-
“সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে পড়ে গেলাম। চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি-করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণ রক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমূখী হলুদ চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুন্ঠনকারী একটি মানুষ। তাঁর জন্য আমি জগন্নাথ হল-এ যে-সভাটি আহ্বান করেছিলাম তাতে ভিড় জমে ছিল প্রচুর। দূর শহর থেকে ইডেন কলেজের অধ্যাপিকারাও এসেছিলেন, তাঁর গান ও কবিতা আবৃত্তি শুনে সকলেই মুগ্ধ: মৃত অথবা বৃদ্ধ অথবা প্রতিষ্ঠানীভূত না-হওয়া পর্যন্ত কবিদের বিষয়ে, যাঁরা স্বাস্থ্যকরভাবে সন্দিগ্ধ, সেই
-
...বঙ্গীয়-সাহিত্য-সম্মিলনের এক অধিবেশন ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আহূত হয়। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তখন ঢাকা-সাহিত্য-পরিষদের সভাপতি ও পৃষ্ঠপোষক। বঙ্গীয় সাহিত্য- সম্মিলনের ঢাকা- অধিবেশনের অভ্যর্থনা-সমিতির সভাপতি নির্বাচন লইয়া সাহিত্য-সমাজে ও সাহিত্য-পরিষদে তুমুল দ্বন্দ্ব উপস্থিত হইল। পরিষৎ দাশ সাহেবকে অভ্যর্থনা-সমিতির সভাপতি করিতে চাহে, সমাজ চাহে ঢাকার বিখ্যাত উকিল আনন্দ রায়কে। এই দ্বন্দ্বের ফলে অভ্যর্থনা-সমিতির সভ্য-সংখ্যা হু করিয়া বাড়িয়া চলিল। অর্থাভাবে এই সম্মিলনকে আর কোন অসুবিধা ভোগ করিতে হয় নাই। যাহা হউক, বিষম ভোটযুদ্ধে দাশ সাহেবই জয়লাভ করিলেন। আমি অভ্যর্থনা-সমিতির অন্যতম সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত হইয়াছিলাম। সম্মিলনের সভাপতিরূপে রবীন্দ্রনাথকে পাইতে আমরা আগ্রহবান হইলাম এবং কলিকাতায় গিয়া রবীন্দ্রনাথকে সম্মত করাইবার ভার আমার উপর প্রদত্ত হইল।
এই আনন্দময়
-
হেমন্তের অপরাহ্ণ। নির্মেঘ আকাশে অপূর্ব প্রশান্তি। হলদে রোদে কী এক মিষ্টি আমেজ।
এমন অপরাহ্ণে গারদের মধ্যে মন হাঁপিয়ে ওঠে।
কেরোসিনের কাঠের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বারান্দায় বসলাম। শেফালিতলায় জমা ফুলগুলো শুকিয়ে গিয়েছে। মরশুমি ফুলের নূতন চারাগুলো মাটির সাথে মিশে রয়েছে। কতগুলো দাঁড়কাক ড্রেনে নেমে প্রচণ্ড সোরগোল বাধিয়ে তুলেছে।
আমাদের পশ্চিমদিকে হাজতের তিনতলা দালান। হঠাৎ সেদিক থেকে চিৎকার ভেসে আসে। চোখ ফিরিয়ে দেখি কতগুলো লোক কিসের উপর বেশ হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। যারা দাঁড়িয়ে আছে ঊর্ধ্বলোকে ঘুসি ছুড়ছে। গেট-পাহারা ছুটে এল। সিপাহি ছুটে এল। ডানে বাঁয়ে বেদম প্রহার চলল।
এক নিমিষে সমস্ত চিৎকার থেমে গেল। হাজতিরা যে যার জায়গায় গিয়ে ভিজে বিড়ালের মতো
-
