সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
অবশ্য ইতিমধ্যেই আমরা ইসলামী দুনিয়ার কথ। শুনতে পাচ্ছি। বাংলাদেশও সেই ইসলামী দুনিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ইসলামী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলন সেই ঘনিষ্ঠতাকে আরো ব্যাপক করে তুলছে। কিন্তু কোন্ ভিত্তির উপর এই ঘনিষ্ঠতা? কোন্ সূত্র ধরে এই ইসলামী মৈত্রী বন্ধন গড়ে উঠেছে? এ কি শুধু ইসলামী ঐতিহ্যের সোনালী স্বপ্ন? বাস্তব জীবনের সমস্যার সাথে এর কি কোনো যোগ নেই? যদি তাই হয়, তা হলে তো ইসলাম এখানে পরিপূর্ণ জীবন বিধান হিসাবে গৃহীত হয়নি। আর যদি হয়েই থাকে, তা হলে তার স্বরূপ কী? সে কি শোষণ অনাচার অবিচারের বিরুদ্ধে, না পক্ষে? শুধু ইসলামী সংস্থা, ইসলামী ব্যাংক আর ইসলামী সম্মেলন তো এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনা।
-
ছায়া কালোই হয়। কাজেই ঈগলের ছায়া কালো হবে এ আর বিচিত্র কী! কিন্তু আমাদের ভাষায় এই কালো ছায়ার একটি ভিন্নতর ব্যঞ্জনা রয়েছে। এর সাথে মিশে থাকে আতঙ্ক আর সর্বনাশ। ঈগল যখন তার প্রসারিত পাখার ছায়া ফেলে ঘুরে বেড়ায় তখন অনেক জীব-জন্তই আতঙ্কে শিউরে উঠে। কারণ ঈগলের ঘুরে বেড়ানো সখের পাড়া বেড়ানো নয়। সে ঘুরে শিকারের খোঁজে। কখন কার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, তার কোনো স্থিরতা নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক এই ঈগল, যার থাবায় ধরা আছে মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র। সাধারণ ঈগল হয়তো তার তীক্ষ্ণ চক্ষু আর ধারাল নখর নিয়ে সন্তুষ্ট; কিন্তু মার্কিন ঈগল এ নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। সে অস্ত্রশস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার বীভৎস
-
অবশ্যম্ভাবী বিপন্নতায় থমকে দাঁড়িয়ে
আবার এগোয় উদ্বায়ী স্বপ্নবৎ মন।
দু’পাতা মুখস্থ বিদ্যের বিপ্লবের ঘোর কাটে
অনাহূত আকস্মিকতায়।
রৌদ্রজ্জ্বল দিন শেষে
বিকেলের শেষ আলোটুকুর সাথে
চুইয়ে পড়ে বিবর্ণ জীবনের সমস্ত রঙ।
এরপর আলোহীন অন্ধকারে
রঙিন জীবনের বৈভবে মুখ লুকিয়ে
হাঁতড়ে ফিরি
ফেলে আসা অনাগত
অতীত বিপ্লবের হাড্ডিসার ফসিল।
-
লেখক: গৌরী আইয়ুব দত্ত
বাংলা দেশ নিয়ে এই যাতামাতি, মুজিবর রহমানকে নিয়ে এই উচ্ছ্বাস পশ্চিম বাংলার অনেক মুসলমান পছন্দ করছেন না। এই নিয়ে বহু প্রশ্ন, কিছু বিদ্রুপ কিছু বা হতাশা মিশ্রিত মন্তব্য শুনতে পাই। কিন্তু হিন্দু সমাজের পক্ষে এটা বোঝা কি খুব কঠিন যে পাকিস্তান ধসে পড়ার অর্থ ভারতীয় হিন্দু-মুসলমান উভয়ের কাছে এক হতে পারে না? এই উপমহাদেশে রাজাগোপালাচারী কিংবা জয়প্রকাশ নারায়ণের মতো গুটি দুই চার মানুষ ছাড়া আর প্রায় কোনো হিন্দুই পাকিস্তানকে মনে মনে মেনে নেননি। ফলে আজ যথন পাকিস্তানের বুনিয়াদ উলে উঠেছে তখন মুখ্যত সেই কারণেই হিন্দুরা খুশি এ কথা গোপন করে লাভ নেই। তবু বাঙলা দেশের একটা
-
তর্জমা: সিদ্ধেশ্বর সেন
আমি একটা দেশ নই
যে তুমি আমাকে জ্বালিয়ে তছনছ করে দেবে
আমি একটা দেওয়াল নই
যে আমাকে ভেঙে গুঁড়োগুঁড়ো করবে
একটা সীমান্তরেখা,—আমি তা'ও নই
যে তুমি আমাকে মুছে ফেলে দেবে
দুনিয়ার পুরোনো একটা নক্সা
তুমি টেবিলে পেতে রেখেছ
এর মধ্যে কিছুই নেই
জটপাকানো কয়েকটা আঁকিবুঁকি ছাড়া
বৃথাই তুমি আমাকে সেখানে খুঁজে মরছো
আমি উদ্বুদ্ধ মানুষের আকাঙ্ক্ষা
নিপীড়িতদের মরণজয়ী স্বপ্ন
মানুষ যখন মানুষকে শুষে রক্তপান শুরু করে
লুঠতরাজ যখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে যায়
দমন-নির্যাতন যখন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গড়ায়
