২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
লেখক: মোহাম্মদ সেলিম: অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ভারত
আঞ্চলিক পরিপ্রেক্ষিতের দিকে তাকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ভূমিকাকে সহযোগিতামূলক বলার উপায় নেই। বার্মা ও শ্রলঙ্কা ছিল পাকিস্তানের মিত্র। নেপালের প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিম-উত্তর পূর্ব দিকে সীমান্তসংলঘ্ন ভারতের পক্ষে কোনো প্রকার ধোয়াটে অবস্থান নেওয়া সম্ভব ছিল না। বলা যায় ভূ-রাজনৈতিক এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্ট।
প্রবাসী সরকার গঠনে সহায়তা
৩ এপ্রিল ১৯৭১ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাজউদ্দীনের আলোচনার আগেই ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় বক্তৃতায় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ভারত সরকারের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের
-
লেখক: মুহম্মদ সবুর
টমাস জন বাটা জানতেন যুদ্ধংদেহী পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে থাকা পূর্ব পাকিস্তানে তাদের প্রতিষ্ঠানটি জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে কঠিন অবস্থান নিয়েছে ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি এবং এর প্রধান কর্মকর্তা। সে এক বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান। পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনী ঘুণাক্ষরে টের পেলে অবস্থা হবে ভয়াবহ। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন রক্ষাই হয়ে পড়বে কঠিন, প্রতিষ্ঠানও হবে বেহাত। কিন্তু পিছু হটে যাওয়ার কোনো জো নেই। নীতিগত কারণে এই অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভবও ছিল না আর। বিজয় অর্জন পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনে কাজ চালাতে হয়েছে। তবে সদাসতর্ক থাকার জন্য ঢাকা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই '৭১ সালে। বিশ্ব মানচিত্রের
-
রিপোর্টার: সাইমন ড্রিং
[ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত লন্ডনের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের এই লেখাটি ছিল একাত্তরের গণহত্যা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম কোনো প্রতিবেদন]
পূর্ব পাকিস্তনের জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব বড় নেতাকেই গারদে ঢোকানো হয়েছে।
প্রথম সারির রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর শেখ মুজিবের আন্দোলনের সমর্থক দুটো পত্রিকার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার রাস্তার যে ট্যাংক নেমে আসে, সেগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল ছাত্ররা। অবস্থাদৃষ্টে তা-ই মনে হচ্ছে।
তিন ব্যাটালিয়ন সেনা ঢাকা আক্রমণে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল আর্মড, একটি আর্টিলারি ও আরেকটি পদাতিক। তারা রাত ১০টার পরপরই গ্যারিসন
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
লেখক: মার্ক টালি
বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে আমি যেমন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিলাম, তেমনি এ দেশের সঙ্গে আমার একটা আত্মার সম্পর্কও রয়েছে। আমার মা এই দেশে জন্মেছিল। তাঁর জন্মস্থান আখাউড়া। আমার নানা ব্যবসায়িক কারণে আখাউড়াতে ছিলেন। আমার জন্ম কলকাতায়। ১০ বছর পর্যন্ত ভারতে ছিলাম। আবার ৩০ বছর বয়সে চাকরি নিয়ে এসেছি। জীবনের অনেকটা সময় এ অঞ্চলেই কেটেছে। বলা চলে, এ অঞ্চলটি আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষের ওপর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর হামলার পর আমি এখানে আসার অনুমতি পাই। সে সময় আমার সঙ্গে ঢাকায় আসেন আরও কয়েকজন বিদেশি সাংবাদিক। এই দলটিই প্রথম ঢাকায় আসে। অবশ্য পাকিস্তানি
