-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ভ্লাদিমির লাভরোভ নামে মস্কোর এক শিল্পীকে বলা হয়েছিল ভল্গার প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকতে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রাজি হয়েছিলেন কিন্তু তাঁর চরিত্রগত দীর্ঘসূত্রতার জন্যে তৈরী হতে হতেই সমস্ত গ্রীষ্মকালটা কেটে গেল। সেপ্টেম্বরের আগে ইস্টিমারে চড়ে ভল্গায় পৌঁছুতে তিনি পারলেন না।
মোটা চোঙাওলা ইস্টিমারটা ঝকঝক করছে, তার গোল গোল জানালাগুলোকে পালিশ করে স্ফটিকের মতো করে তোলা হয়েছে। ইঞ্জিন ধক ধক করতে করতে মসৃণ দৃঢ় গতিতে ইস্টিমারটা চললো তার আলোগুলো আর এক ডেক ভৰ্ত্তি সুসজ্জিত যাত্রী নিয়ে। সহরতলীর অরণ্য আর কাঁকরাকাটা পাড়গুলো গেলো পেরিয়ে। তাদের উপর তখন শীতল সূর্যাস্তের আভা মিলিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই অরণ্যের রঙ হয়েছে পিঙ্গল আর সোনালী। শরতের
-
লেখক: নুরমুরাদ সারিখানভ
তুর্কমেন বিজ্ঞান আকাদমির সাহিত্য ইনস্টিটিউটের নির্দেশক্রমে আমার কাজ পুরনো পুঁথি জোগাড় করা। ভাগ্যচক্রে সেবার গিয়ে পড়েছিলাম কারা-কুমের একেবারে গভীরে, পশুপালক একটা আউলে, চারিদিকে বালির মধ্যে অনতিবৃহৎ একটা খাদের মতো জায়গাটা।
যা হয়, আউলের লোকেরা উৎসুক হয়ে উঠল: কোথা থেকে এসেছি, কেন এসেছি? আগমনের কারণ জানালাম। উঠেছিলাম কলখোজ সভাপতির বাড়িতে। তাঁর কাছে শুনলাম তাঁর পড়শী ভেলমুরাত-আগার কাছে একটি কিতাব আছে, ঠিক যেমনটি আমার দরকার তেমনি।
বললেন, ‘জিনিসটা খুবই দুর্লভ! ভেলমুরাত-আগা ওটিকে চোখের মণির মতো আগলে থাকে। কতবার বলেছে, অমন কিতাব সোনার সিন্দুকে তুলে রাখার মতো…’
গেলাম কিতাবের মালিকের কাছে। মালিককে ঘরেই পেলাম। লোকটির বয়স হয়েছে, এক বুক সুন্দর
-
লেখক: মাততেই তেভেলেভ
স্তুদেনিৎসায়, বলতে কি স্তুদেনিৎসা কেন সমস্ত স্নেগোভেৎস এলাকাতেই ওলিয়োনা স্তেফাকোভার ব্যাটা আন্দ্রেই-র মতো রূপবান ছেলে মেলা ভার।
সবই তার খাসা: সুঠাম গড়ন, ময়লাটে মুখের মিহি আমেজ, ছেয়ে রঙের স্থিরদৃষ্টি চোখ, বাঁ ভুরুর কোনাচে বাঁক, যাতে মুখখানায় তার কখনো অবাক-অবাক কখনো বা মজাদার একটা ভাব ফুটে ওঠে।
শুধু পয়লা নম্বরের লেগিন[☆]হিসেবেই নয়, পয়লা নম্বরের বাবু হিসাবেও আন্দ্রেই স্তেফাকের নামডাক। বলতে কি নিজের বহিরঙ্গ ও সাজসজ্জার প্রতি পাহাড়ে কলখোজের এই প্রধান রাখালটির যত নজর, সেটা স্থানীয় রূপসীদের মধ্যেও কদাচিৎ দেখা যায়। শাদা কাপড়ের কুর্তা পরত সে, তার সবুজ কলার, পুঁতি বসানো শার্ট, টুপির ফিতেয় গোঁজা ফারের ডাল,
-
লেখক: আবদুল্লা কাখহার
চুল্লির চাকতিটা খুলে দাদী রোখাৎ পায়ে আঁচ পোয়াচ্ছিল। কিছুকাল থেকে পা দুখানা বড়ো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, কনকন করছে, ঘর তেমন ঠান্ডা না হলেও ভারি শীতে জমে যাচ্ছে সে। নাতি বইয়ের মলাট ছিঁড়ে ফেলেছিল, জানলার কাছে সেটা আঁটা দিয়ে জুড়তে জুড়তে বুড়ো বললে: ‘আগুন পোয়াতে হয় কী করে তা আর তোমায় শেখানো গেল না! চুল্লির দরজা খোলা রাখা আর আকাশ গরম করা একই কথা।’
