-
ঘুম যখনই ভাঙুক না কেন, একটা না একটা দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পাওয়াই যায়। এক অশরীরী দম্পতি হাত ধরাধরি করে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে যাচ্ছে। এখানে এটা তুলছে, ওখানে সেটা খুলছে। আবার দেখছে সব ঠিক আছে কি না।
‘দেখো দেখো! এটা এখানেই রেখে গিয়েছিলাম!’ মেয়েটা বলে।
ছেলেটা সঙ্গে জুড়ে দেয়, ‘হ্যাঁ! এই যে দেখো এখানেও!’
'ওপরতলায়', মেয়েটা বিড়বিড় করে, ‘আর বাগানেও।’
ছেলেটা ফিসফিস করে বলে, ‘আরে! চুপ চুপ!’ তারপর দুজনে একসঙ্গে বলে, ‘নইলে যে ওদের ঘুম ভেঙে যাবে!’
ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে ওরা আমাদের ঘুম ভাঙায়। একদমই অমন কিছু হয় না। ‘দেখেছ, ওরা না খুঁজেই চলেছে; কেমন পর্দা
-
মানুষ থাকে মাটির উপর—ঘরে কি দালানে। আর পাখিরা থাকে গাছের উপর। এইটাই নিয়ম। শুধু এখন বলে নয়, চিরকালই এই নিয়ম চলে আসছে। তবু মানুষের বাচ্চা হয়েও ওরা দুই ভাই গাছের আগায় বাসা বাঁধল। যে দেখে সে-ই হাসে। এমন কাণ্ড কেউ কোনোদিন দেখেছে?
দুটি ভাই—বলটু আর পলটু। ওদের নিত্যি নতুন খেলা। এ সব খেলার নামও কোনো দিন কেউ শোনে নি। কে-যে ওদের মাথায় এ সব বুদ্ধি যোগায় কে জানে! খুঁজে খুঁজে শেষে দক্ষিণ দিকের চালতে গাছটাকে ওরা বাছাই করল। এই গাছের মাথায় মাচা বাঁধতে হবে। যেমন কথা তেমনি কাজ। সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু হলে গেল। গাছের একেবারে মাথার দিকে তিনটে ডাল
-
চোর গেল রাজবাড়িতে চুরি করতে। কিন্তু রাজবাড়িতে চুরি করা—সে কি আর চাট্টিখানি কথা? পাহারাওয়ালাগুলো সারারাত জেগে জেগে পাহারা দেয়। একটু পায়ের শব্দ কি খচর মচর শুনলে আর কি রক্ষা আছে! অমনি বাজখাই গলায় হেকে ওঠে—কৌন হ্যায় রে? ওরে বাপরে বাপ, সে কি গাল, শুনলে পরে পেটের পিলে চমকে ওঠে।
আচ্ছা, এমন করলে চুরি করা যায়? চোর এদিকে যায়, ওদিকে যায়, উঁকি মেরে দেখে, উঁহুঃ, কোথাও একটু ফাঁক নেই। ভীমের মতো পালোয়ান সব লাঠি বাগিয়ে বসে আছে। একটু টের পেলেই পিটিয়ে ময়দা বানিয়ে ছাড়বে। নাঃ, এখানে চুরি করা যাবে না। চোর মনের দুঃখে রাজবাড়ি থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এলো।
রাজবাড়ী থেকে
-
রাত্রি বাজে নটা। ডাক্তারবাবু তাঁর ডাক্তারখানায় বসে আছেন। মেজাজটা বিশেষ ভালো নয়। সেই কখন থেকে বসে আছেন, একটা রোগীও আসে না। আজ হলো কি? দেশে রোগ-শোক সব দূর হয়ে গেল নাকি?
