সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
যদি বলি ১৯৭১ সালে একটি বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল, তাহলে সম্ভবত কেউই আমার সঙ্গে একমত হবেন না। তবে একাত্তর সালটিকে যারা 'গণ্ডগোলের বছর আখ্যা দেয়, কিংবা যারা বলে যে ওই বছরে ভারতের উস্কানিতে একটা গৃহযুদ্ধ হয়ে তাদের সাধের পাকিস্তানটি ভেঙে গিয়েছিল—এমন কিছু অর্বাচীন মূৰ্খ বা ধুরন্ধর জ্ঞানপাপী বা কুলাঙ্গার দেশদ্রোহী ছাড়া আর সবাই-যে ওই বছরটিকে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর বলে গৌরবে উদ্দীপ্ত হবেন—এমন কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। তবু এরপরও আমি বলব: আমাদের মুক্তিযুদ্ধটি শুধু আমাদেরই যুদ্ধ ছিল না, ছিল বিশ্বযুদ্ধেরই অংশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রচলিত অর্থে যে আর কোনো বিশ্বযুদ্ধ হয় নি,—একথা অবশ্যই সত্য। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই যে বিশ্বব্যাপী
-
লেখক: আহমদ কবিরআনিসুজ্জামান বাংলা বিদ্যাভুবনের এক বিরাট ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বলতম ছাত্র। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্নেহধন্য তিনি। মুহম্মদ আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, সৈয়দ আলী আহসান প্রমুখ বিখ্যাত শিক্ষকেরা সবাই একবাক্যে বলে গেছেন তাঁদের সেরা ছাত্রটি হলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর শিক্ষক ডক্টর কাজী দীন মুহম্মদেরও একই কথা। আনিসুজ্জামানের ছাত্রত্বের অবসান হয়েছে পঞ্চাশ বছর আগে। তারপর তিনি নিজেও হাজার হাজার ছাত্রের জন্ম দিয়েছেন, ঐ ছাত্ররা আবার তাদের ছাত্র গড়েছে। আসলে আনিসুজ্জামান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষক। তিনি এখনও শিক্ষকতা করছেন এবং নিশ্চয়ই আজীবন তাঁর শিক্ষকতার অবসান হবে না। কেবল পরীক্ষার ফলে নয়, বিদ্যাবত্তা, পাণ্ডিত্য ও গবেষণার জন্য তরুণ বয়স থেকেই আনিসুজ্জামানের খ্যাতি
-
লেখক: সনৎকুমার সাহাঅধ্যাপক আনিসুজ্জামানের আমি ছাত্র হতে পারি নি। পড়াশোনা করেছি মফস্বল শহরে। এখনও সেখানেই পড়ে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সহকর্মী হবারও তাই কোনো সুযোগ ঘটে নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম দুই-ই আমার কাছে অনেক দূরের। তাঁর কর্মক্ষেত্র প্রধানত ঢাকা। মাঝখানে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ চট্টগ্রাম। তাঁকে ঘিরে মেধার চর্চা ওই দুই জায়গাতেই। এখানেও কখনো কখনো আসেন। তবে অতিথি হয়। প্রতিদিনের কাজে আমরা তাঁকে পাই না। তাই বলে তিনি দূরের মানুষ নন। আসলে যখন আমরা ছাত্র, তখনই তাঁর নাম জানি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রত্ন। খ্যাতি তাঁর সারা দেশে ছড়ায়। মনে মনে তাঁকে আদর্শ বলে মানি। তিনি অবশ্য তা জানতেও পারেন না।বিপুল অধ্যয়নের সঙ্গে মানবমুক্তির
-
(১) কোন বেদনায় নিলাম বিদায়
কোন বেদনায় নিলাম বিদায় ‘দিলজানী’ আর দিল জানে
বদ-নসিবের দানাদানি টানছে সে কোন দূর টানে॥
তোমার সিঁথির মতির মতন নজর দেবো অশ্রু বুঁদ।
সেই দূতীরে, সালাম তোমার পৌঁছাবে যে মোর পানে॥
এসো প্রিয়া, আশিস মাগি, আমার সাথে হাত ওঠাও,
তোমার প্রাণে বিশ্বাস আসে, আসেন খোদা মোর ত্রাণে॥
মোদের পরে জুলুম যদি করেই জাগে ঈর্ষাতুর,
ভয় কী সখী, মোদের খোদা শোধ নেবে তার সেইখানে॥
তোমার শিরের কসম শিরিঁ তোমার নেশা টুটবে না,
যদিই ‘তামাম জাহান’ জুটে শির পরে মোর তির হানে॥
জান কি সই, কেনই আমায় ফেরায় গ্রহ দিগ্বিদিক?
