-
পেশোয়ার স্টেসন ছাড়বার পর আমি স্বস্তির ধূম্র-নিশ্বাস ফেলে হাঁফ ছাড়লাম। আমার গাড়িতে যারা যাচ্ছে তারা প্রায় সকলেই হিন্দু ও শিখ উদ্বাস্তু ৷ তারা এসেছে পেশোয়ার, হতিমর্দান কোহাট, চারসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বান্নু, নওসেরা, মানসেরা থেকে, সীমান্ত প্রদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রেখে নিপুণভাবে স্টেসন পাহারা দিচ্ছে মিলিটারী অফিসাররা। কিন্তু উদ্বাস্তুরা কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছিল না যে পর্যন্ত না আমি বিচিত্র পঞ্চনদীর দেশের দিকে ধাবমান হওয়ার জন্য পদ-চক্র চালিয়েছি। অন্যান্য পাঠানদের থেকে কিন্তু এই উদ্বাস্তুদের কোনরকমেই আলাদা ক’রে দেখতে পারবে না তুমি। বেশ লম্বা চওড়া সুন্দর শক্ত-সমর্থ লোকগুলো, পড়নে তাদের কুল্লা, লুঙ্গী, সালোয়ার, কথনে রূঢ় পুস্তো ভাষা। প্রত্যেকটি গাড়ির সামনে
-
রঘু রাও-এর বয়স বাইশ বছর। জেলে আজ ওর শেষ রাত। কাল ভোরেই ফাঁসি।
ফাঁসি সেলে শুয়ে শুয়ে রঘু রাও তার অতীত জীবনের দিকে তাকালো। স্বল্প পরিসর জীবনের প্রতিটি লহমা সে গুণতে লাগলো। কৃষক যেমন তার নিজের টাকাটি পকেটে রাখার আগে বেশ ভাল করে উল্টেপাল্টে দেখে নেয়, ঠিক তেমনিভাবেই, সেই রকম যত্ন, সেই রকম সতর্কতা ও তেমনি সংশয়মনা হয়ে রঘু রাও নিজের জীবনের প্রতিটি পল ভালো করে দেখছে। কেননা তার সমগ্র জীবনের ছাঁচটি তার নিজের হাতেই গড়া। জন্ম, মা বাবার কোল, বাবার কাঁধ, এই ধরনের কিছু কিছু লহমা নিশ্চয়ই তার বাপ মায়ের, আর কিছুটা তার সমাজ ও বংশের টাকশালের ছাপ নিয়ে
-
পাঞ্জাবী সাহিত্যের সূচনালগ্নেই পাঞ্জাবী গল্পের উদয় হয়েছে। পাঞ্জাবী সাহিত্যের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও, এই সাহিত্য-প্রবাহের গতি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্য, বিশেষতঃ উত্তর ভারতের সাহিত্যেরই অনুরূপ। যে সময়ে হিন্দী ভাষায় রাসো সাহিত্য রচিত হচ্ছিল ও মারাঠি ভাষায় পওয়াড়ো সাহিত্য জন্ম নেয়-সেই যুগেই পাঞ্জাবী ভাষায় ‘ওয়ারোঁ’-র উদয়। ‘ওয়ারোঁ’গুলি পাঞ্জাবের বীরগাথা, কাব্যরূপে বর্ণিত। ‘ওয়ারোঁ-র নায়ক হতেন সাধারণতঃ জননেতা, এগুলি জনসাধারণের সমুখে গেয়ে শোনানো হত। পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীর স্বাধিকার ছিল না। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণকারীদের আনাগোনা থাকত অব্যাহত।
পাঞ্জাবের গ্রামগুলিকে নিজেদেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করতে হত। যখনই বিদেশী সেনা সদলবলে আক্রমণ চালাতো, লোকেদের লড়তে হয়েছে আপন ধনপ্রাণ ও সম্মান রক্ষার জন্য, আর আক্রমণ শিথিল হয়ে গেলে স্বীয় যোদ্ধা
