-
“ধরো ওকে! ওকে ধরো তোমরা!” চিৎকারে সবুজ পাহাড় আর ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত ঝোপে ঢাকা পর্বতে ঘেরা উপত্যকার মধ্যে আরামে গা ঘেঁষে থাকা পিরিচের আকারের গ্রামটার নিস্তব্ধতা ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছিল।
পাহাড়ের চূড়ো থেকে প্রতিধ্বনিগুলো মাঝ আকাশে ধাক্কা খেয়ে তালগোল পাকানো কলরবে ছিটকে পড়েছিল, গমগম সেই শব্দ আমাদের কানের মধ্যে বিঁধে গিয়ে অন্য সব শব্দ আটকে দিয়েছিল।
ওয়েহ ওয়েহ ওয়েহ খাউউ খাউউ লেহ লেহ লেহ লেহ তুউ তুউ তুউ এক মুহূর্ত আগেও যেসব ন্যাকড়ার পুতুল নিয়ে আমরা নির্বিষ্ট হয়ে ছিলাম একটা শক্তিশালী চুম্বকের মতো সোরগোলটা তার থেকে আমাদের টেনে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।
ইইই-ইইই-উউ-উউউউউ!
এম এম বা-এম বিই ই ই হ হ হ-নি!
-
১. মানুষ কাজ করে কেন
আকাশ এককালে ছিলো মাটির খুব কাছে। সত্যি বলতে, মাথার ওপর হাত তুললে হাতটা যতটা উঁচুতে ওঠে, আকাশটা কিন্তু তার চাইতে বেশি উঁচুতে ছিলো না। যখনই কারোর খিদে পেতো, তাকে শুধু হাতটা ওপরে তুলে আকাশের একটা টুকরো ভেঙে খেয়ে ফেললেই হ’তো। সেইজন্যেই কাউকে কখনো কোনো কাজকর্ম করতে হতো না ৷
তা কিছুকাল তো দিব্যি খাসা চললো এই ব্যবস্থায়, কিন্তু সময় সময় লোকে এমন একেকটা বড়ো টুকরো ভেঙে নিতো যা তাদের পেটেই আঁটে না—ফলে যা তারা খেয়ে শেষ করতে পারতো না, মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিতো। আকাশ কিনা এতই বড়ো যে চিরকালই লোকের খাবার মতো অনেকটা আকাশ থেকেই
-
সেম্বেন উসমান
সন্ধোবেলাগুলো আমরা যেতুম মেন্-এর ওখানে; সেখানে পুদিনা মেশানো চা খেতে-খেতে কত বিষয়ে কথা হ’তো আমাদের—যদিও অনেক বিষয়েই আমাদের জ্ঞান ছিলো সামান্য। কিন্তু ইদানীং আমরা বড়ো-বড়ো সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতুম—যেমন বেলজিয়ান কঙ্গোর কথা, মালি যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডগোলের বিষয়, আলজেরিয়ার স্বাধীনতার লড়াই অথবা জাতিপুঞ্জের পরবর্তী অধিবেশনের কথা। তার কারণ ছিলো সেয়ার, বেশির ভাগ সময়েই যার মাথা থাকতো ঠাণ্ডা, আর যার স্বভাবটা ছিলো গম্ভীর। প্রশ্নটা সে-ই তুলেছিলো। ‘আমাদের জাতের লোকের গায়ে ও-রকম জখমের দাগ থাকে কেন?’
(এখানে আমার যোগ করা উচিত যে সেয়ার ছিলো আধা-ভোলতেইক, আধা-সেনেগালি; কিন্তু তার নিজের গায়ে কোনো জাতিগত ক্ষতচিহ্ন ছিলো না।)
আমাদের সকলের মুখে যদিও ও-রকম কোনো ঘায়ের দাগ
-
“It is very unfair, we will not study under a new teacher,” the boys said.
The new teacher, who is arriving, has the name Kalikumar Tarkalankar. Even though the boys had not seen him yet, they had nicknamed the teacher as “Black pumpkin fresh chilli”, a ridiculous translation of the teacher’s name.
