-
এক সময় এই পৃথিবীর চেহারা ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। ট্রেন, বাস, মোটর গাড়ি কিংবা উড়োজাহাজ তো ছিলই না—এমনকি মানুষের ঘর-বাড়িও ছিল না। তাহলে মানুষ তখন কোথায় থাকত? তখনকার মানুষ, অর্থাৎ আমাদের প্র-প্র ও হাজার বার প্র-পিতামহ ও পিতামহীরা থাকতো অন্ধকার গুহার ভেতর। অন্ধকার—কেননা তখন বিজলিবাতি ছিল না, হ্যাজাক লাইট এমনকি কেরোসিনের ল্যাম্পও ছিল না। শিকার করা পশু অর্থাৎ বলগা হরিণ, বাইসন, দানবাকৃতি ম্যামথের চর্বি দিয়ে জ্বালানো টিমটিমে আলোতে তারা কাজকর্ম করত। শুকনো কাঠ দিয়ে আগুন জ্বেলে তাদের গুহা গরম রাখত, কেননা তখন পৃথিবীতে ছিল ঠান্ডা তুষার যুগ। মানুষ তাদের শিকার করা পশুর চামড়া দিয়ে বানানো কর্কশ কাপড় পরত, আর সেই পশুর
-
লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। লেফ্ট-রাইট-লেফ্ট। এভাবেই রাজপথে মার্চ করে চলে পৃথিবীর সবদেশের সৈনিকেরা। এখন তোমাদের কাছে যে দেশের গল্প করব, সে দেশের সৈনিকেরা এক সময়ে ছিল পৃথিবীর সেরা সৈনিক। রাজপথ কাঁপিয়ে তারা যাত্রা করত পৃথিবীর নানা দিকে—অজানা নানা দেশ জয় করতে। তখন দেশটির নাম ছিল রোম, আর সে দেশের লোকদের বলা হতো রোমান।
সেই রোম বর্তমানে ইতালির রাজধানী। টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত রোম ছিল সারা পৃথিবীর শক্তিকেন্দ্র। তখন প্রবাদ ছিল যে সব রাজপথই রোম নগরে গিয়ে শেষ হয়। অর্থাৎ রোমানরা দিগ্বিজয় করে সুন্দর রাজপথ নির্মাণ করেছিল অধিকৃত সব সাম্রাজ্য সহজে শাসন করার সুবিধার্থে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ চারিদিকে তখন তাদের সাথে যুদ্ধ করে পেরে উঠার
-
সন্ধ্যা ঘনিয়ে ওঠার অনেক আগে থেকেই কড়ইতলার শেকড়ে নাও বেঁধে গোরস্থানের আশপাশটায় ঘুরঘুর করছে কেরায়া নাওয়ের মাঝি মকবুল। তার দোস্ত খায়রুল সেই যে গেছে―এখনও আসছে না দেখে বিরক্তি নিয়ে একটা অস্থিরতার মধ্যে আছে সে। খায়রুলও অপেক্ষা করছিল আরও দুজনের জন্য। অপেক্ষা করে করে বড় রাস্তার দিকে তালাশ নিতে গেছে।
গোরস্থানের শেষ প্রান্তে বিষখালির ভাঙন ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে ওই শিলকড়ই। এমনই অতিকায় সে―পাঁচজনে হাত ধরাধরি করেও বেড় পাওয়া যায় না বৃক্ষটার। বাকলে ফাটল ধরে পাথর হয়ে আছে। চারদিকে ছড়ানো শ্যাওলাজমা মস্ত ডালগুলোতেও তেমন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নদীর এই নির্জনে এটিকে এভাবেই দেখে আসছে সবাই।
একটু আগেই বড় রাস্তার ওপারের মসজিদে
-
বেগম সুফিয়া কামাল এদেশের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। মানব ইতিহাসে কেউ মহৎ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন, কেউ স্বীয় সাধনায় মহত্ত্ব অর্জন করেন, আবার কারও ওপর মহত্ত্ব আরোপ করা হয়। আলোচ্য বেগম সুফিয়া কামালকে আমরা দ্বিতীয় শ্রেণিতে ফেলতে পারি। কারণ, মহত্ত্ব অর্জন করার জন্য তাকে নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে শেষাবধি প্রদেশের নারী আন্দোলনে ও সংগ্রামে সংম্পৃক্ত থেকে এবং নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতিহাসে আলোচনায় এসেছেন।