আমরা উঠলুম ৩৬ নম্বর কামিনীভূষণ রুদ্র রোডে, যার পোশাকি নাম চাঁদনী ঘাট। ১৯৪৮-এর ঢাকা। ব্রিটিশ আমলের পুরো গন্ধ তো ছিলই, মোগল আমলের ছিটেফোঁটা লালবাগ, আমলিটোলা, চকবাজার, মোগলটুলি, ইসলামপুর-এসব এলাকার অলিগলিতে যেন বা সেকালও উঁকি মারত। আমাদের এই হিসেবে প্রাউডলকের উদ্যান নগরী শ্যামলী রমনা হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো এক বিস্ময়। এ কথা বলা যাবে না নবাবি আমলের ঢাকা সম্পর্কে। বিদ্যুতের ব্যবহার তখনো সর্বগামী ছিল না। ফলে সন্ধে নামলেই সেকালের জেলা শহরগুলোর মতোই অন্ধকার নেমে আসত ঢাকার শিরা-উপশিরায়, বাড়ি বাড়ি জ্বলে উঠতো হারিকেন লণ্ঠনের আলো। মাঝে মাঝে খাপছাড়াভাবে কোনো কোনো ভাগ্যবানের বাড়ির জানালা গলিয়ে বিদ্যুতের ঝলমলে নরম আলো এসে পড়ত খোয়াভাঙা রাস্তার
-
রমনার কথা বলতে গিয়ে পুরানা পল্টন এবং সেই সঙ্গে মতিঝিল ও দিলকুশার কাহিনি শোনালাম এতক্ষণ। রমনার কথা আর বলা হয়নি।
এবার সেই রমনার কথা।
কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে খুবই মুষড়ে পড়েছিলাম। বড় শহরের কোনো উপকরণই ছিল না ঢাকায়। যেদিন মনটা কোনো কারণে বিষণ্ণ থাকত, সেদিন যে হারিয়ে যাব কোথাও-আয়তনে তেমন বড় ছিল না ঢাকা। লোকের ভিড়ে, গাড়ি-ঘোড়ার জটিল আবর্তে কিংবা পার্কের সবুজে একটু লুকোবো, না, সে সুযোগও ছিল না। ঢাকুরিয়ার মতো লেক নেই, আলিপুরের মতো চিড়িয়াখানা, মিনার্ভা, শ্রীরঙ্গম, স্টার কি ন্যাট্যভারতীর মতো থিয়েটার হল নেই, নেই কোনো এলাকার অলৌকিক কোনো ভালো লাগা, নেই মেট্রো, লাইটহাউস, গ্লোব, নিউ এম্পায়ার, এলিট প্রেক্ষাগৃহের
-
খোকন, বাবা দেখ তো, ঘরে হুটোপুটি করছে কারা?
আমি তখন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কাঞ্চনজঙ্ঘা সিরিজের গা-শেতল-করা মিসমিদের কবচ-এর পাতায় ডুবে। প্রাচীনদের মনে না পড়েই পারে না-সেই যে বইয়ের গোড়ায় জানাল। গলিয়ে আসা চকচকে ছোরা বাঁধা বাঁশের আঁকশি দুহাতে ধরা গল্পের বিস্মিত নায়কের ছবিখানার কথা। প্রতুল ব্যানার্জির অতুল আঁকা ছবিটা আজও হানা দেয অতীত কাছে এসে দাঁড়ালে। আমি তখন সেই ভয়ংকর মুহূর্তে অদৃশ্য ছোরার সঙ্গে জুঝে চলেছি, এমন সময় রান্নাঘর থেকে মায়ের আদেশ। রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে পাশের ঘরে গিয়ে দেখি আলমারির ওপরে যে বড় আয়না, তার সামনে বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি করে ছোটো দুটো বানর লম্ফঝম্ফ করছে কিচিরমিচির শব্দে। আয়নায় প্রতিফলিত প্রতিপক্ষদের দেখে
-
নন্দদুলাল পাড়িয়া
