সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,
পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।
উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ
কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ।
ঝিমঝিমে হিম-হাওয়া বয় বার বার,
দিকে দিকে বাজে যেন শীতের সেতার।
অশথগাছের ফাঁকে অতি মনোহর
মিঠে রোদ বেঁকে পড়ে দাওয়ার উপর;
জড়সড় দেহ মোর,—বড় শীত ভাই,
রোদ-ছাওয়া দাওয়াটায় বসি এসে তাই;
দুরে দেখি ফাঁকা মাঠে আলো ঝলমল,
শালিখের ঝাঁক সেথা করে কোলাহল।
ছোট টুনটুনি পাখী কাতর বেজায়,
ভিজে ঘাসে কি যে খোঁজে, শরীর ভেজায়।
কে ডাকে করুণ সুরে—শুনিস না তুই?
খাবার খুঁজিয়া ফেরে চপল চড়ুই।
বখরা লইয়া যত ঝগড়াটে কাক।
ঘরের খড়ের চালে করে হাঁকডাক।
আমাদের ছোট দীঘি ঐ দেখা
-
স্বাধীনতার দামামার শব্দে উত্তরঙ্গ গোটা বাংলাদেশ।
বাড়ীর উঠানে ঢুকতেই মা হঠাৎ ঘোমটা টেনে বসল। ঝোপ দাড়ীওয়ালা কোন বেগানা মরদ অন্দরে ঢুকে পড়েছে। তৌবা !
লাতু তখনই হো হো শব্দে হেসে উঠল এবং দৌড়ে গিয়ে মাকে বুকে জড়িয়ে ধরল, সাথে সাথে উচ্চারণ “মা আমারে চিনত৷ পারলে না? আমি লাতু—।”
হাউমাউ কান্নাসহ সন্তানকে বুকে চেপে জননী কী যে বলতে লাগল বুঝা গেল না। এই নাটকীয় মঞ্চে তখন আরো দর্শক জুটে গেছে। লাতুর ছোট ছোট দুই বোন, বারো বছরের এক ভাই। তারা হকচকিয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ মার কান্না, এক অপরিচিত মিলিটারী যদিও মুক্তিযোদ্ধা, অমন কোলাকুলি। সবই অভাবনীয়। তখনই বাপ জবেদ মিয়া কোথা থেকে যে
-
ভাল মানুষদের নিয়ে বিপদ আছে। আমাদের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ একজন ভাল মানুষ। রাজনীতিবিদরা কদাচিৎ ভাল মানুষ হয়ে থাকে। ক্ষমতা এবং ভাল মানুষ একসঙ্গে পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। একজন ভাল মানুষ হিসেবে যে কারও নাম একবার ফেটে গেলে খারাপ মানুষেরা সে ভাল মানুষটিকে তাদের খারাপ কাজের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বোধহয় একথা চিন্তা করেই ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেল ভাল মানুষদের বিপদ সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন।
কিছুদিন আগে এনজিওদের আয়োজিত একটি সভায় বিচারপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব সুশীল সমাজের ভূমিকার ওপর একটি বক্তৃতা করেছিলেন। যেকোন দেশের রাষ্ট্রপতি সভা-সমিতিতে যে সমস্ত কড়া উচ্চারণ করে থাকেন, সেগুলোর ভাবগত মূল যা-ই থাকুক, রাষ্ট্রপতি পদটি মর্যাদার কারণে
-
সন্ধ্যা থেকে পানের দোকানটার সামনে একটা টুলে স্তব্ধ হয়ে বসে রয়েছে আবদুল। মনে অদ্ভুত শূন্যতা, এবং সে-শূন্য মনে পাশের হোটেলের কোলাহল অতি বিচিত্র ও রহস্যময় ঠেকছে। কখনো পানওয়ালাটা হঠাৎ ছাড়া গলায় তীক্ষ্ণস্বরে হেসে উঠলে সে চমকে উঠছে, বিস্তৃত শূন্যতার মধ্য থেকে তার মন বিহ্বল হয়ে বেরিয়ে আসছে, তারপর কী যেন খুঁজে-খুঁজে না পেয়ে আবার শূন্য হয়ে উঠছে।
রাস্তার ওপাশে গুদামের মতো একটা বন্ধ ঘর; তার এধারে গ্যাসপোস্টের তলে ধোঁয়ার মতো রহস্যময় ক্ষীণ আলো। সেদিকেই আবদুলের ভাষাশূন্য চোখ নিবদ্ধ হয়ে ছিল। এবার হঠাৎ তার সে চোখ কেঁপে উঠল—কিছুটা ভয়ে কিছুটা বিস্ময়ে। ওধারের ফুটপাথ দিয়ে একটি কালো ছায়া আবছা অন্ধকারে মিশে নিঃশব্দে
-
একটি শিশুছেলে ও মেয়েসন্তানের প্রতিভা, স্বপ্ন, ইচ্ছা, কল্পনার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু পরে সমাজে চলতে গিয়ে একজন মেয়ে নিজেকে শুধু মেয়েমানুষ ভাবতে বাধ্য হয়, যা তার স্বপ্নগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মক্ষেত্রে তাকে শুনতে হয়—এটা মেয়েদের নয়, ছেলেদের কাজ। নারী তার জীবনকে একটি ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখতে বাধ্য হয়। তারই সমবয়সী পুরুষের স্বপ্নগুলো হয় বিশাল এবং এক বৃহৎ জগতে হয় তার বসবাস। সমাজের এ চিরাচরিত চিত্রের পরিবর্তন একান্তই কাম্য। সবার ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত যে—সে মানুষ।
