-
গার্ম শহর থেকে এক পালোয়ান এল হীসার শহরের বাজারে সেখানকার পালোয়ানের সঙ্গে শক্তির লড়াই করে দেখার ইচ্ছা হল তার।
‘এস দেখা যাক, আমাদের মধ্যে কে বেশি শক্তিশালী?’ বলল গার্মের পালোয়ান।
লড়াই আরম্ভ হল তাদের। সে লড়াই দেখতে লোক জড় হল।
লড়াই করতেই লাগল তারা, কিন্তু কেউ কাউকে হারাতে পারে না কিছুতেই। সূর্য পাটে বসেছে। আঁধার নামছে ওদিকে। তখন গার্মের পালোয়ান গীসারের পালোয়ানকে বলল, ‘চল, চাখানায় যাওয়া যাক, চা খাওয়া যাবে আর বাজি রেখে দেখব কে যেতে। আমাদের মধ্যে যে বলতে পারবে সবচেয়ে বড় গাঁজাখুরি গল্প যে গল্পে উপস্থিত শ্রোতাদের কেউ বিশ্বাস করবে না, সেই জিতবে।’
‘ঠিক আছে।’ বলল হীসারের পালোয়ান।
-
এক গ্রামে এক কিপ্পন বুড়ো ছিল। নিজে সে ছেঁড়া পোশাক আশাক পরে থাকে, ছেলেমেয়ে, বউকে রাখে আধপেটা খাইয়ে, নিজেও পেটভরে খায় না—এমনি ভাবে অর্থ জমাবার চেষ্টা করে। এক ঘড়া সোনার আর এক ঘড়া রূপোর মোহর জমিয়ে সে নিজের বাড়ির বেড়ার নীচে মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।
কিন্তু সে বছর ফসল মোটে হল না, তাই বুড়োর মনে পড়ল সেই সঞ্চিত ধনের কথা।
একটা কোদাল নিয়ে গিয়ে সে মাটি খুঁড়তে লাগল সে ধন তুলবে বলে। সোনার মোহরভরা ঘড়াটা তুলে যেই খুলতে যাবে অমনি কে যেন বলে উঠল: ‘ছুঁয়ো না—এ হল কুরবানের ধন!’
‘আরে এ আবার কি?’ অবাক হল বুড়ো, তাড়াতাড়ি সে ঘড়ার মুখটা
-
এক দেশে ছিল এক দয়ালু ন্যায়পরায়ণ লোক। লোকটি খুব ভাল জানত মালীর কাজ, এক চমৎকার বড় বাগান তৈরী করেছে সে নিজের জন্য। যখন তার বয়স হল নিজে আর খাটতে পারে না তখন নিজের ছেলে হামদামের হাতে তুলে দিল দেখাশোনার ভার। বাবার থেকে হামদামও পেয়েছে দয়ালু আর ন্যায়পরায়ণ চরিত্র আর সেই সঙ্গে ফুল-গাছপালার প্রতি ভালবাসা।
বিয়ে করেছে হামদাম, দুটি অতি সুন্দর ছেলে তার।
মৃত্যুর সময় এগিয়ে আসছে বুঝতে পেরে একদিন তার বাবা ছেলেকে ডেকে পাঠাল, বন্ধু আর প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে বলল ছেলেকে: ‘বাপ হামদাম!’ আমি মরে গেল যে কাজ আমি আরম্ভ করেছি তা তুই চালিয়ে যাবি... সৎভাবে পরিশ্রম করবি, দয়ালু আর ন্যায়পরায়ণ
