-
আমি বললাম—মধুসদনবাবু, এই যে সামনে অশথ গাছটা, এর পাতাগগুলিকে লক্ষ্য করুন।
আমি আর মধুসূদনবাবু, তখন মধুসূদনবাবুর কাপড়ের দোকানে উপবিষ্ট। সামনে শ দেড়েক বছরের পুরোনো এক অশথ গাছ। আরো বললাম— সময় এবং অশথ গাছের পাত্ম—এই দুয়ের মধ্যে সম্পর্ক' হচ্ছে আমার বিবেচ্য বিষয়। সময় বাড়ছে এবং অশথ গাছের পাতাও বাড়ছে। সময় এবং অশত্থ গাছের পাতা। অশথ গাছের পাতা বাড়ছে অথচ সময় বাড়ছে না—এটা কি হওয়া সম্ভব মশায়?
মধুসদন না তো, অসম্ভব।
আমি— আবার সময় বাড়ছে এক মাস দুই মাস অথচ একটি কচি অশথের পাতা বাড়ছে না— এটা কি হওয়া সম্ভব মশায়, মধুসূদনবাবু,? মধুসুদনবাবু— অসম্ভব, বাড়তেই হবে অশথ গাছের পাতাকে।
আমি— আচ্ছা, তা
-
সুবিমল আজকাল, মানে বেশ কয়েকটা মাস, বাড়ি ফিরতে ভয় পায়। বাড়ি ফেরাটাই তার কাছে সবচেয়ে বিপজ্জনক। তার অন্য বন্ধুরা যখন শেষ টান দিয়ে হাতের সিগারেটটাকে আঙুলের টোকায় জ্বলন্ত হাউয়ের মতো ছড়ে দেয় কলকাতার হাড়-পাঁজরের ভিতরের কোনোখানে, আর তারপরই পতাকার মতো হাত-নাড়ায় বন্ধু দের গুডনাইট জানিয়ে ট্রাম বা বাসের স্টপেজে নাচের ভঙ্গীতে শরীরে অদ্ভুত একটা একানো মোচড় দিয়ে দাঁড়ায়, সংবিমল ঈষায় জ্বলে। বাড়ি ফেরার মহূর্তে কী অসম্ভব স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে তারা। যেন জীবনে কোথাও কোনো টেনশন নেই । নেই এমন প্রশ্ন যা ঘরে ফেরার সময়ও থ্যাঁতলানো মাটির মতো বাঁকিয়ে দিতে পারে তাদের মুখরেখা। কী বিস্ময়কর রকমের হালকা হয়ে যেতে পারে
-
আমার অল্পবয়সী বন্ধু অনিমেষ বললে, ধূসর রঙের সকাল ছিল... ধূসর বলছ? তো, ধূসর কিন্তু, তোমাকে বলব কি, গেরায়া, হলুদ, এসব জাতের নয়। জানো তো, বরং তা কালোর দিকে...
তাই তো বলছি। আটাত্তর ভাগ কোবাল্ট নীলে বাইশ ভাগ কালো দিয়ে, তারপরে প্রয়োজন মতো, যেখানে যে রকম দরকার ফ্লেক সাদা দিচ্ছে বলো, বলো, বললুম। ভালো লাগল একজন রং চিনছে, পৃথিবীটা ওর চোখে একরঙা চীনা কালিতে আঁকা নয়।
তো, সেই ধূসর রঙের বাঁধনি শাড়ী যেন, সিল্কের, ফলে স্বচ্ছ আর ঝলমলে; ধূসরের উপরে হলুদ চুবিয়েছে নিচের পাড়ের দিকটা।
হলদেটা সবুজে ভাব নেবে না?
তাই। তখন সকাল সাড়ে সাত হয়, ওদিকে মার্চ শেষ হয়ে এপ্রিলে
-
সমাজ বদলের মানসে যে সব নারী ও পুরুষ স্বপ্ন দেখেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদেরই একজন উম্মেহানী খানম। প্রবীণ বয়সেও একটি সুন্দর সুস্থ সমাজের স্বপ্ন তাঁর চোখের তারায় ভাসছে। এই স্বপ্নকে ঘিরেই চলছে তাঁর কর্মযজ্ঞ।
সমাজ বদলের অকুতোভয় সৈনিক উম্মেহানী খানম ১৯২৬ সালে ৭ জানুয়ারি বগুড়া জেলার চন্দন বাইসা থানার লৌহদহ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মা হাসিনা বানু, বাবা মৌলভী দেলোয়ার আলী খানের সাত সন্তানের মধ্যে পঞ্চম তিনি। ধর্মীয় ও রক্ষণশীল বলয়ের মধ্যে কেটেছে উম্মেহানীর বাল্যকাল। বাবা পেশায় সাব-রেজিস্ট্রার হওয়া সত্ত্বেও ছিলেন প্রচণ্ড রকমের ধার্মিক। তিনি অবসর সময় কাটাতেন ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ে এবং সন্তানদের পড়ে শুনিয়ে। উম্মেহানী শৈশবে তাঁর
-
১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে কুমিল্লার এমএলএ এডভোকেট ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পরিষদের ভাষা করার দাবি করলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান জানান যে, পাকিস্তান মুসলিম রাষ্ট্র এবং মুসলমানের ভাষা হচ্ছে উর্দু। তাই উর্দুই হবে রাষ্ট্র ভাষা। তাঁকে সমর্থন করেন পূর্ব পাকিস্তানে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন। লিয়াকত ও নাজিম উদ্দিনের গণপরিষদের বক্তব্যের বিরুদ্ধে ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করে। নাদেরা বেগম সে-সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যায়নরত। বড় দুইভাই কবীর চৌধুরী, মুনীর চৌধুরী সে-সময় প্রগতিশীল রাজনীতিতে সক্রিয়। পারিবারিক সূত্রেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে ছাত্রদের মিছিল বের হলে পুলিশ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ
-
গুটিকত পুঁটিমাছ
ঝুঁটি ধরে আন।
ঝুঁটি নাই? তবে তাই।
আছে তো রে কান?
