-
[প্রাচীন কাল থেকে তাজিক সাংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে পারস্য ও ভারতে সাংস্কৃতির।
সাদ্রিদ্দীন আইনি (১৮৭৮-১৯৫৪) ছিলেন মহাপন্ডিত ও ধ্রুপদী কবি এবং তাজিক গদ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর রচনাবলী তাজিক জনগণের উপকথা বিশেষ।
বারো বছরের সাদ্রিদ্দীন বোখারায় আসেন জ্ঞান পিপাসার তাগিদে। কিন্তু মাদ্রাসার দুঃস্থ ছাত্রটির বেশির ভাগ সময় কাটত অন্য লোকের কাপড়জামা ধোওয়ায়, পড়াশুনোয় নয়। সুদীর্ঘ রাত্রে ঘুমের কথা ভুলে সে সাগ্রহে পড়ত হাফিজ, সাদি, কামল খুজান্তি এবং আহমেদ দানিশ এর মতো মহাকবিদের রচনা।
বিপ্লবের পর বোখারা আমিরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সাদ্রিদ্দীন আইনি, তাঁর নিজের ভাষায়, ‘অক্টোবর বিপ্লবের পাঠশালায় চল্লিশ বছর বয়সের পড়ুয়া হলেন,’’ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োগ করলেন সাহিত্য সেবায়। তাজিক
-
ভিতিম-ওলো জাতীয় এলাকাটা হচ্ছে পূর্ব সাইবেরিয়ায়। দক্ষিণ ইয়াকুতিয়ার গায়ে লাগা এই বিরাট পাহাড়ে অঞ্চলটার উত্তরাংশ গায়ে গায়ে লাগান অজস্র পর্বতশ্রেণীতে ভরা। সাইবেরিয়ায় বোধহয় এর চেয়ে উচু পাহাড় আর নেই। দুর্গম বুনো জায়গাটা একেবারেই পাণ্ডববর্জিত। এই সেদিন পর্যন্ত জায়গাটা ছিল অনাবিষ্কৃত। পনের বছর আগে আমিই প্রথম মানচিত্রের এই ফাঁকা জায়গাটায় পা দিই। “প্রথম” মানে আবিষ্কারকদের মধ্যে প্রথম। এদেশের আদিবাসী তুংগুস আর ইয়াকুত্রা আগেই শিকারের সন্ধানে এ অঞ্চলের চারিদিকে ঘুরে বেড়িয়েছে। তুংগুস শিকারীদের কাছ থেকে নানা মূল্যবান খবর পেয়েছি। দূর দূর প্রান্তের সন্ধান তারা আমায় দিয়েছে। নদী, নদীর উৎস আর পর্বতমালার ম্যাপ ভাল করে এ'কে দিয়েছে। এখানকার খুব ছোট ছোট নদীও আগেই
-
বাবাকে ও প্রথম দেখেছিল সিনেমায়। তখন সে বছর পাঁচেকের শিশু।
ঘটনাটা ঘটেছিল ওই মস্ত শাদা খোঁয়াড়টায়, যেখানে ভেড়ার লোম ছাঁটা হয় প্রতি বছর। খোঁয়াড়টা টালি দিয়ে ছাওয়া, সভখোজ বসতির পেছনে পাহাড়ের তলায় রাস্তার পাশে।
এখানে সে এসেছিল মায়ের সঙ্গে। মা জিঙ্গুল সভখোজের পোস্টাপিসে টেলিফোনিস্ট, প্রতি বছর গ্রীষ্মে লোম ছাঁটার মরশুম শুরু হতেই সে ছাঁটাই ঘাঁটিতে সহায়ক কর্মী হিসাবে যোগ দেয়। বীজ বোনা ও ভেড়ার বাচ্চা দেবার মরশুমের সময় দিন রাত কমিউটেটরের পাশে ওভারটাইম কাজ শেষ হতেই ছুটি নিয়ে সে এখানে চলে আসে এবং লোম ছাঁটাইয়ের শেষ দিনটা পর্যন্ত খাটে। লোম ছাঁটার মজুরি ভালোই, রোজগার মন্দ হত না। আর সৈনিকের বিধবা,
-
পুলিস ইনস্পেক্টর ওচুমেলভ[১] হেঁটে যাচ্ছিলেন বাজারের মধ্যে দিয়ে। গায়ে তাঁর নতুন ওভারকোট, হাতে পাটুলি এবং পিছনে এক কনেস্টবল। চুলের রঙটা তাঁর লাল, হাতের চালুনিটা ভর্তি হয়ে গেছে বাজেয়াপ্ত-করা গুজবেরিতে। কোথাও কোনো সাড়াশব্দ নেই...বাজার একেবারে খালি ক্ষুদে ক্ষুদে দোকান আর সরাইখানার খোলা দরজাগুলো যেন একসার ক্ষুধার্ত মুখ-গহ্বরের মতো দীনদুনিয়ার দিকে হাঁ করে আছে। ধারে কাছে একটি ভিখিরি পর্যন্ত দাঁড়িয়ে নেই।
হঠাৎ একটা কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘কামড়াতে এসেছ হতচ্ছাড়া, বটে? ওকে ছেড়ো না হে। কামড়ে বেড়াবে সে আইন নেই আর। পাকড়ো পাকড়ো! হেই!’
