২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
'অ্যাটলাস' থেকে আমি নেমে যাবার পরে সেটা স্থান বদল করে পুনরায় নোঙর ফেলে ডুবে থাকা জাহাজের উপরে অবস্থান নিল।
'সোনার তরী'র সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য সেটার দৈর্ঘ্য বরাবর সামনের ও পিছনের দুই প্রান্তে ভাসমান সংকেত বসানো হল। জাহাজের স্থান বদলের সময় সেগুলো তার সাথে সাথে নড়াচড়া করেছিল। সবকিছু প্রস্তুত করে লক্ষ্যবস্তুর উপর ডুবুরী নামানো হল। অ্যাটলাসের ইঞ্জিন ও প্রপেলার পরীক্ষা করে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পাওয়া যায় নি। ডুবন্ত 'সোনার তরী'র খোলের ভিতরকার স্থানগুলোতে কিছুটা পলিমাটি ভরে থাকলেও, কোনো মালামাল ছিল না। 'অ্যাটলাসের' অবস্থান ছিল মাঝনদী থেকে কিছুটা বাঁয়ে।
জন্নোতিন্ মানচিত্র নিয়ে আমার কাছে চলে এলেন।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি, নগ্ন সামরিক শাসন ব্যবস্থা এবং তথাকথিত মৌলিক গণতন্ত্রী ব্যবস্থায় ১৯৬৫ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষমতা আইনানুগ করার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানকে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী সামরিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্তি আর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ক্ষমতার বাইরে রাখার নীলনকশা কার্যকর করা। সেই কঠোর সামরিক শাসনের মধ্যে ও পূর্ব বাংলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংস্কারবিরোধী ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দাঁড়ানোর আন্দোলন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনভোকেশন হাঙ্গামাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও সংবাদপত্র নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, অর্থনৈতিক বৈষম্যবিরোধী দুই অর্থনীতির জন্য আন্দোলন ছিল প্রকৃত প্রস্তাবে সামরিক স্বৈরাচার ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন, যেসব আন্দোলনের
-
লেখক: দুলাল ভৌমিক
দেশ ও জাতির স্বার্থে, এমনকি আমাদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থেও ১৯৭১ সনে আমরা পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই করেছিলাম। সে লড়াইয়ে জিতেছিলাম বলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন, বাঙালি জাতি স্বাধীন; আজ আমরা রবীন্দ্রনাথের সেই তালগাছের মতো বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু হেরে গেলে বাঙালি জাতি যে বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে যেত, এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। জেতার পরেও বারংবার ভুলের কারণে আমাদের অস্তিত্ব আজ সঙ্কটের সম্মুখীন। তবে আশা-এ সঙ্কট একদিন কেটে যাবে।
আমরা যুদ্ধ করেছিলাম আমাদের স্বার্থে। আমাদের রাজনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, অথনৈতিক মুক্তির স্বার্থে, বাঙালির সভ্যতা-সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে। কিন্তু অবাঙালি ও অবাংলাদেশী অনেক ব্যক্তি এ যুদ্ধে
-
লেখক: মোহাম্মদ সেলিম: অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ভারত
আঞ্চলিক পরিপ্রেক্ষিতের দিকে তাকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ভূমিকাকে সহযোগিতামূলক বলার উপায় নেই। বার্মা ও শ্রলঙ্কা ছিল পাকিস্তানের মিত্র। নেপালের প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিম-উত্তর পূর্ব দিকে সীমান্তসংলঘ্ন ভারতের পক্ষে কোনো প্রকার ধোয়াটে অবস্থান নেওয়া সম্ভব ছিল না। বলা যায় ভূ-রাজনৈতিক এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্ট।
প্রবাসী সরকার গঠনে সহায়তা
৩ এপ্রিল ১৯৭১ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাজউদ্দীনের আলোচনার আগেই ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় বক্তৃতায় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ভারত সরকারের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের
-
লেখক: মুহম্মদ সবুর
টমাস জন বাটা জানতেন যুদ্ধংদেহী পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে থাকা পূর্ব পাকিস্তানে তাদের প্রতিষ্ঠানটি জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে কঠিন অবস্থান নিয়েছে ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি এবং এর প্রধান কর্মকর্তা। সে এক বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান। পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনী ঘুণাক্ষরে টের পেলে অবস্থা হবে ভয়াবহ। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন রক্ষাই হয়ে পড়বে কঠিন, প্রতিষ্ঠানও হবে বেহাত। কিন্তু পিছু হটে যাওয়ার কোনো জো নেই। নীতিগত কারণে এই অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভবও ছিল না আর। বিজয় অর্জন পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনে কাজ চালাতে হয়েছে। তবে সদাসতর্ক থাকার জন্য ঢাকা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই '৭১ সালে। বিশ্ব মানচিত্রের
