সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
১৯৪২ সালের লাহোরের “আদবে-লতিফ” উর্দু মাসিকের বার্ষিক সংখ্যায় আমার “কালো সেলোয়ার” নামক একটি গল্প প্রকাশিত হয়, অনেকে একে অশ্লীল বলে মনে করে থাকে। আমি তাদের ভ্রান্তধারণা দূরীভূত করার উদ্দেশ্যে এই প্রবন্ধ লিখছি।
গল্প লেখা আমার পেশা। গল্প লেখার স্টাইল আমি সম্যক অবগত আছি এবং ইতিপূর্বে এই বিষয়বস্তু নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছি। এদের একটি গল্পও অশ্লীল নয়। আগামীতেও গল্প লিখব, তা অশ্লীল হতে পারে না।
গল্প বলার প্রথা বাবা আদমের আমল থেকে প্রচলিত। আমার মতে, এই গল্প বলা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর পট পরিবর্তন হতে থাকবে। মানুষের নিজের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রকাশ করার ও অন্যকে জানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত
-
কোনও রাজশক্তির যখন পতন আসন্ন হয়ে ওঠে তখন তার চারিদিকে কতকগুলি লক্ষণ দেখা দেয়। তার মধ্যে বুদ্ধিনাশটাই বড়।
ভারতেও কয়েকশো বছর ধরে যে তুর্ক-আফগান রাজশক্তি শাসন করছিলেন, যেটাকে সাধারণত ঐতিহাসিকরা পাঠান আমল ব’লে আখ্যা দেন—তাদের পতন ঘনিয়ে এল ঐ যুগের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর আমলে। ইব্রাহিম লোদী যখন সিংহাসনে বসলেন তখন দিল্লীর সাম্রাজ্য বলতে দিল্লীর চারপাশে কয়েকটি মাত্র জেলা বোঝায়, তার বাইরে চারিদিকেই আফগান শাসক ও জমিদাররা প্রবল হয়ে উঠেছেন, হিন্দু জমিদাররাও সুযোগ বুঝে স্বাধীনভাবে মাথা তুলেছেন।
এই সঙ্কটকালে যে স্থিরবুদ্ধি ও কৌশলের প্রয়োজন তা ইব্রাহিমের ছিল না, তিনি কঠোর হস্তে এই সব জমিদারদের শাসন করতে প্রবৃত্ত হলেন। অথচ সে
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
-
ভারতবর্ষের সকল প্রদেশের সকল সমাজের ঐক্যে প্রতিষ্ঠিত এক মহাজাতিকে জাগিয়ে তুলে তার একচ্ছত্র আসন রচনা করব বলে দেশনেতারা পণ করেছেন।
ওই আসন জিনিসটা, অর্থাৎ যাকে বলে কস্টিট্যুশ্যন, ওটা বাইরের, রাষ্ট্রশাসনব্যবস্থায় আমাদের পরস্পরের অধিকার-নির্ণয় দিয়ে সেটা গড়েপিটে তুলতে হবে। তার নানা রকমের নমুনা নানা দেশের ইতিহাসে দেখেছি, তারই থেকে যাচাই বাছাই করে প্ল্যান ঠিক করা চলছে। এই ধারণা ছিল, ওটাকে পাকা করে খাড়া করবার বাধা বাইরে, অর্থাৎ বর্তমান কর্তৃপক্ষদের ইচ্ছার মধ্যে। তারই সঙ্গে রফা করবার, তক্রার করবার কাজে কিছুকাল থেকে আমরা উঠে পড়ে লেগেছি।
যখন মনে হল কাজ এগিয়েছে, হঠাৎ ধাক্কা খেয়ে দেখি, মস্ত বাধা নিজেদের মধ্যেই। গাড়িটাকে তীর্থে পৌঁছে দেবার
-
মনে হয় মানুষ স্বভাবত পৌত্তলিক: কোনো বিশেষ প্রতিমা বিশেষ তত্ত্ব বিশেষ আচার বা বিশেষ ধরন-ধারণ—এ না হলে যেন তার চলতে চায় না। আর এরই সঙ্গে সঙ্গে সে পরিবর্তনপ্রিয়—তার প্রতিমাতত্ত্ব আচার বা ধরন-ধারণ ক্রমাগত বদলায়।
সংস্কৃতির কথাটা ইউরোপে প্রবল হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে নানা ধরনের বিপ্লব দেখা দেয়—ভাব-বিপ্লব, অর্থনৈতিক বিপ্লব, রাষ্ট্রিক বিপ্লব, সবই। সেই বিপ্লবের পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে আসে নতুন সংগঠনের কাল। সেই দিনে অতীতের ধর্মের স্থান দখল করে সংস্কৃতি।
সংস্কৃতি বলতে বোঝা হয় এক বিশেষ সমন্বয়—খ্রিস্টান অখ্রিস্টান সমস্ত রকমের জ্ঞান ও উৎকর্ষ এর অন্তর্ভুক্ত হয়। এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়—অতীতের শ্রেষ্ঠ ভাব-সম্পদের সমাহার। প্রথমে এর প্রবণতা হয় ব্যক্তিতান্ত্রিকতার দিকে—ব্যক্তিত্বের
-
