ লোকটাকে নিয়ে আসতে আদেশ দিল।
‘যদি তুই সোনার চাষ করতে জানিস তো সোনাচাষ কর আমার জন্য, তার বদলে তোর জীবন ফিরিয়ে দেব আমি।’ বলল বাদশাহ।
রাজি হল লোকটি। জমিতে লাঙল
-
সাম্প্রতিককালে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ‘পরিচয়ের রাজনীতি’ (Identity Politics)। অনেকেই এই শব্দটি সম্পর্কে আগে থেকেই কিছুটা অবগত। কারণ অনেক বিতর্ক, বিশেষ করে জাতি, লিঙ্গ এবং যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো, পরিচয়ের রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। পরিচয়ের রাজনীতি এমন অনেক বিতর্কে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে—অনেকেই মনে করতে পারে যে বামপন্থী রাজনীতি মানেই পরিচয়ের রাজনীতি, আর পরিচয়ের রাজনীতিই যেন বামপন্থী রাজনীতির পুরোটা। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্যাপারটা এমন নয়।
ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনীতি ছিল শ্রেণি রাজনীতির (Class Politics) ওপর ভিত্তি করে। কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী ও অন্যান্য বামপন্থী দলগুলো শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে বড় গণসংগঠন তৈরি করত। এর পেছনের ধারণা ছিল সব জাতি,
-
পনের বছর আগে শ্বেত তিস্সা তার দুই ছেলে পিওতর আর সেমিওনকে টেনে নিয়েছে।
বসন্তের বন্যার সময় তারা ভেলিকয়ে বিচ্কভোর দিকে কাঠ ভাসিয়ে নিয়ে চলেছিল। পাথুরে চড়ার গায়ে পড়ে হিমশীতল জলের তখন কী গর্জন আর ফেনা ছড়ান! সংকীর্ণ কার্পেথিয়ান উপত্যকা সে গর্জনে ভরে গেছে আর হৃৎসুলের ভেলাওয়ালা জলের ঝাপটায় রামধনু রং তুলে তরতর করে ভেলা নিয়ে চলেছে—এত জোরে যে ঘোড়ায় চড়েও তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া চলে না।
দুপাশের গ্রামের ছোট ছোট ছেলেরা আর ঘরকুনো বুড়োরা ভেলা দেখতে নদীর পাড়ে ছুটে এসেছে।
‘সা-মা-ল!’ ভেলাওয়ালাদের উদ্দেশে চেঁচাচ্ছে বুড়োরা।
তারা নিজেরাই একদিন শ্বেত তিস্সার বুকে ভেলায় কাঠ নিয়ে পাড়ি দিয়েছে।
‘সা-মা-ল!’ ছোট ছেলেরা বুড়োদের
-
ছোট্ট কলিয়ার যতদূর মনে পড়ে, যুদ্ধের দিনগুলোয় তার কেবলি ক্ষিতে পেত। ক্ষিদে সে কিছুতেই সইতে পারত না, মানিয়ে নিতে পারত না, রাগের ঝলক ফুটত তার কোটরে ঢোকা চোখে, অনবরত খাবার খুঁজে বেড়াত। না-ছাঁটা এলোমেলো কালো কালো চুল আর খোঁচা খোঁচা পাঁজরায় তাকে দেখাত যেন ছোট্ট রোগটি এক নেকড়েছানা। খাওয়ার মতো কিছু একটা পেলেই সে তা মুখে তুলত—সরেল মুুখ আটকে আসা বৈঁচি, বার্ড-চেরি, কী সব শিকড়বাকড়, অসহ্য টক আর শক্ত বুনো আপেল। বাড়িতে সে পেত জলের মতো কিছু ঝোল আর রুটি। ঝাড়াই-করা জোয়ারের গুছি গুঁড়ো করে মা মেশাত ময়দার সঙ্গে, ফলে রুটি হত ভারি, চ্যাটচেটে, সোঁদা সোঁদা কাদাটে গন্ধ উঠত। কিন্তু