-
বনের পশুরা একদিন জুটে পরামর্শ করতে লাগল কাকে রাজা করা যায়, সবাই যাকে কেবল ভয়ই করবে না, ন্যায্য বিচারক বলে মান্যও করবে। কিন্তু রাজা ঠিক করা গেল না—জমায়েতে সবাই আসে নি: সবচেয়ে বড়োসড়ো বলবান জন্তুরাই হাজির ছিল না। তখন ঠিক হল আবার সবাইকে ডাকা হবে―ছোটো থেকে বড়ো পর্যন্ত সবাইকে, যাতে ব্যাপারটা চুকে যায়।
সব জন্তুই এল সেদিন। ছিল: হাতি, সিংহ, বাঘ, জলহস্তী, গণ্ডার, ভালুক, নেকড়ে, হরিণ, উট, শেয়াল, খরগোশ, বনশুয়োর, জেব্রা, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, গরু, কুকুর, বেড়াল, মেরু-বেড়াল, ধেড়ে ইঁদুর, নেংটি ইঁদুর, যতরকম জন্তু ছিল দুনিয়ায়; বলতে-কি গাধাও বাদ যায় নি।
সবাই যখন জুটল, প্রথম কথা বলতে শুরু করল হরিণ:
-
অনেকদিন আগে, কেউ জানে না কবে, ভরত পাখি ছিল রাজা, আর মূষিকা ছিল রানী। নিজেদের মাঠ ছিল তাদের। গম বুনল তাতে। গম ফলার পর দানা ভাগাভাগি করতে লাগল। কেবল একটা দানা রয়ে গেল বাড়তি। মূষিকা বললে: ‘ওটা আমিই নিই।’
কিন্তু ভরত বলে: ‘না, ওটা আমার।’
‘বেশ, আধাআধি চেরা যাক।’
ভরত পাখি রাজি হল। ভাঙার জন্যে দানায় কামড় দিয়েই-না মূষিকা সেটা মুখে করে পালাল গর্তে। ভরত পাখি তখন জিগির দিলে, মূষিকা রানীর সঙ্গে লড়াইয়ে জড়ো করল বনের সব পাখি, রানী জড়ো করল সব পশুদের, যুদ্ধ বাধল।
লড়াই চলল সারা দিন, সন্ধেয় জিরিয়ে নেবার জন্যে থামল সবাই। মূষিকা রানী তাকিয়ে দেখে, ডাঁশেরা
-
অনেক কাল আগে কিয়েভে ছিল এক প্রিন্স। আর কিয়েভের কাছেই থাকত নাগ। প্রতি বছর নাগকে ভেট দিতে হত: হয় কোনো নওল কুমার, নয় কুমারী। তারপরে তো একদিন প্রিন্সের মেয়েকে পাঠাবার পালা এল। করবার কিছু, নেই: প্রজারা পাঠিয়েছে, প্রিন্সকেও পাঠাতে হয়। নিজের মেয়েকে তাই নাগের কাছে ভেট পাঠাল প্রিন্স।
আর মেয়েটি এত সুন্দরী, এত মিষ্টি যে কাহিনীতে বলবার নয়, কলম, দিয়ে লিখবার নয়।
নাগ তার প্রেমে পড়ে গেল। একদিন মেয়েটি তাকে সোহাগ দেখিয়ে শুধাল: ‘আচ্ছা, দুনিয়ায় এমন লোক আছে যে তোমায় হারাতে পারে?’
