-
উর্দু থেকে অনুবাদ: ফহিম আনোয়ার ও স্বপন দাসাধিকারী
হাওয়ার কেল্লার বিষয়বস্তু হলো হিন্দুস্থানের কাল্পনিক পোলাও। হিন্দুস্থানের আদর্শ হলো ক্ষুধা এবং এটি তার প্রতি একটি চমৎকার ইঙ্গিত। এ একটি সীমিত বাগ্বিধি এবং এর কেন্দ্রবিন্দু শুধু পেট, কিন্তু হাওয়ার কেল্লা একটি বিস্তীর্ণ ও সু-উচ্চ বাগ্বিধি এবং তাতে কাল্পনিক পোলাও ছাড়াও কয়েকটি সুন্দর বস্তু মিশে আছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাল্পনিক পোলাওতে হাওয়ার কেল্লা ঢুকতে পারবে না, কিন্তু হাওয়ার কেল্লায় বসে কাল্পনিক পোলাও পাকানো যায়। এই ভাবেও ভাবা যায় যে সারা ভারতবর্ষ একটি হাওয়ার কেল্লা। আপনি কোন হাওয়ার কেল্লা তৈরী করেছেন? আমি আপনার ছোট বেলার কথা বলছি না, কেননা সারা জীবনকেই আমার
-
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে।
-
Kantichandra was young; yet after his wife’s death he sought no second partner, and gave his mind to the hunting of beasts and birds. His body was long and slender, hard and agile; his sight keen; his aim unerring. He dressed like a countryman, and took with him Hira Singh the wrestler, Chakkanlal, Khan Saheb the musician, Mian Saheb, and many others. He had no lack of idle followers.
In the month of Agrahayan Kanti had gone out shooting near the swamp of Nydighi with a few sporting companions. They were in boats, and an army of servants, in boats
-
"এই দেখ ইন্দুর ডায়েরি। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না, তুমি পড়ে দেখ দিকি, কিছু মানে বার করতে পার কিনা।"
বলিষ্ঠকায় ভুজঙ্গধর মরক্কো-চামড়া দিয়া বাঁধানো সুদৃশ্য খাতাখানি আমার দিকে আগাইয়া দিল।
"ঊনত্রিশে তারিখে যেটা লিখেছে সেইটে পড়! আরও পাতা উলটে যাও—হ্যাঁ, ওইখান থেকে পড়।"
পড়িতে লাগিলাম। ভুজঙ্গধর ভ্রু-কুঞ্চিত করিয়া আমার মুখের দিকে চাহিয়া রহিল। ভুজঙ্গাধর আমার বাল্যবন্ধু এবং ইন্দুমতীর স্বামী।
ইন্দুমতী লিখিয়াছেন, "কাল রাত্রে যে অদ্ভুত ঘটনাটা ঘটেছে তা এতই অসম্ভব যে বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি কাউকে বলিওনি, এমন কি মাণিককেও না। মাণিককে বলতে খুবই লোভ হচ্ছে, কিন্তু ভয় হচ্ছে পাছে সে আমাকে ভীতু বলে ঠাট্টা করে। তার
-
দীপ-শিখা নিষ্কল্পভাবে জ্বলছিল। মনে হচ্ছিল, যেন অধীরভাবে কার প্রতীক্ষা করছে। আর আকুল আগ্রহই যেন অচঞ্চল করেছিল তাকে। একটু পরেই ধীরে ধীরে সে কাঁপতে লাগল। এসেছে, হাওয়া এসেছে। কাঁপুনি বেড়ে গেল তার। মনে হতে লাগল, হাওয়ার বাহুপাশে আত্মহারা হয়ে পড়েছে সে বুঝি।
দীপ-শিখা। ছেড়ে দাও, ও কি করছ?
হাওয়া। আমাকে ছেড়ে কি থাকতে পারবে তুমি? বিজ্ঞানীরা কি বলেছেন জানো?
দীপ-শিখা। কি?
