-
সাহিত্য একটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চর্চার মাধ্যমে হয়ে ওঠা চিন্তা, রুচি ও মননশীলতার শৈল্পিক পাঠকেন্দ্র। সাহিত্যে তাই সততা এবং নিষ্ঠার কমতি থাকলে, তা আর সঠিকরূপে বিকশিত হতে পারে না। ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটলে যেমন থমকে যেতে হয়, ঠিক তেমনিভাবে সাহিত্যের জন্য ব্যক্তির স্বাধীনভাবে পূর্ণ মনোনিবেশের মধ্যে দিয়ে চিন্তার উৎকর্ষ স্তরে পৌঁছতে হয়। ফলে সাহিত্য চর্চার জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সততার প্রয়োজন হয়।
বহুকাল আগে থেকে সাহিত্য চর্চা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সত্যিকারের সাহিত্য নির্মাতা কখনও কিছুতে মাথা নত করে না, সাহিত্য সর্বদা সত্য ও সুন্দরের পথে অগ্রসরমাণ একটি প্রক্রিয়া। সমাজ বিনির্মাণে সাহিত্য চর্চার মানুষদের কদর সে কারণে অধিক। এরা রাষ্ট্র গঠন থেকে শুরু করে
-
‘গায়ত্রীকে কি তুমি ভালোবাসতে?’
‘আরে ধ্যুৎ, আমার সঙ্গে তিন-চারদিনের আলাপ, প্রেসিডেন্সি কলেজের নামকরা সুন্দরী ছাত্রী ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের, তারপর কোথায় চলে গেলেন, আমেরিকা না কোথায়, ঠিক জানি না।’
‘তাহলে ওকে নিয়ে কবিতা কেন?’
‘কাউকে নিয়ে তো লিখতে হয়—আমগাছ, কাঁটাগাছ, রজনীগন্ধা নিয়ে কি চিরদিন লেখা যায়!’
উপরের প্রশ্নোত্তর পর্বটিফিরে এসো চাকা-র কবিবিনয় মজুমদারের।
সম্ভবত বিনয় মজুমদারই একমাত্র কবি যার একটি কবিতার বইয়ের নাম তিনবার দেয়া হয়েছে। বইটির প্রথম সংস্করণে নাম ছিল ‘গায়ত্রীকে’, কোনো উৎসর্গপত্র ছিল না, ধরে নেওয়া যায় বইয়ের নামেই উৎসর্গ। দ্বিতীয় সংস্করণে হলো ‘ফিরে এসো চাকা’। আর এর তৃতীয় সংস্করণে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—কবির কবিতা লেখা বন্ধ,
-
ব্রাহ্মণ ব্রহ্মার মুখ হইতে হইয়াছিল, যখন হইয়াছিল, তখন হইয়াছিল, এখন তা অন্যেও যেরূপে হয়, ব্রাহ্মণও সেইরূপেই হয়, তবে আর ব্রাহ্মণত্ব রহিল কি করিয়া? যদি বল, সংস্কারে ব্রাহ্মণ হয়, চণ্ডালকে সংস্কার দাও, সে ব্রাহ্মণ হোক; যদি বল, বেদ পড়িলে ব্রাহ্মণ হয়, তারাও পড়ুক। যদি জন্মের প্রক্রিয়াই মানুষের মধ্যে দূরত্ব/বৈষম্য সৃষ্টি করার মূল ভিত্তি হয়, তবে বর্তমানে প্রক্রিয়া যখন সবার জন্য সমান—তখন সেই দূরত্ব/বৈষম্য ঘুঁচে যাওয়া কেন স্বাভাবিক বাস্তবতা হবে না?
‘প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন’ বইটিতে লেখক এরকম অনেক বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেছেন, প্রশ্ন করেছেন এবং পাঠককে সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন। তিনি প্রান্তিকতা ও বৈষম্যের ধারণার মূল জায়গায় আঘাত করতে চেয়েছেন। এই ধারাবাহিক
-
শত বছর পূর্বে রাশিয়ায় ঘটে এক বিশ্বকাঁপানো ঘটনা, যা মানব সভ্যতার গতিপথ পাল্টে দেয়। দুনিয়াটা আর অতীতের ধারাবাহিকতায় অক্ষুণ্ন থাকে না, ছেদ ঘটায়। হাজার বছরের শোষণ-বঞ্চনা-অত্যাচার থেকে নিজেদের মুক্ত করার এক মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে রুশ দেশের মেহনতি মানুষ। শোষণহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতার সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। বহু যুগের অন্যায়-অবিচার-জুলুম-নিপীড়ন-ভেদাভেদ-অমর্যাদা-অধিকারহীনতার অবসান হয়। গোটা বিশ্বকে এক নয়া উন্নত মানবিক সভ্যতার পথ দেখায় তারা, যার নাম 'সমাজতন্ত্র'। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর রাশিয়ায় এই সমাজতন্ত্র কায়েমের মহাকর্মযজ্ঞ দুনিয়া কাঁপানো ‘রুশ বিপ্লব’ রূপে খ্যাত। অতীতে নানা দেশে আরও অনেক বিপ্লব ঘটেছে। কিন্তু এসব বিপ্লব অধিকাংশ মানুষের ওপর মুষ্টিমেয়ের শোষণ-শাসন-নিপীড়নের অবসান ঘটায়নি। কেবল এসবের ধরন
-
কমিউনিস্টদের প্রধান শত্রু হলো সাম্রাজ্যবাদ, লুটেরা পুঁজিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় মৌলবাদ, সামন্তবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি। মার্কসবাদী বিশ্লেষণ মতে, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় মৌলবাদ কেবল সাংস্কৃতিক প্রবণতা নয়; বরং এগুলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির হাতিয়ার, যা মানুষের চেতনা বিভক্ত করে, শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামকে দুর্বল করে। কমিউনিস্টরা পরকাল বা কল্পিত স্বর্গের প্রত্যাশায় নয়—বরং বাস্তব পৃথিবীকে মানুষের মুক্তির উপযোগী করে তুলতেই সংগ্রাম করে। কমিউনিস্টরা এই পৃথিবীকে সবার জন্য বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সমাজ সংষ্কার করে, রূপান্তরের পথে অগ্রসর হয়। তারা বস্তুবাদী, সেক্যুলার ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালিত।