নাগ বললে, ‘আছে, তেমন একজন আছে কিয়েভে, নিপার নদীর পাড়ে। বাড়িতে যখন আঁচ দেয়, ধোঁয়ায় আকাশ যায় ছেয়ে,
-
থাকত এক বুড়ো আর বুড়ি। তাদের তিন ছেলে: দুুজন বুদ্ধিমান, একজন বোকা। বুদ্ধিমানদের ভালোবাসত বুড়োবুড়ি। হপ্তায় হপ্তায় বুড়ি কামিজ দেয় বুদ্ধিমানদের, আর বোকাটাকে নিয়ে হাসাহাসি করে সবাই, বকাবকি করে। চুল্লির ওপরকার মাচায় সে বসে থাকে খাদি কাপড়ের কামিজ গায়ে; বুড়ি খেতে দিলে খায়, না দিলে উপোসেই কাটায়।
একদিন গাঁয়ে খবর এল: রাজা তার মেয়ের বিয়ে দেবে, গোটা রাজ্যের লোককে ডাকবে নেমন্তন্নে। আর মেয়েকে রাজা সম্প্রদান করবে তাকে, যে উড়ন্ত জাহাজ বানিয়ে তাতে করে উড়ে আসবে।
বুদ্ধিমান ভাইয়েরা গেল বনে।
গাছ কেটে ভাবতে লাগল উড়ন্ত জাহাজ বানাতে পারলে হয়।
তাদের কাছে এল এক থুথুরে বুড়ো: ‘ভগবান মঙ্গল করুন তোমাদের! দাও বাছা
-
বইটি লিখেছেন প্রখ্যাত সোভিয়েত সাহিত্যিক এবং কবি কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ। তার কাছে যদি যেতে চাই, তাহলে আমাদের ট্রেনে, না, বরং বিমানে চাপা ভালো, কেননা যেতে হবে অনেক দূরে, সোভিয়েত ইউনিয়নের দক্ষিণে, গরমের দেশ তুর্কমেনিয়ায়। আশ্চর্য জায়গা। শহরের রাস্তায় সেখানে দেখা যাবে নানা রঙের মোটরগাড়ির পাশেই গুরুগম্ভীর ভারবাহী উট কিংবা চোখ-ড্যাবডেবে গাধা। খেতে ফলে শুধু গম নয়, তুলোও, যা থেকে পরে বানানো হয় ছেলে-বুড়ো সকলের পরার মতো পোশাক-আশাকের কাপড়। আর বাগিচাগুলো কী নেই সেখানে! লালচে আপেল, বাদামি নাশপাতি, টসটসে পাকা কোয়া-ভরা ডালিম, থোপা থোপা আঙুর, খুবানি, বাদাম। লতাভুঁইয়ে পেকে ওঠে বড়ো বড়ো মিষ্টি বাঙি, পেটমুটো তরমুজ। তুর্কমেনিয়ায় ফলে যা কিছু স্বাদ, স্বাস্থ্যকর,
-
পথ চলার সময় মানুষকে যেমন মন খুলে কথা বলায় পেয়ে বসে, এমন আর কখনও হয় না। যে কথা আমরা ঘনিষ্ঠতম বন্ধুকেও কখনো বলব না, সে কথা একেক সময় দেখেছি সহযাত্রীকে সহজেই বলে ফেলেছি। তার সঙ্গে এই প্রথম দেখা, জীবনে আর হয়ত কোনদিন দেখা হবে না, তাই যে কথা বার কয়েক বলেও মনের ভার লাঘব করা যায়নি সে কথা বলার পক্ষে এই লোকটিই কি সবচেয়ে ভাল নয়? এই লোকটি ছাড়া আর কার কাছে প্রকাশ করব বহুদিনের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা, অন্যের মুখে শোনা কাহিনী আর তেমন হলে কিছু অহঙ্কারও?
