-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ভ্লাদিমির লাভরোভ নামে মস্কোর এক শিল্পীকে বলা হয়েছিল ভল্গার প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকতে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রাজি হয়েছিলেন কিন্তু তাঁর চরিত্রগত দীর্ঘসূত্রতার জন্যে তৈরী হতে হতেই সমস্ত গ্রীষ্মকালটা কেটে গেল। সেপ্টেম্বরের আগে ইস্টিমারে চড়ে ভল্গায় পৌঁছুতে তিনি পারলেন না।
মোটা চোঙাওলা ইস্টিমারটা ঝকঝক করছে, তার গোল গোল জানালাগুলোকে পালিশ করে স্ফটিকের মতো করে তোলা হয়েছে। ইঞ্জিন ধক ধক করতে করতে মসৃণ দৃঢ় গতিতে ইস্টিমারটা চললো তার আলোগুলো আর এক ডেক ভৰ্ত্তি সুসজ্জিত যাত্রী নিয়ে। সহরতলীর অরণ্য আর কাঁকরাকাটা পাড়গুলো গেলো পেরিয়ে। তাদের উপর তখন শীতল সূর্যাস্তের আভা মিলিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই অরণ্যের রঙ হয়েছে পিঙ্গল আর সোনালী। শরতের
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সেই শরতে সুরকার এদভার্দ গ্রিগ বের্গেন-এর কাছের অরণ্যময় অঞ্চলে ছিলেন।
পাতার মর্মর আর ব্যাঙের ছাতার তীব্র গন্ধময় সমস্ত অরণ্যগুলি ভারি চমৎকার; কিন্তু যে অরণ্যগুলি সমুদ্রের পাশের পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছে সেগুলির সৌন্দর্য এক বিশেষ ধরনের। ঢেউয়ের মর্মর ধ্বনি সেখানে হয় প্রতিধ্বনিত, সমুদ্র-কুয়াশা জড়িয়ে থাকে তাদের গাছগুলিকে আর ভিজে বাতাসে বেঁচে থাকা সবুজ শ্যাওলা গাছের ডাল থেকে মাটি পর্যন্ত দাড়ির মতো থাকে ঝুলে।
এই সব অরণ্যে আছে এক ধরনের আনন্দিত প্ৰতিধ্বনি, শব্দানুকারী গায়ক পাখীর মত, যে কোনো শব্দকে ধরতে আর সেগুলোকে পাহাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পাঠাতে সর্বদাই উৎসুক।
এই ধরনের এক অরণ্যে গ্রিগ-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ছোট্ট
-
খান জানিবেকের একটা ঘোড়া ছিল, খুব ভাল জাতের আর তেজী। ঘোড়া তো নয় যেন ঝড়। এই ঘোড়াটা ছিল খানের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও গর্বের বস্তু। হঠাৎ ঘোড়াটা অসুখে পড়ল। খান মনোকষ্টে অধীর হয়ে পড়ল। প্রতিদিনের কাজকর্ম, আমোদ-আহলাদ, এমন কি খাওয়াদাওয়া, ঘুম সব ছাড়ল। লোকদের কানে গেল তার হুমকি: ‘যদি কারুর এমন সাহস হয় যে বলে আমার ঘোড়া মারা গেছে তো আমি তার গলায় শলা ঢুকিয়ে দেব!’
প্রাসাদের লোকেরা ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। খানের দাসদাসীরা নিঃশ্বাস বন্ধ করে চলাফেরা করতে লাগল। সহিসরা এক মুহূর্তেও ঘোড়ার পাশ ছেড়ে নড়ে না। ঘোড়া এদিকে মাটিতে পড়ে মরে গেল। করার কিছুই নেই। সবাই জানত যে
-
লেখক: মাৎভেই তেভেলেভ
অনুবাদ: শুভময় ঘোষ ও সুপ্রিয়া ঘোষ
ভোরবেলার একটি ক্ষণস্থায়ী, অপরূপ মুহূর্ত আছে, আমি তার নাম দিয়েছি পূর্বাভাসের সময়। তা বেশিক্ষণ থাকে না, সংসারের তাড়াহুড়োয় আর সাধারণ পরিবেশে প্রায়ই আমাদের অলক্ষ্যে মিলিয়ে যায়।
স্নেগোভেৎসের কাঠের কলের বাঁশির আওয়াজটা বাচ্চা মোরগের তীক্ষ ডাকের মতো সারা উপত্যকায় ছড়িয়ে পড়ার পরই আসে এই মুহূর্তটি।
বাঁশির আওয়াজ মিলিয়ে গেলে পর নেমে আসে পাতলা সুতোর মতো পলকা নিস্তব্ধতা।
যেদিন ভাল থাকে সেদিন ভোরবেলা বিছানা ছেড়ে আমি চলে আসি সারা দোতলা জোড়া ঝুল বারান্দাটায়। ঘুম ক্লান্তি আলস্য কিছুই আমায় ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। বারান্দা থেকে দেখতে পাই পাহাড়ের পাড় ঘেরা স্নেগোভেৎসের সমস্তটা।