-
“রুকমনিআই নি রুকমনিআই।” লাহোরে কাচা চাবুক স্বরণ গলিটায় ঢুকে রুকমনিআইয়ের বন্ধুরা তাকে যেভাবে ডাক দিত, খাঁচার মধ্য থেকে তোতাটাও ঠিক সেভাবেই ডাক দিল। পাখিটার মেজাজ খুশি রাখতে চাইলে রুকমনি অবশ্য তার সে-ডাকে সাড়া দিত, কিন্তু এখন, সে সাড়া দেবার আগেই, পাখিটা আবার তার নাম ধ’রে ডাকাডাকি শুরু করল। অমৃতসরের কাছারিবাড়ির প্রায় পোয়াটাক মাইল দূরে রাস্তাটার পাশে গুড়ি মেরে ব’সে ছিল রুকমনি, পাখিব ডাকে সে কোনো সাড়া দিল না।
“রুকমনিআই নি রুকমনিআই।” তোতাটা আবারও ডাক দিল।
ছোলাভাজা বিক্রি করে যে-লোকটা তার কাছে রুকমনি শুনেছেডিপটি কলাটরএ-রাস্তা ধ’রেই আসেন। রাস্তায় গাড়ির চলাচলের বিরাম নেই, কত টাঙ্গা, কত এক্কা, তার ওপর হাওয়াই
-
শহরের একটা গলি। দু’টো বাড়ী সামনাসামনি। মাঝখানে তিন সাড়ে তিন গজের ব্যবধান। একতলার জানালা দু’টোও মুখোমুখি। সামনের জানালা দিয়ে দেখা যায় দেয়ালে একটা আয়না টাঙানো। ঘরটায় জিনিষপত্র খুব কম; একটা খাট, পিড়ি, তাকের উপর কয়েকখানা বই, তেল চিরুণী। দেয়ালে দু’য়েকটি ছবি।
ছোট ঘর। একটি মেয়ে ছাড়া আর কারো মুখ ক্বচিৎ চোখে পড়ে এ ঘরে। সে কখনো সেলাই করছে বা বই পড়ছে বসে বসে, কখনো মাথা নিচু করে চুপচাপ মগ্ন হয়ে রয়েছে নয়তো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ধরে চুলে চিরুণী বোলাচ্ছে। দিনে কয়েকবার যত্ন করে চুল বাঁধে মেয়েটি। বাড়ির সকলের ধারণা মেয়েটা চিরুণী-পাগল।
দীঘল চুল। চুলের দৈর্ঘ দেখতে যখনি সে পিছন
-
মহালক্ষ্মীর পুলের ওপাশে একটি রত্নমন্দির আছে, সাধারণের কাছে যার পরিচয় ঘোড়দৌড়ের মাঠ নামে। এই মন্দিরের পূজারীদের মনস্কামনা প্রায়ই পূরণ হয় না, তবে অনেকেই এখানে সর্বস্ব খুইয়ে ঘরে ফেরে। ঘোড়দৌড়-মাঠের পাশ দিয়েই গেছে সহরের ময়লাবাহী প্রশস্ত উন্মুক্ত নর্দমা। মনের ময়লা ধুয়ে মুছে দেয় রত্নমন্দির, আর দেহের ময়লা বয়ে নিয়ে যায় এই নর্দমা। এবং এই দুয়ের মাঝে রয়েছে আমাদের এই মহালক্ষ্মীর পুল।
পুলের বাঁ-পাশে লোহার রেলিংএর ওপরে ছয়টি সাড়ী বাতাসে পত পত ক’রে উড়ছে। ওই একই স্থানে প্রতিদিনই রোদে শুকোতে-দেওয়া এই ছয়টি ধোয়া সাড়ী দেখা যায়। সাড়ীগুলোর মালিকদের মতনই সাড়ীগুলোর দামও নিতান্তই কম। সহরতলীর ট্রেন থেকে প্রত্যেকদিনই পুলের ওপরে এই সাড়ী দেখা
-
"শত্রুকে মনে প্রাণে ঘৃণা করতে না শিখলে তাকে পরাজিত করা যায় না।"
[জে স্তালিন, এ অর্ডার অব দ্য ডে, মে ডে ১৯৪২, পিপলস কমিসার অব ডিফেন্স, ইউএসএসআর]
