সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
স্টেশনের ওয়েটিং রুমের ভেতরে-বাইরে কোথাও অন্য লোক ছিল না, বেহারাটাকেও ডেকে ডেকে পাওয়া গেল না। অগত্যা চায়ের আশায় জলঞ্জলি দিয়ে আমরা কয় বন্ধুতে বেশ করে ‘রাগ’ টেনে নিয়ে ইজিচেয়ারে শুয়ে পড়লাম।
মাঘের শেষ যদিও, শীত কিন্তু বাংলাদেশের পৌষ মাসের চেয়েও বেশি। রমেন বললে— ওহে, তোমরা যা বোঝো করো, আমি কিন্তু চা নইলে রাত কাটাতে পারব না। বসো তোমরা একটা ব্যবস্থা দেখি—
দোর খোলার সঙ্গেসঙ্গে একঝলক তীক্ষ্ন শীতল পশ্চিমে বাতাস তিরের মতো ঘরে ঢুকতেই আমরা হাঁ-হাঁ করে উঠলাম। রমেন ততক্ষণে চলে গিয়েছে। খোলা দরজাটা বন্ধ করে দিতে গিয়ে চেয়ে দেখি বাইরে বেজায় কুয়াশা। পৃথ্বীশ আমাদের দলের দার্শনিক। এতক্ষণ সে ‘রাগ’ দিয়ে
-
'সাম্প্রদায়িক' শব্দটি যে সর্বদা খারাপ বা নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়, তা অবশ্যই নয়। শব্দটির গঠনের দিকে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় যে, যা কিছু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা সম্প্রদায় সম্পর্কীয়, তা সবই সাম্প্রদায়িক (সম্প্রদায়+ঞিক)। কাজেই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে শব্দটি মোটেই নিন্দাৰ্থক নয়। যদি বলি: দুর্গা পূজা, ঈদ, বড়দিন, বুদ্ধপূর্ণিমা—এগুলো সবই সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান, তাহলে কি ওগুলোকে নিন্দা করা হলো? হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—এইসব ধর্মীয় সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা এই অনুষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের ধর্মের অনুশাসন রূপেই পালন করে থাকে। তাই এগুলো সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান। এতে নিন্দার কিছু নেই। কিন্তু অনুষ্ঠানগুলো যদি এ রকম হয়ে দাঁড়ায় যে হিন্দুরা দুর্গা পূজার পর বিসর্জন দেয়ার জন্য দুর্গা মূর্তি নিয়ে যাবে
-
‘কারণাভাবাৎ কার্যাভাবঃ’— কারণ ছাড়া কোনো কার্য হয় না, অর্থাৎ বিশ্বে যা কিছু ঘটে তার সব কিছুর মূলেই কোনো-না-কোনো কারণ বিদ্যমান থাকে, বিনা কারণে কিছুই ঘটতে পারে না—দর্শন-বিজ্ঞানের এটিই হচ্ছে মূলকথা। বলা যেতে পারে, এটিই হচ্ছে স্বতঃসিদ্ধ সত্য। এই সত্যকে বিনা প্রতিবাদে মেনে নিয়েই আবহমান কাল ধরে মানুষ সত্যের সন্ধানে তথা সমস্ত ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নিরত হয়েছে।
কিন্তু কোনো বিষয়েরই সঠিক কারণটি খুঁজে বের করা মোটেই সহজ কাজ নয়। অনেক কষ্টে যদি-বা একটা কারণ খুঁজে পাওয়া গেল তো, সেই কারণটিরও কারণ খোঁজার তাগিদ এসে দেখা দেয়। দেখা যায় যে, একটা কারণ থেকেই কোনো কাৰ্য সম্পন্ন হয় না বা কোনো ঘটনা ঘটে
-
পাকিস্তান নামক একটি অদ্ভুত রাষ্ট্রের অধীনে যখন আমরা বাস করতাম তখন, শুরু থেকেই, কতকগুলো ‘পাকিস্তানী দিবস’ পালন করতে হতো আমাদের। যেমন—তেইশে মার্চ ‘পাকিস্তান দিবস’, চৌদ্দই আগস্ট ‘আজাদী দিবস’, পঁচিশে ডিসেম্বর ও এগারোই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ‘জাতির পিতা'র জন্ম ও মৃত্যুদিবস।
উনিশ শো পঁয়ষট্টি সনের পর থেকে আরও একটি পাকিস্তানী দিবস আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছিল। সেটি ছয়ই সেপ্টেম্বর—‘প্রতিরক্ষা দিবস’। সে-সময়ে পাকিস্তানে চলছিল আইয়ুবি স্বৈরশাসন। সে-শাসনের বিরুদ্ধে গণ-অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিল। আইয়ুব ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নাম দিয়ে একটি শয়তানি ব্যবস্থা চালু করে একটি পেটোয়া গোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিল। তার আশা ছিল যে আশি হাজার অনুগত মৌলিক গণতন্ত্রীদের দিয়েই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারকে জোর করে
-
