সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: আবদুল্লা কাখহার
চুল্লির চাকতিটা খুলে দাদী রোখাৎ পায়ে আঁচ পোয়াচ্ছিল। কিছুকাল থেকে পা দুখানা বড়ো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, কনকন করছে, ঘর তেমন ঠান্ডা না হলেও ভারি শীতে জমে যাচ্ছে সে। নাতি বইয়ের মলাট ছিঁড়ে ফেলেছিল, জানলার কাছে সেটা আঁটা দিয়ে জুড়তে জুড়তে বুড়ো বললে: ‘আগুন পোয়াতে হয় কী করে তা আর তোমায় শেখানো গেল না! চুল্লির দরজা খোলা রাখা আর আকাশ গরম করা একই কথা।’
দাদী রোখাৎ দরজা বন্ধ করে সোফায় গা এলালে। তারপর শুয়েই থাকল। প্রথমটা উঠতে ইচ্ছে করছিল না, পরে আর উঠতেই পারল না। তৃতীয় দিনে বুড়ি মারা গেল।
হিকমৎ-ববো দাঁড়িয়ে রইল একেবারে বজ্রাহতের মতো। ঘরে যখন
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সেই শরতে সুরকার এদভার্দ গ্রিগ বের্গেন-এর কাছের অরণ্যময় অঞ্চলে ছিলেন।
পাতার মর্মর আর ব্যাঙের ছাতার তীব্র গন্ধময় সমস্ত অরণ্যগুলি ভারি চমৎকার; কিন্তু যে অরণ্যগুলি সমুদ্রের পাশের পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছে সেগুলির সৌন্দর্য এক বিশেষ ধরনের। ঢেউয়ের মর্মর ধ্বনি সেখানে হয় প্রতিধ্বনিত, সমুদ্র-কুয়াশা জড়িয়ে থাকে তাদের গাছগুলিকে আর ভিজে বাতাসে বেঁচে থাকা সবুজ শ্যাওলা গাছের ডাল থেকে মাটি পর্যন্ত দাড়ির মতো থাকে ঝুলে।
এই সব অরণ্যে আছে এক ধরনের আনন্দিত প্ৰতিধ্বনি, শব্দানুকারী গায়ক পাখীর মত, যে কোনো শব্দকে ধরতে আর সেগুলোকে পাহাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পাঠাতে সর্বদাই উৎসুক।
এই ধরনের এক অরণ্যে গ্রিগ-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ছোট্ট
-
সুলেমানের প্রাসাদ ছিল ধনরত্নে পূর্ণ, কিন্তু তার মধ্যে সব থেকে বেশী মূল্য দিত খান একটা সোনার আংটিকে, সেটাকে কখনই সে খুলত না হাত থেকে। সেটা ছিল একটা জাদু-আংটি: যে সেটাকে পরত সেই গাছপালা জীবজন্তুর ভাষা বুঝতে আরম্ভ করত আর তাদের ওপর প্রভুত্ব অর্জন করত।
একবার শিকারে বেরিয়ে সুলেমান ঠাণ্ডা জলে মুখচোখ ধুয়ে নেবার জন্য নদীর কাছে গেল। অঞ্জলি ভরে জল তুলে নিতে যাবার সময়ে জাদু-আংটিটা খুলে পড়ে গেল হাত থেকে, ডুবে যেতে লাগল জলে। সুলেমান জলে ঝাঁপ দিতে যাবে রতনটা উদ্ধারের জন্য, হঠাৎ জলে দেখা দিল একটা বিশাল মাছ, মাছটা আংটিটা গিলে ফেলে লেজ নাড়িয়ে জলের গভীরে ডুব দিল।
ঐ
-
দুই ভাই ছিল। বড় ভাই বুদ্ধিমান, কর্মঠ আর ছোট ভাই ছিল নির্বুদ্ধি, অলস আর হিংসটে। নাম তার কাদির। তাকে নিয়েই এই গল্প।
কাদির একদিন তার ভাইয়ের কাছে এসে আক্ষেপ করে বলল: ‘কেন এমন হয় বল দেখি, ভাই! তুমি আর আমি এক বংশের ছেলে, মায়ের পেটের ভাই। কিন্তু ভাগ্য আমাদের বিভিন্ন। তোমার সবকিছুতেই সাফল্য আর আমার সবেতেই ব্যর্থতা। তোমার ভেড়াগুলো মোটা হচ্ছে, বাচ্চা দিচ্ছে, আর আমারগুলো পটাপট মরছে; তোমার ঘোড়া দৌড়ে প্রথম হল আর আমারটা মাঝপথে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিল; তোমার ঘরে মাংস আর কুমিস[☆]সদাই মজুত, আর আমার ঘরে বিস্বাদ সুপ তাও পেটভরা নেই; তোমার আছে স্নেহময়ী স্ত্রী, আর
-
