-
পাকিস্তান নামক একটি অদ্ভুত রাষ্ট্রের অধীনে যখন আমরা বাস করতাম তখন, শুরু থেকেই, কতকগুলো ‘পাকিস্তানী দিবস’ পালন করতে হতো আমাদের। যেমন—তেইশে মার্চ ‘পাকিস্তান দিবস’, চৌদ্দই আগস্ট ‘আজাদী দিবস’, পঁচিশে ডিসেম্বর ও এগারোই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ‘জাতির পিতা'র জন্ম ও মৃত্যুদিবস।
উনিশ শো পঁয়ষট্টি সনের পর থেকে আরও একটি পাকিস্তানী দিবস আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছিল। সেটি ছয়ই সেপ্টেম্বর—‘প্রতিরক্ষা দিবস’। সে-সময়ে পাকিস্তানে চলছিল আইয়ুবি স্বৈরশাসন। সে-শাসনের বিরুদ্ধে গণ-অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিল। আইয়ুব ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নাম দিয়ে একটি শয়তানি ব্যবস্থা চালু করে একটি পেটোয়া গোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিল। তার আশা ছিল যে আশি হাজার অনুগত মৌলিক গণতন্ত্রীদের দিয়েই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারকে জোর করে
-
এক
রবীন্দ্রনাথ কবি, তবে তিনি আর দশজন কবির মতো কেবল কতিপয় দ্যুতিময় কবিতার নির্মাতা ছিলেন না। অর্থাৎ তাঁর কবিত্ব সীমাবদ্ধ থাকে নি কেবল কাব্য-নির্মাণ কলায়; নাট্য-সৃজন সংবেদনায়, গল্প-উপন্যাসের শিল্পিত রূপায়ণে, প্রবন্ধ রচনার প্রগাঢ় প্রজ্ঞায় কিংবা সঙ্গীত—গীতিনাট্যের সাংকেতিক সুর-মূর্ছনায়। তাঁর এ কবি-শক্তি সর্বানুভূমিতে যেমন দীপ্র, সর্বত্রচারিতায় তেমনি ঈর্ষণীয় ক্ষিপ্র। ‘ভূমা’র প্রবল আকর্ষণে তিনি আগ্রহী হয়েছিলেন ‘বিশ্ব পরিচয়ে’, সীমাবদ্ধকালের খণ্ডিত মানুষ তাই তাঁর অন্বিষ্ট ছিল না কদাচ, জীবনের খণ্ডাংশকে প্রতিফলিত করা তাঁর কবি-স্বভাব বিরোধী ছিল তাঁর আজন্ম সাধনায় তিনি সাক্ষাৎকার প্রার্থনা করেছেন সম্পূর্ণ স্বাধীন সত্তায় সমুজ্জ্বল মানুষের সার্বিক জীবনকে। এবং তাঁর কবি-প্রত্যয়ের কেন্দ্রীয় মানব-সত্তাকে চিত্রিত করতে গিয়ে অনিবার্যভাবে প্রতিবিম্বিত হয়েছে, মানুষের সমাজ-সভ্যতা,
-
আমরা যে-বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করছি, সে-বিষয়ে আলোচনার অসুবিধের দিকটা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আমরা অধিকাংশই রবীন্দ্রনাথের মূল ছবি দেখার সুযোগ পাই নি; রিপ্রিন্ট দেখেছি এবং তার পরিমাণও খুব বেশি নয়। রবীন্দ্রনাথ কত ছবি এঁকেছেন, এ নিয়েও একেক জন একেক রকম কথা বলেছেন। আমার মনে পড়ে, পৃথ্বীশ নিয়োগী প্রথম হিসেব দিয়েছিলেন যে, রবীন্দ্রনাথের ছবির সংখ্যা দুহাজারের কিছু বেশি। আজকের আলোচনায় বুলবন ওসমান উল্লেখ করেছেন যে, রবীন্দ্রনাথের ছবি হবে তিন হাজারের মতো। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, সাড়ে তিন হাজার। মনজুরুল ইসলামের বক্তব্যের ভিত্তি হচ্ছে শিবনারায়ণ রায়ের প্রবন্ধ। শিবনারায়ণ রবীন্দ্রভবনের অধ্যক্ষ ছিলেন, তিনি জানতেন, তাই বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের ছবির
-
