-
পূর্ব ইউরোপের প্রাচীন শ্লাভ দেশ পোল্যান্ডের আয়তন ৩ লাখ ১২.৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। সাড়ে তিন কোটি মানুষের দেশ পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের জানুয়ারীতে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়। বিদেশীদের দ্বারা অনেক-বার পদানত হওয়া সত্ত্বেও পোল্যান্ডের বীর জনতা সংগ্রামে অটল থেকেছে অতি প্রাচীন কাল থেকে।
প্রাচীন ইতিহাস
পশ্চিম শ্লাভনিক গোষ্ঠীর দেশ পোল্যাণ্ডে দশম শতকে সামন্ত প্রভুদের সহযোগিতায় ডিউকের শাসন তথা ঐক্যবদ্ধ রাজতান্ত্রিক শাসন চালু হয়। কৃষি কাজ ও পশুপালকের এই দেশটিতে দ্বাদশ শতক থেকে নগর নির্মাণ শুরু হয়। এই ঐক্যবদ্ধ রাজতান্ত্রিক শাসন ত্রয়োদশ-চতুদ্দশ শতকে অচল হয়ে তার স্থলে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজ্য গড়ে ওঠে। এই সময়ে
-
যারা যাত্রাপথের খবর নিতে গিয়েছিল রণজিৎ তাদের মধ্যে একজন। বারহাট্টা থেকে দশধার, বাউসি হয়ে আরো দশ মাইল পর্যন্ত ঘুরে এসেছে ওরা—ওরা মানে মাণিক, দীপক, রামেন্দু, সদর আলী, কাদির এবং রণজিৎ। কাল সকালে সবাই যে-পথে রওনা দেবে আগে থেকেই সে পথের হাল অবস্থা সরেজমিনে দেখে আসার জন্যে ওরা গিয়েছিল সেই সন্ধ্যের দিকে—লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করে, স্থানীয় লোকদের সাহায্য-সহানুভূতির কথা বলে ফিরতে ফিরতে তখন প্রায় শেষ রাত। বারহাট্টায় ফিরে এসে দেখল আশপাশের গ্রাম থেকে আরো অনেকেই এসে জড় হয়েছে রাতের অন্ধকারে। সাহাদের পাটের গুদাম, দোকানঘর, বাসার বারান্দাগুলো—সব জায়গায় কেবল লোক গিজগিজ করছে। ওরা ফিরতেই চারদিক থেকে ঘিরে ধরল সবে। ‘কি খবর নিয়ে
-
সে গ্রীষ্মে গরম একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দিনের গরমের পর আসে সাঁঝের গরম, সাঁঝের পর রাতের। শুধু ভোরের দিকেই একটু তাজা আমেজ আসে সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই ক্ষীণ শীতলতাটুকুও টেকে বেশিক্ষণ নয়। তার তাপ ছড়ায় কেবল সূর্যই নয়। পাথর, বালি, এমনকি গাছের পাতা থেকেও চুইয়ে পড়ে গরম। মাথার ওপর আলস্যে ভাসা বিরল দু’ একটি মেঘ দেখে আর তুষারের কথা মনেও পড়ে না। এমন গরমে আদৌ কল্পনা করারই অসম্ভব যে দুনিয়ার কোথাও আছে তুষার-কণা, বরফ, ঠাণ্ডা।
সমুদ্রতীরের এই বসতটায় নিথর হয়ে গেল জীবন। লোকে হাঁটে গা-ছাড়াভাবে, নেতিয়ে পড়ে, রোদে বেরতে ভয় পায়। এমনকি ঝানু পুলিন-বিলসীরাও হামলা সইতে না পেরে ঠাঁই নিয়েছে
-