তোমার পানে মন টানে মোর, ঈর্ষা জাগে
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
১
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর সন্দেহ নাই, কিন্তু তাই বলিয়া যে একেবারেই এ সম্বন্ধে কোনো প্রমাণ সংগ্রহ করা যাইতে পারে না ইহা আমরা স্বীকার করি না। প্রাচীন ভারতে ইতিহাস ছিল না, এ কথা অশ্রদ্ধেয়। প্রকৃত কথা, আধুনিক ভারতে অনুসন্ধান ও গবেষণার নিতান্ত অভাব। বর্তমান প্রবন্ধ পাঠ করিলেই পাঠকেরা দেখিবেন, আমাদের অনুসন্ধানের ত্রুটি হয় নাই এবং তাহাতে যথেষ্ট ফললাভও হইয়াছে।
প্রাচীন ভারতে গ্যাল্ভ্যানিক ব্যাটারি ছিল কি না ও অক্সিজেন বাষ্পের কী নাম ছিল, তাহার মীমাংসা করিবার পূর্বে কীট্টকভট্ট ও পুণ্ড্রবর্ধন মিশ্রের জীবিতকাল নির্ধারণ করা বিশেষ আবশ্যক।
প্রথমত, কীট্টকভট্ট কোন্
-
আচার্য জগদীশচন্দ্রের সঙ্গে আমার পিতার যখন প্রথম পরিচয় হয় তখন আমি নিতান্ত শিশু। পরিচয় ক্রমশ যখন বন্ধুত্বে পরিণত হল তখনও আমি বালক। জগদীশচন্দ্র সম্বন্ধে আমার স্মৃতি তাই বাল্যস্মৃতির সঙ্গেই বেশি জড়িত।
জগদীশচন্দ্র ১৯০০ সালে লণ্ডন-প্রবাসকালে আমার পিতাকে লিখেছিলেন, 'তিন বৎসর পূর্বে আমি তোমার নিকট একপ্রকার অপরিচিত ছিলাম…'
জগদীশচন্দ্র ইউরোপ-ভ্রমণের পর কলকাতায় ফিরে আসেন ১৮৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। তাঁর জীবনীকার প্যাট্রিক গেডিস্ তাঁর বইয়ে লিখেছেন, পৌঁছ-সংবাদ পেয়ে আমার পিতা তাঁকে অভিনন্দন জানাবার জন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখেন তিনি বাড়িতে নেই। তখন তাঁর টেবিলে একটি ম্যাগনোলিয়া ফুল রেখে আসেন। দ্বিতীয়বার যখন দেখা করতে যান দুই বন্ধুর কিরকম মিলন ঘটেছিল তার বর্ণনা গেডিসের
-
মানুষ যেমন, গুগলীও তেমনি হাঁটা-পথে চলে, কাজেই কৈলাস যাবার হাঁটা-পথের খবরই গুগলী রাখত। কিন্তু মাটির উপর দিয়ে হাঁটা-পথ যেমন, তেমনি আকাশের উপর দিয়ে জলের নিচে দিয়ে সব পথ আছে, সেই রাস্তায় পাখিরা মাছেরা দূর-দূর দেশে যাতায়াত করে। মানুষ, গরু, গুগলী, শামুক—এরা সব পাহাড়-জঙ্গল ভেঙে, নদী পেরিয়ে চলে, কাজেই কোথাও যেতে এদের অনেক দিন লাগে। মাছেরা এঁকে-বেঁকে এ-নদী সে-নদী করে যায়, তাদের ডাঙায় উঠতে হয় না, কাজেই তারা আরো অল্পদিনে ঠিকানায় পৌঁছয়। আর পাখিরা নদী-ডাঙা দুয়েরই উপর দিয়ে সহজে উড়ে চলে—সব চেয়ে আগে চলে তারা! কিন্তু তাই বলে পাখিরাও যে পথের কষ্ট একেবারেই পায় না, এমন নয়। আকাশের নানাদিকে নানা-রকম নরম-গরম
-
“সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে পড়ে গেলাম। চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি-করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণ রক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমূখী হলুদ চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুন্ঠনকারী একটি মানুষ। তাঁর জন্য আমি জগন্নাথ হল-এ যে-সভাটি আহ্বান করেছিলাম তাতে ভিড় জমে ছিল প্রচুর। দূর শহর থেকে ইডেন কলেজের অধ্যাপিকারাও এসেছিলেন, তাঁর গান ও কবিতা আবৃত্তি শুনে সকলেই মুগ্ধ: মৃত অথবা বৃদ্ধ অথবা প্রতিষ্ঠানীভূত না-হওয়া পর্যন্ত কবিদের বিষয়ে, যাঁরা স্বাস্থ্যকরভাবে সন্দিগ্ধ, সেই
-
নিরবচ্ছিন্ন বিরতিতে ভোর হয় সকাল,
সকাল গড়িয়ে বিকেল।
এরপর বিক্ষিপ্ত সন্ধ্যা।
আবারো কালো রাতের আঁধার ফুঁড়ে
আসে নতুন ভোর।
ভোর মানেই শান্তি-স্বস্তি,
শান্ত-নিথর নিষ্কলুষ গাম্ভীর্য,