হাওয়া। আমার মধ্যে না কি অক্সিজেন-নামে একরকম গ্যাস আছে। সেই গ্যাসই নাকি মূর্ত করেছে তোমাকে শিখা-রূপে। আমি না থাকলে, তুমিও থাকতে না।
দীপ-শিখা। ইস্—। কি করছ তুমি—
হাওয়ার বেগ বাড়ল। দীপ-শিখা কাঁপতে লাগল অসহায়ভাবে।
ঘরের আর এক কোণে।
"ছিঃ, কি
-
'৪৮ সালের প্রথম ভাষা আন্দোলনের পরে তখনকার মুক্তিসংগ্রামী রাজ- নৈতিক কর্মীদের যে ধরপাকড় শুরু হয়, তার ধারাটা '৭১ পর্যন্ত প্রায় একই রকম ছিল। একবার ঢোকালে আর বের করার নাম নেই। দরকার হয়েছে বড় বড় ঠেলার। তবে জেলের দরজা খুলেছে। যেমন '৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারীর ঠেলা, '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয়ের ঠেলা, '৬২ সালের এন, ডি, এফ'এর ঠেলা, '৬৯ এর এগারো দফার ঠেলা। তারপর '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কত জেলের রাস্তা তো সদর রাস্তা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রথম প্রথম জেলবন্ধের সময়টা বেশী হতো। ভেতরে যারা থাকতো তারা মনে করতো সারা পৃথিবীটা নিঝুম। কবে জাগবে ছাত্র-জনতা? নোয়াখালির কৃষকনেতা মমতাজ মিঞা গাঁয়ের চেয়ারম্যান, প্রথম
-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে পাল্লাই দিচ্ছিস?’
‘না, এমনি আর কি, বাগানে যাচ্ছি।’
ও’র পাশাপাশি চলেছি আর ভাবছি, এইবার নিশ্চয় জিজ্ঞেস করবেন অঙ্কটার কথা, কী বলব? এখনো তো কষা হয়নি।
উনি কিন্তু বললেন, ‘দিব্যি আবহাওয়া...’
বললাম, ‘হ্যাঁ, দিনটা ভালোই,’ আর মনে মনে ভয় হঠাৎ যদি অঙ্কটার কথা তোলেন।
বললেন, ‘নাকটা যে তোর লাল হয়ে গেছে।’ বলে হাসলেন।
‘নাক আমার অমনি, চিরকালই লাল।’
‘তাহলে লাল নাক নিয়েই দিন কাটাবি?’
ভয় পেয়ে গেলাম, ‘কিন্তু কী করব?’
‘বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটা নাক কিনে নে।’
‘আপনি ঠাট্টা করছেন।’
-
এ্যানুয়েল পরীক্ষা শেষ। সারাদিন অবসর। কি যে করব ভেবেই পাই না। সারাদিন খালি খালি বসে মোটেই ভালো লাগে না।
এমন সময় একদিন কামাল ভাই বলল: ফোকলা, একটা কাজ করলে হয় না?
আমি উৎসুক হয়ে উঠলাম: কি কাজ?
: ভাবছি, এখন তো সারাদিনই অবসর, একটা নাটক করলে হয় না?
: নাটক?
মন্টু হঠাৎ হেসে উঠে বলে বসল: তোমরা করবে নাটক, তবেই সেরেছে। তোমাদের দ্বারা যদি নাটক হয়—
কামাল ভাই ঘুষি বাগিয়ে বলে উঠল: পাজী কোথাকার। কেন হবে না শুনি?