অবশেষে একজন দেখা দিল। ডাক্তারবাবু একটু তাজা হয়ে উঠে বসলেন। কিন্তু সে লোক যখন ঘরে এসে ঢুকল, তাকে দেখেই ডাক্তারবাবু মনটা বিগড়ে গেল। লোক নয়, মেয়েলোক—ও পাড়ার কেলোর মা। গরীবের বেহন্দ। একটা পয়সা দেবার ক্ষমতা নেই।
কেলোর মা ঘরে ঢুকেই একেবারে কেঁদে পড়ল, ডাক্তারবাবু গো, আমার কেলোর জ্বর যে কেরমেই বেড়ে চলেছে। কেমন-যে করছে, ডাকলে সাড়া দেয় না। আপনি একবার চলো।
ডাক্তারবাবু মুখ খিঁচিয়ে উঠলেন। এঃ একটা পয়সা দেবার
-
মাছের রাজা বোয়াল। রাজার মতো রাজা। যেমন নাম তেমন কাম। নদীর যত মাছ সব তার প্রজা। তার কথায় ওঠে বসে।
এহেন রাজা রাঘব বোয়াল, তার মা গেল মারা। মা থাকলে মরবেই। যার মা নেই, একমাত্র তারই মা মরে না। সবাই এই বলে রাজাকে সান্ত্বনা দিল। রাজা বললেন, মায়ের শ্রাদ্ধে এমন খাওয়া খাওয়াও, যা কেউ জন্মে দেখে নি। আমি রাজা, আমার কাছে বড়-ছোট ধনী-গরীব ভেদ নেই। আমি সবাইকে নেমন্তন্ন দেব। রাজ্যের এক দিক থেকে আর এক দিক পর্যন্ত ঢোল পড়ল।
শোন শোন মৎস্যগণ, করি নিবেদন—
রাজ-জননীর হইল পরলোক গমন (ঢ্যান্ ঢ্যান্ ঢ্যান্)
তার স্বর্গ কামনায় ভোজন উৎসব (ঢ্যান্ ঢ্যান্)
বড় ছোট
-
পিঠোপিঠি দুটি ভাই। লোকে বলে রাম আর লক্ষ্মণ। আজকালকার দিনে এমন নাকি দেখা যায় না। যেখানে যাবে দুটিতে এক সঙ্গে যাবে, যাই করবে দুজনে এক সঙ্গে মিলে করবে। একজনকে ছেড়ে আর একজন একদণ্ড থাকতে পারে না। যে দেখে সেই বলে, নাঃ, সেই রাম-লক্ষ্মণই যেন ফিরে এসেছে।
ঘরে ঘরেই ওদের নিয়ে কথা। সবাই নিজের ছেলেমেয়েদের কাছে ওদের তুলনা দিয়ে বলে, দেখ তো, রাম-লক্ষ্মণ, কি সুন্দর দুটি ভাই। আর তোরা এমন? ওদের বাপ মা’র দেওয়া নামটা পেছনে পড়ে রইল। লোকের মুখে মুখে রাম-লক্ষ্মণ নাম ক্রমে চালু হয়ে গেল। ওদেরও শুনে শুনে অভ্যাস হয়ে গেছে। রাম-লক্ষ্মণ বলে ডাকলে ওরা সাড়া দেয়।
কিন্তু গ্রামের
-
ঠাণ্ডাটা আজ একটু বেশিই পড়িয়াছে, বাহিরেও কনকনে বাতাস, বেড়ার ফাঁক দিয়া সে বাতাস আসিয়া সকলের গায়ে লাগে। একপাশে একটি কুপি জ্বলিতেছে—প্রচুর ধোঁয়ায় মেশানো, লাল শিখা। বাতাসে কড়া তামাকের গন্ধ। রাত এখন কয়টা হইয়াছে কেহ বলিতে পারে না। মাঝে মাঝে কেবল কুকুরের ডাক ছাড়া গভীর নিস্তব্ধতা চারিদিকে।
কলকেটি উপুড় করিয়া আর এক ছিলিম তামাকের আয়োজন করিতে গিয়া কানাই দেখিল, কৌটাতে তামাক নাই। হাতের কাছেই ভেজানো দরজার দিকে চাহিয়া বলিল, ‘একটু তামাক দে তো রে, দামি?’
দামিনী কানাইর মেয়ে। কেবলমাত্র বাবার মুখের অদ্ভুত গল্পটার আকর্ষণেই এতরাত অবধি জাগিয়াছিল। বলিল, ‘তামাক তো নেই বাবা।’
—‘সে কী, কালই না অতগুলো পাতা কাটলাম?’ খাওয়ার মালিক
-
দীর্ঘ পঁচিশটা বছর পরে।
বিকালের রোদের নীচে সরু আলোর পথ দিয়া হাঁটিতে হাঁটিতে প্রশান্ত ভাবিল, দীর্ঘ পঁচিশটা বছর পরে আবার এই প্রথম সে গ্রামের দিকে পথ চলিতেছে। সেই পরিচিত পথ। সেই বুনোফুল-ঘাস-লতাপাতার গন্ধ, শুকনো পাতার স্তূপে কোনো অদৃশ্য প্রাণীর খস খস শব্দ, হঠাৎ কখনও সারি সারি আকাশ-ছোঁয়া তালগাছের সামঞ্জস্যহীন অবস্থিতি, সেই খেয়াঘাটের নৌকা ও মাঝি। বছরের পর বছর, মুহূর্তের পর মুহূর্ত কত পরিবর্তন চলিতেছে, কত স্বেচ্ছাচারীর চোখে-মুখে উল্লাস, কত ডাকাত পরের অন্নে মাথা ঠোকাঠুকি করে, অথচ এখানে তার ছোঁয়াটুকু নাই। পঁচিশ বছর আগের পুরুষরা একদিন আকাশের দিকে চাহিয়া নিরুপায়ে কাঁদিয়াছে, তার বংশধরেরা আজও কাঁদিতেছে, তাহাদের চোখ-মুখ ফুলিয়া গেল। আকাশে কী
-
