-
বিশ্বনাথ পাড়াগাঁয়ের ছেলে।
ঘুটঘুটে অন্ধকারে দুপুররাত্রে বাঁশবনের ভেতর দিয়ে সে তিন ক্রোশ অনায়াসে বেড়িয়ে আসতে পারে। অমাবস্যায় গ্রামের সীমানার শ্মশান থেকে মড়া পোড়ানো কাঠ সে কতবার বাজি ধরে নিয়ে এসেছে। কিন্তু ভয় তার শুধু কলকাতা শহরকে।
যেখানে দু'পা এগুতে হলে মানুষের গায়ে ধাক্কা লাগে, ইলেক্ট্রক আর গ্যাস লাইটের কল্যাণে যেখানে দিন কি রাত চেনবার জো নেই বল্লেই হয়, সেইখানেই একরাতে সে যা বিপদে পড়েছিল।
বিশ্বনাথ বলে, 'না, কলকাতা শহরে সন্ধ্যার পর বেরুনো নিরাপদ না।' আমরা হেসে উঠলে বলে, 'না হে না, চৌরঙ্গি, সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউ- এর কথা বলছি না। কলকাতাটা আগাগোড়া চৌরঙ্গি নয়। শোন তাহলে— ‘সেবার গাঁয়ের লাইব্রেরির জন্যে বই কিনতে
-
বুড়ো মাঝিটাকে তাড়া লাগানো বৃথা জেনেই অনিমেষ বহুক্ষণ আগে চুপ করেছিল। তার ফলে মাঝি আর আরোহী দুজনেই হাল ছেড়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসেছে। মাঝির বকাটাই রোগ—এমন কি ভাবভঙ্গী দেখে মনে হচ্ছিল এইটেই পেশা। ওর বৌ কতদিন মরেছে, ছেলের বিয়ে দিয়ে কী ভুল করেছে, জামাই কেন মেয়েকে নেয় না—ছোট জামাইটা জুয়াড়ী, ছেলেটা নেশা করতে পেলে আর কিছু চায় না—খুব ছেলেবয়েসে একবার ও কলকাতা গিয়েছিল কিন্তু অত হট্টগোলে মাথা ঠিক থাকে না বলে পালিয়ে আসতে পথ পায় নি —আবার একবার যাবে মা কালীকে দর্শন করতে, ইত্যাদি তথ্য পরিবেশন করবার ফাঁকে ফাঁকে কেবলমাত্র দম নেবার প্রয়োজনে যখন থামে তখনই শুধু দাঁড় বাইবার কথা মনে
-
এ—ও গজখুড়োর মুখে শোনা।
বটুকদাদুর পৈতৃক বাড়ির মতো আরেকটা বাড়ি শুধু ভূ-ভারতে কেন, দুনিয়াতে কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। ওপরের রাস্তায় সদর ফটক, সেখান থেকে মনে হয় একতলা বাড়ি। আবার ঐ রাস্তাটাই একটা পাক খেয়ে যখন বাড়ির পেছন দিয়ে নিচে হিঞ্চে বাজারের দিকে নামতে থাকে, সেখান থেকে দেখলে বোঝা যায় আসলে তিনতলা বাড়ি। নিচের দুটো তলা পাহাড়ের গায়ে ঠেস দিয়ে হিমালয়মুখো দাঁড়িয়ে আছে।
এর আগে ন্যাকা-বোকা যায়নি কখনো ওখানে। তবে বটুকদাকে আলু— কাবলি কিম্বা চানাচূর খাওয়ালে, ঐ বাড়ির সম্বন্ধে যে—সব রোমাঞ্চকর গল্প বলত, তাই শুনে ওরা তাজ্জব বনে যেত। সব গল্পের কেন্দ্রে একজন রহস্যময লোকই থাকতেন। তিনি ওদের ছোটদাদু—যিনি প্রায় ২০
-
আমি যতই বলি ভূত নেই, ওসব স্রেফ গাঁজার কলকে, কেষ্টা ততই চেঁচাতে থাকে।
‘যেদিন ঘাড় মটকে দেবে, সেদিন টের পাবি, বুঝলি?”
