-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যাপারে জহিরের সাথে সাঈদের সাক্ষাৎ হলে সাঈদ খুবই প্রভাবিত হলো। বোম্বেতে সেন্ট্রাল ষ্টুডিওতে জহিরকে দু’ একবার সে দেখেছে, কিছু আলাপও হয়েছে, কিন্তু লাহোরেই প্রথম বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষাৎ হয়।
লাহোরে চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক, কিন্তু সাঈদ এ তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল যে তাদের অধিকাংশের অস্তিত্বই শুধু সাইনবোর্ড পর্যন্ত সীমিত। আকরামের মাধ্যমে জহিরের সাঈদকে ডেকে পাঠানোর পর সাঈদ ভেবেছিল, জহিরও ওসব সাইনবোর্ড সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারীদের মতোই একজন ভুয়া চিত্র-নির্মাতা, যারা লক্ষ লক্ষ টাকার কথা বলে, অফিস স্থাপন করে, ভাড়া করা ফার্নিচার এনে ঘর সাজায়, তারপর একদিন আশেপাশের হোটেলে টাকা বাকি
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
-
তার একটু দেরি হয়ে গেল। কারণ শিশির-ভেজা ঘাসের জন্য পা-ঢাকা জুতো পরে নিতে হল তাকে। ঘর থেকে বেরিয়ে সে দেখতে পেল, তার স্বামী অপেক্ষা করছে, বাদামের কুঁড়ির ফুটে-ওঠা দেখতে দেখতে বিস্ময়ে তন্ময়। লম্বা লম্বা ঘাসের উপর দিয়ে ফলের গাছগুলোর চারপাশে সে সন্ধানী দৃষ্টি ফেলল।
“নেকড়েটা কোথায়?” জিজ্ঞেস করল সে।
কুঁড়িদের সৃষ্টি-রহস্যের দার্শনিক ও কাব্যিক জগৎ থেকে নিজেকে যেন সজোরে বিচ্ছিন্ন করে নিল ওয়াল্ট আরভিন। উত্তর দিল—“এই তো ছিল কিছুক্ষণ আগেও।” চারদিকটা দেখে নিয়ে সে বলল, “একটা খরগোশের পেছনে ছুটতে দেখেছিলাম তখন।”
ছিমছাম জায়গাটা ছেড়ে সরু পথটা ধরে যাবার সময় সে ডাকল, “নেকড়ে, নেকড়ে, এদিকে আয়, নেকড়ে।” সরু পথটা গিয়ে পড়েছে
-
পাঁউরুটির শেষ টুকরোটা দিয়ে প্লেট থেকে ময়দার তরকারির অবশিষ্টটুকু চেঁচেপুঁছে তুলে নিল টম কিঙ্। টুকরোটাকে মুখে পুরে ধীরেসুস্থে চিন্তামগ্নভাবে চিবোতে শুরু করল। খাওয়া শেষ করে টেবিল থেকে ওঠার পরেও মনে হচ্ছে খিদেটা মেটেনি। তবু তো বাড়ির মধ্যে ও একাই আজ খেয়েছে। ছেলে দুটোকে আগেভাগে ঘুম পাড়িয়ে পাশের ঘরে শুইয়ে দেওয়া হয়েছে—যাতে ওরা খেতে পায়নি বলে চেঁচামেচি না করে। টমের স্ত্রী মুখে কিছু ঠেকায়নি। চেয়ারে বসে স্নেহ-ভরা চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রমিক ঘরের মেয়ে টমের বউ। শুকনো রোগা চেহারা, কিন্তু তবু মুখ থেকে লাবণ্যটুকু এখনো পুরো মুছে যায়নি। তরকারির জন্যে ময়দাটা সে প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করে এনেছিল। শেষ পুঁজি
-
সে-বার মায়ের সঙ্গে আমরা গাঁয়ের বাগান-বাড়িতে আছি। মিশকা এল দিনকতক বেড়াতে। কী যে আনন্দ হল বলবার নয়। ও না থাকায় ভারি একলা লাগছিল। মা-ও খুশি হল খুব।
বলল, ‘যাক, এসেছিস বাঁচা গেল। দুজনে মিলে তোদের আনন্দে কাটবে। তবে শোন, কাল আমায় শহরে যেতে হবে, দিন কতক আটকে যেতেও পারি। আমি না থাকলে অসুবিধা হবে না তো?’
আমি বললাম, ‘কিছু অসুবিধা হবে না, আমরা তো বাচ্চা নই!’
‘তোদের কিন্তু নিজেই রান্না করে নিতে হবে, পারবি?’