-
বক্তা: এডওয়ার্ড কেনেডি
[মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২৫ আগস্ট ২০০৯) বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রাখেন। সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বক্তৃতা দেন।]
আমি বাংলাদেশে এসেছি আপনাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লাখো মানুষের শুভকামনা পৌছে দিতে। বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বলে, আমরা সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে। যারা স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদার ও অন্যান্য মানবিক মূল্যবোধ অটুট রাখতে কাজ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁদের সঙ্গে আছে। কোনো কোনো সরকার আপনাদের এখনো স্বীকৃতি না দিলেও পৃথিবীর মানুষ শোষণ আর নিপীড়ন থেকে আপনাদের মুক্তি অর্জনকে স্বীকৃতি
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
-
লেখক: এনামুল হক
একটা সময় ছিল যখন কিংবদন্তির ব্যান্ড দল বিটলস-এর জনপ্রিয়তা পশ্চিমা দুনিয়ায় আকাশকে স্পর্শ করেছিল। সেটা ছিল ষাটের দশক। হিপ্পি আন্দোলনের জোয়ার বইছিল পশ্চিমে। সেই জোয়ারে মিশে গিয়ে তরুণ সমাজের এক বিরাট অংশ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ, রাজনীতি, আদর্শ, দর্শন সবকিছুকেই অস্বীকার করে বসে। তারা তাদের পোশাকআশাক, চালচলন, জীবনযাপনের দ্বারা সমাজের প্রতি বিজাতীয় ঘৃণার প্রকাশ ঘটায়। তারা লম্বা চুল রাখতে থাকে, উদ্ভট ধরনের পোশাক পরে, মারিজুয়ানা, কোকেন প্রভৃতি ড্রাগে আসক্ত হয় এবং সেই সঙ্গে লিপ্ত হয় অবাধ যৌনাচারে। ব্যান্ড দল বিটলস যেন এদের দর্শনকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নিয়েছিল। এই ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ষাটের দশকের
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
লেখক: অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানেই এক অপার বিস্ময়, বহুমুখী প্রতিভার সমন্বয়। শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি শাখায়ই তাঁর ছিল দাপুটে বিচরণ। দর্শন, অর্থনীতি, কৃষি, সমাজ, পল্লীজীবন ইত্যাদি নিয়ে তাঁর ছিল মৌলিক ভাবনা। পরিবেশ সচেতনতা তথা পরিবেশ-ভাবনা সাম্প্রতিক কালের বিষয় বলে বিবেচিত হলেও, অনেক আগেই রবীন্দ্রনাথ পরিবেশ নিয়ে ভেবেছেন। পরিবেশকেন্দ্রিক নানা উদ্যোগের সঙ্গে তিনি নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। পরিবেশ-ভাবনা ছিল তাঁর স্বদেশ ভাবনার বড় অংশ জুড়ে। পরিবেশ-ভাবনায় তিনি ছিলেন তাঁর যুগের চেয়ে বিস্ময়করভাবে অনেক অগ্রসর।
রবীন্দ্রনাথের পরিবেশ-ভাবনা নগরকে কেন্দ্র করে অগ্রসর হয়নি, অগ্রসর হয়েছে গ্রামবাংলাকে কেন্দ্র করে। ‘বধূ’ কবিতায় তিনি নগরকে তুলে ধরেছেন এভাবে—“ইটের পরে ইট, মাঝে মানুষ কীট,/ নাইকো ভালবাসা, নাইকো
-
[জন্ম : ১৫ এপ্রিল ১৪৫২, আনচিয়ানো, ভিঞ্চি, রিপাবলিক অব ফ্লোরেন্স (বর্তমানে ইতালি), মৃত্যু : ২ মে ১৫১৯, ফ্রান্স]লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালিয় চিত্রকর, স্থাপত্য-নকশাকার, ভাস্কর, স্থপতি ও প্রকৌশলী। অন্য সকলকে ছাপিয়ে তিনি পরিণত হয়েছেন পুনর্জাগরণের (রেনেসাঁর) মানবতাবাদের সর্বোত্তম প্রতিনিধিতে। তাঁর লাস্ট সাপার ও মোনালিসা রেনেসাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাববিস্তারকারী চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম। তাঁর নোটবইগুলোতে জানা যায় কয়েক শতকের অগ্রসর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার আগ্রহ ও যন্ত্রকৌশলের উদ্ভাবনী চিন্তা।তাঁর জীবনকালে তো বটেই এখন অব্দি যে অনন্য জনপ্রিয়তা লিওনার্দোর আছে তার মূলকারণ আসলে তার অপরিসীম জ্ঞান পিপাসা যা তার চিন্তা-ভাবনা ও কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করেছে। আদতে শিল্পী হওয়ায় তিনি তার চোখ দুটোকে গন্য