কুকুরের ঘ্যান ঘ্যান ডাকও শোনা গেল একটা। ওচুমেলভ সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, পিচুগিন দোকানীর কাঠগোলা থেকে বেরিয়ে এসে একটি
-
ন. ভদ্রলোকদের ক্লাবে চ্যারিটি বলুনাচ চলেছে। ফ্যান্সি-ড্রেস বলনাচ। স্থানীয় তরুণী মহিলারা অবশ্য এ ধরনের অনুষ্ঠানকে 'জোড়া নাচের আসর' বলে থাকেন।
মধ্যরাত্রি। বারোটা বেজেছে। একদল বুদ্ধিজীবী নাচে নামেনি বা মুখোশ পরেনি। সংখ্যায় তারা পাঁচজন। পড়ার ঘরে বড়ো টেবিলটার চারদিকে খবরের কাগজের পৃষ্ঠায় নাক এবং দাড়ি গুঁজড়ে বসে। বসে বসে পড়ছে এবং ঢুলছে। মস্কো ও পিটার্সবুর্গের খবরের কাগজের স্থানীয় বিশেষ প্রতিনিধির ভাষায় বলতে গেলে, সবিশেষ উদারমনোভাবাপন্ন ভদ্রলোকটি 'অনুধ্যানরত'।
নাচের ঘর থেকে ভেসে আসছে কোয়াড্রিল নাচের বাজনা। কাঁচের বাসনের ঝনঝন শব্দ তুলে পা ঠুকে খোলা দরজার কাছে ছুটোছুটি করছে ওয়েটাররা।
কিন্তু পড়ার ঘরে একটুও গোলমাল নেই।
হঠাৎ এই নিঃশব্দতাকে ভঙ্গ করে একটা চাপা
-
সারা গালচিনো জেলায় কুন্দকার মিস্ত্রি গ্রিগরি পেত্রভের নাম ওস্তাদ কারিগর হিসেবে যেমন, পাঁড় মাতাল ও পয়লা নম্বরের হতচ্ছাড়া বলেও তেমনি। সেই পেত্রভ তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে চলেছে জেমস্তভো হাসপাতালে। ত্রিশ ভেস্ট রাস্তা তাকে ঘোড়ার গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আর রাস্তা ভয়াবহ, এমনকি ডাক হরকরাও এই রাস্তার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে হিমসিম খেয়ে যায়, কাঁড়ের রাজা কুন্দকার গ্রিগরির কথা ছেড়েই দিচ্ছি। হাড়-কাঁপানো হিমেল বাতাসের ঝাপটা তার মুখে এসে পড়ছে। তুষার পাপড়ির ঘূর্ণীতে চারদিক ছেয়ে গেছে, তুষার আকাশ থেকে পড়ছে না মাটি থেকে উঠে আসছে বোঝা ভার। মাঠ বন টেলিগ্রাফের থাম কিছুই ঠাওর করা যাচ্ছে না। ঝাপটাটা যখন জোর হচ্ছে গ্রিগরি
-
সেপ্টেম্বর মাসের কোনো এক অন্ধকার রাত্রে, নটা বাজার কিছু পরে, জেমস্তভোর ডাক্তার কিরিলভের একমাত্র পুত্র ডিপথিরিয়া রোগে মারা গেল। ডাক্তারের স্ত্রী সবে মাত্র আশাভঙ্গের প্রথম আঘাতে মৃত সন্তানের শয্যাপাশে নতজানু হয়ে বসেছে, এমন সময় সদর দরজার ঘণ্টাটা সজোরে বেজে উঠল।
ডিপথিরিয়ার ভয়ে বাড়ির চাকরবাকরদের সকাল থেকেই বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিরিলভ যে অবস্থায় ছিল, পরনে শুধুমাত্র সার্ট আর বোতাম খোলা একটা ওয়েস্টকোট, সেই অবস্থাতেই, এমনকি চোখের জলে ভেজা মুখ ও কার্বলিক এসিডের দাগ-লাগা হাতদুটো না মুছেই, দরজা খুলতে গেল। হলঘরটা অন্ধকার, আগন্তুককে দেখে এইটুকু শুধু বোঝা গেল, সে মাঝারি লম্বা, তার গলায় একটা সাদা মাফলার জড়ানো আর তার প্রকাণ্ড
-
BETWEEN nine and ten on a dark September evening the only son of the district doctor, Kirilov, a child of six, called Andrey, died of diphtheria. Just as the doctor's wife sank on her knees by the dead child's bedside and was overwhelmed by the first rush of despair there came a sharp ring at the bell in the entry.
