-
বাংলাদেশ হানাদার বাহিনী মুক্ত হওয়ার পর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। শত্রুমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি এটাই তার বড় পরিচয় নয়। এর চেয়ে তাঁর মহত্তর স্বীকৃত হলো যে, সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের দিনগুলোতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বৃটেন, ইউরোপ ও আমেরিকায় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গঠন, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধে সর্বতোভাবে সাহায্য করার প্রত্যক্ষ কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব এবং নেতা সম্পর্কে তাঁর মনে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব, কোন সংশয় কিংবা বিপথগামী চিন্তা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে নি।
তাঁর 'মানবাধিকার' শীর্ষক বইতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বলেছেন, "১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্থান পূরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু
-
সত্যেন সেনের কোন্ পরিচয় অধিক প্রসারিত—একজন কমিউনিস্ট কর্মী কিংবা নেতা হিসাবে এবং কৃষক আন্দোলনের সংগঠক হিসাবে; না সাহিত্যিক হিসাবে তাঁর পরিচিতি সমধিক—এ কথা বলা দুঃসাধ্য। তবে একটা বিষয়ে বোধ হয় নিঃসন্দেহ হওয়া যায়, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ও তাঁর প্রাণপুরুষ হিসাবেই তিনি বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র পরিচিতি লাভ করেছেন। 'উদীচী' সাংস্কৃতিক সংগঠনের শাখা বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলেই সত্যেন সেন সম্পর্কে কম-বেশি জানেন। উদীচীর কথা উঠতেই সত্যেন সেনের নাম স্মরণে আসবে অবধারিতভাবেই।
একজন কমিউনিস্ট নেতা হিসাবে তাঁর পরিচয়ের পরিধি খুব বেশি নয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যারা গভীরভাবে জড়িত তাদের সীমানায় তাঁর নামডাক দু-যুগ আগে শোনা যেত।
-
ডক্টর জনসন-এর নাম জানেন না এমন শিক্ষিত ব্যক্তি বোধহয় আমাদের দেশেও বিরল। অষ্টাদশ শতাব্দীর ইংল্যাণ্ডের তিনি ছিলেন একজন দিকপাল পণ্ডিত, একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশিষ্ট চিন্তানায়ক। যেমন অসাধারণ ছিল তাঁর মেধা ও বুদ্ধি, তেমনি অসাধারণ ছিল তাঁর অধ্যবসায়। অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে থেকেও দীর্ঘ আট বৎসর অক্লান্ত পরিশ্রম করে শুধুমাত্র একক চেষ্টাতেই তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ—‘ডিকশনারি অব দি ইংলিশ ল্যাংগোয়েজ’ রচনা সমাপ্ত করেন। এটা কম বিস্ময়ের কথা নয়।
১৭০৯ খ্রীস্টাব্দের ১৮ই সেপ্টেম্বর স্যামুয়েল জনসন-এর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন একজন দরিদ্র পুস্তক-বিক্রেতা। তার ফলে ছেলেবেলা থেকেই জনসন-এর পড়াশোনার নেশা। তাঁর মেধাও ছিল বিস্ময়কর। তিনি একবার যা পড়তেন তা আর ভুলতেন
-
বিশ্ববিখ্যাত কবি গ্যেটে যে অসাধারণ সৃজন-প্রতিভার অধিকারী ছিলেন সে-কথা বিশেষ করে বলাই নিষ্প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, তিনি দেবদুর্লভ সৌভাগ্যেরও অধিকারী ছিলেন। রূপ, স্বাস্থ্য, সম্পদ, মেধা, বুদ্ধি ও সৃজনপ্রতিভার এমন আশ্চর্য সমন্বয় কদাচিৎ দৃষ্ট হয়। সর্বতোভাবেই তাঁর জীবন ছিল অসাধারণ ও অসামান্য। একেবারে শৈশব হতেই নানাভাবে এর সূত্রপাত দেখা যায়। ছ-সাত বছর বয়সের মধ্যেই তাঁর বুদ্ধিবৃত্তি ও মননশীলতার অদ্ভুত স্ফুরণ হয়। এই বয়সেই তিনি ভগবান, প্রকৃতি ও মানুষের স্বভাব প্রভৃতি জটিল ও গুরুতর বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করেন। মাত্র আট বছর বয়সের সময় তিনি ক্রীশ্চান ও প্যাগানদের জ্ঞানের তুলনা করে ল্যাটিন ভাষায় এক প্রবন্ধ রচনা করেন। এগারো বছর বয়সের সময়
-