লকড়ি-গুদামটায় উঠে উর্সের কাছে ঘেঁষবে এমন কোনো ছেলের কথা আমি শুনিনি। কিন্তু একটি মেয়ের কথা জানি, কেট—সে এটা পারে। উর্সকে সে ভয় পায় না। কাঁটা-তারের তল দিয়ে সে ঢোকে, উর্স কিন্তু খেঁকিয়ে আসে না, ডাকে না ভাঙা-ভাঙা গলায়, কামড়ে ছেঁড়ে না তার ফ্রক। দু’জনের মধ্যে বেশ ভাব—রোগা সরু ঠেঙে কেট আর দক্ষিণ রাশিয়ার পাহারাদার কুকুর উর্স।
ছেলেপিলেরা বলে, কেট কী একটা মন্ত্র জানে। সেটা বাজে কথা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাতে নাক কুঁচকে ওঠে তার কেউ মিথ্যে কথা বললে সে বরাবরই নাক কোঁচকায়।
উর্স দেখতে প্রকাণ্ড। গায়ের লোম তার ঝুলে ঝুলে থাকে নোলকের মতো। কপালের নোলকগুলো পড়ে চোখর ওপর। চোখের
-
ডক্টর জনসন-এর নাম জানেন না এমন শিক্ষিত ব্যক্তি বোধহয় আমাদের দেশেও বিরল। অষ্টাদশ শতাব্দীর ইংল্যাণ্ডের তিনি ছিলেন একজন দিকপাল পণ্ডিত, একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশিষ্ট চিন্তানায়ক। যেমন অসাধারণ ছিল তাঁর মেধা ও বুদ্ধি, তেমনি অসাধারণ ছিল তাঁর অধ্যবসায়। অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে থেকেও দীর্ঘ আট বৎসর অক্লান্ত পরিশ্রম করে শুধুমাত্র একক চেষ্টাতেই তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ—‘ডিকশনারি অব দি ইংলিশ ল্যাংগোয়েজ’ রচনা সমাপ্ত করেন। এটা কম বিস্ময়ের কথা নয়।
১৭০৯ খ্রীস্টাব্দের ১৮ই সেপ্টেম্বর স্যামুয়েল জনসন-এর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন একজন দরিদ্র পুস্তক-বিক্রেতা। তার ফলে ছেলেবেলা থেকেই জনসন-এর পড়াশোনার নেশা। তাঁর মেধাও ছিল বিস্ময়কর। তিনি একবার যা পড়তেন তা আর ভুলতেন
-
ইংল্যাণ্ড যদি শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য গর্ব করে তা হলে রাশিয়াও শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকের জন্য গর্ববোধ করতে পারে। টলস্টয় নিঃসন্দেহে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। তাঁর লেখা ‘ওঅর অ্যাণ্ড পীস’, ‘আনা কারেনিনা’, ‘রেসারেক্শন’ প্রভৃতি উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে বিস্ময়কর অবদান। এর মধ্যে ‘ওঅর অ্যাণ্ড পীস’ সত্যিই অতুলনীয়। এটিকে সার্থকভাবেই ‘এপিক উপন্যাস’ বলা চলে। এক বিরাট ক্যানভাসের ওপর আশ্চর্য দক্ষতার সঙ্গে তিনি যে-সব চিত্ৰ অঙ্কিত করেছেন তা দেখে শুধু মুগ্ধ হওয়া নয়, বিস্মিতও হতে হয়।