নারী বলে জীবনের বহু ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, চার দেয়ালের মধ্যেই নারীর জীবন আবদ্ধ থাকবে—তা কখনো হতে পারে না।
-
[তৎকালীন অস্ট্রিয়ার কোমোটাউ অন্চলের এক সৈনিক পরিবারে ১৮৯৯ সালে ফিশার জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম মহাযুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তবে মূলত ছিলেন দর্শনের ছাত্র ও সাংবাদিকতায় অনুরাগী। কমুনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৪৫ সালে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কালে, অস্ট্রিয়ায় অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠায় অংশ নেন। কিছু সময় ওই সরকারে শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন। ১৯৫৯ সালের পর থেকে সম্পূর্ণরূপে সাহিত্যসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ওই বছরই প্রকাশিত হয় শিল্প-সমালোচনামূলক তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ the Necessity of Art। মার্কসবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত এই বইয়ে তিনি কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করেছেন—কেন শিল্পী বিশেষ পদ্ধতিতে আঁকেন, উপন্যাসবিচারের মাপকাঠি কি হবে, বা শিল্পকলাই বা কি? জার্মান ভাষায় রচিত উক্ত পুস্তকটি প্রকাশের পর থেকে
-
আমরা যত ধরনের কর্মকাণ্ড করি সারাজীবনে তার প্রায় সম্পূর্ণটাই নিয়ন্ত্রন করে আমাদের মস্তিষ্ক। আমাদের মস্তিষ্ক থেকে দেহে পাঠানো সংকেত এবং মস্তিষ্কে নতুন নতুন সংযোগ তৈরী ও বন্ধের মধ্যে দিয়ে এই পক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়। পূর্বে ধারণা করা হত যে ছোটবেলা থেকে বড় হতে হতে আমাদের মস্তিষ্কের যা যা পরিবর্তন প্রয়োজন হতে থাকে এবং বড় হয়ে গেলে সেটি একটি স্থির অবস্থায় পৌছায় যাতে কোন পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু এই ধারণাটি আসলে ভুল। বড় হয়ে গেলে আমাদের মস্তিষ্ক আরও পরিবর্তনশীল একটি অবস্থায় পৌছায়। তারচেয়েও বড় যেটি সেটি হল আমাদের মস্তিষ্ক সবসময়ই নিজেকে নিজেই খেতে থাকে! কথাটি ভাবলেও অবাক লাগে তবে মস্তিষ্কে সেটিই ঘটছে
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
দেখো দেখো, পিঁপড়ে দেখো! খুদে খুদে রাঙা রাঙা সরু সরু সব আনাগোনা করছে—ওরা সব পিঁপড়ে, যাকে সংস্কৃত ভাষায় বলে পিপীলিকা। আমি হচ্ছি ডেঞে, সমুচ্চ ডাঁইবংশসম্ভূত, ঐ পিঁপড়েগুলোকে দেখলে আমার অত্যন্ত হাসি আসে।
হা হা হা, রকম দেখো, চলছে দেখো, যেন ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে গেছে; আমি যখন দাঁড়াই তখন আমার মাথা আকাশে ঠেকে! সূর্য যদি মিছরির টুকরো হ ' ত আমার মনে হয় আমি দাঁড়া বাড়িয়ে ভেঙে ভেঙে এনে আমার বাসায় জমিয়ে রাখতে পারতুম। উঃ, আমি এত বড়ো একটা খড় এতখানি রাস্তা টেনে এনেছি, আর ওরা দেখো কী করছে–একটা মরা ফড়িং নিয়ে তিন জনে মিলে টানাটানি করছে। আমাদের মধ্যে এত ভয়ানক
-
[ম্যাক্সিম গোর্কী (১৮৫৮-১৯৩৬) সোভিয়েত রাশিয়ার অমর কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত। বিজ্ঞানের স্বপক্ষে তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ১৯১৭ সালে কেরেনেস্কির অস্থায়ী সরকারের সময়ে ‘ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ডেভেলপমেণ্ট অ্যান্ড প্রোপাগেশন অব দ্য পজিটিভ সায়েন্স’-এর প্রথম অধিবেশনে পাঠ করেন।]
...সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ! আপনাদের কাছে সম্ভবত এটি অদ্ভূত লাগবে যে, আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে, নবজাত রাশিয়ার জীবনে এর তাৎপর্য সম্পর্কে এবং নতুন রাশিয়ার ইতিহাসে বিজ্ঞান প্রযুক্তবিদ্যা কী ভূমিকা পালন করবে সে সম্পর্কে আমার অনভিজ্ঞ মতামত উপস্থাপিত করে আপনাদের বিব্রত করব বলে মনস্থির করেছি।