ভাষাতাত্ত্বিক হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কৃতির মূল্যায়ন খুব একটা কম হয় নি। পশ্চিমবঙ্গে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, পবিত্র সরকার, সুনীল সেনগুপ্ত; বাংলাদেশে মুহম্মদ আবদুল হাই, কাজী দীন মুহম্মদ, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্; বিদেশে, রাশিয়ায় এ. এম. বিকোভা রবীন্দ্রনাথের ভাষাসংক্রান্ত রচনাবলির অনুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ করে কবির ভাষাতাত্ত্বিক প্রজ্ঞার গভীরতায় বিমুগ্ধ হয়েছেন। এদেশে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের উদ্গাতা মুহম্মদ আবদুল হাই বলেছেন:
... বিস্ময়ের বিষয় এই যে যাঁকে আমরা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলাভাষার অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠ কবি বলে জানি; সেই কবি রবীন্দ্রনাথই বাংলাভাষার বর্ণনাভিত্তিক আলোচনার জনক এবং পথিকৃৎ হয়ে রয়েছেন (হাই ১৩৬৮: ৬৯)।
ভাষাতাত্ত্বিকেরা রবীন্দ্রনাথের দুটো ভাষাসংক্রান্ত গ্রন্থ ‘বাংলা শব্দতত্ত্ব’ ও ‘বাংলা ভাষা পরিচয়’ বিশ্লেষণ করে তাতে বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
-
বিবিক্ত, বিষণ্ন ও ভয়াবহভাবে নির্জন এই কালে লোকসাহিত্যের চর্চা, পঠন-পাঠন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের চেতনার শরীরে স্নিগ্ধ মধুর প্রলেপের মতো। লোকসাহিত্যের সরল সহজ অনাড়ম্বর পৃথিবী একমাত্র ঠাঁই যেখানে মুখ লুকোবার মতো জায়গা আছে, অন্তত পিতৃমাতৃহীন এ-যুগে। লোকসাহিত্যের মধ্যে যুক্তিশাস্ত্রের নিয়মকানুন মানবার তেমন আয়োজন নেই অথচ শুধু তারই ভিতরে পর্যাপ্ত হৃদয় একেবারে ছড়িয়ে আছে, আর সেখানেই আমরা পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সংলাপে স্নিগ্ধ হতে পারি। একালের ধূসর সৃষ্টিহীন মুহূর্তে লোকসাহিত্য দেশের বিপুল জনসাধারণের সঙ্গে একাত্ম হতে শেখায়, আমাদের একাকিত্ববোধ, স্বল্পকালের জন্য হলেও, মুখর জনকণ্ঠের মধ্যে হারিয়ে যায়, ব্যক্তির আলাদা নির্জন অস্তিত্ব জন-অস্তিত্বের স্বাদ পায়, তদুপরি দেশ-কাল-পাত্রের দিগ্বলয় বিশ্ববলয়ের মধ্যে স্থিতি পায়, আমাদের বিষাক্ত
-
বর্তমানকালে সমগ্র বিশ্বজুড়ে পরিচিতি সত্তার রাজনীতি সাধারণভাবে রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উপাদান রূপে উঠে এসেছে। ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত পরিচিতি কেন্দ্রিক রাজনীতির ধারণারই কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সময়টা হল ১৯৮০-র দশক, যখন থেকে পরিচিতির রাজনীতি গুরুত্ব লাভ করতে থাকে।
পটভূমি
১৯৮০-র দশকে বিশ্বায়িত ফিনান্স পুঁজির ইন্ধনে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের আবির্ভাব। নয়া উদারবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম এই সময় থেকে জোরদার হতে শুরু করল। তথ্য-প্রযুক্তির মতো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বিশ্বায়ন এবং ফিনান্স পুঁজির গতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করল।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের এই পর্যায় এবং সমাজতন্ত্রের পতন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভাজন সমসাময়িক। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হল শোষণ। সমাজতন্ত্র থেকে পশ্চাদপসরণের কারণে শোষণ থেকে মুক্তির সর্বজনীন লক্ষ্যে