আমাদের বাসায় ইঁদুর এত বেড়ে গেছে যে আর কিছুতেই টেকা যাচ্ছে না। তাদের সাহস দেখে অবাক হতে হয়। চোখের সামনেই, যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্যদলের সুচতুর পদক্ষেপে অগ্রসর হওযার মতো ওরা ঘুরে বেড়ায়, দেয়াল আর মেঝের কোণ বেয়ে-বেয়ে তর-তর করে ছুটোছুটি করে। যখন সেই নির্দিষ্ট পথে আকস্মিক কোনো বিপদ এসে হাজির হয়, অর্থাৎ কোনো বাক্স বা কোনো ভারী জিনিসপত্র সেখানে পথ আগলে বসে, তখন সেটা অনায়াসে টুক করে বেয়ে তারা চলে যায়। কিন্তু রাত্রে আরও ভয়ংকর। এই বিশেষ সময়টাতে তাদের কার্যকলাপ আমাদের চোখের সামনে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুরু হয়ে যায়। ঘরের যে কয়েকখানা ভাঙা কেরোসিন কাঠের বাক্স, কেরোসিনের অনেক পুরোনো টিন, কয়েকটা ভাঙা
-
Translated by Asoke Mitra
Mice have so vastly multiplied in our house that it seems they will drive us out one day. One is amazed at their cheek. Right under our nose, with adroit steps, they manoeuvre like armies on a battlefield, scurrying along the corners of the floor and walls. When anything is in their way, a box or anything bulky, they just climb over and disappear. But at night it is more terrible. Then they just ignore us and go on their rounds. Strange, incessant sounds emerge from broken packboxes, old kerosene tins, broken stools and earthenware. Strums
-
একটি মাত্র হলে এত পরিচ্ছদ, এত শাড়ির বৈচিত্র্য, তবু গুঞ্জন কোলাহল হইয়া ওঠে নাই, আর হয়ও না। কারণ, যে সমাবেশ, যে পরিবেশ—এখানকার বাতাসে যে সুরুচির সৌরভ, জীবনের বিশেষ অভিব্যক্তি।
মিসেস ঘোষ সমুদ্রপারের মেয়ে, আরও অনেক ইংরেজ মেয়ের মতোই একটি বাঙালি ছেলেকে বিবাহ করিয়া আজ বছর দশেক হয় কলিকাতায়, অর্থাৎ ভারতবর্ষের আকাশের নীচে। বিদেশী এই বিহঙ্গীর বয়স হইয়াছে, কিন্তু চেহারার জৌলুস এতটুকু কমে নাই। বিশেষ করিয়া হাসিটি—বরফের কুচির মতো দাঁতগুলি কী সুন্দর চকচক করিয়া ওঠে। যাই বল, ঘোষ লোকটি ভাগ্যবান, পত্নী-ভাগ্যে ভাগ্যবান। সেই মিসেস ঘোষ আজ এখানে আগত কয়েকটি স্বজাতির সঙ্গে একেবারে মিশিয়া গিয়াছেন। হয়তো ওই প্যাটার্সন লোকটির গা ঘেঁষিয়া তাহার
-
এত বড়ো বটগাছ সচরাচর দেখা যায় না। পিরপুরের হাটকে যদি চিনিতে হয়, তবে যে-কোনো অশীতিপর ক্ষীণদৃষ্টি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করিলেও ইহার উত্তর মিলিবে—দূরে, সে যত দূরেই হোক না কেন, যেন আকাশেরও প্রায় অর্ধেক ছাইয়া আছে, এমন একটা দৈত্যের মতো প্রকাণ্ড গোলাকার গাছের দিকে দারুণ তৎপরতায় শীর্ণ হাতটি উঠাইয়া সে বলিবে, ‘আরে, তুমি কি কানা? ওই দৈত্যিটার বরাবর চলে যেতে পার না?’ যাহাকে বলা হইবে, সে যেন কোনো ব্যবসায়ী, ওই হাটের দিকেই যাইতেছে, আর কোনো উদ্দেশ্য তাহার নাই। পিরপুর গ্রামটি অন্যান্য গ্রামের মতো নয়, সেখানে কেউ ঘর বাঁধিয়া বাস করিতে পারে, একথা কেউ ভুলেও কল্পনা করিতে পারে না। কেবল একটি হাট লইয়াই
উৎস
- পাতাবাহার
- বনফুল গল্পসমগ্র
- রাঙা পাল
- গল্পগুচ্ছ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পুরাণের গল্প
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- প্রক্রিয়াধীন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- অসাধারণ
- পরিচয়
- শিউলি-মালা
- বিজ্ঞানচেতনা
- ফুলকি ও ফুল
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রূপের ডালি খেলা
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- ক্ষণভঙ্গুর
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিধু মাস্টার
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- অনুসন্ধান
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.