-
রিপোর্টার: সাইমন ড্রিং
[ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত লন্ডনের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের এই লেখাটি ছিল একাত্তরের গণহত্যা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম কোনো প্রতিবেদন]
পূর্ব পাকিস্তনের জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব বড় নেতাকেই গারদে ঢোকানো হয়েছে।
প্রথম সারির রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর শেখ মুজিবের আন্দোলনের সমর্থক দুটো পত্রিকার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার রাস্তার যে ট্যাংক নেমে আসে, সেগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল ছাত্ররা। অবস্থাদৃষ্টে তা-ই মনে হচ্ছে।
তিন ব্যাটালিয়ন সেনা ঢাকা আক্রমণে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল আর্মড, একটি আর্টিলারি ও আরেকটি পদাতিক। তারা রাত ১০টার পরপরই গ্যারিসন
-
লেখক: শহিদুল ইসলামএক. অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রথম সূর্য ওঠার খরবটা পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এমনকি ২৫ মার্চ ১৯৭১, মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সে বাংলাদেশকে দখল করার জন্য শানিত আক্রমণ চালিয়ে প্রথম রাতেই হাজার হাজার মানুষকে লাশে পরিণত করেছে, সে খবরও আমি পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। প্রকৃতির অবধারিত নিয়মানুসারে সেই কণ্ঠটি চিরকালের জন্য নীরব হয়ে গেলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বসে আমার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য ওঠার আগের ঘটনাটি সেলুলয়েডে বন্দী ছবির মতো আমার চোখে ভেসে উঠলো। সেদিনের ইতিহাস নিয়ে আমি অনেক লিখেছি। সেখানে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ আছে। কিন্তু তার বেশি না। তাই দেবদুলালহীন পৃথিবীতে আজ তাঁর কথা আরো
-
লেখক: অধ্যাপক অজয় রায়
আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি চলে গেলেন। ১৯৩৩ সালে ১ অক্টোবরে ঢাকা শহরের বকশীবাজার এলাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউটের পাশে মাতামহ পূর্ণানন্দ গুপ্তের বাড়িতে প্রিয়দর্শনের জন্ম হয়। তার শিক্ষা প্রধানত ঢাকা শহরে পগোজ হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি (১৯৫৪) নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তবে অবশ্য মাঝখানে কলকাতায় এসে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে দু'বছরের বিএসসি (Hons) ডিগ্রি নিয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি কলকাতায় ১৯৫৪ সালে বঙ্গবাসী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে ওই কলেজ থেকে অধ্যাপকরূপে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মান ও ভালোবাসা
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অধিকৃত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে মুক্তিবাহিনী ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিল। তারা দেশের সর্বত্র গুলি-বোমায় নাস্তানাবুদ করছিল খানসেনাদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও দিল্লি সফরকালে সেটা ভালোভাবেই অবহিত হতে পেরেছেন। স্বদেশে ফিরে তিনি নিজেও বোমা ফাটালেন, যা কাঁপিয়ে দিল হোয়াইট হাউসকে। রিচার্ড নিক্সন ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খানের বর্বর গণহত্যা শুরুর পর থেকেই দাবি করে আসছিলেন—পাকিস্তানের সৈন্যরা তাদের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহার করছে না। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এডওয়ার্ড কেনেডি কংগ্রেসের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাকিস্তানে ২০ লাখ ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের
-
মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহাশয়, ঢাকার আলোচনা ভেঙে যাওয়ার খবর এবং সামরিক প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যবস্থা অবলম্বন প্রয়োজন মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সামরিক বলপ্রয়োগ করেছেন-এই মর্ম খবর সোভিয়েত ইউনিয়নের গভীর উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।
এই ঘটনার ফলে পাকিস্তানের অগণিত মানুষের প্রাণহানি, নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্টের খবরে সোভিয়েতের জনগণ বিচলিত না হয়ে পারে না। মুজিবুর রহমান ও অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী ও নির্যাতন করায়ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই নেতারা হালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সন্দেহাতীত সমর্থন লাভ করেছিলেন। সোভিয়েত জনগণ সর্বদাই পাকিস্তানের মানুষের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশের জটিল সমস্যার সমাধানে তাদের সফলতায় আনন্দিত
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
