সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
বিগত শতাব্দীর মাঝামাঝির পরে কবি নবীনচন্দ্র সেনরা যখন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়তেন তখন পশ্চিমবঙ্গের ছেলেরা তাঁদের 'বাঙাল' বলে খ্যাপাত। আমি যখন ১৯১৩ সালে কলকাতায় পড়তে এসেছি তখনো পশ্চিমবঙ্গের ছেলেরা আমাদের বাঙাল নামে ডাকত। তবে, কবি নবীন সেনদের আমলের মত নয়। আমাদের কেউ কেউ আবার ঠাট্টা করে বলতেন, 'ওঁরা তো বঙ্গদেশ হতে এসেছেন।' এটাও ভদ্রভাষায় 'বাঙাল' বলা ছিল। সত্যই কোন সময়ে পূর্ববঙ্গের একটা অংশকে বাঙাল নগর বা বাঙাল দেশ বলা হত। আর আজ বাংলাদেশের সেই দেশ সত্য সত্যই স্বাধীন রাষ্ট্র রূপে গণ-প্রজাতান্তিক বাংলাদেশ হয়ে গেল। আরো আশ্চর্যের কথা পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি মানুষ এই স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে ওঠার জন্য মনে-প্রাণে কামনা করলেন বা
-
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সেদিন চল্লিশ বছরের জন্ম-বার্ষিকী হয়ে গেল। বিশ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
বিশ বছরেরও অনেক আগে কবি নজরুল ইসলাম বোবা হয়ে গিয়েছিলেন। কবি সুকান্ত ছিলেন আমাদের আশা ও ভরসার স্থল। তাঁকেও আমরা হারালাম।
তখন ডেকার্স লেনে কমিউনিস্ট পার্টির অফিস।
একদিন দেখলাম, দোতলা হতে সুকান্ত নামতে যাচ্ছেন।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, 'খবর কি?'
বললেন, 'স্বাধীনতায় একটা কিশোরদের বিভাগ খুলতে যাচ্ছি।'
তারপর সুকান্তকে আর দেখতে পাচ্ছিলাম না। মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন জাগে—কোথায় গেলেন সুকান্ত? কিন্তু কাউকে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে যাই।
এভাবে ক'মাস যে কেটে গিয়েছিল তা এখন আমার মনে নেই।
ভাবলাম আমার এই যে বিচ্যুতি হয়েছে তার জন্যে আমি নিজেকে
-
১৯০৫ সালে রাশিয়ায় প্রথম বিপ্লব হয়েছিল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিপ্লব হয়েছিল ১৯১৭ সালে। রুশ দেশের পুরানো পঞ্জিকা অনুসারে দ্বিতীয় বিপ্লব হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে। এই বিপ্লবে জারের পতন ঘটেছিল। নতুন পঞ্জিকার হিসাবে দ্বিতীয় বিপ্লব হয়েছিল মার্চ মাসে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিপ্লব বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব, আর তৃতীয় বিপ্লব সোস্যালিস্ট বিপ্লব। মজুর শ্রেণির পার্টির অর্থাৎ বলশেভিক পার্টির নেতৃত্বে পুরানো পাঁজির হিসাবে এই বিপ্লব আরম্ভ হয়েছিল ২৫শে অক্টোবর তারিখে। তাই তাকে বলা হয় অক্টোবর বিপ্লব। নতুন পাঁজির হিসাবে বিপ্লব আরম্ভ হয়েছিল ৭ই নভেম্বর তারিখে, কিন্তু অক্টোবর বিপ্লব নামটিই রয়ে গেছে। আমাদের দেশে আমরা নভেম্বর বিপ্লবও বলে থাকি। সোভিয়েত দেশের ও অন্যান্য দেশের লোকেরা তা
-
ভগৎ সিংহের সঙ্গে আমার অল্প কয়েকদিনের মাত্র পরিচয়। এত কম দেখা সাক্ষাৎ যাঁর সঙ্গে হয়েছে তাঁর বিষয়ে কিছু লিখতে যাওয়া অনধিকার চর্চা। তবুও আমি একান্তভাবে অনুরুদ্ধ হয়েছি যে কমপক্ষে একটি পৃষ্ঠা হলেও যেন আমি কিছু লিখি।