সূর্য ওঠেনি।
-
লেখক: ইগর স্তকমান
মানুষের জীবন... তার সঙ্গেই পরিচয় করিয়ে দেয় আজেরবাইজানের সমসাময়িক ছোট গল্পের এই সংকলনটি। সংকলনটি থেকে আমরা জানতে পারি মানুষের জীবন আসলে কি, কেমন করে তা অতিবাহিত হয়, কেমন করে গড়ে ওঠে, আর যেন হঠাৎ তার বহুদিনের পথ পরিবর্তন করে নতুন পথে চলতে থাকে।
কিন্তু প্রকৃত পক্ষে এমন ঘটনা ঘটে মোটেই ‘হঠাৎ’ নয়... মানুষের ভাগ্য যেন নদীরই মতন। প্রায়ই সে আঁকাবাঁকা খামখেয়ালী, কিন্তু তার গতি আর নদীগর্ভ নির্দ্ধারিত হয় প্রধান এক নিয়ম অনুসারে যা আমাদের সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
দয়া, ভালবাসা যে মানুষে মানুষে এক অদৃশ্য কিন্তু দৃঢ়, অবিচ্ছেদ্য ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করে; মানুষের বিবেক যে তাকে হারিয়ে যেতে
-
এক ছিল মেয়েমানুষ। অল্পবয়সে বিধবা হল সে ছোট ছোট তিনটি ছেলে নিয়ে। মেয়েমানুষটি অতি কষ্টে বড় করে তুলতে থাকে তাদের, সূতো কাটে, সেলাই করে। ছেলেরা যখন বড় হল তখন তার মাথার শেষ চুলটিও সাদা হয়ে গেছে।
একদিন বুড়ী মা ছেলেদের ডেকে বলল, ‘তোমরা বড় হয়েছ, আমার বয়স হয়েছে, আঙুলগুলো দূর্বল হয়ে পড়েছে আর সূতো কাটতে পারে না মোটে, ছুঁচের গর্তটা আর চোখে দেখতে পাই নে। এবার তোমরা নিজেরাই রোজগারের চেষ্টা কর।
‘মা গো, দেখ আমার কেমন মজবুত চেহারা, হাতে কত বল, খেতিমজুরের কাজ করে যা পাব সব এনে দেব তোমায়,’ বলল বড় ছেলে।
বুড়ী রুটি তৈরী করে রুমালে মুড়ে ছেলের
-
বহুদিন আগে ছিল এক চাষী। খুব ইচ্ছা তার বড়লোক হবার। তাই সৎপরিশ্রমে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খেটে সে জমাল তিনশ’ সোনার মোহর। একটা কৌটোর মধ্যে সে রেখে দিয়েছে সেগুলোকে, প্রতিদিন সেগুলোকে ঢেলে গোনে একবার করে।
একদিন সে এমনি গুনছিল যখন তখন বাড়ীর ফটকের কাছে শুনতে পেল বন্ধুর গলা। ভয় হল তার যে বন্ধু জেনে ফেলবে তার এই সম্পত্তির কথা, তাই তাড়াতাড়ি সেগুলোকে ভয়ে রাখল একটা কলসের মধ্যে, তারপর গেল বন্ধুর ডাকে সাড়া দিতে। বন্ধ বলল: ‘ওই বাড়ীর প্রতিবেশী তোকে আর আমাকে যেতে বলেছে। চল যাই।’
চলল তারা দু’জনে। যাক তারা, আমরা এদিকে দেখি চাষীর বাড়ীতে কি হল। তার বউ কলসটা
-
সমরখন্দ এক বাই থাকত, আর এক বাই থাকত পাহাড় এলাকায়। যে পাহাড়ী এলাকায় থাকত সে ছিল আশ্চর্য কিপ্পণ। তার ছিল কতকগুলো ভেড়ার পাল, কতকগুলো ঘোড়ার পাল, কয়েকজন খেতিমজুর আর তিন বউ। সমরখন্দের বাইও কম যেত না তার কাছে কিপটেমিতে: ধনসম্পত্তি তারও কম ছিল না: টালির তৈরী বাড়ি, ঘোড়ার পাল, ভেড়ার পাল। কিন্তু সে এমনকি গরীব মানুষকে একটুকরো রুটিও দিত না, কখনও ভিক্ষা দিত না, দিনমজুর রাখত না, সব কাজ নিজে করার চেষ্টা করত।
সমরখন্দের বাইয়ের স্ত্রী যুবতী, তার মোটেই ভালো লাগে না বাইয়ের এই কিপটেমি। সে প্রতিজ্ঞা করল যে তার স্বামী মরে গেলে সে আবার বিয়ে করবে এক উড়নচণ্ডিকে।
বাই
-
এক গ্রামে ছিল এক কামার। তার এক ছেলে ছিল—বিশালদেহী বীর, নাম খালিম।
ছোট বয়স থেকে এত বেশি খেত আর এত তাড়াতাড়ি বাড়তে লাগল যে কামার যত ভেড়াই জবাই করুক না কে কিছুতেই ছেলেকে পেটভরে খাওয়াতে পারে না।
শেষে এমন অবস্থা দাঁড়াল যে দিনে তিনটি উটের মাংস খেলেও হয় না তার। তখন খালিম ঠিক করল ঘর ছেড়ে চলে যাবে সে শিকার করে নিজের আহার যোগাবে।