সুখ চাইলেই কি সুখ পাওয়া যায়? সুখের পিছনে ছুটলেই কি সুখকে ধরা যায়? না, যায় না। একথা আমরা সকলেই বুঝি। তবু অনেকেই আমরা সারা জীবন সুখের পিছনে ছুটে ছুটে ক্লান্ত ও করুণ, ব্যর্থ ও বিপর্যস্ত। এভাবে যে সুখ পাওয়া যায় না তা আমরা বুঝেও বুঝি না। আমাদের অনেকের মতই উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসী কথা-সাহিত্যিক স্তাঁদাল-ও বোধহয় বোঝেন নি। ম্যাথ্যু জোসেফ্সন স্তাঁদাল-এর যে জীবনী লিখেছেন তার নাম দিয়েছেন ‘স্তাঁদাল অথবা সুখের অন্বেষণ।’ এবং আমাদের মনে হয় তাঁর জীবন-কথার এই নামকরণ সঙ্গতই হয়েছে।
স্তাঁদাল-এর লেখার সঙ্গে আমাদের দেশের যথেষ্ট শিক্ষিত ও সাহিত্য সম্বন্ধে বিশেষ আগ্রহী ব্যক্তি ছাড়া সাধারণের পরিচয় অল্পই আছে। তাঁর
-
কীটস তখন ইতালী-তে। মৃত্যু শয্যায়। একদিন রাত্রে হঠাৎ তিনি তাঁর বন্ধু সেভার্ন-কে অনুরোধ করলেন, তাঁর সমাধিস্তম্ভের ওপর যেন এই কটি কথা লিখে দেওয়া হয়: ‘হীয়ার লাইজ ওআন হুজ নেম ওআজ রিট ইন ওআটার।’
বলা বাহুল্য এ গভীর অন্ধকারের কণ্ঠস্বর, বুক-ভাঙা নৈরাশ্যের আর্তনাদ। এ সত্য নয়, একেবারে সত্য নয়। কিন্তু কী দুঃখের কথা, তার কাছে তখন এটাই সত্য ছিল। তিনি যে ইতিমধ্যেই আশ্চর্য ও অবিস্মরণীয় কাব্য সৃষ্টি করেছেন এবং সবার অলক্ষ্যে তাঁর নাম যে সাহিত্যের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেছে তা তিনি অনুভব করতে পারেন নি। সেই দুঃখ, ব্যর্থতা ও নৈরাশ্যের দিনে তা অনুভব করাও বোধহয় সম্ভব ছিল না। অবশ্য তাঁর
-
অনেকের মতে চার্লস্ ডিকেন্স-ই হচ্ছেন ইংল্যাণ্ডের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। এ বিষয়ে অবশ্য মতভেদ থাকতে পারে। তবে একথা ঠিক যে, উপন্যাস লেখকের যা প্রধান গুণ সেই গল্প বলার ক্ষমতা ও চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার শক্তি তাঁর অসাধারণ ছিল।
বলা বাহুল্য, ডিকেন্স-এর লেখার আরও অনেক গুণ ছিল এবং ত্রুটিও। সে-সব আলোচনা এখানে আমার করার ইচ্ছে নেই। তাঁর সাহিত্য-বিচারের জন্য এ প্রবন্ধ নয়। আমি যথারীতি শুধু তাঁর জীবন ও তাঁর প্রেম সম্বন্ধে খুব সংক্ষেপে সামান্য দু-চার কথা এখানে লিখবো।
১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের পোর্টসী-তে চার্লস্ ডিকেন্স-এর জন্ম হয়। জন ডিকেন্স ও এলিজাবেথ ডিকেন্স-এর তিনি দ্বিতীয় সন্তান ও প্রথম পুত্র। তাঁর বাবা জন ডিকেন্স নেভি পে-অফিসে
-
ইংল্যাণ্ড যদি শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য গর্ব করে তা হলে রাশিয়াও শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকের জন্য গর্ববোধ করতে পারে। টলস্টয় নিঃসন্দেহে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। তাঁর লেখা ‘ওঅর অ্যাণ্ড পীস’, ‘আনা কারেনিনা’, ‘রেসারেক্শন’ প্রভৃতি উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে বিস্ময়কর অবদান। এর মধ্যে ‘ওঅর অ্যাণ্ড পীস’ সত্যিই অতুলনীয়। এটিকে সার্থকভাবেই ‘এপিক উপন্যাস’ বলা চলে। এক বিরাট ক্যানভাসের ওপর আশ্চর্য দক্ষতার সঙ্গে তিনি যে-সব চিত্ৰ অঙ্কিত করেছেন তা দেখে শুধু মুগ্ধ হওয়া নয়, বিস্মিতও হতে হয়।
এই বৃহৎ ও মহৎ উপন্যাসের বিস্তৃত ক্ষেত্রে প্রায় শ পাঁচেক চরিত্রের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় এবং আশ্চর্য, তাদের প্রায় সকলকেই রক্তমাংসের জীবন্ত মানুষ বলে বোধহয়। কয়েকটি প্রতিনিধিমূলক নারী ও পুরুষ চরিত্রকে বিদেশী আমরাও
-
মার্কসতত্ত্বের একটি সাধারণ এবং সর্বাঙ্গীণ পরিচয় আমরা লাভ করতে পারি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘কেপিটেলে’ সন্নিবিষ্ট মার্কস ও এঙ্গেলসÑএর মুখবন্ধগুলি হইতে। একটি পণ্য কি কারণে অপর একটি পণ্যের সহিত বিনিময় হয়, অথবা একটি বিশেষ পরিমাণের মুদ্রায় বাজারে বিক্রয় হয়, প্রতিদিনের এই ঘটনাটির পশ্চাতে যে রহস্য লুক্কায়িত রহিয়াছে তাহার উদ্ঘাটন মার্কসের পূর্বে দুই হাজার বৎসর সম্ভবপর হন নাই। এরিস্টটল ইহার উত্তর দিতে চেষ্টা করিয়াছেন; এডাম স্মিথ এবং রিকার্ডো অনেকখানি অগ্রসর হইয়াও সফল হন নাই। এই দুই হাজার বৎসরে অনেক রকমের বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আবিষ্কার সম্ভব হইয়াছে; কিন্তু পণ্যে মূল্যরূপের (value form) মতো একটি ক্ষুদ্র প্রতিদিনের প্রত্যক্ষের বিষয় সম্বন্ধে বিচার ও বিশ্লেষণে যত সহজ,