বরিশালের শায়েস্তায়াদের নবাব পরিবারে জন্ম নিয়ে তিনি কিভাবে নারীর স্বাধীনতা ও অধিকারের আন্দোলনে সামিল হন সে কাহিনী সকলেরই কমবেশি জানা। তার কর্মজীবন শুরু হয় আধুনিকতার অন্যতম স্মৃতিকাগার
-
বাবাকে ও প্রথম দেখেছিল সিনেমায়। তখন সে বছর পাঁচেকের শিশু।
ঘটনাটা ঘটেছিল ওই মস্ত শাদা খোঁয়াড়টায়, যেখানে ভেড়ার লোম ছাঁটা হয় প্রতি বছর। খোঁয়াড়টা টালি দিয়ে ছাওয়া, সভখোজ বসতির পেছনে পাহাড়ের তলায় রাস্তার পাশে।
এখানে সে এসেছিল মায়ের সঙ্গে। মা জিঙ্গুল সভখোজের পোস্টাপিসে টেলিফোনিস্ট, প্রতি বছর গ্রীষ্মে লোম ছাঁটার মরশুম শুরু হতেই সে ছাঁটাই ঘাঁটিতে সহায়ক কর্মী হিসাবে যোগ দেয়। বীজ বোনা ও ভেড়ার বাচ্চা দেবার মরশুমের সময় দিন রাত কমিউটেটরের পাশে ওভারটাইম কাজ শেষ হতেই ছুটি নিয়ে সে এখানে চলে আসে এবং লোম ছাঁটাইয়ের শেষ দিনটা পর্যন্ত খাটে। লোম ছাঁটার মজুরি ভালোই, রোজগার মন্দ হত না। আর সৈনিকের বিধবা,
-
অপরূপ একরাতে নাম-করা কেরানি ইভান দুমিত্রিচ্ চেরভিয়াকভ[☆]স্টলের দ্বিতীয় সারিতে বসে অপেরা গ্লাস দিয়ে 'লা ক্লশে দ্য কর্ণেভিল্' অভিনয় দেখছিলেন। মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তাঁর মনে হচ্ছিল, মরজগতে তাঁর মতো সুখী বুঝি আর কেউ নেই। এমন সময় হঠাৎ... ‘হঠাৎ’ কথাটা বড়ো একঘেয়ে হয়ে পড়েছে। কিন্তু কী করা যায় বলুন, জীবনটা এতই বিস্ময়ে ভরা যে কথাটা ব্যবহার না করে লেখকদের গত্যন্তর নেই! সুতরাং, হঠাৎ, ও'র মুখখানা উঠল কুঁকড়ে, চক্ষু শিবনেত্র, শ্বাস অবরুদ্ধ...এবং অপেরা গ্লাস থেকে মুখ ফিরিয়ে সিটের ওপর ঝুঁকে পড়ে—হ্যাঁচ্চো! অর্থাৎ হাঁচলেন। হাঁচার অধিকার অবশ্য সকলেরই আছে, এবং যেখানে খুশি। কে না হাঁচে—চাষী হাঁচে, বড়ো দারোগা হাঁচে, এমন
-
সারা গালচিনো জেলায় কুন্দকার মিস্ত্রি গ্রিগরি পেত্রভের নাম ওস্তাদ কারিগর হিসেবে যেমন, পাঁড় মাতাল ও পয়লা নম্বরের হতচ্ছাড়া বলেও তেমনি। সেই পেত্রভ তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে চলেছে জেমস্তভো হাসপাতালে। ত্রিশ ভেস্ট রাস্তা তাকে ঘোড়ার গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আর রাস্তা ভয়াবহ, এমনকি ডাক হরকরাও এই রাস্তার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে হিমসিম খেয়ে যায়, কাঁড়ের রাজা কুন্দকার গ্রিগরির কথা ছেড়েই দিচ্ছি। হাড়-কাঁপানো হিমেল বাতাসের ঝাপটা তার মুখে এসে পড়ছে। তুষার পাপড়ির ঘূর্ণীতে চারদিক ছেয়ে গেছে, তুষার আকাশ থেকে পড়ছে না মাটি থেকে উঠে আসছে বোঝা ভার। মাঠ বন টেলিগ্রাফের থাম কিছুই ঠাওর করা যাচ্ছে না। ঝাপটাটা যখন জোর হচ্ছে গ্রিগরি
-
IT was Christmas Eve. Marya had long been snoring on the stove; all the paraffin in the little lamp had burnt out, but Fyodor Nilov still sat at work. He would long ago have flung aside his work and gone out into the street, but a customer from Kolokolny Lane, who had a fortnight before ordered some boots, had been in the previous day, had abused him roundly, and had ordered him to finish the boots at once before the morning service.
"It's a convict's life!" Fyodor grumbled as he worked. "Some people have been asleep long ago, others are
-
AT half-past eight they drove out of the town.