The vacations had ended and the boys were returning back to school from their homes in a train. Among them was a jolly fellow who had composed a poem entitled “The black pumpkin’s sacrifice” and the boys were reciting the poem at the top of their voice. Just
-
Kantichandra was young; yet after his wife’s death he sought no second partner, and gave his mind to the hunting of beasts and birds. His body was long and slender, hard and agile; his sight keen; his aim unerring. He dressed like a countryman, and took with him Hira Singh the wrestler, Chakkanlal, Khan Saheb the musician, Mian Saheb, and many others. He had no lack of idle followers.
In the month of Agrahayan Kanti had gone out shooting near the swamp of Nydighi with a few sporting companions. They were in boats, and an army of servants, in boats
-
A couple of years after the partition of the country, it occurred to the respective governments of India and Pakistan that inmates of lunatic asylums, like prisoners, should also be exchanged. Muslim lunatics in India should be transferred to Pakistan and Hindu and Sikh lunatics in Pakistani asylums should be sent to India.
Whether this was a reasonable or an unreasonable idea is difficult to say. One thing, however, is clear. It took many conferences of important officials from the two sides to come to the decision. Final details, like the date of actual exchange, were carefully worked out. Muslim
-
অনুবাদ: আখতার-উন-নবী
কংগ্রেস হাউজ এবং জিন্না হল থেকে সামান্য কিছু দূরে একটি প্রস্রাবখানা আছে। সেটাকে বোঘের লোকেরা মুরী বলে। আশে-পাশের বিভিন্ন মহল্লার যাবতীয় ময়লা আবর্জনা সেই দুর্গন্ধময় কুঠুরীর বাইরে সব সময় স্তূপাকারে পড়ে থাকে। এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যে, মানুষকে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে বাজার থেকে ফিরতে হয়।
একবার বড় অপারগ হয়ে তাকে সেই মুরীতে প্রবেশ করতে হয়—পেচ্ছাব করার জন্যে। নাকে রুমাল চেপে শ্বাস বন্ধ করে সেই দুর্গন্ধময় স্থানটিতে প্রবেশ করে। সারা মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা বুদ্বুদের মতো ফুটে রয়েছে। দেয়ালগুলোতে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ছবি বড় বিশ্রীভাবে চিত্রিত করে রেখেছে। সামনে কয়লা দিয়ে কে যেন লিখে রেখেছে—‘মুসলমানো কি বহেন কা পাকিস্তান মারা’।
শব্দগুলো
-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যাপারে জহিরের সাথে সাঈদের সাক্ষাৎ হলে সাঈদ খুবই প্রভাবিত হলো। বোম্বেতে সেন্ট্রাল ষ্টুডিওতে জহিরকে দু’ একবার সে দেখেছে, কিছু আলাপও হয়েছে, কিন্তু লাহোরেই প্রথম বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষাৎ হয়।
লাহোরে চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক, কিন্তু সাঈদ এ তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল যে তাদের অধিকাংশের অস্তিত্বই শুধু সাইনবোর্ড পর্যন্ত সীমিত। আকরামের মাধ্যমে জহিরের সাঈদকে ডেকে পাঠানোর পর সাঈদ ভেবেছিল, জহিরও ওসব সাইনবোর্ড সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারীদের মতোই একজন ভুয়া চিত্র-নির্মাতা, যারা লক্ষ লক্ষ টাকার কথা বলে, অফিস স্থাপন করে, ভাড়া করা ফার্নিচার এনে ঘর সাজায়, তারপর একদিন আশেপাশের হোটেলে টাকা বাকি
-