-
উপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খলে আবদ্ধ উপমহাদেশে সকল ভাষাভাষী জনগণের সম্মিলিত জাতীয় মুক্তির অভ্যুদয়ে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা ও শ্রমজীবী শ্রেণীর আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্বের প্রসার সাধনে, কমিউনিস্ট সংগঠন গড়ে তোলার কাজে এবং প্রগতিবাদী লেখক-লেখিকাদের সমবায়ী প্রয়াসে সাজ্জাদ জহীরের বহুমুখী অবদান রয়েছে। তিনি অবশ্য প্রধানতঃ ১৯৩৫ থেকে সত্তরের দশকের শুরু পর্যন্ত প্রগতি সাহিত্যের কর্ণধার হিসাবে পরিচিত। তিনি একাধারে একদিকে যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রেমচাঁদের মতো দিকপাল প্রবীণদের গণমুখী সাহিত্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্রতী নবীন লেখক-লেখিকাদের দলবাঁধা প্রয়াসের মধ্যে নিয়ে এসেছিলেন, তেমনি এই ঐক্যের ধারাকে প্রত্যক্ষভাবে সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় তাঁবেদার কায়েমী স্বার্থবাদীদের বিরুদ্ধে বিরাট বিরাট গণ-অভ্যুদয়ে শরিক করে বিপর্যয়ের অগ্নিপরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ করেছিলেন।
১৯৭৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৬৮ বছর
-
১৮১৮ সালে ৫ মে জার্মানিতে মহামতি কার্ল মার্কসের জন্ম। স্বদেশের ভূমিতে তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়নি। প্রবাসী অবস্থায় ১৮৮৩ সালে ১৪ মার্চ তাঁর নশ্বর জীবনের মৃত্যু ঘটে। তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়েছে লন্ডন শহরের হাইগেট ভিলেজের সমাধিক্ষেত্রে। তাঁর এই সমাধি আজ হয়েছে বিশ্ব প্রলেতারিয়েত এবং প্রগতিশীল কোটি কোটি মানুষের তীর্থভূমি।
স্বদেশে কেন তাঁর সমাধি হলো না- সে ইতিহাস আমরা কম আর বেশি সকলেই জানি। যে লোকটি বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তিতে তত্ত্ব দিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন পুঁজিতান্ত্রিক সমাজের ধ্বংস অনিবার্য এবং বিশ্বকে অবশ্যম্ভাবীরূপে জয় করে নেবে সর্বহারা শ্রমিকশ্রেণি, সে লোকটিকে জার্মানির ধনিকশ্রেণি এবং তাদের সেবাদাস সরকারগুলো কেন স্বদেশে থাকতে দেবে? তাই অদ্যাবধি এই বিশ্বের
-
সেই যে ১৯৬২ সালে আনিস স্যারের অধ্যাপনায় মুগ্ধ হয়েছিলাম আজ অবধি সেই মুগ্ধতায় চিড় পড়ে নি। বাংলা বিভাগে পড়ার আগে থেকেই স্যারের গুণমুগ্ধ হয়েছিলাম আমার দুই ভাই মুনীর চৌধুরী (শহীদ) ও আব্দুল হালিম (প্রয়াত) এবং বোন মমতাজ বেগমের সূত্রে নানা প্রসঙ্গে তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারা ও কর্মকান্ড জেনে। সে সময়টা ছিল ছাত্র আন্দোলন, হল নির্বাচন, 'ডাকসু' নির্বাচন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, কবিতা-পত্রিকা প্রকাশনা, গল্প, সাহিত্যচর্চা, একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসকে কেন্দ্র করে নানা কর্মকান্ডের যুগ। প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছাত্র-ছাত্রীরা উদ্বুদ্ধ থাকতাম ক্লাসের লেখাপড়া, লাইব্রেরির পড়াশোনা এবং অবসর সময়ে কাব্য-গদ্য চর্চায়। বাংলা বিভাগের অধ্যাপকদের প্রায় সকলেই আমাদের উৎসাহ দিতেন। তাঁদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল হাই, মোফাজ্জল
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- কে আমি?
- জননেতা মণি সিং
- লেখকদের প্রেম
- মূল্যায়ন
- শহরের ইতিকথা
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
- হেগেল ও মার্কস
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমৃত রাই (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৭)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- জাফর আলম (১)
- জয়নাল হোসেন (১)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৬)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৫)
- রেবতী বর্মন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.