'আরে যাঃ যাঃ।...একটা চিনেবাদামের খোলা ছাড়াতে ছাড়াতে আমি বললাম—রেখে দে তোর ভূত। আমার কাছে এসেই দেখুক না বাছাধন, আমি নিজেই তার ঘাড় মটকে দেব।'
কেষ্টা চেঁচাতে লাগল—-দেখা যাবে—দেখা যাবে। যেদিন আমগাছে এক ঠ্যাং চাপিয়ে সামনে এসে দাঁড়াবে, সেদিন আর চ্যাঁ-ভ্যাঁ করতে হবে না, বুঝলি ? এখন ঘুঘু দেখেছিস তখন ফাঁদ দেখবি।
‘ওসব নওগাঁ ব্র্যাণ্ড শিকেয় তুলে রাখ।...আমি সংক্ষেপে মন্তব্য করলাম।' কেষ্টা বললে—তুই পাষণ্ড, তুই নাস্তিক।
আমি বললাম—হতে পারে। তাই বলে তুই অমন ষণ্ডের মতো চ্যাঁচাবি, এর মানে কী?
বুক
-
শান্তনুদের বাড়ি থেকে বেরুতেই গরম বাতাসের ঝাপটা এসে লাগল রাহুলের চোখেমুখে। রোদে ঝাঁ-ঝাঁ করছে চারদিক।
ক'বছর ধরে কলকাতার আবহাওয়া ভীষণ বদলে যাচ্ছে। গরম পড়তে না পড়তেই এখন লু বইতে থাকে। দিনের তাপ চল্লিশ-বেয়াল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত চড়ে যায়। খবরের কাগজে এ নিয়ে আজকাল প্রায়ই লেখালেখি হচ্ছে। ঝোপঝাড় গাছপালা কেটে, পুকুর আর জলা জায়গা বুজিয়ে যেভাবে বিরাট বিরাট উঁচু বাড়ি উঠছে, তার ফলেই নাকি গরমটা হঠাৎ এত বেড়ে গেছে। আর কিছুদিন এভাবে চললে, মরুভূমির ক্লাইমেটের সঙ্গে কলকাতার আবহাওয়ার তফাত থাকবে না ।
সাউথ ক্যালকাটার এই পাড়ার নাম কেয়াতলা। এমনিতে জায়গাটা ভারি শান্ত আর নিরিবিলি। কিন্তু এখন, মে মাসের এই ভরদুপুরে রাস্তায়
-
আমাদের বটুকদাদা পাখিদের বলাতে পারতেন।
পাখিরা যে সত্যি মানুষের মতন কথা বলতে পারে তা আমি নিজের কানে না শুনলে কিছুতেই বিশ্বাস করতুম না। রূপকথায় শূক-সারী আর ব্যঙ্গমা-ব্যঙ্গমীর গল্প পড়েছি। কিন্তু রূপকথা তো রূপ কথাই। পক্ষিরাজ ঘোড়া, মাছের পেটে মানুষ আর মানুষখেকো দৈত্য যে সত্যি সত্যি কোথাও নেই, তা আমরা ছোটবেলাতেই বুঝে গিয়েছিলুম। সেই রকমই জানতুম যে কথা- বলা পাখির কথা এমনিই কথার কথা।
কিন্তু বটুকদাদা আমাদের অবাক করে দিয়েছিলেন।
বটুকদাদা অনেক দেশ ঘুরে ঘুরে হঠাৎ হঠাৎ এক একদিন উপস্থিত হতেন আমাদের বাড়িতে, সঙ্গে নিয়ে আসতেন মাথা ভর্তি গল্প আর ঝোলা ভর্তি খুচরো পয়সা। একবার তিনি নিয়ে এলেন একটা পাখি।
খাঁচায়
-
সারাদিনে নবেন্দুর অনেক সময়। তুলনায় কাজ ও কাজের বিচিত্র কম। প্রতি কাজে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী সময় সে বরাদ্দ করে। এই অতিরিক্ত বরাদ্দ করেও অধিকাংশ দিন উদ্বৃত্ত থাকে আরো অনেক সময়। এই উদ্বৃত্তের ভেতরে নিজেকে রেখে সময়ের আন্দোলন সে অনুভব করে।
নবেন্দর মাঝে মাঝে মনে হয়, এই যে অপচয়, সময়ের মূল্য এতে কমে যাচ্ছে কিনা। অনেকে বলাবলি করে, নবেন্দর সময়ের কোনো দাম নেই।
কিন্তু সময়ের দাম অর্থে কী! সময় থাকে বোধের ভেতরে, কখনো মনে হয় সময় পেরিয়ে যাচ্ছি আবার কখনো সময় এগিয়ে যায়, কোনো দাম দিতে হয় না এর জন্যে। কোনো কোনো কাজ এর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া যায় এইমাত্র।
-
তা হলে আর দেরি করে কী হবে? চলুন যাওয়া যাক!