তিনশো বছবের কলকাতা আজ তার বার্ধক্যের প্রতীক নয়, বরং আধুনিক সভ্যতার ক্রম-পরিবর্তন, রূপ-লাবণ্য ও বৈচিত্রোর বহিঃপ্রকাশ। তাব বত্নভাণ্ডারে আজ অজস্র সম্পদ। সেই সম্পদের মাঝে অসংখ্য উদ্ভিদ এক বিশেষ স্থান অধিকাব করে বেখেছে। এখানকার আবহাওয়া ও পরিবেশ, বিশেষ কবে মাটির গুণ, আদ্রতা, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এমন এক অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে যে, দেশ-বিদেশ থেকে নিয়ে আসা অসংখ্য গাছ স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে এখানকার দেশজ গাছপালার সঙ্গে মিশে এক অপূর্ব উদ্ভিদসম্ভার গড়ে তুলেছে। রাজপথের দুধারে, পার্কে, বাগানে, ময়দানে, অলিতে-গলিতে বাড়ির ছাদে, ঘরের কোণে-কলকাতার সর্বত্র আজ নতুন করে সবুজেব চর্চা লক্ষ্য করা যায়। রাজধানীর এই সবুজ আভরণ তার শৈশবের গৌরবকে স্মরণ করিয়ে দেয়,
-
রমনার স্মৃতি কখনও ভুলবার নয়। ঢাকায় ফিরে আসা প্রবাসী, বা যাদের ত্যাগ করতে হয়েছে সাধের ঢাকা শহর, ঢাকাবাসী মধ্যবয়সী বা বৃদ্ধ যখনই বোনেন পুরনো কথার জাল, তখনই ফিরে ফিরে আসে রমনা। কারো কাছে পঞ্চাশ ষাট বছর আগের রমনা মোহময়ী, কারো কাছে বা কুড়ি ত্রিশ বছর আগের। একেক বয়সের কাছে একেক রূপের রমনা। বুড়িগঙ্গার কথা মনে পড়লে যেমন চলে আসে ঢাকার নাম, তেমনি ঢাকার কথা মনে হলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে রমনার বিস্তৃত মাঠ।
রমনার সীমা, প্রকৃতি, একেক বয়সীর কাছে একেক রকম। কারণ, কিছু দিন আগেও নির্দিষ্ট ছিল না রমনার সীমা। পুরনো হাইকোর্ট থেকে শুরু করে রমনা পার্ক, তারপর রমনা পার্ক
-
লেখক: লি ওয়েন উয়ান
আজ দু’তিনদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি চলেছে, কখনো খুব ঘন, কখনো বা হালকা কিন্তু আগাগোড়াই, মাঠে কাজ করার থেকে গ্রামবাসীদের দূরে রাখার পক্ষে সে বৃষ্টি যথেষ্ট। তারা সব অস্থির হয়ে উঠছে।
বৃষ্টিবহুল দিনগুলোর জন্য লিয়েন-নিউ যে অবকাশটুকু পেয়েছিল সেটুকু সে একজোড়া জুতো বানানোর কাজে লাগিয়েছিল।
সকালে মেঘের ফাঁক দিয়ে সূর্য উকি মারলো। বৃষ্টির পরে সব কিছু যেন আরো ঝকঝকে লাগছিল মেয়ে-পুরুষ সকলের মন সজীব, উৎফুল্ল হয়ে উঠলো।
মাঝের ঘরের একটা নিচু চেয়ারে বসে লিয়েন-নিউ জুতোজোড়াটার গায়ে সস্নেহে হাত বোলাচ্ছিল। জুতোজোড়াটা বেশ ভালোই হয়েছে। মনের মধ্যেটা তার কেমন একটা আনন্দে ভরে উঠলো। মনে মনে ভাবছিল সে, “আকাশটা
-
এক জোলা ছিল, সে পিঠে খেতে বড় ভালবাসত।
একদিন সে তার মাকে বলল, 'মা আমার বড্ড পিঠে খেতে ইচ্ছে করছে, আমাকে পিঠে করে দাও।'
সেইদিন তার মা তাকে লাল-লাল, গোল, চ্যাপটা সাতখানি চমৎকার পিঠে করে দিল। জোলা সেই পিঠে পেয়ে ভারি খুসি হয়ে নাচতে লাগল আর বলতে লাগল, 'একটা খাব, দুটো খাব, সাত বেটাকে চিবিয়ে খাব!' জোলার মা বলল, 'খালি নাচবিই যদি, তবে খাবি কখন?' জোলা বলল, 'খাব কি এখানে? সবাই যেখানে দেখতে পাবে, সেখানে গিয়ে খাব।' ব'লে জোলা পিঠেগুলি নিয়ে নাচতে নাচতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল, আর বলতে লাগল, 'একটা খাব, দুটো খাব, সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!'