১৯২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে আমি লাহোরে গিয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল, ডিসেম্বরের বাকী কটা দিন ও পুরো জানুয়ারী মাস আমি সেখানে কাটিয়ে আসব। লাহোরে পেশোয়ারে অনুষ্ঠিত মস্কো বলশেভিক ষড়যন্ত্র মোকদ্দমায় দণ্ডভোগী ও আমাদের কমরেড মীর আবদুল মাজীদের বাড়িতে ভগৎ সিংহের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। আমি কানপুর বলশেভিক ষড়যন্ত্র মোকদ্দমায় জেল-খাটা লোক বলে তিনি আমায় দেখতে এসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আবদুল মজীদ আমার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। ভগৎ
-
২৮শে এপ্রিল (১৯৬৬) রাত্রিবেলা আমি দমদম সেন্ট্রাল জেলে পুলিসের ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ আফিস হতে সেন্সর হয়ে আসা একখানা পত্র পাই। ২৩ শে এপ্রিল তারিখের এই পত্রখানা ছিল আমাকে লেখা আব্দুল হালিমের শেষ পত্র। তাতে সে আমায় জানিয়েছিল যে ১৮ই এপ্রিল, রাত্রিবেলা সে কলকাতা প্রেসিডেন্সি জেল হতে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফিরেছে এবং “আমরা প্রত্যেক দিনই আপনাদের মুক্তির প্রতীক্ষা করছি।” ২৯ শে এপ্রিল (১৯৬৬) সকাল বেলা চা খাওয়ার পরে আমরা দৈনিক খবরের কাগজ পড়া শেষ করেছি, আমাদের কোনো কোনো সহবন্দী স্নান করতে গেছেন,—এমন সময়ে জেল অফিস হতে হঠাৎ বজ্রাঘাতের মতো দুঃসংবাদ এলো যে আব্দুল হালিম আর নেই। সেদিন ভোরে আকস্মিকভাবে তার হৃদয়ের স্পন্দন
-
১৯৩৭ ও ১৯৩৮ সালে কংগ্রেসের ভিতর থেকে অনেকেই আমাদের জিজ্ঞাসা করতেন যে, আলাদা কৃষক সভা গড়ার আবার কী দরকার আছে? কংগ্রেসই তো কৃষক সভা, কংগ্রেসের দ্বারাই কৃষকদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলন ও লড়াই চলতে পারে। কংগ্রেসের ভিতর থেকে কেউ কেউ আমাদের বিরুদ্ধে এই নালিশও করেছেন যে, কৃষক সভা গড়তে গিয়ে আসলে আমরা একটা পাল্টা কংগ্রেস গড়ছি। পরে অবশ্য এই সব আপত্তি কমে যায়। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর মতো বড় বড় কংগ্রেস নেতা মেনে নেন যে কৃষকদের আলাদা সংগঠনের, অর্থাৎ, কৃষক সভার দরকার আছে।
বাংলার মুসলিম লীগের অনেকেও ঐ রকম কথাই তুলেছেন। তাঁরা বলছেন, কী দরকার আছে আলাদা কৃষক সমিতির? মুসলিম লীগই তো কৃষকদের
-
‘দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে কাজে ফেরার ইচ্ছা হলো?’—এভাবেই মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে স্বাগত জানানো হলো অফিসে। মনে হচ্ছিল ছুটি নিয়ে যেন কোনো অপরাধ করে বসে আছি। অফিসে নিজেকে অনাকাঙ্ক্ষিতও মনে হচ্ছিল। ছয় মাস মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে অফিসে আজই যোগ দিলাম। একদিকে বাসায় ফেলে আসা মেয়েটির কথা বারবার মনে হচ্ছে, যার বয়স মাত্র পাঁচ মাস হতে চলেছে। অন্যদিকে সহকর্মীদের নিতান্ত অপরিচিত মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে ছয় মাসে আমাদের মাঝে বেশ এক দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। আর এ কয়েক মাসে থেকে আমি অনেকখানি পিছিয়ে পড়েছি। আগে ব্যাংকে আমি রেমিট্যান্স ডেস্কে কাজ করতাম, এখন আমার ডেস্ক আরেকজন দেখছেন। নিশ্চয়ই মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা কোনো অপরাধের মধ্যে
-