অদৃশ্য থেকে তখন যেন হঠাৎ আমি বেরিয়ে পড়ি
রক্ত-ঝরা হৃদয়ের ভেতর থেকে আমি জেগে উঠি
এর আগেও হয়তো তুমি
-
নতজানু আকাশ যখন মেশে আবছা দূর সমুদ্রে
তখন ঢেউভাঙা সফেদ ফেনারা আছড়ে পড়ে আমার পা'য়।
আমি অবাক হয়ে খুঁজে ফিরি তমশার মতো এক অনুজ্জ্বল আলোক।
পাই না তারে, বেহুদা সময় হারিয়ে যায় না-ফেরা অন্ধকারে।
অপ্রকাশিত যত কথা অচেনা আগন্তুকের মতো কড়া নেড়ে যায়,
আমি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রই।
আমাদের মিথোজীবি জীবনের ক্লান্ত-নিশ্চল অবসরগুলো
বইয়ে চলেছে অনিবার্য ভুল, যার নেই কোনো ক্ষমা।
-
যে-কোন নগণ্য বস্তু সমস্যার কারণ হতে পারে। মশারির অভ্যন্তরে একটি মশা অনুসন্ধান করে টিপে মারা আবার অন্যান্য মশার প্রবেশ রুদ্ধ করাও অনেক সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বের প্রথম মানব যখন ক্ষুধা অনুভব করলেন তখন থেকে সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। ক্ষুধাই হচ্ছে সব সমস্যার মূল ভিত্তি। বিশ্বের প্রথম মানব যখন প্রথম মহিলার দেখা পেলেন তখন দ্বিতীয় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই দুটি সমস্যা আপনারা জানেন দুটি ভিন্ন ধরনের ক্ষুধার ফলে সৃষ্ট। কিন্তু এদের মাঝে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাই বর্তমানে যতগুলি সামাজিক, রাজনৈতিক ও যুদ্ধ-সমস্য। রয়েছে সবকিছুর পেছনে উপরোক্ত দুটি ক্ষুধার সংযোগ পরিলক্ষিত হয়।
বর্তমান যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে হাজার হাজার নিহত মানুষের লাশের
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
কংগ্রেস হাউজ এবং জিন্না হল থেকে সামান্য কিছু দূরে একটি প্রস্রাবখানা আছে। সেটাকে বোঘের লোকেরা মুরী বলে। আশে-পাশের বিভিন্ন মহল্লার যাবতীয় ময়লা আবর্জনা সেই দুর্গন্ধময় কুঠুরীর বাইরে সব সময় স্তূপাকারে পড়ে থাকে। এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যে, মানুষকে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে বাজার থেকে ফিরতে হয়।
একবার বড় অপারগ হয়ে তাকে সেই মুরীতে প্রবেশ করতে হয়—পেচ্ছাব করার জন্যে। নাকে রুমাল চেপে শ্বাস বন্ধ করে সেই দুর্গন্ধময় স্থানটিতে প্রবেশ করে। সারা মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা বুদ্বুদের মতো ফুটে রয়েছে। দেয়ালগুলোতে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ছবি বড় বিশ্রীভাবে চিত্রিত করে রেখেছে। সামনে কয়লা দিয়ে কে যেন লিখে রেখেছে—‘মুসলমানো কি বহেন কা পাকিস্তান মারা’।
শব্দগুলো
-
দু’বছর সাজা খেটে জেল থেকে বেরিয়ে এলো হোসেন। তখন ১৯৫১ সালের শেষ ভাগ। হোসেন অনেক দিন আগে থেকেই শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এবার তাকে জেল খাটতে হয়েছে বিশুদ্ধ রাজনৈতিক কারণে। সেই ইতিহাসটা প্রথমে বলে নেওয়া দরকার। ১৯৪৯ সাল। তখন ক্ষমতাসীন মুসলীম লীগ সরকার দোর্দণ্ড প্রতাপে তার স্বেচ্ছাচারী শাসনকার্য চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিচারে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বলা বা কোনো কিছু করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার নামান্তর। সরকারের অনাচার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে যাঁরাই প্রতিবাদ করতে গেছেন অথবা সরকার যে কোনো কারণেই হোক, যাদের কার্যকলাপ আপত্তিকর বলে বিবেচনা করেছেন, তাদের সবাইকে বিনা বিচারে জেলখানায় আটক করা হয়েছে। আবার বহু রাজনৈতিক কর্মী, শ্রমিক কর্মী ও
-