দাদী রোখাৎ দরজা বন্ধ করে সোফায় গা এলালে। তারপর শুয়েই থাকল। প্রথমটা উঠতে ইচ্ছে করছিল না, পরে আর উঠতেই পারল না। তৃতীয় দিনে বুড়ি মারা গেল।
হিকমৎ-ববো দাঁড়িয়ে রইল একেবারে বজ্রাহতের মতো। ঘরে যখন
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সেই শরতে সুরকার এদভার্দ গ্রিগ বের্গেন-এর কাছের অরণ্যময় অঞ্চলে ছিলেন।
পাতার মর্মর আর ব্যাঙের ছাতার তীব্র গন্ধময় সমস্ত অরণ্যগুলি ভারি চমৎকার; কিন্তু যে অরণ্যগুলি সমুদ্রের পাশের পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছে সেগুলির সৌন্দর্য এক বিশেষ ধরনের। ঢেউয়ের মর্মর ধ্বনি সেখানে হয় প্রতিধ্বনিত, সমুদ্র-কুয়াশা জড়িয়ে থাকে তাদের গাছগুলিকে আর ভিজে বাতাসে বেঁচে থাকা সবুজ শ্যাওলা গাছের ডাল থেকে মাটি পর্যন্ত দাড়ির মতো থাকে ঝুলে।
এই সব অরণ্যে আছে এক ধরনের আনন্দিত প্ৰতিধ্বনি, শব্দানুকারী গায়ক পাখীর মত, যে কোনো শব্দকে ধরতে আর সেগুলোকে পাহাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পাঠাতে সর্বদাই উৎসুক।
এই ধরনের এক অরণ্যে গ্রিগ-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ছোট্ট
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
রাত্রে নদীর উপর কুয়াশা জমে উঠলো আর সেটা গ্রাস করলো বয়া এবং সাঙ্কেতিক আলোগুলো।
খাড়া তীরের কোল ঘেঁসে ইস্টিমারটা এসে থামলো। তীরের উপরকার এক প্রাচীন নলখাগড়ার ঝোপের সঙ্গে নোঙরের দড়িটা বাঁধবার জন্যে নাবিকরা যখন টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, তীরে যাবার কাঠের পথটা তখন শুধু তালে তালে করছিল ক্যাচ-ক্যাচ।
মাঝরাতে মাশা ক্লিমোভার ঘুম ভাঙলো। ইস্টিমারটা এতো নিস্তব্ধ যে যাতায়াতি পথের শেষ প্রান্তের কেবিনের এক যাত্রীর নাক ডাকা সে পেলো শুনতে।
বিছানায় সে উঠে বসলো। খোলা জানালার ভিতর দিয়ে যে টাটকা বাতাস ভিতরে আসছিল তাতে জড়িয়ে ছিল উইলো পাতার মিষ্টি গন্ধ।
ছায়াচ্ছন্ন কুয়াশার ভিতর দিয়ে ঝোপ ঝাড়ের নানা শাখা ডেকের
-
প্রাচীন পৃথিবীর সনাতন বিশ্বাস অনুসারে মানুষ ভাবত যে পৃথিবীর সবকিছুই পরিচালিত হয় এক ধরনের অপার্থিব সত্ত্বা দ্বারা। তাদের বলা হয়ে থাকে দেবতা এবং তাদের বাস আকাশে। তারা বিশ্বের প্রতিটি জীবজন্তু, মানুষ—এমনকি প্রেম, ভালোবাসা, যুদ্ধ, সংঘাত ইত্যাদি সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রন করেন। যদি তারা আমাদের ওপর খুশি থাকে, তাহলে আমরা পাই পর্যাপ্ত খাদ্য, পশু ও সম্পদ। আর যদি তারা আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে আমাদের ওপর নেমে আসে বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্বিপাক। আর তাই স্তোত্র ও উৎসর্গের বিনিময়ে দেবতাদের তুষ্ট রাখতে সর্বদা নিয়োজিত থাকত যাজক ও পুরোহিতদের বিশাল এক বাহিনী।