ভ্রমণ মানে শুধু চলাই নয়। হয়ত বদলীর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি কিম্বা রাস্তার মোড়ে
-
[এই রচনাটির একটি রাজনৈতিক পটভূমিকা আছে। ১৮৭৭ খৃীষ্টাব্দে ভেরা জাসুলিচ নামে এক রুশ তরুণী পিটারবুর্গের (বর্তমান লেনিনগ্রাদ) গভর্নর-জেনারেল ত্রিয়েপভ্কে গুলি করে। আদালতে ভেরার বিচার শুরু হয়। ভেরার বিচার বহুলাংশে তুর্গেনিভের এই লেখাটির অনুপ্রেরণা। এর রচনাকাল ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের মে মাস। পাঁচ বছরের উপর এই ‘গদ্য-কবিতা’টি অপ্রকাশিত অবস্থায় ছিল। অবশেষে ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দে ২৭শে সেপ্টেম্বর তারিখে 'জনমত' (নারদনাইয়া ভলিয়া) পত্রিকার সঙ্গে পৃথকভাবে এটি ছাপানো হয় এবং পিটারবুর্গ শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়; সেদিন ছিল তুর্গেনিভের সমাধিদিবস।
বহুদিন পর্যন্ত ‘প্রবেশদ্বার' তুর্গেনিভের ‘নির্বাচিত রচনাবলী'র অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ১৯০৫ খ্রীষ্টাব্দের রুশ বিপ্লবের পরই রচনাটি পাঠক-সমাজে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।—অনুবাদক]
এক বিশাল প্রাসাদ দেখতে পাচ্ছি।
প্রাসাদের সম্মুখস্থ প্রাচীরের
-
তখন আমরা ভাবতাম যে কারাভান্নায় রাস্তায় নিশ্চয় ঠুন-ঠুন ঘন্টি বাজিয়ে যায় ক্লান্ত ধূলি-ধূসর উট, ইতালিয়ানস্কায়া রাস্তায় থাকে কালো-চুল ইতালিয়ানরা, আর চুমকুড়ি সাঁকোতে সবাই চুমু খায়। পরে মিলিয়ে গেছে কারাভান আর ইতালিয়ানরা, রাস্তাগুলোর নাম পর্যন্ত এখন অন্য। অবিশ্যি চুমকুড়ি সাঁকোর নামটা এখনো তাই আছে।
আমাদের পাড়ার আঙিনাটা ছিল পাথরের খোয়ার বাঁধানো। খোয়া পড়েছিল সমানভাবে নয়, কোথাও উঁচু কোথাও নিচু। জোর বৃষ্টি হলে নিচু জায়গাগুলো জলে ভরে যেত, উঁচুগুলো থাকত পাথুরে দ্বীপের মতো! জুতো যাতে না ভেজে তার জন্যে আমরা দ্বীপ থেকে দ্বীপে লাফিয়ে লাফিয়ে আসতাম। তাহলেও বাড়ি পৌঁছতাম ভেজা পায়েই।
বসন্তে আঙিনাটা ভরে উঠত পপ্লারের ঝাঁঝালো রজনের গন্ধে, শরতে আপেল। আপেলের
-
‘চলো বনে যাই। স্কী করব।’
‘দিনটা স্কী করার মতো নয় রে। দেখ-না, কেমন ঝড় উঠেছে।’
‘উঠুগ গে ঝড়।’
‘স্কীয়ের পথগুলো নিশ্চল বরফে ঢেকে গেছে।’
‘নতুন পথ কাটব আমরা। আমি যাব আগে-আগে। নাও, পোষাক পরো।’
‘কালকে গেলে হয় না?’
‘আমি গিয়ে স্কী নিয়ে আসছি, তুমি পোষাক পরে নাও।’
‘বেশ।’
ছেলে তার জেদ ছাড়লে না। স্কী আনতে গেল সে, আর অনিচ্ছায় জুতো পরতে লাগল বাপ।। ঠাণ্ডা,কড়া জুতো, পশমের মোটা মোজা পরা পা তাতে কিছুতেই ঢুকতে চাইছিল না। তারপর বহুক্ষণ ধরে ফিতে বাঁধতে লাগল সে, যেন ইচ্ছে করেই সময় নিচ্ছে: ঠাণ্ডায় বেরতে চাইছিল না।
ছেলে ওদিকে স্কী নিয়ে, পোষাক পরে, এসে দাঁড়িয়েছে পাশেই,
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কথা পাঞ্জাব
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- ইউক্রেনের লোককথা
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- কাজাখ লোককাহিনী
- তাজিক লোককাহিনী
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পরিচয়
- রূপের ডালি খেলা
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- উক্রাইনীয় উপকথা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- তানিয়া
- রাঙা পাল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- ভেদ-বিভেদ (২)
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- ভাবনা সমবায়
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭০)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.