এই বৃহৎ ও মহৎ উপন্যাসের বিস্তৃত ক্ষেত্রে প্রায় শ পাঁচেক চরিত্রের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় এবং আশ্চর্য, তাদের প্রায় সকলকেই রক্তমাংসের জীবন্ত মানুষ বলে বোধহয়। কয়েকটি প্রতিনিধিমূলক নারী ও পুরুষ চরিত্রকে বিদেশী আমরাও
-
রাধাকৃষ্ণ
প্রকৃতির সব অনু-পরমাণু থেকে, মাটি গাছপালা লতাপাতা, সব জীবজন্ত মানুষের ভেতরের আত্মা থেকে এই ক্রন্দন, এক তীব্র আবেগ, একটিই কামনা, একটাই বোধ পরমাত্মার জন্যে “প্রতি অঙ্গ কাঁদে মোর প্রতি অঙ্গ লাগি”।
রাধা যখন কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে এ জাতীয় প্রেমবাণী উচ্চারণ করেন কিংবা তাঁদের ‘অবৈধ’ প্রেমলীলা যখন সামাজিক নিয়মকানুন, শৃঙ্খলাকে পদদলিত করতে উদ্যত হয় তখন সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা বলেন, “রাধা হচ্ছে প্রকৃতির প্রতীক আর কৃষ্ণ হচ্ছে পরমাত্মা; কাজেই তাদের যে প্রেমলীলা অবৈধ মনে হচ্ছে তা আসলে পাথির্ব মানবিক কিছ নয়; অতিমানবিক। তাদের মিলন আসলে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।” কাজেই তার অবৈধ হবার সুযোগ নেই।
পরমাত্মার ছোঁয়া পাবার জন্যে মানুষের, প্রকৃতির অনুপরমাণু,
-
বই পড়ার অভ্যাস একটা মহৎ অভ্যাস। এই অভ্যাসকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখা একটা দৈব আশীর্বাদের মতো। যিনি এই অভ্যাস আমৃত্যু বাঁচিয়ে রাখতে পারেন তাঁর আর ভয় থাকে না, তিনি কর্ণের কবচ কুণ্ডলের মতো সহজাত বর্মের অধিকারী হয়ে থাকেন। কেননা পড়ার অভ্যাস সর্ব সময়ের জন্য বাঁচিয়ে রাখার অর্থ হলো জীবনকে সজীব রাখা, সতেজ রাখা, স্বাস্থ্যবান রাখা।
কৌতূহলকে জীইয়ে রাখা হলো আসল কথা। বই পড়ার সাহায্যে এই কৌতূহল সর্বক্ষণ জীইয়ে রাখা সম্ভব হয়। কৌতুহল মরে গেলে মানুষের অপমৃত্যু ঘটে। নতুন নতুন জিনিস জানবার, শেখবার, উপভোগ করবার আগ্রহটাই যদি মরে গেলো তাহলে জীবনে থাকলো কী? কই পড়ার লাভ এখানে যে, বই
-
ঘনায়মান কালো রাতে জনশূন্য প্রশস্ত রাস্তাটাকে ময়ূরাক্ষী নদী বলে কল্পনা করতে বেশ লাগে। কিন্তু মনের চরে যখন ঘুমের বন্যা আসে, তখন মনে হয় ওটা সত্যিই ময়ূরাক্ষী: রাতের নিস্তব্ধতায় তার কালো স্রোত কল-কল করে, দূরে আঁধারে ঢাকা তীররেখা নজরে পড়ে একটু-একটু, মধ্যজলে ভাসন্ত জেলেডিঙিগুলোর বিন্দু বিন্দু লালচে আলো ঘন আঁধারেও সর্বংসহা আশার মতো মৃদু-মৃদু জ্বলে।
তবে, ঘুমের স্রোত সরে গেলে মনের চর শুষ্কতায় হাসে ময়ূরাক্ষী! কোথায় ময়ূরাক্ষী! এখানে-তো কেমন ঝাপসা গরম হাওয়া। যে-হাওয়া নদীর বুক বেয়ে ভেসে আসে সে হাওয়া কি কখনো অত গরম হতে পারে?