বর্তমানকালে সমগ্র বিশ্বজুড়ে পরিচিতি সত্তার রাজনীতি সাধারণভাবে রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উপাদান রূপে উঠে এসেছে। ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত পরিচিতি কেন্দ্রিক রাজনীতির ধারণারই কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সময়টা হল ১৯৮০-র দশক, যখন থেকে পরিচিতির রাজনীতি গুরুত্ব লাভ করতে থাকে।
পটভূমি
১৯৮০-র দশকে বিশ্বায়িত ফিনান্স পুঁজির ইন্ধনে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের আবির্ভাব। নয়া উদারবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম এই সময় থেকে জোরদার হতে শুরু করল। তথ্য-প্রযুক্তির মতো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বিশ্বায়ন এবং ফিনান্স পুঁজির গতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করল।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের এই পর্যায় এবং সমাজতন্ত্রের পতন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভাজন সমসাময়িক। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হল শোষণ। সমাজতন্ত্র থেকে পশ্চাদপসরণের কারণে শোষণ থেকে মুক্তির সর্বজনীন লক্ষ্যে
-
একজন পুঁজিপতি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নিজের কারখানার মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলেন। বন্ধুটি পুঁজিপতি ভদ্রলোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন—‘তুমি ওই লেবারটিকে এক্ষুণি কী বললে?’
পুঁজিপতি ভদ্রলোকটির জবাব, ‘আমি ওকে বললাম আরও দ্রুত কাজ করতে।’
বন্ধুটির পরের প্রশ্ন—‘কত টাকা দাও ওকে?’
‘দিনে ১৫০ টাকা।’—জবাব দেন পুঁজিপতি।
বন্ধুটি এবার জানতে চাইলেন—‘তুমি ওকে পয়সা দেওয়ার অর্থ কোথা থেকে পাও?’
—‘আমি জিনিসপত্র বিক্রি করি।’
—‘কে তৈরি করে সেই জিনিসগুলো?’
—‘কে আবার, ও আর ওর মতন লেবারগুলো।’
—‘ওই লোকটা দিনে কটা প্রডাক্ট তৈরি করে?’
—‘এই... দিনে ১০০০ টাকার মতন।’
—‘তার মানে হলো তুমি ওকে দাওনা উলটে ও তোমাকে প্রতিদিন ৮৫০ টাকা করে দিচ্ছে, যাতে তুমি ওকে বলতে পারো কাজের
-
ভ্লাদিমির শহরে বাস করত এক তরুণ ব্যবসায়ী। তার নাম ছিল ইভান ডিমিস্ট্রিচ আকসিওনভ। তার গোটাদুই দোকান এবং একটি সুন্দর বাড়ী ছিল।
আকসিওনভকে সুপুরুষ বলা যায়। সুন্দর কোঁকড়া চুলওয়ালা লোকটি বেশ আমুদে প্রকৃতির, আর গান-বাজনাও সে ভালবাসত খুব। দোষের মধ্যে বলতে গেলে, মদ খেত খুব বেশী। আর মদের মাত্রা চড়লেই প্রায়ই সে কোনো না কোনো গোলমাল পাকিয়ে বসত। অবশ্য বিয়ে করার পর কখনো-সখনো একটু-আধটু পান করা বাদে মদ খাওয়া বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছিল।
একদা এক গ্রীষ্মকালে আকসিওনভ 'নিজনি'র মেলায় ব্যবসার উদ্দেশে যাবে বলে মনস্থ করল। পরিবারের লোকজনদের বিদায় জানিয়ে যখন সে রওনা হতে যাচ্ছে তখন তার স্ত্রী এসে বলল, 'ওগো, তুমি
-
অতঃপর, মহামান্যগণ ডুব সন্ধ্যায়
অন্ধকারের অপেক্ষায় ফিরিয়া গেলেন
অর্গলাবৃত পেঁচারাতের গহ্বরে।
এমন সময় আলোহীন অন্ধকার ফুঁড়ে
সরব নৈশব্দে জ্যোৎস্নাময় কালো আকাশে
সুগন্ধি দোলনচাঁপার মতো
সাদা-সাদা গন্ধহীন মেঘ ফুটিল।
এমনি ক্ষয়িষ্ণু চাঁদরাত্রিতে
তাঁহাদের রক্তলাল চোখে
কাদা-জলার কচুরিপানার মতো
সংক্রামক স্বপ্নের আবাদ হইবে।
-
কুঁড়ির মত অস্ফুট জমাটবাঁধা সব ঘৃণা
ফুটুক দ্রোহের স্ফুলিঙ্গ হয়ে।
-
লেখক: তাপসী বন্দ্যোপাধ্যায়