‘পারব বইকি,’ বলল মিশকা, ‘না পারার কী আছে।’
‘বেশ, তাহলে সুরুয়া আর পরিজ রাঁধিস। পরিজ রাঁধা সবচেয়ে সোজা।’
‘তা পরিজই রাঁধব, কী আর হয়েছে!’ বলল মিশকা।
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে বলে এরকম দিনে সাগরের ঢেউ ওঠে তিন তলা বাড়ির সমান উঁচু, বাতাসের ঠান্ডা ঝাপট তলোয়ারের মতো শনশনে, মেঘে ছেয়ে আসমান এমন জমাট যে চোখে কিছু দেখা যায় না।
উলদুজ দাদুর কাছে শুনেছে যে লোকে সাগরের বুকে মস্তো এক শহর তুলেছে। রাস্তাগুলো তার ভারী লম্বা লম্বা। দুধারে তার বড়ো বড়ো উঁচু বাড়ি। তারই একটা বাড়িতে থাকেন দাদু। এক হপ্তা থাকেন সেখানে, তেল তোলার ডেরিকে যতক্ষণ কাজ চলে, তারপর ফিরে আসেন বাড়িতে। ক’দিন জিরিয়ে আবার চলে যান তাঁর সাগরের শহরে। সত্যি বলতে
-
ত্যুলকা মেয়েটির চোখ দুটি নীল, মাথায় মজার দুটি বেণী, একটা চাকার মতো, আরেকটা ছাগলের শিঙের মতো। জেলেদের জেটি বরাবর মনমরার মতো সে হাঁটছে। মাথার ওপর হাসিখুশি হালকা মেঘ উড়ে বেড়াচ্ছে হাসিখুশি গাঙচিল, হাসিখুশি রোদ্দুর চারদিকে, কিন্তু মেয়েটির মন ভার। চুপ করে তাকিয়ে দেখছে সমুদ্রের দিকে।
আর সে কী সমুদ্র! এই নীল। এই আবার ছেয়ে সবুজ। হঠাৎ একেবারে সোনালি। কিন্তু ত্যুলকার চোখ অন্যদিকে...দূরের ওইখানটায়, যেখানে সবচেয়ে নীল, সেখানে সমুদ্রের গভীরে আছে গন্ধকী-হাইড্রোজেনের রাজ্য, জীবন্ত সবকিছুই মারা পড়ে তাতে, কাঁকড়া, মাছ, জেলি ফিশ, এমনকি সিন্ধুঘোটক পর্যন্ত...
এই বিছছিরি গ্যাসটার কথা সে শুনেছে স্কুলের শিক্ষিকা আল্লা ফেদোরভনার কাছ থেকে। সেই থেকে ত্যুলকার মনে
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে আসবে। ছুটে বেড়াবে ভেড়ার পালের পাহারাদার কুকুরগুলোর সঙ্গে। চেয়ে দেখবে তার আদরের শাদা-লেজো ভেড়াটাকে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, তার বাপ-মায়ের এখনকার ঘরটির তলে গিয়ে ঢুকবে, কেননা ওটা তো সাধারণ ঘর নয়, চাকায় বসানো। কোনো ভিত নেই তার, শুধু চারটে চাকা। সবচেয়ে আগে অবিশ্যি দরকার আশপাশটা দেখা।
মা-বাপে কিন্তু মাম্বেতকে ছাড়ছিল না। কেবলি জিজ্ঞেস করছিল গাঁয়ের লোকের খবর কী, কেমন আছেন দিদিমা, কাকু কী করছে...