কমিউনিস্ট পার্টি শ্রেণি সংগ্রামের পার্টি, বিপ্লবের পার্টি। এই পার্টি পেশাদার বিপ্লবী তৈরি করে, যারা মার্কসবাদ-লেনিনবাদের বিজ্ঞানসম্মত তত্ত্ব ধারণ করে সমাজের
-
রোকেয়া যতটা উচ্চারিত, তার খুব সামান্যই পঠিত এবং গৃহীত। কারণ আজও তিনি নানা খণ্ডীকরণের খপ্পড়ে অবরুদ্ধ। ‘মুসলিম নারী শিক্ষার অগ্রদূত’, ‘নারী জাগরণের প্রতীক’, ‘মুসলিম সমাজ সংস্কারক’, ‘ইসলামী নারীবাদী’, ‘আমূল নারীবাদী’, ‘বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা’ ইত্যাদি নানা পরিচয়ে রোকেয়ার সংকোচন ঘটেছে। তার কালের জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামগ্রিকভাবে রোকেয়ার মূল্যায়ন এখনও অনুপস্থিত।
এই কারণেই বোধ হয় ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত শামসুন নাহার মাহমুদ রচিত ‘রোকেয়ার জীবনী’ গ্রন্থের ভূমিকায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক পণ্ডিত অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন—“কিন্তু রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাস্তবিক যে কত বড় ছিলেন, তাহা বাহিরের লোকেদের কাছে অজানা রহিয়া গেল। এই অজানার অন্ধকার আমাদের আদৌ কাটেনি বরং রোকেয়া দিবস, রোকেয়া পদক, রোকেয়ার
-
লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এ স্বাধীনতা। আমাদের প্রিয় স্বাধীনতার জন্য অনেক মা হারিয়েছেন তার সন্তান, নারী হারিয়েছেন তার সম্ভ্রম। ১৯৭১ সালে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি নরপিশাচেরা তখন পৈশাচিক কার্যকলাপে নিয়োজিত, বহু নারীর জীবন ধ্বংসের খেলায় ছিল মাতোয়ারা। তেমনই ভয়াল কালো থাবার শিকার বীরাঙ্গনা নারী কাননবালা। তখন গোপালগঞ্জের ভাজন্দি গ্রামের এক হিন্দু পরিবারের কিশোরী কাননবালা। তারা ছয় ভাই ও দুই বোন। ১৯৭১ সালের আষাঢ় মাসের এক বৃষ্টিভেজা অন্ধকার রাতে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি সেনারা ঘিরে ফেলে কাননবালাদের বাড়ি। ঠাকুরমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় তাকে। তার বাবা-মা-ভাইদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। কাননবালার চোখ বেঁধে তাকে নিয়ে
-
তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম ২৩ জুলাই ১৯২৫ সালে, ঢাকার অদূরে (বর্তমান গাজীপুর) কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা মৌলভি মুহাম্মদ ইয়াসিন খান এবং মা মেহেরুন্নেসা খানম। তাঁরা ছিলেন চার ভাই ও ছয় বোন। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের সন্তান হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদের শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়িতে তাঁর বাবার কাছে আরবি শিক্ষার মাধ্যমে। একই সময় তিনি ভর্তি হন বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরবর্তী ভূলেশ্বর প্রাইমারি স্কুলে। তিনি প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন প্রথম হয়ে। এ জন্য স্কুল জীবনের প্রথম ১০ পয়সা মূল্যমানের পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কারটি ছিল দেড় পয়সার কালির দোয়াত এবং সাড়ে আট পয়সার একটি কলম।
চতুর্থ শ্রেণিতে উঠে তিনি ভর্তি
-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- লেখক
- স্মৃতিকথা
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- কারুশিল্প
- কিশোর
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- অনুবাদ
- ঢাকা
- যুদ্ধ
- সঙ্গীত
- উদ্ভিদ
- কলকাতা
- অতিপ্রাকৃত
- ছড়া
- বিজ্ঞান
- গদ্য
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- নির্বাচন
- মুক্তিযুদ্ধ
- আলোচনা
- ইংরেজি
- পুঁজিবাদ
- বই
- সমাজতন্ত্র
- সমালোচনা
- সাম্যবাদ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- কবিতা
- নজরুল
- ইসলাম
- বিনোদন
- পরিবেশ
- গোয়েন্দা
- ভারত
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- দাঙ্গা
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সাম্রাজ্যবাদ
- সমাজ
- নারীবাদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- গণতন্ত্র
- রূপকথা
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- বিপ্লব
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- খগেন্দ্রনাথ মিত্র (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.