সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
তিন মাস পর সরকারের এক বছর পূর্ণ হবে। নির্বাচন বা ভোট কি ধরনের হয়েছে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তা জনগণ জানে। জনগণকে তা বলার বা বুঝানোর প্রয়োজন নেই। জনগণ জানতে চায় কেন তাদের ভোটাধিকার বারবার ছিনতাই হয়ে যায়। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
এই সময়কালের মধ্যে আমরা দেখেছি, কৃষক ধানের দামে চরমভাবে মার খেয়েছে। তার উৎপাদন খরচও উঠেনি। এরপর মানুষের ঘরবাড়ি ডুবেছে বন্যায়, পুকুরের মাছ গেছে ভেসে, ফসলের হয়েছে ক্ষতি। জুন মাসে সরকার বাজেট দিয়েছে। ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীর সুদের হার কমিয়ে তাদের জীবন করেছে দুর্বিষহ। ধনীদের উপর প্রত্যক্ষ কর না বাড়িয়ে বহুমাত্রিক অপ্রত্যক্ষ কর বাড়িয়েছে। যার সিংহভাগ বোঝা বহন করতে
-
পলাশীর যুদ্ধের পর মীরজাফর নামে স্বাধীন নবাব হলেন বটে কিন্তু স্বাধীনভাবে কিছুই করবার উপায় রইল না তাঁর। ক্লাইভ ইংরেজ কোম্পানীর সামান্য একজন কর্মচারী ছিলেন, হলেন কলিকাতার কুঠীর গভর্ণর কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি নবাবের নবাব হয়ে বসে রইলেন। মীরজাফরের এ অবস্থাটা ভাল লাগল না। তিনি প্রতিবাদ করতে লাগলেন, অবশ্য মৃদুভাবে। তবে তাতে কোনও ফল হ’ল না। বিহারের সহকারী শাসনকর্তা রামনারায়ণ এবং দেওয়ান রায়দুর্লভের ধৃষ্টতা অসহ্য হওয়াতে তাদের সে পদ থেকে সরাতে যাবেন—তাতেও ক্লাইভ বাধা দিলেন। অথচ ক্লাইভকে উড়িয়ে দিতেও পারেন না। বিশেষ ক’রে সিংহাসনে বসবার বৎসর দেড়েকের মধ্যেই যখন দ্বিতীয় শাহ আলম বিহার আক্রমণ করলেন তখন ইংরেজের সাহায্য নিয়েই তাঁকে তাড়াতে হ'ল।
-
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্যে ঢাকায় এলাম, পড়াশুনা করার ইচ্ছে ছিল খুবই কিন্তু আমার সেই যে টাইফয়েড হয়েছিল তার পর থেকে আমি আর এক সঙ্গে বেশীক্ষণ পড়ায় মনোনিবেশ করতে পারতেম না। ছাত্র হিসেবে আমার যেটুকু সুনাম ছিল স্কুল জীবনে তা পরবর্তী জীবনে আমি আর অক্ষুন্ন রাখতে পারিনি। পরীক্ষায় কোন দিনই খুব বেশী খারাপ না করলেও খুব একটা ভালও কিছু করিনি। এরপর হ’তে ছাত্র হিসেবে ‘মিডিওকার’ বলেই আমার পরিচয় ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর থেকে স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ দৃষ্টির ফলেই হউক বা ঢাকার জলবায়ুর জন্যেই হউক আবার আমি খেলাধুলা করতে সক্ষম হই। তবে টেনিসের
-
ইভান্ পেত্রোভিচ, পাভলভ, (১৮৪৯-১৯৩৬) আমাদের দেশে এখনও অপরিচিত বললেই চলে। তাঁর ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ কথাটি অল্পাধিক জানা আছে অনেকের কিন্তু এর সঠিক তাৎপর্য এবং চিকিৎসা-বিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, ভাষাবিজ্ঞান ও প্রধানত মনোবিজ্ঞানের উপর পাভলভের এই ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ আবিষ্কারের প্রভাব সম্বন্ধে আমাদের দেশের পণ্ডিত ব্যক্তিরাও সম্পূর্ণ সজাগ নন।