-
লেখক: মঈন চৌধুরী
[আমি মানুষ, তুমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মুখলোকাত। তোমার আর আমার মাঝে এমন সব গুণ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন যার ফলে আমরা হয়েছি ফেরেশতা কিংবা জ্বীন থেকে অনেক অনেক মহৎ। আমাদের মাঝেই ঈশ্বর স্থাপন করেছেন দেবতার গুণাবলী; আমরা হয়েছি ঈশ্বরের অবতার। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই গুণাবলীকে কেন্দ্র করেই মাঝে মধ্যে আমরা জন্ম নিচ্ছি পীর, ফকির, সাধু, সন্ন্যাসী কিংবা সমাজ সংস্কারক হিসেবে। মানবত্বের বাণী প্রচার করে আমরা তোমাদের জীবন আর সমাজকে সুন্দর করব, আমরা জাগিয়ে তুলব তোমাদের বিবেককে। তোমরা যদি আধুনিক যুক্তিবাদী হও, যদি অবিশ্বাস কর সাধু, সন্ন্যাসী, পীর, ফকির কিংবা ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ সংস্কারকের ভূমিকা, তবু আমরা মানবত্ব প্রচারের তাগিদেই বারবার
-
লেখক: ড. তাইবুল হাসানলেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় বলশেভিক পার্টি' যে সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করেছে তা'কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। লেনিনের রচনায় স্পষ্ট প্রতিয়মান যে এই বিপ্লবের পশ্চাতে রয়েছে রুণ বিপ্লবী আন্দোলনের সুদীর্ঘ ইতিহাস। বুর্জোয়া কিছু ইতিহাসবিদ সমাজবিজ্ঞানীরা বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে রুশ বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃত করে মূলতঃ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের গভীরতাকে খাট করে দেখার চেষ্টা করেছেন। তারা বলশেভিক বিপ্লবকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুষ্টিমেয়দের ক্ষমতা দখল বলে অভিহিত করেছেন। আলোচ্য অধ্যায়ে লেনিনের রচনার আলোকে রুশ বিপ্লবী আন্দোলনের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের তীব্রতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রাশিয়ার শ্রমিক কৃষক ও মেহনতী মানুষরা যে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তার পূর্বকথা আলোচিত হয়েছে।রাশিয়ার বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাসকে লেনিন তিনটি অধ্যায়ে
-
লেখক: অজিত কুমার নাগভৈরব নদের পশ্চিম তীরে ছবির মত সুন্দর সাজানো শহর খুলনা। এই শহর গড়ে ওঠে ইংরেজ আমলে। কিন্তু প্রাচীন খুলনা ছিল নদীর অপর পারে। এক সময় সেখানে ছিল বিখ্যাত খুল্লনেশ্বরীর মন্দির। এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রাচীন বাংলার এক ধনী বণিক, সারা দেশ জুড়ে ছিল তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্য-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে যাঁর বাণিজ্যতরী চলে যেত সিংহল, স্বর্ণদ্বীপ, যবদ্বীপ, আরো কত দ্বীপ-দ্বীপান্তর। লক্ষ্মীর ঝাঁপি ভরে উঠত ধন-রত্নে, সমৃদ্ধ হত দেশ। বাংলার সে এক স্বর্ণযুগ। ইনি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বর্ণিত সেই ধনপতি সওদাগর। ধনপতির দুই স্ত্রী—লহনা ও খুল্লনা। ভক্তিমতি সতী-লক্ষ্মী স্ত্রী খুল্লনার নামে তিনি ভৈরবের পূর্ব তীরে প্রতিষ্ঠা করেন খুল্লনেশ্বরী -