লোকটি আমার দিকে সবুজ পাথরের আংটি পরা হাত বাড়িয়ে দিল। আমাকে টেনে তুলতে চায় নাকি? অতটা দরকার নেই, আমার এখনও যথেষ্ট মনোবল আছে। তবে এই বেতের চেয়ারের মাঝখানটা এমনই গভীর খোদলের মতন যে উঠতে একটু সময় লাগে।
উঠে দাঁড়ালাম। লোকটি আমার চেয়ে সামান্য লম্বা। মাথার চুল পাতলা। চুড়িদারের সঙ্গে ঢোলা পাঞ্জাবি পরা, স্টিলের ফ্রেমের চশমা। ধারালো চিবুক। আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, এই ধরনের চিবুক-ওয়ালা মানুষ আমার ঠিক হজম হয় না। এরা পদে পদে আমাকে ছোট করে। কথার মাঝখানে অকারণে এমন ভাবে হেসে ওঠে যেন আমি এতক্ষণ যা বলছিলাম তা
-
সারারাত সমরেশের ঘুম হয়নি। কেবল ছটফট করেছে। মাথার ওপরে মস্ত বিপদ। কি যে করে! যেভাবে হোক জগদীশ ঝাকে চাই। একবার যদি দেখা হয়ে যায়। সকালে উঠেই ঝা'জীকে বের করতে হবে। নইলে উদ্ধার নেই।
জগদীশ ঝা'র বাড়ি দ্বারভাঙা জেলার লৌকাহা থানায়। গ্রাম ঝুনকুনপুর। জগদীশ ঝা'র বাবা চুনচুন ঝা ছিলেন জনপ্রতিনিধি। স্বাধী-নতার পর বিহারের প্রথম মন্ত্রীমন্ডলীতে ছিলেন রাজ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয়তে ক্যাবিনেট মন্ত্রী। সেই থেকে পরপর দুবার ক্যাবিনেটে জায়গা পেয়েছেন। হঠাৎ শিবরাজপুর স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু। লৌকাহার স্থায়ী শহীদ। দলবদল করেছেন, দল তৈরী করেছেন, দল ভেঙেছেন, ইস্তফাও দিয়েছেন। কিন্তু সবার উপরে জিন্দাবাদ থেকেছে লৌকাহা।
জগদীশ ছোটবেলায় খেলা করতেন আহুজার চোঙা নিয়ে। কুয়োর পাড়ে দাঁড়িয়ে
-
আমি বললাম—মধুসদনবাবু, এই যে সামনে অশথ গাছটা, এর পাতাগগুলিকে লক্ষ্য করুন।
আমি আর মধুসূদনবাবু, তখন মধুসূদনবাবুর কাপড়ের দোকানে উপবিষ্ট। সামনে শ দেড়েক বছরের পুরোনো এক অশথ গাছ। আরো বললাম— সময় এবং অশথ গাছের পাত্ম—এই দুয়ের মধ্যে সম্পর্ক' হচ্ছে আমার বিবেচ্য বিষয়। সময় বাড়ছে এবং অশথ গাছের পাতাও বাড়ছে। সময় এবং অশত্থ গাছের পাতা। অশথ গাছের পাতা বাড়ছে অথচ সময় বাড়ছে না—এটা কি হওয়া সম্ভব মশায়?