মন্টু ভয়ে ভয়ে চুপ করে গেল।
আমি কামাল ভাইকে একটু উৎসাহ দিয়ে বললাম: তবে একটা নাটক সিলেকশন করে ফেলো।
ঝন্টু এতক্ষণ চুপ
-
বারো মাসের ছটা ঋতু আবু মিয়ার মনে ছত্রিশ রকমের চিন্তা বয়ে আনে। ফাল্গুন যখন বনে বনে রঙ চড়ায়, সে রঙে তারো মনে জাগে নেশা। এর পর জ্যৈষ্ঠের বাউল বাতাস আমের তলায় শুকনো পাতাগুলো ওড়ায়, তারো বুকটা শূন্যতায় খা খা করে ওঠে। কলকাতায় বসে কিছুই দেখছে না সে, কিন্তু যখনি ভাবতে বসেছে, মনে হয়েছে তখনি, তাদের গাঁয়ের পাশে পুকুর পাড়ে আপনি-ফোটা ফুলের বনের অন্তরাগ আর উদাস দুপুরের ঝরাপাতার মড়মড় খসখস শব্দ সবই দেখতে ও শুনতে পাচ্ছে। বড় বড় দু তলা তিন তলা বাড়িগুলোর উপর দিয়ে যে আকাশটুকু দেখা যায়, তাতে যখন মেঘ করে আসে, আর আসে একটা হাল্কা হাওয়া, তখন আবু
-
দীর্ঘকাল সফরের পর বেরিং বাড়ি ফিরে আসার আগে আগে তার ছেলে, ছোট্ট টম বেরিং কর্ণেলিয়া-পিসি আর তার স্বামী কার্ল-পিসেমশাইয়ের কাছে নাস্তানাবুদ হল।
টম অন্ধকার লাইব্রেরী-ঘরে সাবানের ফেনার রঙিন বুদ্বদ ছাড়ছিল। এর চেয়েও বড় বড় অপরাধ অবশ্য সে করেছে: যেমন, আতসকাচ দিয়ে হলুদ পর্দা ফুটো করে দেওয়া ‘দেকামেরন’ বই খুলে তার ছবি দেখা, পড়শীর ছেলের সঙ্গে মারামারি—তবে কর্ণেলিয়াকে বিশেষ করে উত্তেজিত করে তোলে সাবানের বুদ্বুদ। বিশাল, কেতাদুরস্ত বাড়িতে এরকম চাপল্য অসহ্য, তাই কার্ল -পিসেমশাই গম্ভীর ভাবে বালকের কাছ থেকে সাবানের ফেনাসুদ্ধ পাত্রটা কেড়ে নিলেন, আর কর্ণেলিয়া-পিসি কাচের নলটা।
কর্ণেলিয়া অনেকক্ষণ ধরে টমকে নষ্ট ছেলেদের নিদারুণ ভাগ্য সম্পর্কে—ভবিষ্যদ্বাণী করে বললেন যে তারা
-
‘নেড় গার্লানের উত্তরাধিকারী’—পরিচিত লোকেরা ঠাট্টা করে ওদের এই আখ্যাই দিয়েছিল—ছিল সাতজন অল্পবয়সী ছাত্রছাত্রী, গার্লানেরই দেওয়া একটা মোটরবোটের যৌথ মালিক। গার্লান ক্ষয়রোগে সুইজারল্যাণ্ডে দেহত্যাগ করে।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি ‘উত্তরাধিকারীদের’ প্রথম ভ্রমণ শুরু হল। তারা বন্য জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্নার্ক হ্রদের তীরের দিকে যাত্রা করল।
অষ্টম একজন ব্যক্তি আমন্ত্রিত হয়েছিল—কোলবেয়র। যে ক’টি মেয়ে এই ভ্রমণে চলেছে তাদেরই একজন—জয় টেভিসের প্রতি কোলবেয়রের অসুখী প্রেম এক বছর আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং প্রায়ই মন্তব্যের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
ষোল বছর বয়স থেকে শুরু করে আজ অবধি জয় টেভিস একের পর এক ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে, কিন্তু যেহেতু ক্ষত নিরাময়ের ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছেও তার ছিল
-
AT half-past eight they drove out of the town.
The highroad was dry, a lovely April sun was shining warmly, but the snow was still lying in the ditches and in the woods. Winter, dark, long, and spiteful, was hardly over; spring had come all of a sudden. But neither the warmth nor the languid transparent woods, warmed by the breath of spring, nor the black flocks of birds flying over the huge puddles that were like lakes, nor the marvelous fathomless sky, into which it seemed one would have gone away so joyfully, presented anything new or interesting to
উৎস
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- গল্পগুচ্ছ
- শিউলি-মালা
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- পুরাণের গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রাঙা পাল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ক্ষণভঙ্গুর
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ব্যথার দান
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- বিধু মাস্টার
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নবাগত
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অসাধারণ
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অনুসন্ধান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.