৭ই মার্চ থেকে এপ্রিলের ২৮ তারিখ পর্যন্ত আমি সিলেটের বিভিন্ন স্থানে সংগ্রাম পরিষদ গঠন, স্বেচ্ছাসেবক, আনসার, সাবেক ইপিআর, পুলিশ, ছাত্রকর্মীদের সহযোগে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ব্যবস্থা করি। সিলেট শহর, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, শেরপুর প্রমুখ স্থানে প্রতিরোধ যুদ্ধ পরিচালনায় সক্রিয় অংশ নেই। মেঘালয়ের করিমগঞ্জে অবস্থানকালে আমি প্রায় ৩ হাজার মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন করে তাদের থাকা-খাওয়া ও ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করি। আমি বাংলাদেশ সরকারের বেসরকারী উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করি। যুদ্ধ পরিচালনা এবং জনমত সৃষ্টি প্রভৃতি দায়িত্বও পালন করি। উত্তর-পূর্ব জোনের প্রশাসনিক পরিষদের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করি। মিত্রবাহিনরি সহযোগে যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জাকিরগঞ্জ, খামাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, বিয়ানীবাজার প্রভৃতি স্থানসমূহে একের পর এক দখল
-
শ্রীলঙ্কার কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কাটোরগে পি সিলভা-র সঙ্গে সাক্ষাৎকার ৷
প্ৰ:বিগত জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল স্টেট এসেমব্লী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
উ:এ জয় উগ্র দক্ষিণপন্থী, সাম্রাজ্যবাদ-ঘেঁষা ইউনাইটেড ন্যাশন্যাল পার্টির (ইউ.এন.পি) জয় ৷ তার ফলে গণতান্ত্রিক বামশক্তির এটা একটা ভয়ানক পরাজয়।
ইউ. এন. পি জাতীয় আইন পরিষদের ১৬৮টি আসনের মধ্যে ১৩৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই প্রথম এ্যাসেমব্লীতে বামপন্থীদের কোনো প্রতিনিধি নেই এবং সিরিমাভো বন্দর নায়েকের শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির (এস.এল.এফ.পি) শক্তি কমে আটটি আসনে নেমেছে। পৃথক রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসাধারণের অনুমোদন চেয়ে তামিল ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট বৃহত্তম
-
দেবতারা সত্যিই একটি উপযুক্ত বিধান দিয়েছেন—গরিবেরাও হাসতে পারবে।
কুঁড়ে ঘরে শুধুই যে কান্নাকাটি, হা-হুতাশ শোনা যায়, তা নয়; প্রাণখোলা অনেক হাসিও সেখানে ওঠে। এমনকি, বলতে গেলে, যখন কাঁদা উচিত, তখনই বরং হেসে ওঠে গরিবেরা।
এই দুনিয়াটা আমার ভালোই জানা। আমার বাবা হলেন সুস পরিবারের লোক (নুন সংক্রান্ত জাতিবাচক পদবীবিশেষ, উত্তর ভারতের নুনিয়াদের মতো—অনুবাদক) নুনিয়াদের তখন দারুণ অভাব অনটনের অবস্থা। একটা ইঞ্জিন কারখানায় দিনমজুরের কাজ করতেন বাবা। এই সময়কার দিনগুলো নিয়ে তাঁর তখন আর কোন অহংকার ছিল না, কারই বা থাকে! অথচ এ দিনগুলোও কিন্তু মিথ্যা ছিল না।
আর এও মিথ্যে নয় যে ছেলেবেলার এই কটি বছরে আমি যতো হেসেছি, তেমন
-
একমাসের রোজনামচা : মস্কো
অতীত আর ভবিষ্যৎ
মস্কো যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল যে, (১) কাজাকস্থানের তেশিক্তাশ্ এলাকায় নিয়েনডারথাল মানুষের যে কঙ্কাল ও পাথরের প্রাগৈতিহাসিক যন্ত্রপাতি বেরিয়েছে সেগুলি দেখব ; (২) সোবিয়েত রুশ ও মধ্য এশিয়ার সোবিয়েতে প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা ; এবং (৩) ঐ সব অঞ্চলে শ্রমিকমঙ্গলের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করব : (৪) লেনিনের সমাধিগৃহে শ্রদ্ধানিবেদন করব। মধ্য এশিয়া যাওয়া কেন হল না, তা আগেই লিখেছি। যে ন'দিন মস্কোতে ছিলাম, বাকি কাজগুলি সম্পন্ন হয়েছিল। সে বিষয়ে কিছু বলার আগে, একটি জিনিস—যেটি মস্কো যাত্রার শুরু থেকে নজরে এসেছিল, সেটির উল্লেখ করব। প্রাগ থেকে মস্কো উড়োজাহাজ যায় সোবিয়েত দেশে। প্লেন-ছাড়ার বন্দরে ঢুকলেই চোখে পড়ে