যাগটা উদারিকরণের। নিবাস এক অগাধ ভুবনগ্রামে। ভাবনার ডানা যত্রতত্র বিহারী। স্থানিক-দূরত্বকে বেঁধে ফেলি হাতের মুঠোয়, আবার সময় পলায়নপর সেই বন্ধনী খুলে। জীবনের এই আকাশপাতাল অমিল অথবা মিল্লিশ্ নিয়ত ধরা দিচ্ছে সৃষ্টির বিচিত্র পথে। আর সাহিত্যের ক্ষেত্রটি এপথে সর্বাধিক প্রশস্ত ও ফলস্ত। এই উত্তর-আধুনিক কালে সাহিত্যের মূল্যায়নে নানা 'বাঁধি বোল' আর 'বাঁধা ওজন'-এর বাড়-বাড়ন্ত। ঔপনিবেশিক্ষতার বাঁধনমুক্ত এইসব সাহিত্যের মূল্যায়নকর্তারা আসলে নানা তত্ত্বকথার আধারে প্রত্যাশা করেছেন অবাধ স্বাধীনতা। নির্মাণ থেকে বিনির্মাণ কিংবা পুনর্নির্মাণ এসবই এখন সাহিত্যের উপভোক্তার কুক্ষিগত। এমনকি সাহিত্যের আস্বাদনে স্রষ্টার ওপর নির্ভরতারও দায়মুক্ত আজ পাঠক। একালের পাঠক প্রবল দাপটে সৃষ্টিকর্তার অধিকারকে অস্বীকার করে পুনঃপাঠ প্রক্রিয়ায় নিমগ্ন হয়।
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র নয় মাস। নয় মাসের এই যুদ্ধে বাঙালি জাতিকে চরমতম ত্যাগ, দুঃখ, দুর্দশা ও নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। এই নয় মাসে বাংলাদেশে যে গণহত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতন হয়েছে স্মরণকালের ইতিহাসে তার নজির নেই। এর পাশাপাশি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকেও স্বীকার করতে হয়েছে চরম পরাজয়। পর্যাপ্ত রসদ ও অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানী সৈন্য এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের আত্মসমর্পণের ভেতর দিয়ে অর্জিত হয়েছে এক অভূতপূর্ব বিজয়, বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের, জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি অর্জন করেছে বাঙালি।
'৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় মাস স্থায়ী এই মুক্তিযুদ্ধে এত দ্রুত
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ছোটগল্প
- মুক্তিযুদ্ধ
- সাংবাদিকতা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- অনুবাদ
- পুঁজিবাদ
- ভৌতিক
- বইমেলা
- রবীন্দ্রনাথ
- কিশোর
- রূপকথা
- শিশুতোষ
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- পাকিস্তান
- ভারত
- যুক্তরাষ্ট্র
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- কারুশিল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- সমালোচনা
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- বই
- রাশিয়া
- ময়মনসিংহ
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ভূমিকা
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- নারী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- চট্টগ্রাম
- সরকার
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- ছাত্র আন্দোলন
- সাম্রাজ্যবাদ
- বিপ্লব
- আলোচনা
- খুলনা
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- লালন
- আত্মজীবনী
- আর্টিস্ট
- চীন
- লোককাহিনী
- চিরায়ত
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- অর্থনীতি
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- শৈশব
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- গান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৪)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.