আমি নিজে একজন মাস্টার। ‘শিক্ষক' শব্দটা অনেক ভারী, লোকে মাস্টারই বলে। জীবিকার জন্য আমি মাস্টারি করেছি। জীবিকাই হচ্ছে মানুষের জীবনের আশ্রয়। মাস্টারি করেই আমি জীবিকা নির্বাহ করেছি। তবে অন্য মাস্টারি না-করে অন্যকিছুও তো করতে পারতাম। কিন্তু আমি অন্য কিছু করতে চাইনি। মাস্টারি করতে চেয়েছি, এবং মাস্টারিটাকেই আমার জীবন ও জীবিকার অবলম্বন করে নিয়েছি। মাস্টারি করেই আমি পরিপূর্ণ সুখী। হ্যাঁ, ‘সুখী’ শব্দটাই ব্যবহার করতে চাই আমি।
মাস্টারি ছাড়া যদি অন্য কিছু করতাম, তাহলে আমার জীবিকার মধ্য দিয়ে জীবনের স্বস্তি ও তৃপ্তি আমি পেতে পারতাম বলে মনে করি না। আমার সৌভাগ্য যে আমি মাস্টার হতে চেয়েছিলাম, মাস্টারই হতে পেরেছি। ছেলেবেলাতেই কী করে
-
বাংলা কবিতা তথা বাংলা সাহিত্যের কোনো ইতিহাস গ্রন্থেই কবি জালাল উদ্দীন খাঁর নাম খুঁজে পাওয়া যাবে না। আধুনিক বাংলার বিদগ্ধ কবি বা কবিতা- অনুরাগীদের মধ্যে যাঁরা জালাল উদ্দীন খাঁর সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত তেমন মানুষের সংখ্যাও নিশ্চয়ই বেশি নয়। সেই বিরলসংখ্যক মানুষের মধ্যেও কি এমন কাউকে পাওয়া যাবে যিনি অকুণ্ঠচিত্তে জালাল খাঁর রচনাকে বাংলা কবিতার মূলধারার অন্তর্গত বলে বিবেচনা করতে পারবেন? মনে তো হয় না।
আমরা, ‘শিক্ষিত’ মানুষজন, আসলে কতকগুলো দুর্মর কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এগুলো ‘আধুনিকতা’র কুসংস্কার। তথাকথিত আধুনিক শিক্ষাই আমাদের মস্তিষ্ককোষে সেইসব কুসংস্কার ঢুকিয়ে দিয়ে নিদারুণ মানস-প্রতিবন্ধের সৃষ্টি করেছে। সে রকম মানস-প্রতিবন্ধের দরুনই আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসকেও আমরা খণ্ডিত করে ফেলেছি, একটা
-
এ বছরের প্রথম দিনে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভিয়েতনামে বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছাত্র সমাজ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সংগঠিত করে। বিক্ষোভকারী ছাত্র সমাজের শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর পুলিশ অন্যায়ভাবে গুলিবর্ষণ করে। ফলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে দ'জন বীর সৈনিক শহীদ মতিউল ও কাদের। আহত হয় আরো অনেকে। স্বাধীন স্বদেশের মাটি আবার নতুন করে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের বুকের রক্ত পান করে। সেই ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অবধি যে লাখো লাখো বীর মানুষের বুকের রক্তধারা সাম্রাজ্যবাদ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে উঠেছিল তার সাথে নতুন করে ১লা জানুয়ারীর রক্তস্রোত মিশে গেল ৷ বায়ান্ন সালে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ
-
বছর পঁচিশেক আগেকার কথা। তখন পাকিস্তানী আমল। “জাতীয় সংহতি, কৃষ্টি” সংক্রান্ত এক প্রোগ্রামে সাংবাদিক হিসাবে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলাম। সর্বত্রই চোখ-ধাঁধানো সম্বর্ধনা। কিন্তু লাহোরের শালিমার উদ্যানের সম্বর্ধনার তুলনা হয়না। একদিকে গোধূলির রক্তিম আকাশ, আর অন্যদিকে আলো-ঝলমল শালিমার উদ্যান। রংগিন আলোর মাঝে পানির ফোয়ারাগুলো এক অপূর্ব মাদকতার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। জাকজমকপূর্ণ আর অপরূপ পোশাক পরিচ্ছদে সজ্জিত...দম্পতিরা যখন এসে হাজির হচ্ছিলেন, তখন মনে হচ্ছিলো আমরা বোধ হয় মোগলযুগে ফিরে গেছি। “বাংগালী ভাইদের” সম্মানে ছোট্ট একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল। বক্তৃতার পর সংগীত পরিবেশন করলেন, কোকিলকণ্ঠী নূরজাহান। তাঁর মধুর কণ্ঠে “আনমল ঘড়ীর গান, 'মেরা বচপন্ কা সাথী মুঝে ভুল না জানা”
-