—তোমার স্বপ্নমাখা ঘুম।
-
কৃষণ চন্দরের 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস' গল্পটির সঙ্গে বাঙালি পাঠকের পরিচয় অনেক দিনের। দেশভাগের মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই বাঙলায় কৃষণ চন্দরের একটি গল্প সংকলন প্রকাশিত হয় 'ফুলকি ও ফুল'—তার প্রথম গল্পই ছিল 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস'। ১৯৫২ সালে সংকলনটি প্রকাশ করে র্যাডিক্যাল বুক ক্লাব; গল্পগুলি অনুবাদ করেছিলেন পার্থ রায়। দেশভাগের সাহিত্য নিয়ে কোন আলোচনা করতে গেলে 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস' গল্পটিকে আমরা কিছুতেই ভুলতে পারি না।
বীভৎস-নির্দয় এই গল্পটির কেন্দ্রীয় চরিত্র, বলা যেতে পারে, পেশোয়ার এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন। পেশোয়ার থেকে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করেছিল হিন্দু আর শিখ শরণার্থীদের নিয়ে। তক্ষশীলা স্টেশনে ট্রেনটিকে থামতে হলো, কাবণ শোনা গেল—আরও কিছু উদ্বাস্তু পরিবার আসছেন। ট্রেনটি অপেক্ষা কবল এবং
-
ইসলাম একটি ধর্মমত। কিন্তু আমরা এতোটুক বলেই সন্তুষ্ট নই: বরং গলার জোর যথা সম্ভব বাড়িয়ে বলতে চাই—ইসলাম শুধু একটি ধর্মমত নয়—‘একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান।
অবশ্য জোরেই বলি আর আস্তেই বলি, একথা বলার অধিকার আমাদের আছে। নিজের ধর্মমতকে কেই বা ছোট বলতে চায়! তাছাড়া ইসলাম শুধু আমাদের বলার জন্য নয়, ঐতিহাসিকভাবেই জীবন বিধানের দাবী নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। প্রচলিত যতোগুলি ধর্মমত আছে, তার মধ্যে একমাত্র ইসলামই ইতিহাসের আলোতে তার সকল আয়োজন ও উপকরণ তুলে ধরতে পেরেছে। এর কোথাও রহস্যের কিছু নেই: লুকোচুরির আড়াল নেই। যে মরু পরিবেশে এর জন্ম, সেই পরিবেশের মতোই প্রখর সূর্যালোকে এর সকল কিছু উদ্ভাসিত!
অথচ...
হ্যাঁ, সে সত্যও
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- মুক্তিযুদ্ধ
- সমাজ
- সাংবাদিকতা
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- অনুবাদ
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ভূমিকা
- কারুশিল্প
- ইংরেজি
- ভারত
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ঢাকা
- সংঘর্ষ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- হিন্দু
- ছাত্র আন্দোলন
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- সমালোচনা
- গণহত্যা
- যুক্তরাষ্ট্র
- বই
- পুঁজিবাদ
- গবেষণা
- সিলেট
- কিশোর
- অর্থনীতি
- শিশুতোষ
- রাশিয়া
- চিরায়ত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- রূপকথা
- আলোচনা
- খুলনা
- জাতীয়
- অভ্যুত্থান
- কলকাতা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- আইন
- সংবিধান
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- অতিপ্রাকৃত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- নারী
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- লালন
- আর্টিস্ট
- সরকার
- লোককাহিনী
- চিঠি
- গান
- বিপ্লব
- বইমেলা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- সংবাদ
- ময়মনসিংহ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৩)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৭)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.