-
সে গ্রীষ্মে গরম একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দিনের গরমের পর আসে সাঁঝের গরম, সাঁঝের পর রাতের। শুধু ভোরের দিকেই একটু তাজা আমেজ আসে সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই ক্ষীণ শীতলতাটুকুও টেকে বেশিক্ষণ নয়। তার তাপ ছড়ায় কেবল সূর্যই নয়। পাথর, বালি, এমনকি গাছের পাতা থেকেও চুইয়ে পড়ে গরম। মাথার ওপর আলস্যে ভাসা বিরল দু’ একটি মেঘ দেখে আর তুষারের কথা মনেও পড়ে না। এমন গরমে আদৌ কল্পনা করারই অসম্ভব যে দুনিয়ার কোথাও আছে তুষার-কণা, বরফ, ঠাণ্ডা।
সমুদ্রতীরের এই বসতটায় নিথর হয়ে গেল জীবন। লোকে হাঁটে গা-ছাড়াভাবে, নেতিয়ে পড়ে, রোদে বেরতে ভয় পায়। এমনকি ঝানু পুলিন-বিলসীরাও হামলা সইতে না পেরে ঠাঁই নিয়েছে
-
মানুষের স্বভাবই এই যে গ্রীষ্মে তার মন কেমন করে নীলাম তুষার-কণা আর শাসির্তে বরফের নক্সার জন্যে। আবার শীতে তার চাই তপ্ত সূর্য, পল্লবের সবুজ খস-খস, বিলবেরির গন্ধ।
যাচ্ছিলাম আমি গভীর মুড়মুড়ে তুষারের ওপর দিয়ে আর ভাবছিলাম গ্রীষ্মের কথা। অনাড়ম্বর রুশী গ্রীষ্ম নয়, দক্ষিণী গ্রীষ্ম—জ¦লজ¦লে ফুলের গন্ধে যা চনমনে, পাথর যেখানে আতপ্ত, গরমে-সমুদ্র যেখানে অলস, নিস্তেজ। ভাবতে ভাবতে আমার নিজেরই কেমন গরম ঠেকল, ওভারকোটের বোতাম খুলে ফেললাম, টুপিটা সরিয়ে দিলাম কপাল থেকে। তুষার-কণা হয়ে দাঁড়াল ঝুরঝুরে চকমকি বালি, ফর গাছ উঠে দাঁড়াল সাইপ্রাস গাছ হয়ে, পাইনের ডাল নড়ে উঠল পাম গাছের সবুজ পাখার মতো।
এই সময়েই শাদা তুষার স্তূপের ওপর দেখলাম
-
লকড়ি-গুদামটায় উঠে উর্সের কাছে ঘেঁষবে এমন কোনো ছেলের কথা আমি শুনিনি। কিন্তু একটি মেয়ের কথা জানি, কেট—সে এটা পারে। উর্সকে সে ভয় পায় না। কাঁটা-তারের তল দিয়ে সে ঢোকে, উর্স কিন্তু খেঁকিয়ে আসে না, ডাকে না ভাঙা-ভাঙা গলায়, কামড়ে ছেঁড়ে না তার ফ্রক। দু’জনের মধ্যে বেশ ভাব—রোগা সরু ঠেঙে কেট আর দক্ষিণ রাশিয়ার পাহারাদার কুকুর উর্স।
ছেলেপিলেরা বলে, কেট কী একটা মন্ত্র জানে। সেটা বাজে কথা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাতে নাক কুঁচকে ওঠে তার কেউ মিথ্যে কথা বললে সে বরাবরই নাক কোঁচকায়।
উর্স দেখতে প্রকাণ্ড। গায়ের লোম তার ঝুলে ঝুলে থাকে নোলকের মতো। কপালের নোলকগুলো পড়ে চোখর ওপর। চোখের
উৎস
- রূপের ডালি খেলা
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- সোনার পেয়ালা
- প্রক্রিয়াধীন
- কাজাখ লোককাহিনী
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- পরিচয়
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- ভাবনা সমবায়
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- তানিয়া
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.