যখন তুমি আমার কাছে থাক, তুমি আমাকে প্রায়ই নানা রকমের প্রশ্ন কর, আমিও তার উত্তর দিতে চেষ্টা করি। এখন তুমি রয়েছ মুসৌরী, আর আমি আছি এলাহাবাদ, আমাদের দু'জনের মধ্যে কথাবার্তা কিন্তু এখন আর তেমনটি হবার যো নেই। তাই আনি ভাবছি, আমাদের এই পৃথিবী আর তার যে-সব ছোট বড় নানা দেশ আছে, তারই গল্প তোমাকে মাঝে মাঝে চিঠিতে লিখব। তুমিতো ইংলণ্ড আর ভারতবর্ষের ইতিহাস কিছু কিছু পড়েছ। ইংলণ্ড কিন্তু একটি অতি ছোট্ট দ্বীপ, আর ভারতবর্ষ একটা মস্ত দেশ হলেও পৃথিবীর একটি অতি ছোট অংশ; কাজেই পৃথিবীর কথা কিছু জানতে হলে, কেবল আমাদের নিজেদের জন্মভূমির কথা জানলেই হবে না, আরও যে সব
-
গীতিকার ও সুরকার: আব্দুল লতিফ
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার হাতে-পায়ে
ওরা কথায় কথায়
ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমাদেরই হাতে-পায়ে
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
কইতো যাহা আমার দাদায়, কইছে তাহা আমার বাবায়
কইতো যাহা আমার দাদায়, কইছে তাহা আমার বাবায়
এখন কও দেহি ভাই মোর মুখে কি অন্য কথা শোভা পায়
কও দেহি ভাই
এখন কও দেহি ভাই মোর মুখে কি অন্য কথা শোভা পায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
ওরা আমার
-
শুরু
এ পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার পরই কেবল জাসদের মধ্যে আত্মসমীক্ষার একটা প্রক্রিয়ার সূচনা ঘটে। তবে ’৭৪-এর ১৭ই মার্চ থেকে ’৭৫-এর ৭ই নভেম্বর সময়টাতে সম্ভবত এই সমীক্ষার একটা পূর্বারম্ভও ছিল। কারণ,
ক) “১৭ই মার্চের পূর্বে বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো সম্পর্কে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ, বিপ্লবের স্তর সম্পর্কে আমাদের কোন সুস্পষ্ট বক্তব্য ছিল না। স্বভাবতই শত্রু-মিত্র নির্ধারণ ও আন্দোলনের রূপরেখা সম্পর্কে আমাদের বিজ্ঞানভিত্তিক ধারণা ছিল অনুপস্থিত।”
[জাসদের দ্বিতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ কর্তৃক উত্থাপিত ‘রাজনৈতিক রিপোর্ট’, পৃষ্ঠা ১৪: 29/3/80]
অথবা, খ) “বস্তুত ১৭ই মার্চ ১৯৭৪-এ আমরা কি করতে চেয়েছিলাম? তখনকার সাহিত্যগুলো খুঁজে দেখলে মূলত একটি জবাব বেরিয়ে আসবে! গণআন্দোলনের ছেদ ঘটিয়ে তাকে
-
বেলাল! বেলাল! হেলাল উঠেছে পশ্চিম আসমানে,
লুকাইয়া আছ লজ্জায় কোন মরুর গরস্থানে।
হের ঈদগাহে চলিছে কৃষক যেন প্রেত-কংকাল
কশাইখানায় যাইতে দেখেছ শীর্ণ গরুর পাল?
রোজা এফতার করেছে কৃষক অশ্রু-সলিলে হায়,
বেলাল! তোমার কন্ঠে বুঝি গো আজান থামিয়া যায়।
থালা, ঘটি, বাটি বাঁধা দিয়ে হের চলিয়াছে ঈদগাহে,
তীর খাওয়া বুক, ঋণে-বাঁধা-শির, লুটাতে খোদার রাহে।
জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমুর্ষ সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?
একটি বিন্দু দুধ নাহি পেয়ে যে খোকা মরিল তার
উঠেছে ঈদের চাঁদ হয়ে কি সে শিশু-পাঁজরের হাড়?
আসমান-জোড়া কাল কাফনের আবরণ যেন টুটে।
এক ফালি চাঁদ ফুটে আছে, মৃত শিশুর অধর
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বইমেলা
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- জীবনী
- বই
- শিশুতোষ
- মুক্তিযুদ্ধ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গদ্য
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- সাম্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- লালন
- বিজ্ঞান
- অনুবাদ
- ঢাকা
- বাংলা
- ভাষণ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভাষা
- সমালোচনা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- কিশোর
- সঙ্গীত
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- রূপকথা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- সমাজ
- ইংরেজি
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- খুলনা
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- ছাত্র আন্দোলন
- চিঠি
- গান
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- চিরায়ত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- নারী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.