-
আজ সন্ধ্যায় উত্তর আকাশের মেঘগুলো নীলাভ হয়ে উঠেছে, আর তাই চেয়ে-চেয়ে দেখে আরশেদ হামেদের স্বচ্ছ চোখও যেন নীলাভ হয়ে উঠল। হাতে তার একটা রক্তজবা, গাঢ় লাল তার রং। পাশের ঘাসের ওপর পা ছড়িয়ে বাসন্তী রঙের শাড়ি পরা যে-ক্ষীণাঙ্গী মেয়েটি বসে ছিল নীরবে, তার পানে চেয়ে সে বললে: ‘ওই যে নীল মেঘগুলো—স্নেহের মতো নরম কোমল নীলাভ মেঘগুলো, ওইগুলো দেখে হঠাৎ একটা ঘটনা আমার মনে পড়ে গেল, ভারি দুঃখময় সে ঘটনাটি। শুনবে?... বলছি, আগে এই ফুলটি নাও।’
মেয়েটির সরু-সরু আঙ্গুলগুলো কোমল আর দীর্ঘ, সে-আঙ্গুলগুলো দিয়ে সে হামেদের হাত হতে আস্তে ফুলটি নিলে, নিয়ে মাথা নিচু করে কেমন করে সেটা খোঁপায় গুঁজে দিলে।
-
অনুবাদ: সুনীলকুমার ঘোষ
অ্যামেরিকান মিনিস্টার মি. হিরাম বি. ওটিস ক্যানটারভিলে চেস বাড়িটি কিনে যে নির্বুদ্ধিতার কাজ করেছেন এই কথাটা ঘুরে-পরে সবাই তাঁকে বলেছিল। কারণ বাড়িটি যে ভূতুড়ে সে বিষয়ে কারও কোনো সন্দেহ ছিল না। এমনকি ন্যায়নিষ্ঠ লর্ড ক্যানটারভিলে নিজেও মি. ওটিস তাঁর সঙ্গে দরদস্তুর করতে এলে, তাঁরে এ-বিষয়ে সাবধান করে দিয়েছিলেন।
লর্ড ক্যানটারভিলে বললেন—আমরা নিজেরাই ওই বাড়িটা বাসের উপযুক্ত বলে মনে করিনি। একবার আমার বিধবা পিতামহী বোলটনের ডাচেস ডিনারের জন্যে পোশাক পালটাচ্ছিলেন। এমন সময় দুটি কঙ্কাল হাত এসে তাঁর কাঁধের ওপরে পড়ে। এই দেখেই ভয়ে তিনি মূর্দা যান। আরো একটা কথা আপনাকে আমার বলা দরকার, মি. ওটিস, আমাদের সংসারের অনেকেই
-
বড় রাস্তা হতে যে-সরু নোংরা গলিটি নগণ্য ঘটনার মতো আলগোছে নীরবে ওধারে সরে পড়েছে, সে-গলি দিয়ে কয়েক পা এগুলেই এক বিচিত্র আবহাওয়ায় গিয়ে পৌঁছোনো যায়। এ যেন তুচ্ছ ঘটনার পুচ্ছ ধরে বিরাট পরিণতি স্ফীত হয়ে ওঠার মতো। বড় রাস্তা হতে মোনায়েম সে-গলিতেই মোড় নিল।
একটা ঝুনো বাসার দরজায় কড়া নাড়তে যে মেয়েটি এসে দরজা খুলে দিল, তাকে মোনায়েম প্রথমেই বলল: পথ ভুলে আসি নি, বিশ্বেস কর।
মেয়েটি হাসলে, বললে: তা না হয় করলাম, কিন্তু ওরা যা খেপেছে সে-কথা আর বলবার নয়। বিচারে কী সাব্যস্ত করেছে জানেন?