ঘর ছেড়ে চলে যাবার আগে, সেই শেকলটা কাঁধে ঝুলিয়ে চলল যেদিকে দুচোখ যায়।
পথ চলতে থাকে সে, শিকার করে, খায়, ঘুমোয় আবার পথ চলে।
একদিন পথে তার দেখা হল সাদাকান নামে এক পালোয়ানের সঙ্গে পালোয়ানটা পথের
-
এক গরীবলোক ছিল, যার না ছিল বাড়িঘর, না ছিল জমিজমা, ছিল কেবল এক রোগা বুড়ো গাধা। লোকটি একদিন শুনল যে দুনিয়ায় এমন এক দেশ আছে যেখানে কেই কখনও গাধা দেখেনি।
‘সেখানেই নিয়ে যাব আমার গাধাটাকে, হয়ত সেখানে কেউ কিনে নেবে ওটাকে আমার কাছ থেকে।’ ভাবল লোকটি।
গাধার পিঠে বসে সে সেই দেশ খুঁজতে বেরোল। অনেক পাহাড়, উপত্যকা, হ্রদ পেরিয়ে শেষে খুঁজে পেল সেই দেশটা যেখানে কেউ কখনও গাধা দেখে নি।
তারা শহরে ঢোকামাত্রই শহরবাসীরা ছুটে এল চারদিক থেকে সেই অদ্ভুত জীবটাকে দেখতে। হঠাৎ জোরে ডেকে উঠল গাধাটা। গাধার সেই কান ফাটান চিৎকারে ভয় পেয়ে পালাল সবাই। গাধাটা প্রাণভরে চিৎকার করে
-
এক গ্রামে এক কিপ্পন বুড়ো ছিল। নিজে সে ছেঁড়া পোশাক আশাক পরে থাকে, ছেলেমেয়ে, বউকে রাখে আধপেটা খাইয়ে, নিজেও পেটভরে খায় না—এমনি ভাবে অর্থ জমাবার চেষ্টা করে। এক ঘড়া সোনার আর এক ঘড়া রূপোর মোহর জমিয়ে সে নিজের বাড়ির বেড়ার নীচে মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।
কিন্তু সে বছর ফসল মোটে হল না, তাই বুড়োর মনে পড়ল সেই সঞ্চিত ধনের কথা।
একটা কোদাল নিয়ে গিয়ে সে মাটি খুঁড়তে লাগল সে ধন তুলবে বলে। সোনার মোহরভরা ঘড়াটা তুলে যেই খুলতে যাবে অমনি কে যেন বলে উঠল: ‘ছুঁয়ো না—এ হল কুরবানের ধন!’
‘আরে এ আবার কি?’ অবাক হল বুড়ো, তাড়াতাড়ি সে ঘড়ার মুখটা
-
এক-যে বেড়াল আর মোরগছানা। দুজন দুজনকে ভারি ভালোবাসত, সর্বদাই থাকত একসঙ্গে, একটা চাষিবাড়িতে। কাঠ আনবার জন্যে বেড়াল একদিন বনে যাবে, মোরগছানাকে বললে: ‘দেখিস পেতেন্কা, চুল্লির তাকে বসে থাকবি, মিঠে রুটি খাবি, কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দিবি না। নিজেও বেরবি না, যতই কেউ ডাকাডাকি করুক। আমায় বনে যেতে হবে কাঠ আনতে।’
‘বেশ,’ বললে মোরগছানা, বেড়াল বেরিয়ে যেতেই দরজা বন্ধ করে দিল ভালো করে।
ছুটে এল শেয়ালি দিদি, কচি মুরগির মাংস সে সাঙ্ঘাতিক ভালোবাসে।
মোরগছানাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে বার করে আনতে চাইল বাড়ি থেকে: ‘আয় বেরিয়ে মোরগছানা! আমার আছে মিষ্টি দানা, জল আছে বেশ টলটলে, নইলে যাব জানলা গলে।’
মোরগছানা জবাব দেয়: ‘কোঁকর-কোঁ, কোঁকর-কোঁ,
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কথা পাঞ্জাব
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইউক্রেনের লোককথা
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- কাজাখ লোককাহিনী
- তাজিক লোককাহিনী
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- রূপের ডালি খেলা
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- উক্রাইনীয় উপকথা
- পরিচয়
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- তানিয়া
- রাঙা পাল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানুষের জন্ম
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- ভাবনা সমবায়
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭০)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.