ঋত্বিক ঘটক ও বিজন ভট্টাচার্য বাংলায় এমন দুজন নাট্যশিল্পী যাঁরা যুগ-যুগান্তর সঞ্চিত শোষণ ও লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে শ্রমজীবী জনগণের বিদ্রোহকে ভাষা দিতে গিয়ে প্রবলভাবে মাতৃতান্ত্রিক ভাব-প্রতীক ব্যবহার করেছেন। দুজনেই যেহেতু বৈজ্ঞানিক কমিউনিজম বা মার্কসবাদ-লেনিনবাদকে জীবনাদর্শরূপে গ্রহণ করেছিলেন, সেইজন্য দুজনের কাজই আদৃত হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে বিতর্কেরও সৃষ্টি করেছে। এর কারণ, মাতৃতান্ত্রিক ভাব-প্রতীককে বস্তুবাদী বলা গেলেও অগ্রসর বিজ্ঞানের পরিপোষক বলা যায় না। এই সম্প্রতি- দুই নাট্যশিল্পীর দুজনেরই প্রায় একটানা চল্লিশ বছরের কাজ যেহেতু তাঁদের মৃত্যুর পরেও আগামীতে বেশি-বেশি আদৃত হবে বলে মনে করার সৃষ্টি হয়েছে ইতিমধ্যেই, সেজন্যে বিতর্কের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচ্য। সামঞ্জস্য যদি আসে তবে কীভাবে আসবে, সেটি চিন্তনীয়।
এই দুই নাট্যশিল্পীই আদিম সাম্যবাদে
-
বের্টোল্ট ব্রেখট বিশ্বের নাট্যজগতে কিংবদন্তী, কিন্তু কলকাতায় এক কুসংস্কার। তাঁকে নিয়ে যে টানাহ্যাঁচড়া চলছে সে আর কহতব্য নয়। বিষ্যুৎবারের বারবেলার মতন তাঁকে টেনে আনা হয় যে কোনো নাট্যব্যর্থতার কৈফিয়ৎ হিসেবে। ধান ভানতে শিবের গীত এ-শহরে আছেন হতভাগ্য বে-বে। ব্রেখট্ নিজেকে 'ডের আর্মে বে-বে' নাম দিয়েছিলেন বোধ হয় কলকাতার কথা ভেবেই।
কলকাতার বিখ্যাত দৈনিক ও সাপ্তাহিকগুলিতে একদল লোক নিজেদের ‘নাট্যসমালোচক’ আখ্যা দিয়ে চলতি নাটকের সমালোচনা লেখেন। এঁদের অধিকাংশের মূর্খতা এবে সর্বজনবিদিত প্রবাদবাক্য। সেই মূর্খতার একটি উৎকট প্রকাশ ব্রেখট্-এর নামকে আশ্রয় করে। প্রযোজনায় সামান্য কিছু নতুনের আঁচ পেলেই তাঁরা 'ব্রেখটীয় রীতি' আবিষ্কার করেন। অভিনেতারা যদি প্রেক্ষাগৃহ থেকে মঞ্চে ওঠেন, তবে অনিবার্যভাবে ওই
-
সুকান্তর চেহারায় বৈশিষ্ট্য ছিলো, ব্যঞ্জনা ছিলো, কবিজনোচিত বলতে যা মনে আসে সে জলুস ছিলো না। নিভৃত নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চিন্ত আরাম কৈশোরের লাবণ্য মসৃণ মোলায়েম করে তোলেনি, জীবনযুদ্ধের সৈনিকোচিত রুক্ষশ্রী এসে মিশেছিলো।
লাজুক মুখচোরা বলে সে পরিচিত ছিলো, আমি তার ভেতরের হলকা মাঝে মাঝে অনুভব করতাম তার শান্ত স্বল্প কথায়, তার কবিতায়।
সুকান্তর কবিতার সহজ সরলতা অনেককে আশ্চর্য ও মুগ্ধ করেছে, সেই সরলতার সমগ্র তাৎপর্য সকলের কাছে ধরা পড়েছিলো কিনা জানি না।
জীবনে যেমন, কাব্য-সাহিত্যেও সরলতা বিশেষণটিতে রিক্ততার ইঙ্গিতটাই আমাদের কাছে বড় বেশী জোরালো। গভীরতা, ব্যপ্তি, তীব্রতা, ভাবৈশ্বর্য ইত্যাদি সবকিছুর ধারক ও বাহক হিসাবে সাদামাটা স্পষ্টভাষী সার্থক কবিতা কল্পনা করতে আমরা
-
ফারসি ভাষার সঙ্গে নজরুলের পরিচয় আশৈশব। সম্ভবত ছোটোবেলায় পারিবারিক পরিবেশে ফারসির সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয়। পরে তাঁর চাচা বজলে করিমের কাছেই তিনি সত্যকার ফারসি চর্চা শুরু করেন। মুজফ্ফর আহ্মদের কাজী নজরুল ইসলাম: স্মৃতিকথা থেকে জানতে পারি, পরে শিয়ারশোল রাজ হাইস্কুলে হাফিজ নূরুন্নবীর কাছে তিনি ভালোভাবেই ফারসি-চর্চা শুরু করেছিলেন। নূরুন্নবীরই অনুপ্রেরণায় ক্ল্যাসিকাল ভাষা হিসাবে সংস্কৃত ত্যাগ করে ফারসি গ্রহণ করেন (অর্থাৎ সংস্কৃত তিনি পঠনীয় বিষয় হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছিলেন; বাংলা শব্দ-ভাণ্ডারে তাঁর অনায়াস অধিকারের এটি একটি সম্ভাব্য কারণ বলে মনে হয়)। নূরুন্নবী শুধু ফারসি ভাষা ও ব্যাকরণেই নয়, ফারসি কাব্যেও সম্ভবত নজরুলকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। এই পাথেয় অবলম্বন ক’রে নজরুল করাচির সেনানিবাসে
-