কী? সভয়ে মোনায়েম তাকাল ওর চোখের পানে।
আপনাকে এ-বাসায় আর কক্ষনো ঢুকতে দেয়া হবে
-
কত গভীর রাতে আফজল রাতের নিঃশব্দতায় কান পেতে স্তব্ধ হয়ে রয়েছে। এবং কখনো- কখনো মনে হয়েছে রাতের উত্তুঙ্গ শিখরে দাঁড়িয়ে তারাময় দেয়ালে হেলান দিয়ে সে চেয়ে রয়েছে নিশ্ছিদ্র অতল অন্ধকারের পানে, তারপর মনটা শূন্য হয়ে উঠে ঐ অন্ধকারের, যে-অনুবন্ধী অন্ধকার চিহ্নশূন্য অথচ অবান্তর নয়, সে অন্ধকারের ক্ষুদ্রতম কণাতম অংশই যথেষ্ট তার সীমাহীনতার প্রমাণ দিতে সে অন্ধকারের মতোই হয়ে উঠেছে।
অথচ তারাময় দেয়ালে হেলান দিয়ে অন্ধকারের পানে সে চেয়ে দেখছে। পেছনে তাহলে বিন্দু-বিন্দু যে-আলোর কণা ছড়িয়ে ছিল, তা কি মহাআলোর বিনয়? থেকে-থেকে কাঁটার মতো বিদ্রোহী মনোভাব খুঁচিয়ে উঠেছে। কী একটা সংগ্রাম। সংগ্রাম!
এবং অনেক রাত ঠেকেছে বিভীষিকাময়।
অথচ সে-বিভীষিকায় নেশা।
শারদীয়
-
সামনের মাঠটা উঁচু হয়ে উঠে গিয়ে কিছু দূর হতে আবার নেবে গেছে। নেবে গেছে অনেকখানি। এতখানি নেবে গেছে যে, দূরের সুপুরিগাছ দুটোর শুধু আগা দেখা যায় এখান থেকে।
আকাশটা আজ নীল-ঝকঝকে নীল। এবং সে আকাশের তলে সবুজ মাঠটি মানিয়েছে ভালো। জানলার কাছে দাঁড়িয়ে রাবেয়া সেদিকে চেয়ে আছে বটে কিন্তু তাঁর মন নেই সেখানে। নির্দিষ্টভাবে নেই কোথাও, কিন্তু সামনের মাঠটার নেবে-গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার মধ্যে যে কেমন একটা নীরব উদাসীনতা, তাতে তার মনটা থেকে থেকে বেদনায় ছলছল করে উঠছে।
ওপাশে ইজিচেয়ারে আধ-শোয়া হয়ে আকবর খবর কাগজ পড়ছিল, হঠাৎ চোখ তুলে তাকাল রাবেয়ার পানে। ক্ষণকাল পরে শুধাল: কী দেখছ অত?
—মাঠ—মাঠ দেখছি
-
পরিচ্ছেদ ১—দারার কথা
গোলেস্তান
গোলেস্তান! অনেক দিন পরে তোমার বুকে ফিরে এসেছি। আঃ মাটির মা আমার, কত ঠান্ডা তোমার কোল! আজ শূন্য আঙিনায় দাঁড়িয়ে প্রথমেই আমার মনে পড়ছে জননীর সেই স্নেহবিজড়িত চুম্বন আর অফুরন্ত অমূলক আশঙ্কা, আমায় নিয়ে তাঁর সেই ক্ষুধিত স্নেহের ব্যাকুল বেদনা,… সেই ঘুম-পাড়ানোর সরল ছড়া,—
ঘুম-পাড়ানি, মাসি-পিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো,
বাটা ভরে পান দেব গাল ভরে খেয়ো!
আরও মনে পড়ছে আমাদের মা-ছেলের শত অকারণ আদর-আবদার! সে মা আজ কোথায়?