যুদ্ধের সময় মানুষের মতো গাছদেরও নিজ নিজ ভাগ্য থাকে। আমি দেখেছি বিশাল এক বনভূমিকে আমাদের কামানের গোলায় ধ্বংস হয়ে যেতে। খুবই সম্প্রতি, অমুক গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে জার্মানরা এখানে বেশ ভালোভাবে গেড়ে বসেছিল, ভেবেছিল বহুদিন থাকবে এখানে, কিন্তু গাছগুলোর সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু তাদেরও ধ্বংস করে দিয়েছিল। ভাঙা গুঁড়িগুলোর তলায় মৃত জার্মানরা পড়েছিল, ফার্ন আর ব্র্যাকেন-এর সজীব শ্যামলিমার মধ্যে তাদের খণ্ডবিখণ্ড দেহগুলো পচছিল; কামানের গোলায় বিদীর্ণ পাইন গাছগুলোর আঠার সুগন্ধ ঐসব পচা দেহগুলোর শ্বাসরুদ্ধ
-
শরতের এক সন্ধ্যায় একবার খুবই অসুবিধাজনক আর অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলাম। সদ্য এক শহরে পৌঁছে দেখি একেবারে কপর্দকহীন অবস্থা, মাথা গোঁজার একটা আস্তানা পর্যন্ত নেই, সেখানের একটা লোককেও চিনি না।
গোড়ার ক’দিন অতিরিক্ত জামাকাপড় যা কিছু সঙ্গে ছিল সব বিক্রি করে দিলাম; শহর ছেড়ে চলে গেলাম উসতাই-এর শহরতলিতে—পারঘাটগুলো সব সেখানেই।
নৌকো চলাচল মরসুমে কর্মব্যস্ততায় জায়গাটা সরগরম হয়ে থাকে—কিন্তু তখন একেবারে নিস্তব্ধ, জনমানব শূন্য—অক্টোবর মাস প্রায় শেষ হয় হয়।
ভেজা বালুর ওপর দিয়ে পা টেনে টেনে চলতে চলতে বালুর ওপরে লক্ষ্য রাখছিলাম, খাবারের ছিটেফোঁটাও যদি মেলে এই আশায়, খালি বাড়ি আর দোকান ঘরগুলোর মধ্যে দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে ভাবছিলাম ভরাপেট কী রকম
-
যখন বৃষ্টি পড়ে (ইমেরেতিতে মার্চ-এপ্রিল মাসে বরাবরই বৃষ্টি হয়) আর রিয়োনির ঝোপগুলো থেকে বাতাস পীচ আর বুনো প্লাম ফুলের গন্ধ আনে, ছোট্ট ৎসাবুনিয়া তার মাকে জিজ্ঞাসা করে, “মা, তোমার চাদরটা কি আমি গায়ে দিতে পারি?”
“হ্যাঁ, বাছা।”
ৎসাবুনিয়া পুরোনো বাক্স থেকে ওটাকে টেনে বার করলো, পাখির পালকের মতো চাদরটা বাতাসে সাদা পায়রার মতো উড়তে লাগলো।
ৎসাবুনিয়া চাদর দিয়ে নিজেকে এমন আঁট সাঁট ভাবে জড়িয়ে নিলো যে শুধু তার মেছেতার দাগ ওয়ালা ছোট্ট নাকটি আর তার আগুনে সেঁকা লাল লাল পাগুলো দেখা যেতে লাগলো। বাচ্চা মেয়েটির জন্য তার বাপের গলোশগুলো (বৃষ্টি বাদল থেকে বাঁচাবার জন্য জুতোর ওপর পরবার একরকম জুতো) পাপোষের
-
জেসির কান্না পাচ্ছিল। টম-এর আসার অপেক্ষায় সে চালা-ঘরটার মধ্যে বসেছিল, তার জখমী পাটাকে একটু জিরান দেবার সুযোগ পেয়ে বেশ কৃতজ্ঞ বোধ করছিল, শান্তভাবে, উৎফুল্ল মনে সেই মুহূর্তটির প্রত্যাশায় উদগ্রীব হয়েছিল যখন টম বলবে, “হ্যাঁ হ্যাঁ, বটেই তো, জেসি, তুমি তোমার সুবিধা মতো যে কোনো সময় কাজে যোগ দিতে পারো!”