All the servants had been sent out of the house that morning on account of the diphtheria. Kirilov went to open the door just as he was, without his coat on, with his waistcoat unbuttoned, without wiping his wet face
-
A STILL August night. A mist is rising slowly from the fields and casting an opaque veil over everything within eyesight. Lighted up by the moon, the mist gives the impression at one moment of a calm, boundless sea, at the next of an immense white wall. The air is damp and chilly. Morning is still far off. A step from the bye-road which runs along the edge of the forest a little fire is gleaming. A dead body, covered from head to foot with new white linen, is lying under a young oak-tree. A wooden ikon is lying on
-
SHORTLY after finding his wife in flagrante delicto[1]Fyodor Fyodorovitch Sigaev was standing in Schmuck and Co.'s, the gunsmiths, selecting a suitable revolver. His countenance expressed wrath, grief, and unalterable determination.
"I know what I must do," he was thinking. "The sanctities of the home are outraged, honour is trampled in the mud, vice is triumphant, and therefore as a citizen and a man of honour I must be their avenger. First, I will kill her and her lover and then myself."
He had not yet chosen a revolver or killed anyone, but already in imagination he saw three
-
"THE wind has got up, friends, and it is beginning to get dark. Hadn't we better take ourselves off before it gets worse?"
The wind was frolicking among the yellow leaves of the old birch trees, and a shower of thick drops fell upon us from the leaves. One of our party slipped on the clayey soil, and clutched at a big grey cross to save himself from falling.
"Yegor Gryaznorukov, titular councillor and cavalier . . ." he read. "I knew that gentleman. He was fond of his wife, he wore the Stanislav ribbon, and read nothing. . .
-
A GLOOMY winter morning.
On the smooth and glittering surface of the river Bystryanka, sprinkled here and there with snow, stand two peasants, scrubby little Seryozhka and the church beadle, Matvey. Seryozhka, a short-legged, ragged, mangy-looking fellow of thirty, stares angrily at the ice. Tufts of wool hang from his shaggy sheepskin like a mangy dog. In his hands he holds a compass made of two pointed sticks. Matvey, a fine-looking old man in a new sheepskin and high felt boots, looks with mild blue eyes upwards where on the high sloping bank a village nestles picturesquely. In his hands
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- স্মৃতিকথা
- আন্দোলন
- লেখক
- গণতন্ত্র
- গদ্য
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- পুঁজিবাদ
- মার্কসবাদ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- মধ্যপ্রাচ্য
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- কবিতা
- নজরুল
- ঢাকা
- যুদ্ধ
- সঙ্গীত
- ইসলাম
- বিনোদন
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- কলকাতা
- গোয়েন্দা
- ভৌতিক
- অতিপ্রাকৃত
- ছড়া
- মুক্তিযুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- ভারত
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- দাঙ্গা
- কারুশিল্প
- কিশোর
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সাম্রাজ্যবাদ
- সমাজ
- নারীবাদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- রূপকথা
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- নির্বাচন
- সমালোচনা
- আলোচনা
- বই
- বিপ্লব
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.