দু-এক দিন ভাবি, হয়তো মায়ের এই অন্ধ স্নেহটাই আমাকে আমার এই বড়ো-মা দেশটাকে চিনতে দেয়নি। বেহেশ্ত হতে আবদেরে ছেলের কান্না মা শুনতে পাচ্ছেন কিনা জানিনে, কিন্তু এ আমি
-
[এক নিমেষের চেনা]
বৃষ্টির ঝম-ঝমানি শুনতে শুনতে সহসা আমার মনে হল, আমার বেদনা এই বর্ষার সুরে বাঁধা!…
সামনে আমার গভীর বন। সেই বনে ময়ূরে পেখম ধরেছে, মাথার উপর বলাকা উড়ে যাচ্ছে, ফোটা কদম ফুলে কার শিহরণ কাঁটা দিয়ে উঠছে, আর কীসের ঘন-মাতাল-করা সুরভিতে নেশা হয়ে সারা বনের গা টলছে!…
এটা শ্রাবণ মাস, না?—আহা, তাই অন্তরে আমার বরিষণের ব্যথাটুকু ঘনিয়ে আসছে!—
সে হল আজ তিন বছরের কথা। আমার এই খাপছাড়া জীবন তার স্মৃতিগুলো ঝড়ের মুখে পদ্মবনের মতো ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেছে! কখনও তার একটি কথা মনে পড়ে, কখনও তার আধখানি ছোঁয়া আমার দাগা-পাওয়া বুকে জাগে! মানস-বনের জুঁই-কুঁড়ি আমার ফুটতে গিয়ে ফুটতে পায়
-
ক-দিন হল সামনের বাগান ও লনওয়ালা দোতলা বাড়ির মালিকরা বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে। তাদের আগমনে খালি পড়ে থাকা মৃতপ্রায় সে বাড়িটা হঠাৎ প্রাণ পেয়ে জীবন্ত হয়ে উঠল। শুধু প্রাণ তো নয়, দীপ্ত যৌবনেরও আবির্ভাব ঘটেছে বলা যেতে পারে। রাতারাতি আচমকা পরিবর্তন ঘটে গেল সে-বাড়িটায়। দরজা-জানলায় ঝুলতে লাগল রঙিন পর্দা, মোটা ও ভারি এবং আমেঝে পর্যন্ত ঝোলানো, আবার কোনোটা পাতলা ঝিরঝিরে। সিঁড়ি, রেলিং ও বারান্দার প্রান্তের ওপর-নিচ পূর্ণ হয়ে উঠল নানারঙা ফুল ও পাতাগাছের টবে-টবে। তাছাড়া কখনো পিয়ানোর ও রেডিয়োর আওয়াজে, কখনো উচ্চকলহাসিতে অহরহ মুখর হয়ে উঠল গোটা বাড়িটা।
মালিকদের প্রত্যাবর্তনের পর থেকে সেলিমা উত্তরের গরাদ-দেয়া কিছু-ভাঙা জানলাটার পাশে কাজের ফাঁকে
-
একটু ঘুম এলেই গলায় শ্লেষ্মা ঘন হয়ে ওঠে। আবার কালুর ঘুম ভেঙে গেল, একটা বিদ্ঘুটে আওয়াজ করে সে চোখ মেলে তাকালে অন্ধকারের পানে। কেমন ঘুটঘুটে ঘন অন্ধকার, তাকালে মনে হয় যেন চোখই নেই, কোটর দুটো শূন্য—ওই অন্ধকারের মতো কালো।
মশার আওয়াজ তীক্ষ্ণতম হয়ে উঠেছে, ওদের রাজ্যে যেন হিংস্র-উল্লাসের বন্যা এসেছে। কিন্তু তবু ঘুমোতে হবে, ঘুমোতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না আবার গলা বেয়ে শ্লেষ্মা ঠেলে উঠে শ্বসনে ব্যাঘাত জন্মায়। কালু এবার ওপাশ ফিরে শুল। কিন্তু পা-দুটো টেনেছে কী অমনি তাতে কী যেন ঠেকল, ঠাণ্ডা আর কিছু নরম।
—কে ওখানে, কে?