পলাশীর যুদ্ধের পর মীরজাফর নামে স্বাধীন নবাব হলেন বটে কিন্তু স্বাধীনভাবে কিছুই করবার উপায় রইল না তাঁর। ক্লাইভ ইংরেজ কোম্পানীর সামান্য একজন কর্মচারী ছিলেন, হলেন কলিকাতার কুঠীর গভর্ণর কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি নবাবের নবাব হয়ে বসে রইলেন। মীরজাফরের এ অবস্থাটা ভাল লাগল না। তিনি প্রতিবাদ করতে লাগলেন, অবশ্য মৃদুভাবে। তবে তাতে কোনও ফল হ’ল না। বিহারের সহকারী শাসনকর্তা রামনারায়ণ এবং দেওয়ান রায়দুর্লভের ধৃষ্টতা অসহ্য হওয়াতে তাদের সে পদ থেকে সরাতে যাবেন—তাতেও ক্লাইভ বাধা দিলেন। অথচ ক্লাইভকে উড়িয়ে দিতেও পারেন না। বিশেষ ক’রে সিংহাসনে বসবার বৎসর দেড়েকের মধ্যেই যখন দ্বিতীয় শাহ আলম বিহার আক্রমণ করলেন তখন ইংরেজের সাহায্য নিয়েই তাঁকে তাড়াতে হ'ল।
-
“সেদিন এ বঙ্গপ্রান্তে পণ্য বিপণীর এক ধারে
নিঃশব্দচরণ।
আনিল বণিকলক্ষ্মী সুরঙ্গ পথের অন্ধকারে
রাজসিংহাসন ॥
বঙ্গ তারে আপনার গঙ্গোদকে অভিষিক্ত করি নিল চুপে চুপে।
বণিকের মানদণ্ড দেখা দিল পোহালে শর্বরী
রাজদণ্ডরূপে।।”
—রবীন্দ্রনাথ
ইংরেজরা এসেছিল এদেশে বাণিজ্য করতে, ফরাসীরাও তাই। কিন্তু দৈবাৎ ফরাসী অধিনায়ক ডুপ্লের মাথায় গেল যে এই ষড়যন্ত্রপ্রিয়, অকর্মণ্য, কলহপরায়ণ অসংখ্য রাজা ও নবাবের দেশে একটু শক্তির খেলা দেখালে লাভ বই লোকসান নেই। ইউরোপীয় সৈন্যের যে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা, তা সেদিন ভারতীয় সৈন্যের ছিল না, অস্ত্রশস্ত্রও খুব আধুনিক ছিল বলে মনে হয় না। সুতরাং শীঘ্রই এই দুটি দেশের বণিকরা ভারতের ইতিহাসে ভাগ্যনিয়ন্ত্রা সেজে বসলেন। কর্ণাটকের যুদ্ধে প্রথমে ফরাসী ও পরে
-
ইভান্ পেত্রোভিচ, পাভলভ, (১৮৪৯-১৯৩৬) আমাদের দেশে এখনও অপরিচিত বললেই চলে। তাঁর ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ কথাটি অল্পাধিক জানা আছে অনেকের কিন্তু এর সঠিক তাৎপর্য এবং চিকিৎসা-বিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, ভাষাবিজ্ঞান ও প্রধানত মনোবিজ্ঞানের উপর পাভলভের এই ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ আবিষ্কারের প্রভাব সম্বন্ধে আমাদের দেশের পণ্ডিত ব্যক্তিরাও সম্পূর্ণ সজাগ নন।
মনোবিজ্ঞান এই সেদিনও দর্শনশাস্ত্রের আওতার মধ্যে আটকা ছিলো। সত্যিকারের বিজ্ঞানের পর্যায়ে আসবার ও স্বাতন্ত্র্য লাভের চেষ্টা দেখতে পাই ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে। এই সময় জার্মানীতে ওয়েবার, মুলার, হেল্মহোজ প্রভৃতি ফিজিওলজিষ্টরা দর্শন ও শ্রবণইন্দ্রিয় বিষয়ক বহু নতুন তথ্য আবিষ্কার করেন, ইংলণ্ডে “Expression Of The Emotions In Men And Animals” বইখানি এই সময় প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে জার্মানীতেই ভোকনার
-
রেবতীমোহন বর্মণআর আমাদের ভিতরে নেই। ৬ মে (১৯৫২) তারিখে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন। সুদীর্ঘ বারো বৎসর কাল দুরারোগ্য কুষ্ঠ-ব্যাধির সহিত সংগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত এই ব্যাধির হাতেই তিনি নিজের জীবনকে সঁপে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে আমরা যে শুধু একজন বিশিষ্ট বিপ্লবীকে হারালাম তা নয়, মার্কসবাদের একজন একনিষ্ঠ ছাত্রও আজ চিরদিনের মতো আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনকে তাঁর আরো অনেক অবদান দেওয়ার ছিল, কিন্তু দুষ্ট ব্যাধি তা থেকে আমাদের বঞ্চিত করে দিল।
তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কৃতী ছাত্র ছিলেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একজন সুলেখকও ছিলেন তিনি। কিন্তু এই পরিচয় তাঁর একমাত্র পরিচয়
-
লেখক: নারায়ণ চৌধুরী