দিল্লী আসার আগে ও আম্বালা ছাউনিতে থাকত, সেখানে কয়েকজন গোরা ওর খদ্দের ছিল। এই গোরাদের সঙ্গে মেলামেশার জন্যে ও দশ-পনেরোটা ইংরেজী শব্দ শিখে গিয়েছিল। ওদের কাছ থেকে শেখা এইসব শব্দ ও অবশ্য সব সময় ব্যবহার করত না। কিন্তু দিল্লী এসে ওর কারবার যখন মন্দা হল, তখন ও ওর প্রতিবেশী তমনচা জানকে বলল, “দিস লাইফ ভেরি ব্যাড।—এই জীবন এত কষ্টকর যে একটু খাবারও জোগাড় হয় না।”
আম্বালা ছাউনিতে ওর ধান্ধা খুব ভালোভাবে চলত। ছাউনির গোরারা মদ খেয়ে ওর কাছে আসত। আর ও তিন চার ঘণ্টার মধ্যে আট দশটি গোরার সঙ্গে কাজ-কারবার পুরো করে বিশ ত্রিশ টাকা রোজগার করে নিত। এই গোরারা
-
অনুবাদ: এ বি এম কামালউদ্দিন শামীম
ভুলু ও গামা দুই ভাই। খুবই পরিশ্রমী। ভুলু কুলিগিরি করতো। একটা টুকরি মাথায় নিয়ে, সারাদিন এখানে-সেখানে কুলিগিরি করতো। বিকেলে ঘরে ফিরে এলে দেখা যেতে৷ তার কোঁচার গিটে তিন-চার টাকা জমা হয়েছে।
গামা খাঞ্চা বিক্রি করতো। সারাদিনের ফেরী কাজে তিন-চার টাকা উপার্জন হতো। কিন্তু তার মদের নেশা ছিলো। রাতে দীনার হোটেলে খাবার আগে তাকে এক পোয়া মদ খেতেই হতো। সবাই জানতো যে সে পান করে আর এভাবেই বেঁচে থাকে।
ভুলু, গামার দু’বছরের বয়োজ্যেষ্ঠ। গামাকে সে অনেক করে বোঝালো যে, মদাসক্ততা খুবই খারাপ জিনিস। বিয়ে করেছ, অযথা কেন টাকা নষ্ট করছ? এক পোয়া মদের জন্যে যে
-
সকালের নাস্তা সকাল-সকাল শেষ করার জন্য বড় বড় নাস্তার ডিমগুলি সামনে রেখে আমরা সবাই গোল হয়ে বসে আছি। নানাবাড়ির রান্নাঘরের লাগোয়া ঘরটার মেঝেতে পাটি বিছিয়ে খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। লাল আটার মোটা মোটা রুটি, বুটের ডাল, পাঁচ রকমের মিশেলে দেওয়া সবজির নিরামিষ, গরুর মাংসের ভুনা, নারকেলের সন্দেশ আর রসমালাই নিয়ে নানাভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছি, তিনি এলেই খাওয়া শুরু হবে। এত সব খাবার অবশ্য প্রতিদিন হয় না। ঢাকা থেকে মেজ খালারা এসেছেন, তাদের জন্যই এই স্পেশাল আয়োজন।
পুবের ঘর থেকে নানাভাইয়ের কোরান-শরিফ পড়ার মিষ্টি করুণ সুর ভেসে আসছে। তিনি সকাল সাতটা পর্যন্ত কোরান-শরিফ পড়বেন সে তো এখনও প্রায় দু’তিন মিনিট বাকি।
-
গতকাল বিকালে আমাদের হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল। এখন বেশ কদিন আর আমাদের স্কুলে যেতে হবে না। আমাদের স্কুলের নিয়ম হচ্ছে হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষার পর দশ থেকে বারোদিনের ছুটি। ছুটির দিনগুলিতে টিচাররা আমাদের খাতাগুলি দেখবেন আর আমাদের ফেল করাবেন। ছুটির শেষে তারা খুব হাসি-হাসি মুখ করে ক্লাসে ঢুকবেন। হাতে খাতাগুলি তো থাকবেই আরও থাকবে তিন-চারটা করে বেত। ফেল-করাদের পিঠে পড়বে চারটা-পাঁচটা ছ’টা করে বেত।
তবে মার থেকে বাঁচতে আমরাও করি নানান রকম কারিগরি। যেমন মাজুল মামা স্কুলে যায় ‘অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে’ মনি-রবিনের কাঁধে ভর দিয়ে। ওর মুখের দিকে চেয়ে বেত মারা তো দূরের কথা ওকে দুদিনের ছুটি দিয়ে দেন ক্লাস-টিচাররা। রবিন
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পাতাবাহার
- কথা পাঞ্জাব
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- বাংলাদেশ কথা কয়
- গল্পগুচ্ছ
- বনফুল গল্পসমগ্র
- মানুষের জন্ম
- পুরাণের গল্প
- মৌরীফুল
- উপলখণ্ড
- নবাগত
- শিউলি-মালা
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বারো মামার এক ডজন
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- তালনবমী
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- ছায়াছবি
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.