কিন্তু আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা
-
এর আগের গল্পগুলোতে তোমরা জানতে পেরেছ যে বিজ্ঞানের জন্ম হয়েছিল প্রাচীন গ্রিসে এবং সে সময়টি ছিল যিশুখ্রিস্ট জন্মের কয়েক শতাব্দী আগে। কিন্তু আমরা দেখতে পাই যে বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রা বাধা পায় খ্রিস্ট জন্মের কয়েকটি শতাব্দী পর—আর সে বাধার মূল কারণটি কিন্তু তারই প্রচারিত নতুন ধর্ম-খ্রিস্ট ধর্ম। কীভাবে এ বিষয়টি ঘটলো, সেটাই এখন তোমাদের সংক্ষেপে বলছি। আর ধর্মের সে বাধাটি জয় করে তার হাজার বছর পর বিজ্ঞান আবার আমাদের ফিরে এলো—সে গল্পটিই হচ্ছে রেনেসাঁ বা নবজাগরনের গল্প। তাহলে এসো, সে গল্পটিই এখন কাছে শোনা যাক।
ইউরোপে খ্রিস্টান ধর্মের উত্থান শুরু হয় চতুর্থ শতকে, যখন রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন নিজে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহন
-
সংবিধান হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বপ্রথম সংবিধান সম্পর্কে মহামতি লেনিন মন্তব্য করেছিলেন যে—এ যাবৎ সব সংবিধানই শাসক শ্রেণির স্বার্থকে সুরক্ষা প্রদান করেছে। সোভিয়েত সংবিধানই প্রথম কোনো সংবিধান যা শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থকে সংহত করতে ভূমিকা রাখবে। সোভিয়েত সংবিধান হবে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান লাভ করে, যা ছিল বাংলা ভাষায় লেখা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রথম কোনো সংবিধান। পাকিস্তান আমলে সংবিধান প্রণয়নে প্রায় নয় বছর লেগেছিল, যদিও সেটি আড়াই বছরের বেশি কার্যকর ছিল না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপ(মোজাফ্ফর) কিছু পরিবর্তন ও সংশোধনের সুপারিশসহ
-
[দুবাংলায় ছোটোকাগজ অসংখ্য, পছন্দেরও কমতি নেই—তালিকা দীর্ঘ, আবার প্রিয় সম্পাদক, প্রিয় কবি, প্রিয় গল্পকার, প্রিয় প্রবন্ধকার কিংবা চিত্রকর অনেকেই রয়েছেন; তবুও কেন জানি বিশেষ করে সেইসকল দিনের কথা মনে হয়, যখন ছোটো ছিলাম, মিশনারী স্কুলে পড়তাম, পঁচিশে ডিসেম্বর এলে বাবা দিতেন নতুন বছরের ডায়েরি আর শিশুবার্ষিকী, বাবা আজ নেই তবু সেসকল স্মৃতিমধুর দিনগুলি শীতের আবেশে ছড়িয়ে থাকে, ছড়িয়ে থাকে ছোটোকাগজ করার মূল প্রেরণাশক্তি দেয়াল পত্রিকার গল্পও। বন্ধুরা কে কোথায় ছড়িয়ে গেছে যার যার আপন কর্মে, বছরের কোনো কোনো দিনে কদাচিৎ দেখা হয়, এভাবেই বহমানতার ভেতর দিনগুলি। ছেলেবেলায় যে সপ্তবর্ণা দিয়ে পথচলা, সেই সময়ের পর অনেক দিন অতিবাহিত হয়েছে, নির্মাণ হয়েছে
-