লেখাপড়ার যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের দুটি স্পষ্ট-চিহ্নিত ভাগে ভাগ করা যায়: লিখিয়ে এবং পড়িয়ে। শব্দান্ত্যমিলের খাতিরে ‘পড়িয়ে’ কথাটি ব্যবহার করলুম, কিন্তু বাংলা ভাষায় ‘পড়ুয়া’ কথাটারই সমধিক চল। তবে ‘পড়িয়ে’ বা ‘পড়ুয়া’ যে শব্দেরই ব্যবহার হোক-না কেন, প্রশংসাসূচক হয়েও ওই দুটি শব্দের ধ্বনির মধ্যে কোথায় যেন একটা প্রচ্ছন্ন ব্যঙ্গ রয়েছে।
অপরপক্ষে ‘লিখিয়ে’ কথাটার মধ্যেও একটা সূক্ষ্ম তাচ্ছিল্যার্থ নিহিত রয়েছে বলে মনে হয়। ‘লিখিয়ে’ কথাটার ঠিক ঠিক ইংরেজী প্রতিশব্দ যদি প্রয়োগ করতে হয় তো ‘স্ক্রাইব’ বা ‘কুইল-ড্রাইভার’ কথা দুটির শরণাপন্ন হতে হয়। বলা বাহুল্য, ও দুটির কোনটিই যথেষ্ট সম্ভ্রমার্থে ব্যবহৃত শব্দ নয়। ‘লেখক’ বলতে মনে যে ভাব জেগে ওঠে,
-
বহুদিন পর কবিতার কোলে ঘুমিয়েছি।
ছোট্ট অবোধ শিশুটির মতো
আধশোয়া হয়ে স্বপ্নঘুমে কাটিয়েছি রাত্র।
রাত যখন জেগে রয় সারারাত ধরে
আমি তখন স্বপ্নঘুমে কবিতার কোলে।
তুমি যখন ছিলে বেদনার মতো আষ্টেপৃষ্টে
তখন সুখের অসুখে নির্ঘুম রাত্রির সাথে
কথায় কথায় ভোর হতো পুবের অদেখা স্নিগ্ধ আলোয়।
ক্লান্ত রাত ফুরুতো আঁধারের রঙে আলোর মিশেলে
তবুও অক্লান্ত প্রেম তোমার চোখজুড়ে
নতুন আলোয় নিষ্পলক চেয়ে রয় সদাই।
আমি সারাটিদিন ধরে আবার ফিরে যাই জীবনের কোলাহলে
এভাবে কত কত নির্ঘুম রাতের পর আজ স্বপ্নঘুমে
কবিতার মতো তোমার কোলে অবোধ শিশুটির মতো
জড়োসড়ো হয়ে আশ্রয় নিয়েছি নিয়তির নিরুদ্দেশে।
-
সত্যিকার বাস্তব খবরের চাইতে অমূলক বাজার-গুজবের প্রতিপত্তি যেমন প্রবল, স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষের তুলনায় অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্টের মোহপ্রভাব তেমনি অনেক বেশি। স্পষ্টভাবে যাহাকে দেখি শুনি ও জানি, তাহাকে নাড়িয়া-চাড়িয়া দু'কথায় তাহার নাড়ীনক্ষত্রের হিসাব ফুরাইয়া যায়, কিন্তু যাহাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, সম্ভব-অসম্ভব নানা ডাল-পালায় পল্লবিত হইয়া সে মনের কল্পনাকে ভরাট করিয়া রাখে। তাই প্রত্যক্ষ আলোকের চাইতে অস্পষ্টতার আবছায়াই মনের মধ্যে অধিক সম্ভ্রমের সঞ্চার করে। স্পষ্ট শাসনের ভয়ে যে শিশু বিব্রত হয় না, সেও দেখি “জুজু” নামক অনির্দেশ্য পদার্থটিকে যথেষ্ট খাতির করিতে জানে।
এই অস্পষ্টতার আবরণ দিয়া মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নানারকম জুজু গুষিয়া থাকে। কতকগুলি পরিচিত নাম বা দু-দশটা
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বইমেলা
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- জীবনী
- বই
- শিশুতোষ
- মুক্তিযুদ্ধ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গদ্য
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- সাম্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- লালন
- বিজ্ঞান
- অনুবাদ
- ঢাকা
- বাংলা
- ভাষণ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভাষা
- সমালোচনা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- কিশোর
- সঙ্গীত
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- রূপকথা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- সমাজ
- ইংরেজি
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- খুলনা
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- ছাত্র আন্দোলন
- চিঠি
- গান
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- চিরায়ত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- নারী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.