দু’সপ্তাহ ধরে সে নিজেকে ঠেলে নিয়ে এসেছে মিশৌরীর কানসাস সিটি থেকে ওকলাহামার টালসাতে, বৃষ্টিভরা রাত আর সপ্তাহব্যাপী নিদারুণ রৌদ্রদাহের মধ্য দিয়ে, নিদ্রাবিহীন অবস্থায় উপযুক্ত খাবার ছাড়াই শুধুমাত্র এই মুহূর্তটির কল্পনাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আর তখনই টম এসে অফিসে ঢুকলো। হাতে তার এক বাণ্ডিল কাগজ নিয়ে সে চট করে এসে ঢুকলো; জেসির
-
আমরা তখন শহুরে লোক হয়ে গিয়েছিলাম। ত্রিনিদাদের লোকসংখ্যা পুরোপুরি পাঁচ হাজার হলেও দাবি করা হতো দশ হাজার বলে। ওখানে একটা গ্রেড স্কুল বাড়ি ছিল আর নদীর ওপারে পাহাড়ের ওপরের গাছগুলোর মধ্যে দিয়ে একটা হাইস্কুল বাড়ি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। হাইস্কুল আর ধনদৌলত মনে হতো একই সঙ্গে চলে। সে যাই হোক, আমরা যারা রেল লাইনের ওধারে থাকতাম, তারা জানতাম আমরা কখনোই হাইস্কুলে যাবার কথা কল্পনাও করতে পারবো না।
গ্রেড স্কুলের বাড়িটা শহরের অপর পাশে ছিল, পুরনো ঐতিহাসিক সানটা ফে ট্রেল (Santa Fe Trail) যেটা দিয়ে প্রথমে ইন্ডিয়ানরা, পরে প্রাচীন স্প্যানিয়ার্ডরা, আরও পরে মহান দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের যাত্রী শ্বেত প্রবর্তকরা পর্যটন করেছিল, ঠিকই
-
“ধরো ওকে! ওকে ধরো তোমরা!” চিৎকারে সবুজ পাহাড় আর ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত ঝোপে ঢাকা পর্বতে ঘেরা উপত্যকার মধ্যে আরামে গা ঘেঁষে থাকা পিরিচের আকারের গ্রামটার নিস্তব্ধতা ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছিল।
পাহাড়ের চূড়ো থেকে প্রতিধ্বনিগুলো মাঝ আকাশে ধাক্কা খেয়ে তালগোল পাকানো কলরবে ছিটকে পড়েছিল, গমগম সেই শব্দ আমাদের কানের মধ্যে বিঁধে গিয়ে অন্য সব শব্দ আটকে দিয়েছিল।
ওয়েহ ওয়েহ ওয়েহ খাউউ খাউউ লেহ লেহ লেহ লেহ তুউ তুউ তুউ এক মুহূর্ত আগেও যেসব ন্যাকড়ার পুতুল নিয়ে আমরা নির্বিষ্ট হয়ে ছিলাম একটা শক্তিশালী চুম্বকের মতো সোরগোলটা তার থেকে আমাদের টেনে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।
ইইই-ইইই-উউ-উউউউউ!
এম এম বা-এম বিই ই ই হ হ হ-নি!
উৎস
- তাজিক লোককাহিনী
- প্রক্রিয়াধীন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইউক্রেনের লোককথা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রাঙা পাল
- উক্রাইনীয় উপকথা
- কাজাখ লোককাহিনী
- ভাবনা সমবায়
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- কথা পাঞ্জাব
- তানিয়া
- মানুষের জন্ম
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- রূপের ডালি খেলা
- পরিচয়
- ফুলকি ও ফুল
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.