মনোবিজ্ঞান এই সেদিনও দর্শনশাস্ত্রের আওতার মধ্যে আটকা ছিলো। সত্যিকারের বিজ্ঞানের পর্যায়ে আসবার ও স্বাতন্ত্র্য লাভের চেষ্টা দেখতে পাই ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে। এই সময় জার্মানীতে ওয়েবার, মুলার, হেল্মহোজ প্রভৃতি ফিজিওলজিষ্টরা দর্শন ও শ্রবণইন্দ্রিয় বিষয়ক বহু নতুন তথ্য আবিষ্কার করেন, ইংলণ্ডে “Expression Of The Emotions In Men And Animals” বইখানি এই সময় প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে জার্মানীতেই ভোকনার
-
॥ ১॥
‘সুশীল সমাজ’ (‘Civil Society')-এর প্রসঙ্গটি আজকাল এদেশের শিক্ষিত মানুষের মুখে মুখে শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। তিন-চার দশক আগে কিন্তু ঠিক এ রকমটা ছিল না। তবে একথাও অবশ্য বলা যাবে না যে, ‘সুশীল সমাজ' অভিধাটির ব্যবহার তখনকার দিনে একেবারেই অনুপস্থিত ছিল। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু স্তরে লেখাপড়ার সময়ে এবং রাজনৈতিক তত্ত্ব চর্চার প্রয়াসকালে ‘সুশীল সমাজ' প্রসঙ্গটির সাথে কারো কারো কিছুটা পরিচয় হওয়ার সুযোগ ঘটতো। তবে সে সময় তাদের সাথে সেই পরিচয়টি ঘটতো প্রধানত একটি একাডেমিক ও তাত্ত্বিক বিষয় হিসেবে। পরিচয় সীমাবদ্ধ থাকতো মূলতঃ বইয়ের পাতার গণ্ডির মধ্যে। মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পৌর বিজ্ঞানসহ কোনো বিষয়ের নির্ধারিত টেক্সট বইয়ের পাতায় ‘সুশীল সমাজ' প্রসঙ্গের কোনো
-
রেবতীমোহন বর্মণআর আমাদের ভিতরে নেই। ৬ মে (১৯৫২) তারিখে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন। সুদীর্ঘ বারো বৎসর কাল দুরারোগ্য কুষ্ঠ-ব্যাধির সহিত সংগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত এই ব্যাধির হাতেই তিনি নিজের জীবনকে সঁপে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে আমরা যে শুধু একজন বিশিষ্ট বিপ্লবীকে হারালাম তা নয়, মার্কসবাদের একজন একনিষ্ঠ ছাত্রও আজ চিরদিনের মতো আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনকে তাঁর আরো অনেক অবদান দেওয়ার ছিল, কিন্তু দুষ্ট ব্যাধি তা থেকে আমাদের বঞ্চিত করে দিল।
তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কৃতী ছাত্র ছিলেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একজন সুলেখকও ছিলেন তিনি। কিন্তু এই পরিচয় তাঁর একমাত্র পরিচয়
-
লেখক: নারায়ণ চৌধুরী
লেখাপড়ার যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের দুটি স্পষ্ট-চিহ্নিত ভাগে ভাগ করা যায়: লিখিয়ে এবং পড়িয়ে। শব্দান্ত্যমিলের খাতিরে ‘পড়িয়ে’ কথাটি ব্যবহার করলুম, কিন্তু বাংলা ভাষায় ‘পড়ুয়া’ কথাটারই সমধিক চল। তবে ‘পড়িয়ে’ বা ‘পড়ুয়া’ যে শব্দেরই ব্যবহার হোক-না কেন, প্রশংসাসূচক হয়েও ওই দুটি শব্দের ধ্বনির মধ্যে কোথায় যেন একটা প্রচ্ছন্ন ব্যঙ্গ রয়েছে।
অপরপক্ষে ‘লিখিয়ে’ কথাটার মধ্যেও একটা সূক্ষ্ম তাচ্ছিল্যার্থ নিহিত রয়েছে বলে মনে হয়। ‘লিখিয়ে’ কথাটার ঠিক ঠিক ইংরেজী প্রতিশব্দ যদি প্রয়োগ করতে হয় তো ‘স্ক্রাইব’ বা ‘কুইল-ড্রাইভার’ কথা দুটির শরণাপন্ন হতে হয়। বলা বাহুল্য, ও দুটির কোনটিই যথেষ্ট সম্ভ্রমার্থে ব্যবহৃত শব্দ নয়। ‘লেখক’ বলতে মনে যে ভাব জেগে ওঠে,