The highroad was dry, a lovely April sun was shining warmly, but the snow was still lying in the ditches and in the woods. Winter, dark, long, and spiteful, was hardly over; spring had come all of a sudden. But neither the warmth nor the languid transparent woods, warmed by the breath of spring, nor the black flocks of birds flying over the huge puddles that were like lakes, nor the marvelous fathomless sky, into which it seemed one would have gone away so joyfully, presented anything new or interesting to
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
বোরোভোয়ে হ্রদ থেকে গত গ্রীষ্মে বাড়ী ফেরার পথে এক পাইন অরণ্যের মধ্যেকার ফাঁকা জায়গা দিয়ে আমি হেঁটে আসছিলাম। শুক্রো গ্রীষ্মের সুগন্ধে ভরা ঘাস সর্বত্রই প্রচুর জন্মেছে। কিন্তু গাছের গুঁড়িগুলোর চারপাশেই সেগুলো সবচেয়ে ঘন। বয়েসের দরুণ সেগুলো এমন ছাতা পড়া যে পা দিয়ে সামান্য আঘাত করতেই গাঢ় তামাটে রঙের গুঁড়ো ছড়িয়ে পড়লো মিহি কফি গুঁড়োর মতো তারপর গাছ ফুটো-করা কীটের সুড়ঙ্গের আবরণ মুক্ত গোলক-ধাঁধার পথগুলো কর্মব্যস্ততায় স্পন্দিত হতে লাগলো। ডানাওলা পিঁপড়ে আর সামরিক ব্যান্ড বাজিয়েদের মতো লাল ছোপওলা চ্যাপ্টা পিঠ কালো কালো গুব্রে পোকাগুলো এদিক ওদিক দৌড়ে বেড়াচ্ছে। এই গুব্রে পোকাগুলোর নাম ঠিকই দেওয়া হয়েছে ‘ক্ষুদে সৈনিক’।
অবিলম্বে
-
Not yet had the sky well cleared and numerous birds were proclaiming the coming day at the top of their voices when, raising a dreadful storms in the hard breast of Bongram's dying river, a launch put in to shore.
Blind Dasarath knew it first. Of his two sons one had gone wrong and the younger, laying aside the oar in his hand, was filling the bowl of the hookah with tobacco for his father. Drawing in his net Dasarath sat staring with unblinking eyes at the still dark western sky as he awaited the boy's tobacco. Suddenly a sort
-
(লেখকের নোট-বই থেকে)
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ফিওদোসিয়ার উপর হলদে হলদে মেঘ ঝুলে রয়েছে—গম্ভীর, ভয়ঙ্কর মেঘ। বেশ গরম। সমুদ্রটা আছড়াচ্ছে। একটা বুড়ো এ্যাকেশিয়া গাছে চড়ে ছোটো ছোটে৷ ছেলেরা শুকনো মিষ্টি ফুলগুলো দিয়ে ঠাসছে তাদের মুখগুলো। দূর-দিগন্তে এগিয়ে-আসা ওদেসার এক জাহাজ থেকে এক চিলতে ধোঁয়া উঠছে। নিছক একঘেয়েমির দরুণ এক বিষণ্ণ বৃদ্ধ জেলে শিস দিচ্ছে আর জলে ফেলছে থুথু। কোমরবন্ধের পরিবর্তে জালের একটি ফালি তার কোমরে। তার কাছে একটি ছেলে বসে বই পড়ে চলেছে। জেলে তার রুক্ষ স্বরে বললো, ‘দেখি হে ছোকরা, তোমার বইটা।’ ভীতু-ভীতু ভাবে ছেলেটি বইটা তুলে দিলো তার হাতে। জেলে পড়তে শুরু করলো। কাটলে৷ পাঁচ মিনিট, কাটলো দশ। উত্তেজিত
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- জীবনী
- প্রতিস্বর
- লেখক
- স্মৃতিকথা
- পুঁজিবাদ
- নারীবাদী
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- সমাজ
- জাতীয়তাবাদ
- বাংলা
- ভারত
- গবেষণা
- ভাষা
- সিলেট
- কবিতা
- উদ্ভাবন
- কিশোর
- জ্যোতির্বিদ্যা
- দর্শন
- প্রাচীন
- বিজ্ঞান
- শিশুতোষ
- ঢাকা
- দুঃসাহসিক
- সংঘর্ষ
- গণতন্ত্র
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইসলাম
- হিন্দু
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- যুদ্ধ
- সমালোচনা
- আলোচনা
- বই
- মুক্তিযুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- সঙ্গীত
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- পশ্চিমবঙ্গ
- অর্থনীতি
- নদী
- ভাষণ
- সমসাময়িক
- নির্বাচন
- ইংরেজি
- নারী
- ফিচার
- পাকিস্তান
- নজরুল
- অতিপ্রাকৃত
- ছড়া
- বৌদ্ধ
- দাঙ্গা
- কারুশিল্প
- জাতীয়
- সাম্রাজ্যবাদ
- বিনোদন
- কলকাতা
- গোয়েন্দা
- রংপুর
- রূপকথা
- বিপ্লব
উৎস
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৭)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কৃষণ চন্দর (২)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৬)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (৮)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নলিনীকান্ত ভট্টাশালী (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১২)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রভাতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মনি হায়দার (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- মীজানুর রহমান (৪)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মুনতাসীর মামুন (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (২)
- শাহীন রহমান (৩)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৩)
- সুকুমার রায় (২)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ তোশারফ আলী (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- সোমেন চন্দ (১)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (২)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.