গণসংগীত রচনা করার হাতে খড়ি আমার হয়েছিল গণনাট্য সংঘ গড়ে ওঠার বেশ কিছু আগে থেকেই। আমি থাকতুম আমার মামার বাড়ি সোনারপুর থানার অন্তর্গত কোদালিয়া গ্রামে (এখন নাম সুভাষগ্রাম)। ওখান থেকে ডেলি-প্যাসেঞ্জারি করে বঙ্গবাসী কলেজে পড়তে যেতুম। সোনারপুর অঞ্চলে কৃষক আন্দোলন তখন বেশ দানা বেঁধে উঠেছে। বিদ্যাধরী নদী মজে যাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের নোনা জল ঢুকে হাজার হাজার বিঘে ধান জমি নোনাজলে ভেসে গিয়ে অনাবাদী হয়ে গিয়েছিল। ফলে লক্ষ লক্ষ কৃষক ভূমিহীন কৃষকে পরিণত হয়েছিল। সেটা ব্রিটিশ আমল। দাবি ছিল ড্রেজার দিয়ে খাল কাটতে হবে। মজা বিদ্যাধরীর বালু তুলে ফেলে দিয়ে ওটাকে জীবন্ত করে তুলতে হবে। তাছাড়া কৃষককে ভরতুকি দিয়ে স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- কবিতা
- নদী
- শিশুতোষ
- কারুশিল্প
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- গদ্য
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- বই
- দুর্ভিক্ষ
- যুদ্ধ
- বিয়োগান্তক
- অনুবাদ
- আত্মজীবনী
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- নারী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- আইন
- মুক্তিযুদ্ধ
- সংবিধান
- জীবনী
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- এনজিও
- সমাজ
- সরকার
- মধ্যপ্রাচ্য
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- চিরায়ত
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- বিজ্ঞান
- ব্যাঙ্গাত্মক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- বিজ্ঞানী
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- নজরুল
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- আলোচনা
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- কিশোর
- ভারত
- সংঘর্ষ
- খুলনা
- বাংলা
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ছাত্র আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- রমন্যাস
- দুঃসাহসিক
- রূপকথা
- সমালোচনা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- ইংরেজি
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- বঙ্গবন্ধু
- চট্টগ্রাম
- লালন
- গণহত্যা
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গান
- বিপ্লব
- ভূমিকা
- বইমেলা
- নারীবাদী
- ইউরোপ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৬৪)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (১৩)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (২)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (৩)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৭ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৪২ (১)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯১৬ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অমৃত রাই (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (২)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (২)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৯)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (২)
- মানস (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৩)
- মালেকা বেগম (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (২)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শাহীন রহমান (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সলিল চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৭)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.