-
লেখক: শহিদুল ইসলামএক. অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রথম সূর্য ওঠার খরবটা পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এমনকি ২৫ মার্চ ১৯৭১, মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সে বাংলাদেশকে দখল করার জন্য শানিত আক্রমণ চালিয়ে প্রথম রাতেই হাজার হাজার মানুষকে লাশে পরিণত করেছে, সে খবরও আমি পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। প্রকৃতির অবধারিত নিয়মানুসারে সেই কণ্ঠটি চিরকালের জন্য নীরব হয়ে গেলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বসে আমার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য ওঠার আগের ঘটনাটি সেলুলয়েডে বন্দী ছবির মতো আমার চোখে ভেসে উঠলো। সেদিনের ইতিহাস নিয়ে আমি অনেক লিখেছি। সেখানে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ আছে। কিন্তু তার বেশি না। তাই দেবদুলালহীন পৃথিবীতে আজ তাঁর কথা আরো
-
যদি বলি ১৯৭১ সালে একটি বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল, তাহলে সম্ভবত কেউই আমার সঙ্গে একমত হবেন না। তবে একাত্তর সালটিকে যারা 'গণ্ডগোলের বছর আখ্যা দেয়, কিংবা যারা বলে যে ওই বছরে ভারতের উস্কানিতে একটা গৃহযুদ্ধ হয়ে তাদের সাধের পাকিস্তানটি ভেঙে গিয়েছিল—এমন কিছু অর্বাচীন মূৰ্খ বা ধুরন্ধর জ্ঞানপাপী বা কুলাঙ্গার দেশদ্রোহী ছাড়া আর সবাই-যে ওই বছরটিকে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর বলে গৌরবে উদ্দীপ্ত হবেন—এমন কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। তবু এরপরও আমি বলব: আমাদের মুক্তিযুদ্ধটি শুধু আমাদেরই যুদ্ধ ছিল না, ছিল বিশ্বযুদ্ধেরই অংশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রচলিত অর্থে যে আর কোনো বিশ্বযুদ্ধ হয় নি,—একথা অবশ্যই সত্য। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই যে বিশ্বব্যাপী
-
'সাম্প্রদায়িক' শব্দটি যে সর্বদা খারাপ বা নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়, তা অবশ্যই নয়। শব্দটির গঠনের দিকে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় যে, যা কিছু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা সম্প্রদায় সম্পর্কীয়, তা সবই সাম্প্রদায়িক (সম্প্রদায়+ঞিক)। কাজেই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে শব্দটি মোটেই নিন্দাৰ্থক নয়। যদি বলি: দুর্গা পূজা, ঈদ, বড়দিন, বুদ্ধপূর্ণিমা—এগুলো সবই সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান, তাহলে কি ওগুলোকে নিন্দা করা হলো? হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—এইসব ধর্মীয় সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা এই অনুষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের ধর্মের অনুশাসন রূপেই পালন করে থাকে। তাই এগুলো সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান। এতে নিন্দার কিছু নেই। কিন্তু অনুষ্ঠানগুলো যদি এ রকম হয়ে দাঁড়ায় যে হিন্দুরা দুর্গা পূজার পর বিসর্জন দেয়ার জন্য দুর্গা মূর্তি নিয়ে যাবে