লোক মারফৎ নির্দেশ চলে এল। একটি চিঠি নিয়ে এসেছে ছেলেটি। চিঠির মধ্যে জরুরী নির্দেশ, আমাকে অবিলম্বে ১ নং ঢাকেশ্বরী মিলের কবির দল নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে। শুধু বেরিয়ে পড়া নয়, সেই দলের নেতৃত্বও নাকি আমাকেই করতে হবে। একবার ভেবে দেখুন ব্যাপারটা। কবি গানের সঙ্গে আমার কোনো কালেই তেমন ঘনিষ্ঠ পরিচয় ছিল না। আর বেছে বেছে সেই দলের অধিকারী মনোনীত করা হয়েছে আমাকে! অতি বড় বীরপুরুষও অনুরূপ অবস্থায় আতঙ্কিত না হয়ে পারে না-আমি তো কোনো ছার।
১৯৪৬ সালের কথা। সাধারন নির্বাচন আসন্ন। তখন কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ ছিল না, অন্যান্য পার্টির মতো তারাও প্রকাশ্যে কাজ করবার অধিকারী ছিল। নারায়ণগঞ্জ মহকুমা ও ঢাকা
-
ভারতবর্ষের সকল প্রদেশের সকল সমাজের ঐক্যে প্রতিষ্ঠিত এক মহাজাতিকে জাগিয়ে তুলে তার একচ্ছত্র আসন রচনা করব বলে দেশনেতারা পণ করেছেন।
ওই আসন জিনিসটা, অর্থাৎ যাকে বলে কস্টিট্যুশ্যন, ওটা বাইরের, রাষ্ট্রশাসনব্যবস্থায় আমাদের পরস্পরের অধিকার-নির্ণয় দিয়ে সেটা গড়েপিটে তুলতে হবে। তার নানা রকমের নমুনা নানা দেশের ইতিহাসে দেখেছি, তারই থেকে যাচাই বাছাই করে প্ল্যান ঠিক করা চলছে। এই ধারণা ছিল, ওটাকে পাকা করে খাড়া করবার বাধা বাইরে, অর্থাৎ বর্তমান কর্তৃপক্ষদের ইচ্ছার মধ্যে। তারই সঙ্গে রফা করবার, তক্রার করবার কাজে কিছুকাল থেকে আমরা উঠে পড়ে লেগেছি।
যখন মনে হল কাজ এগিয়েছে, হঠাৎ ধাক্কা খেয়ে দেখি, মস্ত বাধা নিজেদের মধ্যেই। গাড়িটাকে তীর্থে পৌঁছে দেবার
-
ইংরেজির caste, tribe, race, people, nation প্রভৃতি শব্দের মতো বিশিষ্ট অর্থে এখনও আমরা বিভিন্ন শব্দ আমাদের ভারতীয় ভাষাগুলিতে ব্যবহার করি না—এক ‘জাতি’ শব্দ দিয়ে আমরা এতগুলি বিভিন্ন অর্থের শব্দের কাজ বাঙ্গালা প্রভৃতি ভাষাতে চালাবার চেষ্টা করি। Nation অর্থে ‘রাষ্ট্র’ শব্দ চলতে পারে। People-এর জন্য ‘জনগণ’ বা ‘জন’। Caste-এর জন্য ‘বর্ণ’ শব্দ তো আছেই। Race-এর জন্য ‘জাতি’, Tribe-এর জন্য ‘উপজাতি’। আমাদের ভারতীয় রাষ্ট্রের মধ্যে-Indian Nation-এর মধ্যে, কতকগুলি বিশিষ্ট people বা ‘জন’-এর স্থান আছে। এক ভাষা ব্যবহার করা সমগ্র ভারতীয় রাষ্ট্রের বিশিষ্ট লক্ষণ নয়, যদিও ইংরেজি সংস্কৃত হিন্দি প্রভৃতির যোগে আমাদের একভাষিতার অভাবকে আমরা কার্যত পুরণ করে নিয়েছি। ভারতবর্ষে যে-বিভিন্ন people বা
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- স্মৃতিকথা
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাংবাদিকতা
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- অনুবাদ
- চিরায়ত
- কিশোর
- ছাত্র আন্দোলন
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- ইংরেজি
- বই
- বিজ্ঞানী
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- ফুল
- গণহত্যা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- রাশিয়া
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কারুশিল্প
- সমালোচনা
- নারী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সাম্রাজ্যবাদ
- শিশুতোষ
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- লোককাহিনী
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গবেষণা
- সিলেট
- রূপকথা
- আলোচনা
- খুলনা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- দুঃসাহসিক
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- চট্টগ্রাম
- লালন
- আত্মজীবনী
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- জাতীয়
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- শৈশব
- সংবাদ
- সরকার
- গান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৫)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.