-
বহুদিন পর কবিতার কোলে ঘুমিয়েছি।
ছোট্ট অবোধ শিশুটির মতো
আধশোয়া হয়ে স্বপ্নঘুমে কাটিয়েছি রাত্র।
রাত যখন জেগে রয় সারারাত ধরে
আমি তখন স্বপ্নঘুমে কবিতার কোলে।
তুমি যখন ছিলে বেদনার মতো আষ্টেপৃষ্টে
তখন সুখের অসুখে নির্ঘুম রাত্রির সাথে
কথায় কথায় ভোর হতো পুবের অদেখা স্নিগ্ধ আলোয়।
ক্লান্ত রাত ফুরুতো আঁধারের রঙে আলোর মিশেলে
তবুও অক্লান্ত প্রেম তোমার চোখজুড়ে
নতুন আলোয় নিষ্পলক চেয়ে রয় সদাই।
আমি সারাটিদিন ধরে আবার ফিরে যাই জীবনের কোলাহলে
এভাবে কত কত নির্ঘুম রাতের পর আজ স্বপ্নঘুমে
কবিতার মতো তোমার কোলে অবোধ শিশুটির মতো
জড়োসড়ো হয়ে আশ্রয় নিয়েছি নিয়তির নিরুদ্দেশে।
-
সত্যিকার বাস্তব খবরের চাইতে অমূলক বাজার-গুজবের প্রতিপত্তি যেমন প্রবল, স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষের তুলনায় অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্টের মোহপ্রভাব তেমনি অনেক বেশি। স্পষ্টভাবে যাহাকে দেখি শুনি ও জানি, তাহাকে নাড়িয়া-চাড়িয়া দু'কথায় তাহার নাড়ীনক্ষত্রের হিসাব ফুরাইয়া যায়, কিন্তু যাহাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, সম্ভব-অসম্ভব নানা ডাল-পালায় পল্লবিত হইয়া সে মনের কল্পনাকে ভরাট করিয়া রাখে। তাই প্রত্যক্ষ আলোকের চাইতে অস্পষ্টতার আবছায়াই মনের মধ্যে অধিক সম্ভ্রমের সঞ্চার করে। স্পষ্ট শাসনের ভয়ে যে শিশু বিব্রত হয় না, সেও দেখি “জুজু” নামক অনির্দেশ্য পদার্থটিকে যথেষ্ট খাতির করিতে জানে।
এই অস্পষ্টতার আবরণ দিয়া মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নানারকম জুজু গুষিয়া থাকে। কতকগুলি পরিচিত নাম বা দু-দশটা
-
ম্যাট্রিক পাস করার পর এক বছর রোজগারের ধান্ধায় ঘুরলাম। পরের বছর, উনিশশো পঞ্চান্ন সালে, নেত্রকোনা কলেজে ভর্তি হলাম। নেত্রকোনা কলেজে তখন ইন্টারমিডিয়েট ক্লাস খোলা হয়েছে। ছাত্রসংখ্যা একান্ত সীমিত। ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার মিলিয়ে দেড়শোর বেশি নয়। আটজন অধ্যাপকের প্রায় সবাই ছিলেন তরুণ। সব মিলিয়ে যেন একটি ছোট্ট সুখী পরিবার।
কলেজর ছাত্র সংসদে আমি সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হই। সংসদের পক্ষ থেকে সারা বছর অনেক বিতর্কসভা ও সাহিত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। অধ্যাপকবৃন্দ তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি আমাদের সঙ্গে এ-সবে অংশগ্রহণও করতেন। আনুষ্ঠানিক বিতর্কের বাইরেও তাঁদের সঙ্গে আমরা নানা বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা ও তর্কবিতর্ক করতাম। রাজনীতি নিয়েও উত্তপ্ত আলোচনা হতো।
চার-এর দশক থেকেই নেত্রকোনা ছিল
-
লেখক: কাজল বন্দোপাধ্যায়ায়