এদিকে শীতের সন্ধে তো ছোট্ট। দেখতে-না-দেখতেই বাতি জ্বলে উঠল, শুরু হল রাতের খাওয়া। শুইয়ে দিল মাম্বেতকে।
-
বৃষ্টি চলছিল অনেকক্ষণ।
কালো পিচের ওপর আলোর হলদে ছোপগুলো যেন কড়াইয়ের ওপর ডিমের কুসুম। গাছপালা, ঘরবাড়ি, রেলিঙ, খবরের কাগজের কিওস্ক আর ছোট্ট স্কোয়ারটার গেটের সামনে প্লাস্টার অব প্যারিসের হর্ণ বাজিয়ে মূর্তিগুলো এমন আবহাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আগেই ভিজে একেবারে জবজবে হয়ে গেছে তারা, এখন আর কিছুতেই এসে যায় না। তাই সবাই নিজের নিজের কাজ করে চলল, ‘শাখা দুলিয়ে চলল গাছেরা, মস্কো থেকে আসা সার্কাসের ভেজা পোস্টার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল রেলিঙ, বাড়িগুলো তাদের সদর দরজা খোলে আর বন্ধ করে, নানা রঙের আলোয় ঝকমল করে চলল জানলাগুলো, আর হর্ণ বাজিয়েরা শিঙায় মুখ দিয়ে তৈরি হয়েই থাকল, দরকার পড়লে ভোঁ দেবে।
শুধু পত্রিকার
-
দক্ষিণের নীল আকাশটুকু ধুলোয় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে; প্রদীপ্ত সূর্য যেন ধূসর পর্দার ভিতর দিয়ে আব্ছা দৃষ্টিতে হরিৎ সমুদ্রের দিকে চেয়ে আছে। জলে সূর্যের প্রতিবিম্বটুকুর পর্যন্ত অবসর নেই, কর্মব্যস্ত বন্দরের সেই জল ক্রমাগত দাঁড়ের আঘাতে আর স্টীমারের চাকার আবর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, দিকবিদিক—গামী তুর্কী জাহাজ ও নানা অর্ণবপোত অবিরাম সমুদ্রের জল যেন চষে চলেছে; উন্মুক্ত ঢেউগুলি গুরুভার জলযানের চাপে পাষাণ প্রাচীরে অবরুব্ধ হয়ে জাহাজের গায়ে ও তটভূমিতে আছড়ে পড়ছে। মন্থনক্ষুব্ধ ফেনিল ও আবর্জনাময় জলরাশি আছড়ে পড়ে যেন তার অভিযোগ জানায়।
নোঙরের শিকলের ঝন্ঝন শব্দ, মালবাহী রেলগাড়ির ঝম্ঝমানি, পাথরের মেঝের উপর লোহার পাত ফেলার তীব্র ঝনৎকার, কাঠ নামানোর দুমদাম শব্দ, ভাড়াটে
-
‘নেড় গার্লানের উত্তরাধিকারী’—পরিচিত লোকেরা ঠাট্টা করে ওদের এই আখ্যাই দিয়েছিল—ছিল সাতজন অল্পবয়সী ছাত্রছাত্রী, গার্লানেরই দেওয়া একটা মোটরবোটের যৌথ মালিক। গার্লান ক্ষয়রোগে সুইজারল্যাণ্ডে দেহত্যাগ করে।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি ‘উত্তরাধিকারীদের’ প্রথম ভ্রমণ শুরু হল। তারা বন্য জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্নার্ক হ্রদের তীরের দিকে যাত্রা করল।
অষ্টম একজন ব্যক্তি আমন্ত্রিত হয়েছিল—কোলবেয়র। যে ক’টি মেয়ে এই ভ্রমণে চলেছে তাদেরই একজন—জয় টেভিসের প্রতি কোলবেয়রের অসুখী প্রেম এক বছর আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং প্রায়ই মন্তব্যের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
ষোল বছর বয়স থেকে শুরু করে আজ অবধি জয় টেভিস একের পর এক ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে, কিন্তু যেহেতু ক্ষত নিরাময়ের ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছেও তার ছিল
-
মূল রুশ থেকে অনুবাদ: হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
অনুবাদ সম্পাদনা: অর্দ্ধেন্দু গোস্বামী
তিনটি অনাথ ভাই। বাপও নেই, মাও নেই। না আছে বাড়ি, না আছে ঘর। দিনমজুরের কাজের আশায় তাঁরা ঘুরে বেড়াতে লাগল গাঁয়ে গাঁয়ে, জোতদারদের বাড়িতে বাড়িতে।
ঘুরতে ঘুরতে ভাবছে, ‘ভালো মনিবের কাছে যদি কাজ পেতাম!’ এমন সময় দেখতে পেল এক বুড়ো যাচ্ছে—খু-উ-ব বুড়ো, পেট পর্যন্ত লম্বা তার সাদা দাড়ি।
ভাইদের কাছে এসে বুড়ো জিজ্ঞেস করল, ‘বাছারা কোথায় চলেছ?’
তারা জবাব দিল, ‘মজুরের কাজের খুঁজে চলেছি।’
‘তোমাদের নিজেদের বুঝি জায়গা-জমি নেই?’
তারা বলল, ‘না। যদি ভালো মনিব পেতাম, সৎভাবে তাঁর কথামতো কাজ করতাম, আর তাঁকে নিজেদের বাপের মতো ভক্তি-শ্রদ্ধা করতাম।’
বুড়ো একটু
উৎস
- পরিচয়
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- সোনার পেয়ালা
- কথা পাঞ্জাব
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- রাঙা পাল
- কাজাখ লোককাহিনী
- রূপের ডালি খেলা
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ভাবনা সমবায়
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- তানিয়া
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.