মধুসদন না তো, অসম্ভব।
আমি— আবার সময় বাড়ছে এক মাস দুই মাস অথচ একটি কচি অশথের পাতা বাড়ছে না— এটা কি হওয়া সম্ভব মশায়, মধুসূদনবাবু,? মধুসুদনবাবু— অসম্ভব, বাড়তেই হবে অশথ গাছের পাতাকে।
আমি— আচ্ছা, তা
-
সুবিমল আজকাল, মানে বেশ কয়েকটা মাস, বাড়ি ফিরতে ভয় পায়। বাড়ি ফেরাটাই তার কাছে সবচেয়ে বিপজ্জনক। তার অন্য বন্ধুরা যখন শেষ টান দিয়ে হাতের সিগারেটটাকে আঙুলের টোকায় জ্বলন্ত হাউয়ের মতো ছড়ে দেয় কলকাতার হাড়-পাঁজরের ভিতরের কোনোখানে, আর তারপরই পতাকার মতো হাত-নাড়ায় বন্ধু দের গুডনাইট জানিয়ে ট্রাম বা বাসের স্টপেজে নাচের ভঙ্গীতে শরীরে অদ্ভুত একটা একানো মোচড় দিয়ে দাঁড়ায়, সংবিমল ঈষায় জ্বলে। বাড়ি ফেরার মহূর্তে কী অসম্ভব স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে তারা। যেন জীবনে কোথাও কোনো টেনশন নেই । নেই এমন প্রশ্ন যা ঘরে ফেরার সময়ও থ্যাঁতলানো মাটির মতো বাঁকিয়ে দিতে পারে তাদের মুখরেখা। কী বিস্ময়কর রকমের হালকা হয়ে যেতে পারে
-
আমার অল্পবয়সী বন্ধু অনিমেষ বললে, ধূসর রঙের সকাল ছিল... ধূসর বলছ? তো, ধূসর কিন্তু, তোমাকে বলব কি, গেরায়া, হলুদ, এসব জাতের নয়। জানো তো, বরং তা কালোর দিকে...
তাই তো বলছি। আটাত্তর ভাগ কোবাল্ট নীলে বাইশ ভাগ কালো দিয়ে, তারপরে প্রয়োজন মতো, যেখানে যে রকম দরকার ফ্লেক সাদা দিচ্ছে বলো, বলো, বললুম। ভালো লাগল একজন রং চিনছে, পৃথিবীটা ওর চোখে একরঙা চীনা কালিতে আঁকা নয়।
তো, সেই ধূসর রঙের বাঁধনি শাড়ী যেন, সিল্কের, ফলে স্বচ্ছ আর ঝলমলে; ধূসরের উপরে হলুদ চুবিয়েছে নিচের পাড়ের দিকটা।
হলদেটা সবুজে ভাব নেবে না?
তাই। তখন সকাল সাড়ে সাত হয়, ওদিকে মার্চ শেষ হয়ে এপ্রিলে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- স্মৃতিকথা
- রবীন্দ্রনাথ
- ঢাকা
- সঙ্গীত
- ছড়া
- কিশোর
- ভারত
- যুদ্ধ
- ইসলাম
- গদ্য
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মার্কসবাদ
- লেখক
- রূপকথা
- নারীবাদী
- মুক্তিযুদ্ধ
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- কবিতা
- নজরুল
- বিনোদন
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- কলকাতা
- গোয়েন্দা
- ভৌতিক
- অতিপ্রাকৃত
- বিজ্ঞান
- বাংলা
- বৌদ্ধ
- দাঙ্গা
- কারুশিল্প
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- দুঃসাহসিক
- সাম্রাজ্যবাদ
- সমাজ
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- গণতন্ত্র
- প্রাচীন
- শিশুতোষ
- উদ্ভাবন
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- পুঁজিবাদ
- নির্বাচন
- সমালোচনা
- আলোচনা
- বই
- বিপ্লব
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- খগেন্দ্রনাথ মিত্র (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.