কান নাই? হাত আছে?
হাত নাই? ভানা?
তাও নাই? বাজে কথা।
জেলেবাড়ী যা না।
জেনে আয়, কী টানিলে পুঁটিমাছ আসে,
খুঁটি পুঁতে বেঁধে দিলে চরে কি না ঘাসে।
ফুটি খেতে দিলে তারে রোদ্দুরে রেখে
কতদিনে গান গায়,—'অ আ ক খ' শেখে?
জেনে নিতে ভালো করে যাসনেকো ভুলে—
কতদিনে চুরি করে সিন্দুক খুলে।
বাঁকা চোখে চায় আর হাসে ফিক ফিক
তার আগে দূর করে দেব সবে ঠিক।
-
টিয়াপাখী কথা কয়, বাজপাখী কয় না।
তালগাছে গুড় হয়, শালগাছে হয় না।
ধান হয় মাঠে বিলে, পানিফল পুকুরে।
গুঁতো মারে গরু মোষে, কামড়ায় কুকুরে।
মৌমাছি চাক বেঁধে মধু রাখে ভরিয়া,
মাছি করে জ্বালাতন ভন ভন করিয়া।
বিধাতার খেয়ালের পাইনেকো অন্ত,
হরিণের শিং বড়,—হস্তীর দন্ত।
অশ্বের ক্ষুরে বল,—ব্যাঘ্রের থাবাতে,
হাঁস পারে ভাসতে ও হনুমান লাফাতে।
আম থাকে ঊর্ধ্বে তে ডাল হতে ঝুলিয়া,
আলু মূলো খেতে হয় মাটি খুঁড়ে তুলিয়া।
পশু থাকে লোমে ঢাকা,—পাখী ঢাকা পালকে,
সজারু সে কাঁটা-ঢাকা,—বলো দেখি ভালো কে?
সাপ কেন বুকে হাটে,—জলে ভাসে মৎস্য,—
পাখী কেন উড়ে চলে,—বলো দেখি বৎস?
বাঁশ কেন কাঠ হেন? আখ কেন মিষ্ট?
কিছুতেই
-
আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠি
এত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি না;
তবু জেনো
মুখে আমার উসখুস করছে বারুদ—
বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;
আমি একটা দেশলাইয়ের কাঠি।
মনে আছে সেদিন হুলুস্থুল বেধেছিল?
ঘরের কোণে জ্বলে উঠেছিল আগুন—
আমাকে অবজ্ঞাভরে না-নিভিয়ে ছুঁড়ে ফেলায়!
কত ঘরকে দিয়েছি পুড়িয়ে,
কত প্রাসাদকে করেছি ধূলিসাত্
আমি একাই—ছোট্ট একটা দেশলাইয়ের কাঠি।
এমনি বহু নগর, বহু রাজ্যকে দিতে পারি ছারখার করে
তবুও অবজ্ঞা করবে আমাদের?
মনে নেই? এই সেদিন—
আমরা সবাই জ্বলে উঠেছিলাম একই বাক্সে;
চমকে উঠেছিলে—আমরা শুনেছিলাম তোমাদের বিবর্ণ মুখের আর্তনাদ।
আমাদের কী অসীম শক্তিতা তো অনুভব করেছো বারংবার;
তবু কেন বোঝো না,
আমরা বন্দী
-
হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়
এবার কঠিন, কঠোর গদ্যে আনো,
পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাকগদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো!