-
লেখক: এনামুল হক
একটা সময় ছিল যখন কিংবদন্তির ব্যান্ড দল বিটলস-এর জনপ্রিয়তা পশ্চিমা দুনিয়ায় আকাশকে স্পর্শ করেছিল। সেটা ছিল ষাটের দশক। হিপ্পি আন্দোলনের জোয়ার বইছিল পশ্চিমে। সেই জোয়ারে মিশে গিয়ে তরুণ সমাজের এক বিরাট অংশ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ, রাজনীতি, আদর্শ, দর্শন সবকিছুকেই অস্বীকার করে বসে। তারা তাদের পোশাকআশাক, চালচলন, জীবনযাপনের দ্বারা সমাজের প্রতি বিজাতীয় ঘৃণার প্রকাশ ঘটায়। তারা লম্বা চুল রাখতে থাকে, উদ্ভট ধরনের পোশাক পরে, মারিজুয়ানা, কোকেন প্রভৃতি ড্রাগে আসক্ত হয় এবং সেই সঙ্গে লিপ্ত হয় অবাধ যৌনাচারে। ব্যান্ড দল বিটলস যেন এদের দর্শনকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নিয়েছিল। এই ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ষাটের দশকের
-
লেখক: মীর মোশাররফ হোসেনআমরা বরং ‘অংক’ নিয়ে কথা বলি। ছোটবেলায় গণিতকে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ‘অংক’ বলতাম। আমরা কেন, বোধকরি সিংহভাগ শিক্ষার্থী এখনও একে এ নামেই চেনে। অথচ ‘অংক’ হচ্ছে ‘গণিত’ এর যুক্তি বোঝানোর প্রতীক। গণিত যদি ভাষা হয়, অংক তাহলে অক্ষর; গণিত যদি যুক্তি হয়, অংক তাহলে ‘টুলস’।ছোট্ট এই পার্থক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন্য। গণিতের ক্ষেত্রে যা ‘ভয়াবহতম’।II ১ IIঅন্য আলোচনায় ঢোকার আগে প্রথমে আমরা কিছু অনুষঙ্গ খুঁজি। এই যেমন গণিতে ‘ভালো’ হলে কি কি হয়? যেসব দেশের ছেলেমেয়েরা যুক্তিবাদী এবং অনুসন্ধিৎসু, সেসব দেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় বিজ্ঞান, বিশেষত গণিত শিক্ষায়। অধুনা ইউরোপ -
[জন্ম : ১৫ এপ্রিল ১৪৫২, আনচিয়ানো, ভিঞ্চি, রিপাবলিক অব ফ্লোরেন্স (বর্তমানে ইতালি), মৃত্যু : ২ মে ১৫১৯, ফ্রান্স]লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালিয় চিত্রকর, স্থাপত্য-নকশাকার, ভাস্কর, স্থপতি ও প্রকৌশলী। অন্য সকলকে ছাপিয়ে তিনি পরিণত হয়েছেন পুনর্জাগরণের (রেনেসাঁর) মানবতাবাদের সর্বোত্তম প্রতিনিধিতে। তাঁর লাস্ট সাপার ও মোনালিসা রেনেসাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাববিস্তারকারী চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম। তাঁর নোটবইগুলোতে জানা যায় কয়েক শতকের অগ্রসর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার আগ্রহ ও যন্ত্রকৌশলের উদ্ভাবনী চিন্তা।তাঁর জীবনকালে তো বটেই এখন অব্দি যে অনন্য জনপ্রিয়তা লিওনার্দোর আছে তার মূলকারণ আসলে তার অপরিসীম জ্ঞান পিপাসা যা তার চিন্তা-ভাবনা ও কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করেছে। আদতে শিল্পী হওয়ায় তিনি তার চোখ দুটোকে গন্য
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- লোককাহিনী
- নির্বাচন
- মার্কসবাদ
- জীবনী
- সমাজতন্ত্র
- যুক্তরাষ্ট্র
- চলচ্চিত্র
- লেখক
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ছোটগল্প
- রোজনামচা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- ক্রিকেট
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- স্মৃতিকথা
- ভারত
- মুক্তিযুদ্ধ
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- বাংলা
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- আলোচনা
- বই
- ভাষা
- ঢাকা
- দর্শন
- যুদ্ধ
- আন্দোলন
- নারী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- লালন
- ইসলাম
- খুলনা
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- পাকিস্তান
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- উদ্ভিদ
- কলকাতা
- চিঠি
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- বিজ্ঞানী
- রূপকথা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শিশুতোষ
- গদ্য
- বিশ্ববিদ্যালয়
- পশ্চিমবঙ্গ
- সরকার
- গণহত্যা
- কৃষি
- রবীন্দ্রনাথ
- বিপ্লব
- সাম্যবাদ
- নৃত্য
- কবিতা
- গবেষণা
- হিন্দু
- ভৌতিক
- আইন
- সংবিধান
- ইংরেজি
- যুক্তরাজ্য
- ভাষণ
- খাদ্য
- পুঁজিবাদ
- বইমেলা
- সমাজ
- জ্যোতির্বিদ্যা
- মহাকাশ
- গণিতশাস্ত্র
- সঙ্গীত
- দাঙ্গা
- সমালোচনা
- ফুটবল
- সংবাদ
উৎস
- পরিচয়
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- মূল্যায়ন
- প্রক্রিয়াধীন
- তাজিক লোককাহিনী
- বিজ্ঞানচেতনা
- বিজ্ঞান পাঠ
- সমকালীন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইউক্রেনের লোককথা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- প্রবাসী
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- সাহিত্যচিন্তা
- কাজাখ লোককাহিনী
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- আশ্বাস
- ঢাকা প্রকাশ
- উক্রাইনীয় উপকথা
- বাংলাদেশ কথা কয়
- গল্পগুচ্ছ
- বাংলাদেশ ’৭৩
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১২)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (২)
- ২০১৫ (১৪)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৩)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.