ফুটপাথে ওরা সব এলিয়ে পড়ে রয়েছে। ছড়ানো খড় যেন। কিন্তু দুপুরের দিকে লঙ্গরখানায় দুটি খেতে
-
দূরে যেখানে ধলেশ্বরীর সাথে এই রাঙাধারের ঢালা এক হয়ে মিশেছে, সে-সঙ্গমস্থানের বিস্তীর্ণ জলরাশি হঠাৎ ঝলমল করে উঠল। মেঘের ফাঁকে সকালবেলার সূর্যালোক ঝলকে পড়েছে সেখানে। এবং ঠিক সেই মুহূর্তে ক্ষুদ্র কোটরগত অথচ উজ্জ্বল চোখ দুটি দূরে নিবদ্ধ করে মজনু ঠোঁটের প্রান্তে একটু হাসল, তারপর সবল হাতে লগি দিয়ে তীর হতে গভীর জলে নৌকা ঠেলে সে বলে উঠল:
—হেই গো, মোদের নাও ভাসল।
মাথায় তার জড়ানো লাল গামছা, সাদার ওপরে নীল চেকের আধময়লা লুঙ্গিটি কোঁচামেরে পরা, এবং দেহের বাকি সমস্ত অংশ অনাবৃত। লগি ছেড়ে হাল ধরে বাইতে শুরু করলে তার সুগঠিত পেশিবহুল কঠিন-কালো দেহের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চঞ্চল হয়ে উঠল, যেন তার সমগ্র
-
সন্ধ্যা থেকে পানের দোকানটার সামনে একটা টুলে স্তব্ধ হয়ে বসে রয়েছে আবদুল। মনে অদ্ভুত শূন্যতা, এবং সে-শূন্য মনে পাশের হোটেলের কোলাহল অতি বিচিত্র ও রহস্যময় ঠেকছে। কখনো পানওয়ালাটা হঠাৎ ছাড়া গলায় তীক্ষ্ণস্বরে হেসে উঠলে সে চমকে উঠছে, বিস্তৃত শূন্যতার মধ্য থেকে তার মন বিহ্বল হয়ে বেরিয়ে আসছে, তারপর কী যেন খুঁজে-খুঁজে না পেয়ে আবার শূন্য হয়ে উঠছে।
রাস্তার ওপাশে গুদামের মতো একটা বন্ধ ঘর; তার এধারে গ্যাসপোস্টের তলে ধোঁয়ার মতো রহস্যময় ক্ষীণ আলো। সেদিকেই আবদুলের ভাষাশূন্য চোখ নিবদ্ধ হয়ে ছিল। এবার হঠাৎ তার সে চোখ কেঁপে উঠল—কিছুটা ভয়ে কিছুটা বিস্ময়ে। ওধারের ফুটপাথ দিয়ে একটি কালো ছায়া আবছা অন্ধকারে মিশে নিঃশব্দে
-
অতি সাধারণ ঘরের মেয়ে আনিলা (ছদ্মনাম)। তার স্বপ্ন ছিল অনার্স সম্পূর্ণ করে ও ভালো কোম্পানিতে চাকরি করবে, স্বাবলম্বী হবে। বাবা-মায়ের চাপে অনার্স অসম্পূর্ণ রেখেই তাকে বিয়ে করতে হলো। পড়াশোনা সম্পূর্ণ হলো না। স্বামী চায় না বাড়ির বউ চাকরি করুক, তাই স্বাবলম্বী হওয়ার ইচ্ছাও চিরদিনের জন্য বলি দিতে হলো। সব স্বপ্ন হারিয়ে তরুণীটি মানসিকভাবে জর্জরিত ও বিপর্যস্ত। বেঁচে থাকার ইচ্ছাও ত্যাগ করেছে। প্রতিনিয়ত সামাজিক ও মানসিক চাপে আনিলার মতো বহু নারী মানসিক রোগের শিকার ও অসুস্থ।
যত দিন সমাজে নারী ও পুরুষের সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে না, সামাজিক ও মানসিকভাবে নারীর ওপর এ অত্যাচার বন্ধ হবে না, তত দিন নারীরা মানসিক অসুস্থতা
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কে আমি?
- বাংলাদেশ কথা কয়
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- লেখকদের প্রেম
- হেগেল ও মার্কস
- রূপের ডালি খেলা
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বনে পাহাড়ে
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বইয়ের জগৎ
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮)
- ২০২৫ (২)
- ২০২৪ (৭)
- ২০২০ (৪৯)
- ২০১৭ (১)
- ২০১৫ (১)
- ২০১৩ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (১)
- ১৯৮৮ (৩)
- ১৯৮৭ (১৩)
- ১৯৮৬ (৬)
- ১৯৮৫ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮১ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (৯)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (১)
- ১৯৫৫ (৮)
- ১৯৫৪ (১)
- ১৯৪৬ (১১)
- ১৯৪৫ (৮)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৫)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সুনির্মল বসু (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (১৪)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.