নাচতে নাচতে
-
কেদার চাটুজ্যে মহাশয় বলিলেন-'আজকাল তোমরা সামান্য একটু বিদ্যে শিখে নাস্তিক হয়েছ, কিছুই মানতে চাও না। যখন আর একটু শিখবে তখন বুঝবে যে আত্মা আছেন। ভূত, পেতনি-এঁরাও আছেন। বেম্মদত্যি, স্কন্ধকাটা-এঁনারাও আছেন।'
বংশলোচনবাবুর বৈঠকখানায় গল্প চলিতেছিল। তাঁহার শালা নগেন বলিল-'আচ্ছা বিনোদ-দা, আপনি ভূত বিশ্বাস করেন?'
বিনোদ বলিলেন-'যখন প্রত্যক্ষ দেখব তখন বিশ্বাস করব। তার আগে হাঁ-না কিছুই বলতে পারি না।'
চাটুজ্যে বলিলেন-'এই বুদ্ধি নিয়ে তুমি ওকালতি কর! বলি, তোমার প্রপিতামহকে প্রত্যক্ষ করেছ? ম্যাকডোনাল্ড, চার্চিল আর বান্ডুইনকে দেখেছ? তবে তাদের কথা নিয়ে অত মাতামাতি কর কেন?'
'আচ্ছা আচ্ছা, হার মানছি চাটুজ্যে মশায়।'
'আপ্তবাক্য মানতে হয়। আরে, প্রত্যক্ষ করা কি যার তার কম্ম? শ্রীভগবান কখনও
-
খগেন্দ্রনাথ মিত্র
কর্তাবাবুর অনেক সম্পত্তি, বয়সও অনেক, পাড়ার লোকে খাতিরও করে খুব। বাড়িতে চাকর-বাকর, ঝি-রাঁধুনিও কম নয়। তারা থাকে মস্ত তেতলা বাড়িখানার নিচুতলার অন্ধকার দিকটাতে। আর, তিনি তাঁর পরিবারবর্গসহ থাকেন, মানে ছেলে-মেয়ে, পুত্র-পুত্রবধূ, নাতি-নাতনী প্রভৃতিদের নিয়ে দোতলা-তেতলা জুড়ে।
সব কালেরই পয়সাওলাদের নাতি-নাতনীরা হয় এক একটা ক্ষুদে নবাবজাদা ও নবাবজাদী। তবে তাদের মধ্যে কেউ কেউ শখ করে গরিবী চালও চালে। যেমন কর্তবাবুর নাতি তরু, নাতনী অরু। ওরা দু'জনে খুড়তুতো ভাই-বোন। ওদের অনেক বন্ধু-বান্ধবী। তারা কেউ পয়সাওলা, কেউ আধা-পয়সাওলা, কেউ আধা-গরীব, কেউ পুরো গরীব। তরু-অরুদের বাড়িতে তিনখানা মোটর, চারখানা স্কুটার ও তিনখানা বাইসাইকেল। তবু ওরা তাতে চড়ে না, চড়ে ট্রামে-বাসে, ট্যাকসিতে, রিশয়।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছড়া
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- আন্দোলন
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- লেখক
- স্মৃতিকথা
- গদ্য
- পুঁজিবাদ
- মার্কসবাদ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- কিশোর
- দুঃসাহসিক
- গণতন্ত্র
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- প্রাচীন
- বিজ্ঞান
- শিশুতোষ
- নারীবাদী
- মধ্যপ্রাচ্য
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ঢাকা
- যুদ্ধ
- কবিতা
- সাম্রাজ্যবাদ
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- রূপকথা
- বিপ্লব
- সঙ্গীত
- বিনোদন
- গোয়েন্দা
- অতিপ্রাকৃত
- নদী
- সমাজ
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- সমালোচনা
- রবীন্দ্রনাথ
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- কলকাতা
- মুক্তিযুদ্ধ
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- কারুশিল্প
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- নির্বাচন
- আলোচনা
- বই
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.