-
হোয়াট ইজ লিভিং এ্যাণ্ড হোয়াট ইজ ডেড ইন ইণ্ডিয়ান ফিলসফি
লেখক: দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশক: পিপলস পাবলিসিং হাউস, নতুন দিল্লী
প্রকাশকাল: ১৯৭৬
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫৫
ভারতীয় দর্শনের বস্তুবাদী গোষ্ঠীর কথা বাইরের দুনিয়ায় বিশেষ কিছু জানা নেই । কিন্তু আপাত-বিরোধী মনে হলেও একটা ঘটনা হল, ঊনিশ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের মুখপাত্রগণ এবং ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির পশ্চিমী গুণগ্রাহীরা ভারতীয় দর্শনকে অতীন্দ্রিয়বাদ ও অধ্যাত্মবাদের সঙ্গে একাত্ম করে দেখেছিলেন। এর মধ্যে প্রথমোক্ত গোষ্ঠী এটা “প্রতিপন্ন” করেছিলেন যে অন্য জগতের প্রতি আসক্তি ভারতীয়দের বৈষয়িক লক্ষ্য অনুসরণে ও স্বশাসনের ক্ষমতা বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর শেষোক্ত গোষ্ঠীর বিশ্বাস ছিল যে, “পশ্চিমী সভ্যতার” নোংরা বিষয়-লিপ্সার সত্যিকার প্রতিষেধক
-
আজকের পরিস্থিতি-কণ্টকিত আর বিবৃতি-বিড়ম্বিত এই যুগে ক্রিকেট সম্বন্ধে লিখতে বেশ একটু যেন স্বস্তি বোধ হচ্ছে। লিখতে যে মন চাইছে, তার প্রধান কারণ হল দুটো। এই কদিন আগে কানপুরে অস্ট্রেলিয়ান দলের সঙ্গে দ্বিতীয় ‘টেস্টে’ আমাদের খেলোয়াড়রা জয়ী হয়ে ভারতের মলিন মুখচন্দ্রমাকে উদ্ভাসিত করেছে, ক্রিকেটের ক্ষেত্রে সম্প্রতি ক্রমাগত যে লাঞ্ছনা আমাদের সহ্য করতে হয়েছে তাকে দূর করার সম্ভাবনা দেখিয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণ এই যে দলীপসিংজীর মৃত্যু উপলক্ষে লেখা নেভিল কার্ডস্-এর প্রবন্ধ পড়ে মনে হল : বাংলাভাষায় এমন লেখা আমরা কবে দেখব!
ক্রিকেট-লেখক হিসাবে নেভিল কার্ডস্ হলেন একেবারে অনন্য; আর কারও লেখায় ক্রিকেটের ইন্দ্রজাল এমন শোভা নিয়ে দেখা দিয়েছে বলে জানি না। দুটি
-
তিন-এর দশকের গোড়ায় ‘ব্যাটলশিপ পোটেমকিন’ এবং ‘মাদার’ দেখে একজন জার্মান সমালোচক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন—’এতদিন জানতাম পুব দিক থেকে আলো আসে, এখন দেখছি চলচ্চিত্র শিল্পটি ঐদিক থেকেই আসছে—আজ একথা নিঃসংশয়ে বলা যায় রুশ ছবিই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।’ এই উচ্ছ্বাস অকারণ নয়। গ্রিফিথ গতিমান বিষয়কে চলচ্চিত্রের ভাষায় রূপায়িত করার প্রাথমিক ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন, কিন্তু আইজেনস্টাইন, গুদোভকিন আর দোভঝেঙ্কো সেই ভাষায় আনলেন ব্যাপ্তি, এঁদের হাতে, মঁতাজের কৌশলে, চলচ্চিত্র-ভাষা পেল নিজস্ব গতি। এ জন্যই পোটেমকিন দেখে ‘ইউনাইটেড, আর্টিস্ট’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডগলাস ফেয়ারব্যাঙ্কস-এর মনে হয়েছিল, আইজেনস্টাইন ‘গতির বিজ্ঞান’ আয়ত্ত করেছেন। চলচ্চিত্র জগতে মঁতাজ-পদ্ধতির প্রভাব সঙ্গে সঙ্গে অনুভূত হয়েছে, আজও এটি এই ভাষার আবশ্যকীয় অঙ্গ। ‘পোটেমকিন’ ও
-
কিছুকাল ধ’রে বাংলা সাহিত্য-সমালোচনায় সাহিত্য ও রাজনীতির সম্বন্ধ নিয়ে একটি বাদ-বিসম্বাদের ধারা চলে আসছে যার তীব্রতার বহু মাত্রাভেদ দেখা গেলেও সমগ্রভাবে কোনো মীমাংসা সর্বজনগ্রাহ্য হ’চ্ছে না ৷
গোড়ায় যখন “প্রচার”-সাহিত্যের আবেদন এসেছিল তখনকার পরিমাপে আজকের প্রচারবাদী সাহিত্যিকের সংখ্যা অনেক বিস্তৃতি লাভ করেছে, এবং কেবল যে নিরপেক্ষ ও বিরুদ্ধবাদী বহু সাহিত্যিককে আকৃষ্ট করে এনেছে তাই নয়, নতুন প্রগতিশীল ও সম্ভাবনাপূর্ণ সাহিত্য ও সাহিত্যিকের সৃষ্টি করেছে। এমন কি, দেখা যাচ্ছে যে, বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাও এখানেই অনেকাংশে কেন্দ্রীভূত। নতুন সাহিত্যের অন্য কোনো পথ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না।
এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন সাহিত্য নিজের অন্তরের কথাটিকে আরো স্পষ্ট করে, সম্পূর্ণ ক’রে দেখতে পাচ্ছে।
-
আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ নিয়ে আজ কিছু আলোচনা করব। আইনস্টাইন ছিলেন বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞানবিদ আর রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিশ্বকবি, শিল্পী ও দার্শনিক। এই দুই মহামনীষীর মধ্যে কোথায় কতটুকু মিল ও পার্থক্য তা এই আলোচনা প্রসঙ্গে অনেকটা বোঝা যাবে।
বৈজ্ঞানিক খ্যাতির জন্যই যে রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন তা নয়। আইনস্টাইন বৈজ্ঞানিক অপেক্ষা আরও বড়-কিছু ছিলেন, যার জন্যে তাঁকে বিশ্বের মানুষ বলে বিশ্ববাসী স্বীকার করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। বিজ্ঞানজগতে তাঁর অবদানের তুলনা নেই—এ কথা যেমন সত্য, তাঁর বিশ্বমানবতা ও মানবপ্রীতি পৃথিবীর ইতিহাসে তাঁকে সমুচ্চ স্থান দিয়েছে—এ কথাও তেমনি সত্য। বিশ্বমানবতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও আইনস্টাইন ছিলেন জাতীয়তাবাদী। এইখানেই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আইনস্টাইনের 'আশ্চর্য মিল। স্বজাতি ও স্বদেশকে স্বীকার
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- জীবনী
- লেখক
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- নারী
- বাংলা
- মুক্তিযুদ্ধ
- স্মৃতিকথা
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- আন্দোলন
- গদ্য
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- মার্কসবাদ
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- লোককাহিনী
- রূপকথা
- বই
- ভারত
- গণহত্যা
- পশ্চিমবঙ্গ
- পাকিস্তান
- যুক্তরাষ্ট্র
- পুঁজিবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- জ্যোতির্বিদ্যা
- মহাকাশ
- আলোচনা
- গবেষণা
- সঙ্গীত
- দাঙ্গা
- চিঠি
- বিজ্ঞানী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- যুক্তরাজ্য
- খাদ্য
- নৃত্য
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- সমাজ
- ভাষা
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- কবিতা
- রবীন্দ্রনাথ
- হিন্দু
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- শিশুতোষ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- ইংরেজি
- লালন
- সংবাদ
- সরকার
- ইসলাম
- কৃষি
- বিপ্লব
- খুলনা
- নির্বাচন
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- চলচ্চিত্র
- গণিতশাস্ত্র
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- উদ্ভিদ
- দর্শন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- ফুটবল
- বইমেলা
উৎস
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- ইউক্রেনের লোককথা
- পরিচয়
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- তাজিক লোককাহিনী
- বাংলাদেশ কথা কয়
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- মূল্যায়ন
- ঢাকা প্রকাশ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বিজ্ঞানচেতনা
- সাহিত্যচিন্তা
- কাজাখ লোককাহিনী
- বিজ্ঞান পাঠ
- প্রবাসী
- সমকালীন
- গল্পগুচ্ছ
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- আশ্বাস
- বাংলাদেশ ’৭৩
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১২)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (১)
- ২০১৫ (১৪)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৪)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.