কিন্তু আমার এই ঔদ্ধত্য সম্পর্কে আপনাদের স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য সন্দেহজনক মনোভাব হয়ত আমি দূর করতে পারি, যদি ব্যবহারিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার মনোভাব
-
“সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে পড়ে গেলাম। চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি-করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণ রক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমূখী হলুদ চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুন্ঠনকারী একটি মানুষ। তাঁর জন্য আমি জগন্নাথ হল-এ যে-সভাটি আহ্বান করেছিলাম তাতে ভিড় জমে ছিল প্রচুর। দূর শহর থেকে ইডেন কলেজের অধ্যাপিকারাও এসেছিলেন, তাঁর গান ও কবিতা আবৃত্তি শুনে সকলেই মুগ্ধ: মৃত অথবা বৃদ্ধ অথবা প্রতিষ্ঠানীভূত না-হওয়া পর্যন্ত কবিদের বিষয়ে, যাঁরা স্বাস্থ্যকরভাবে সন্দিগ্ধ, সেই
-
তোমাদের কাছে আমি কাল্পনিক ভূতের গল্প বলেছি অনেক। কিন্তু সত্যি সত্যি ভূতের অস্তিত্ব আছে কিনা, এ নিয়ে তর্কের অন্ত নেই।
এ-সব নিয়ে দরকার নেই আমাদের মাথা ঘামিয়ে। কারুকেই আমি ভূত বিশ্বাস করতে বলি না। অন্তত ভূত মানলেও ভূতকে ভয় করবার কোনও দরকার আছে বলে মনে হয় না।
কিন্তু ভূত মানি আর না মানি, মাঝে মাঝে এমন কতকগুলো আশ্চর্য ঘটনা ঘটতে দেখা যায়, যাদের কোনও মানে হয় না। সেগুলো ভূতের কীর্তি না হতে পারে, কিন্তু তাদের মূলে নিশ্চয়ই কোনও অপার্থিব শক্তি কাজ করে।
প্রায় বছর-কুড়ি আগে কলকাতায় জয় মিত্র স্ট্রীটের একটি বাড়িতে অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে আরম্ভ করে। কোথাও কিছু নেই,
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- চলচ্চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- সমালোচনা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- অনুবাদ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শিশুতোষ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- নারী
- বই
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- স্মৃতিকথা
- মুক্তিযুদ্ধ
- উদ্ভিদ
- ঢাকা
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- চট্টগ্রাম
- আলোচনা
- ভাষণ
- সাংবাদিকতা
- পুঁজিবাদ
- গান
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- কবিতা
- চিরায়ত
- কিশোর
- রূপকথা
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- বিজ্ঞান
- বিজ্ঞানী
- সমাজ
- আইন
- সংবিধান
- নদী
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- সংবাদ
- সরকার
- ছাত্র আন্দোলন
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাম্রাজ্যবাদ
- খুলনা
- অর্থনীতি
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- কলকাতা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- রাশিয়া
- চিঠি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- আত্মজীবনী
- নজরুল
- রমন্যাস
- ভূমিকা
- বইমেলা
- এনজিও
- ফিচার
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- শৈশব
- বঙ্গবন্ধু
- লালন
- আর্টিস্ট
- অতিপ্রাকৃত
- জাতীয়
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- বিপ্লব
- কারুশিল্প
- দুঃসাহসিক
- ফুল
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- নারীবাদী
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৫৩)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৪)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৩)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.