১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয় 'ভাষা শহীদ গ্রন্থমালা'। এই গ্রন্থমালার বই স্বপ্ন লেখার দায়িত্ব পেয়ে আমি যেমন সম্মানিত বোধ করি, তেমনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টির নানা দিক ও মাত্রা রয়েছে। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থিত করাও ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। 'স্বপ্ন' বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু মনোস্তত্ত্বের বস্তুবাদী ধারার সঙ্গে তখনও আমার পর্যাপ্ত পরিচয় ঘটেনি। আমাদের দেশের জ্ঞানবিজ্ঞানের এলাকায় মনোবিজ্ঞানী হিসেবে ফ্রয়েড, ইয়ুং, এ্যাডলারদেরই জয়-জয়কার; শিল্পসাহিত্যেও ফ্রয়েডীয় ভাবধারার বিশাল, প্রায় একচ্ছত্র প্রভাব। এমনকি মার্ক্সবাদীরাও দেখেছি ফ্রয়েডীয় মনোস্তত্ত্বের ভাববাদী চরিত্র সম্পর্কে অবগত নন। এরূপ একটি পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধেয় যতীন সরকার আমাকে অত্যন্ত বড় সাহায্য করেন। তিনিই আমাকে বলেন শ্রী
-
বাংলাদেশের ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের জয়ের পরে দেশের বাইরে চলে যাওয়া প্রায় ৮০ লক্ষ এবং দেশের ভিতরে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ধাবমান আরও ৮০ লক্ষ শরণার্থী নর-নারী-শিশুর নিজের নিজের ঘরে ফেরার পালা। হিসেব করতে গিয়ে দেখা গেলো, যারা ফিরবে না তাদের সংখ্যা কয়েক লক্ষ। যারা ঘরে ফিরে এলো তারা দেখলো যাদের রেখে গিয়েছিলো, তাদের মধ্যেও অনেকে নেই।
পাকিস্তানী দখলদার সেনাবাহিনীর মধ্যে থেকে বাছাই করা হিংস্র লোকদের নিয়ে গঠিত হানাদারদের বাহিনী ও স্থানীয় মুসলিম লীগ আর জামাতের বন্দুকধারী রাজাকাররা গ্রামের পরে গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা সমেত অসংখ্য নর নারী শিশুকে নদীর ধার ঘেঁষে গড়ে ওঠা চরগুলোর বিরান এলাকায় জড়ো করে খুন করেছিল। প্রায়
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- মুক্তিযুদ্ধ
- আন্দোলন
- পাকিস্তান
- ভাষা
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- গদ্য
- সাংবাদিকতা
- এনজিও
- সমাজ
- সরকার
- বই
- মধ্যপ্রাচ্য
- অনুবাদ
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পশ্চিমবঙ্গ
- ভারত
- জীবনী
- কারুশিল্প
- কিশোর
- শিশুতোষ
- ঢাকা
- সংঘর্ষ
- দাঙ্গা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- বাংলা
- চিঠি
- বিপ্লব
- নারীবাদী
- গবেষণা
- সিলেট
- চিরায়ত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- ইসলাম
- পুঁজিবাদ
- হিন্দু
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- রমন্যাস
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- বঙ্গবন্ধু
- ইংরেজি
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- নজরুল
- বইমেলা
- নারী
- বিজ্ঞানী
- খুলনা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- কলকাতা
- চট্টগ্রাম
- লালন
- গণহত্যা
- অতিপ্রাকৃত
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- রূপকথা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- গান
- ভূমিকা
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৪)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.