-
‘কারণাভাবাৎ কার্যাভাবঃ’— কারণ ছাড়া কোনো কার্য হয় না, অর্থাৎ বিশ্বে যা কিছু ঘটে তার সব কিছুর মূলেই কোনো-না-কোনো কারণ বিদ্যমান থাকে, বিনা কারণে কিছুই ঘটতে পারে না—দর্শন-বিজ্ঞানের এটিই হচ্ছে মূলকথা। বলা যেতে পারে, এটিই হচ্ছে স্বতঃসিদ্ধ সত্য। এই সত্যকে বিনা প্রতিবাদে মেনে নিয়েই আবহমান কাল ধরে মানুষ সত্যের সন্ধানে তথা সমস্ত ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নিরত হয়েছে।
কিন্তু কোনো বিষয়েরই সঠিক কারণটি খুঁজে বের করা মোটেই সহজ কাজ নয়। অনেক কষ্টে যদি-বা একটা কারণ খুঁজে পাওয়া গেল তো, সেই কারণটিরও কারণ খোঁজার তাগিদ এসে দেখা দেয়। দেখা যায় যে, একটা কারণ থেকেই কোনো কাৰ্য সম্পন্ন হয় না বা কোনো ঘটনা ঘটে
-
আমি নিজে একজন মাস্টার। ‘শিক্ষক' শব্দটা অনেক ভারী, লোকে মাস্টারই বলে। জীবিকার জন্য আমি মাস্টারি করেছি। জীবিকাই হচ্ছে মানুষের জীবনের আশ্রয়। মাস্টারি করেই আমি জীবিকা নির্বাহ করেছি। তবে অন্য মাস্টারি না-করে অন্যকিছুও তো করতে পারতাম। কিন্তু আমি অন্য কিছু করতে চাইনি। মাস্টারি করতে চেয়েছি, এবং মাস্টারিটাকেই আমার জীবন ও জীবিকার অবলম্বন করে নিয়েছি। মাস্টারি করেই আমি পরিপূর্ণ সুখী। হ্যাঁ, ‘সুখী’ শব্দটাই ব্যবহার করতে চাই আমি।
মাস্টারি ছাড়া যদি অন্য কিছু করতাম, তাহলে আমার জীবিকার মধ্য দিয়ে জীবনের স্বস্তি ও তৃপ্তি আমি পেতে পারতাম বলে মনে করি না। আমার সৌভাগ্য যে আমি মাস্টার হতে চেয়েছিলাম, মাস্টারই হতে পেরেছি। ছেলেবেলাতেই কী করে
-
মুখ দিয়ে সবে কথা ফুটছে। তখন থেকেই আমাকে সব ব্যাপারে জ্ঞানী করে তোলার জন্য আমার ঠাকুর্দার মানে পিতামহের কী সাংঘাতিক গরজ! মুখে মুখে নিজেই প্রশ্ন করে নিজেই তার উত্তর দিয়ে, আবার আমার মুখ দিয়ে তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে, পাখি পড়ানোর মতো শেখাতেন—
'তোমার বাড়ি কোন গ্রামে?’—চন্দ্রপাড়া। ‘কোন্ ইউনিয়ন?' -আশুজিয়া। 'থানা?’—কেন্দুয়া। ‘মহকুমা?’—নেত্রকোনা। 'জিলা?’—ময়মনসিংহ।
‘নেত্রকোনা' আর 'ময়মনসিংহ' কথা দুটো নিজেই বারবার আবৃত্তি করতাম। সেই এতটুকু বয়সেই এ-দুটো নামের প্রতি আমার প্রচণ্ড আকর্ষণের একটা গূঢ় কারণ ছিল। আমাদের গাঁয়ের আশপাশের বাজার গুলোতে হাটের দিনে তেল নুন কেরোসিন মাছ তরকারি পাওয়া যেতো, ছোট ছোট লিলি বিস্কুট কিংবা ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া তক্তা বিস্কুটও পাওয়া যেতো; কিন্তু শখের
ট্যাগ
লেখক
- অম্লান দত্ত (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আনোয়ারা বেগম (১)
- আবদুল মান্নান সৈয়দ (১)
- আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন (১)
- আবু মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (১)
- আহমদ রফিক (১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- নরেন বিশ্বাস (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১)
- মনসুর মুসা (১)
- মযহারুল ইসলাম (১)
- যতীন সরকার (৭)
- সন্জীদা খাতুন (১)
- সৈয়দ আকরম হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়াৎ মামুদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.