প্রয়োজন নেই, কবিতার স্নিগ্ধতা—কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি,
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় :পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্সানো রুটি।।|
ছাড়পত্র
-
এমন একটি অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, আমাদের সাহিত্য ও শিল্পকলার আলোচনায় যে, স্বাধীনতার প্রায় চার দশক পরেও মুক্তিযুদ্ধের যথাযথ রূপায়ণ অথবা প্রতিফলন হয়নি শিল্প-সাহিত্যে। পৃথিবীর বিখ্যাত বিপ্লবগুলো অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে মহৎ সৃষ্টির পিছনে—ফরাসি বিপ্লব অথবা রুশ বিপ্লবের রয়েছে এক বিশাল সাহিত্য ভাণ্ডার। পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দেয়নি কিন্তু একটি সীমিত ভূগোলে ভয়ানক তোলপাড় তুলেছে তেমন জাতীয় রাজনৈতিক ঘটনাবলিও জন্ম দিয়েছে ধ্রুপদ সাহিত্যের, প্রাণস্পর্শ শিল্পের। আফ্রিকার দেশগুলোর স্বাধীনতাপ্রাপ্তি, লাতিন আমেরিকার বামপন্থি বিপ্লব অথবা ষাটের দশকে ইউরোপে দ্রুত ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক- আদর্শিক পটপরিবর্তনের উদাহরণ আমাদের জীবনকাল থেকে সংগৃহীত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে যদি সেই নিরিখে বিচার করি আমরা, তাহলে এর বিশালতাকে ওই ঘটনার বহিঃস্থ একজন প্রত্যক্ষদর্শীও
-
১। জার্মান ফ্যাসিজম : ইউরোপে যুদ্ধের প্রধান জ্বালামুখ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধানোর মূলে ছিল সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই তারা তাদের আগ্রাসনমূলক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি গড়ে তুলতে আরম্ভ করে। ৩০-এর বছরগুলোতে পৃথিবীতে যুদ্ধের প্রধান উৎস ছিল দু'টি। একটি ইউরোপে—ফ্যাসিস্ট জার্মানি ও ইতালি, অন্যটি দূর প্রাচ্যে—সমরবাদী জাপান।
জার্মান সাম্রাজ্যবাদ ১৯১৯ সালের অন্যায্য ভার্সাই শান্তি চুক্তি বাতিল করার অজুহাতে আপন স্বার্থে পৃথিবী পুর্নবণ্টনের দাবি তোলে এবং ফ্যাসিজমের মানববিদ্বেষী ভাবাদর্শের ভিত্তিতে ‘নতুন ব্যবস্থা' গড়তে প্রয়াসী হয়।
হিটলারের নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট পার্টিটি—যা ভণ্ডভাবে নিজেকে ন্যাশনাল-সোশ্যালিস্ট শ্রমিক পার্টি বলে অভিহিত করত—জার্মান জাতির প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য খোলাখুলিভাবে যুদ্ধের উগ্রজাতিবাদী স্লোগান
-
“বিজ্ঞানের ইতিহাস' কথাটি আমাদের দেশের বিজ্ঞান- শিক্ষার্থী ও বিজ্ঞান-কর্মীদের কাছে নিত্যন্ত অপরিচিত অথবা অত্যন্ত স্বল্প-পরিচিত একটি বিষয়। পাঠ্যসূচীর অন্তর্গত বিষয়াবলীর বাইরে বিজ্ঞান-বিষয়ক গ্রন্থ ও রচনা বলতে আমরা প্রধানত বিভিন্ন আবিষ্কারের কাহিনী কিংবা বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবনী ইত্যাদিই বুঝে থাকি। তৎসঙ্গে সরস ভঙ্গিতে লেখা মৌলিক বৈজ্ঞানিক বিষয়ও মাঝে-মধ্যে আমাদের পাঠের অন্তর্ভূক্ত হয়ে থাকে ৷ কিন্তু ‘বিজ্ঞানের ইতিহাস' বলতে বিজ্ঞানচর্চার ধারাবাহিকতার যে ব্যাপ্তি বুঝানো হয় তা এ ধরনের গ্রন্থে বা রচনায় বিধৃত হওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার কাহিনীর আখ্যানমূলক বর্ণনাও ইতিহাস হিসেবে গণ্য হতে পারে না, কেননা ইতিহাসচর্চা, বর্তমানকালে গৃহীত অর্থে, মূলত ঘটনাবলী ও তথ্যাদির কোন আনুপূর্বিক সন্নিবেশ নয়, বরং তা সামগ্রিক
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- কিশোর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ভারত
- যুদ্ধ
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- কবিতা
- অনুবাদ
- দাঙ্গা
- আন্দোলন
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- লেখক
- স্মৃতিকথা
- গণতন্ত্র
- গদ্য
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- নারীবাদী
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- নজরুল
- ঢাকা
- সঙ্গীত
- ইসলাম
- বিনোদন
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- কলকাতা
- গোয়েন্দা
- অতিপ্রাকৃত
- ছড়া
- মুক্তিযুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- কারুশিল্প
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- দুঃসাহসিক
- সাম্রাজ্যবাদ
- সমাজ
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- রূপকথা
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- পুঁজিবাদ
- নির্বাচন
- সমালোচনা
- আলোচনা
- বই
- বিপ্লব
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- খগেন্দ্রনাথ মিত্র (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.