কে কখন পায়ের কাছে আশ্রয় নিয়েছে, কুষ্ঠরোগী না ক্ষয়কাশরোগী—খোদা জানেন। কোনো
-
প্রথমে ধরা পড়ে না কিন্তু সময় নিয়ে লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে কিসের যেন অভাব এ পরিবারে: হয়তো প্রাণের, বাহ্যিক ঝংকারের। সবাই কথা কম কয়, সবারই যেন একটা আলাদা জগৎ আছে যার মধ্যে প্রত্যেকে মগ্ন এবং যার সম্বন্ধে তারা পরস্পর অজ্ঞ। আম্মা হয়তো নামাজ শেষ করে জায়নামাজে বসেই দেয়ালের পানে বা মেঝের পানে চেয়ে মুহূর্তের পর মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে থাকবেন, এবং একটু দূরে খাটের ওপর বসে বড়মেয়েটি আধা-চোখ বুজে মুরগির পালক দিয়ে কান খোঁচাতেই থাকবে, আম্মার পানে তাকালেও তার মনে কোনো প্রশ্ন জাগবে না। আব্বা হয়তো আপিস থেকে আসবেন, এসে চা-নাশতা খেয়ে বেলা গড়িয়ে এলে, সামনের মাঠটা গাঢ় সবুজ হয়ে উঠলে,
-
পদ্মাতে নতুন পানির শোরগোল পড়ে গেছে। পদ্মা নিজেকে বিস্তীর্ণ করেছে, যে জমিগুলো কোনো প্রকারে মাথা জাগিয়ে রোদ পোহানো কুমিরের মতো সূর্যের তলে নিজেকে প্ৰকাশ করেছিল, সে-গুলো আবার ঢেকে দিচ্ছে; কিন্তু ভাসিয়ে নিচ্ছে, আর দু-ধারের দুই দিগন্ত স্পর্শ করবার ব্যাকুলতা নিয়ে সে মুহূর্তে মুহূর্তে নিজের সবল দেহ প্রসারিত করছে, ফুলে-ফুলে গর্জে-গর্জে হিংস্র ঔদার্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
ওধারে ঘোলাটে আকাশে কেমন হাওয়া। থেকে থেকে সে হাওয়া এত প্রবল হয়ে ওঠে যে, মনিরুদ্দিনের ঘাসী নৌকাটা কাত হয়ে ওঠে। হাল ধরছে সে নিজেই, মাঝি দুটো ছইয়ের এধারে উবু হয়ে বসে রাতের রান্নার ব্যবস্থা করছে। ছইয়ের ভেতরে ওদিকটায় দুটি প্রাণী—স্বামী আর স্ত্রী; তারা যাত্রী। কলকাতা থেকে
-
হাতে এত অবসর যে মনে হয় আকাশটা কত বড় হয়ে উঠেছে : এত বিশাল এত গভীর এবং এত মৌন আকাশ সে যেন দেখে নি কখনো। দেহ শুধু ক্লান্তিতে জড়িয়ে ওঠে, আর সে ক্লান্তিতে কেমন নেশা।
এখন সকাল। বোশেখি রোদ এখনো তেতে ওঠে নি, পশ্চিমের ঘরটায় এখনো কোমল ছায়া। দক্ষিণের জানলার পাশে ডেক-চেয়ারে আমজাদ বসে রয়েছে নিশ্চুপ হয়ে, আর হয়তো চেয়ে দেখছে অদূরে মাইল-স্তম্ভের পাশে বুড়ো জামগাছটার পানে। মৃদু-মৃদু হাওয়া বইছেই, জামগাছের পাতা নড়ছেই। কিন্তু কখনো-কখনো হাওয়া জোর হলে জোরে কেঁপে ওঠে, আবার স্তব্ধ হয়ে গেলে গাছময় এ-অবসরের মতো নিশ্চলতা জমে ওঠে। বাসাটা শহরের প্রান্তে বলে এধারে কোলাহল নেই এবং কোলাহল
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পাতাবাহার
- বনফুল গল্পসমগ্র
- গল্পগুচ্ছ
- শিউলি-মালা
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- বিজ্ঞান পাঠ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রাঙা পাল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- পুরাণের গল্প
- ক্ষণভঙ্গুর
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ব্যথার দান
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- বিধু মাস্টার
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নবাগত
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অসাধারণ
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অনুসন্ধান
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.