সাম্প্রতিককালে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ‘পরিচয়ের রাজনীতি’ (Identity Politics)। অনেকেই এই শব্দটি সম্পর্কে আগে থেকেই কিছুটা অবগত। কারণ অনেক বিতর্ক, বিশেষ করে জাতি, লিঙ্গ এবং যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো, পরিচয়ের রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। পরিচয়ের রাজনীতি এমন অনেক বিতর্কে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে—অনেকেই মনে করতে পারে যে বামপন্থী রাজনীতি মানেই পরিচয়ের রাজনীতি, আর পরিচয়ের রাজনীতিই যেন বামপন্থী রাজনীতির পুরোটা। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্যাপারটা এমন নয়।
ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনীতি ছিল শ্রেণি রাজনীতির (Class Politics) ওপর ভিত্তি করে। কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী ও অন্যান্য বামপন্থী দলগুলো শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে বড় গণসংগঠন তৈরি করত। এর পেছনের ধারণা ছিল সব জাতি,
-
সাহিত্য একটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চর্চার মাধ্যমে হয়ে ওঠা চিন্তা, রুচি ও মননশীলতার শৈল্পিক পাঠকেন্দ্র। সাহিত্যে তাই সততা এবং নিষ্ঠার কমতি থাকলে, তা আর সঠিকরূপে বিকশিত হতে পারে না। ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটলে যেমন থমকে যেতে হয়, ঠিক তেমনিভাবে সাহিত্যের জন্য ব্যক্তির স্বাধীনভাবে পূর্ণ মনোনিবেশের মধ্যে দিয়ে চিন্তার উৎকর্ষ স্তরে পৌঁছতে হয়। ফলে সাহিত্য চর্চার জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সততার প্রয়োজন হয়।
বহুকাল আগে থেকে সাহিত্য চর্চা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সত্যিকারের সাহিত্য নির্মাতা কখনও কিছুতে মাথা নত করে না, সাহিত্য সর্বদা সত্য ও সুন্দরের পথে অগ্রসরমাণ একটি প্রক্রিয়া। সমাজ বিনির্মাণে সাহিত্য চর্চার মানুষদের কদর সে কারণে অধিক। এরা রাষ্ট্র গঠন থেকে শুরু করে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- স্মৃতিকথা
- আন্দোলন
- লেখক
- গণতন্ত্র
- গদ্য
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- পুঁজিবাদ
- মার্কসবাদ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- মধ্যপ্রাচ্য
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- কবিতা
- নজরুল
- ঢাকা
- যুদ্ধ
- সঙ্গীত
- ইসলাম
- বিনোদন
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- কলকাতা
- গোয়েন্দা
- ভৌতিক
- অতিপ্রাকৃত
- ছড়া
- মুক্তিযুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- ভারত
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- দাঙ্গা
- কারুশিল্প
- কিশোর
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সাম্রাজ্যবাদ
- সমাজ
- নারীবাদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- রূপকথা
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- নির্বাচন
- সমালোচনা
- আলোচনা
- বই
- বিপ্লব
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.