-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
'অ্যাটলাস' থেকে আমি নেমে যাবার পরে সেটা স্থান বদল করে পুনরায় নোঙর ফেলে ডুবে থাকা জাহাজের উপরে অবস্থান নিল।
'সোনার তরী'র সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য সেটার দৈর্ঘ্য বরাবর সামনের ও পিছনের দুই প্রান্তে ভাসমান সংকেত বসানো হল। জাহাজের স্থান বদলের সময় সেগুলো তার সাথে সাথে নড়াচড়া করেছিল। সবকিছু প্রস্তুত করে লক্ষ্যবস্তুর উপর ডুবুরী নামানো হল। অ্যাটলাসের ইঞ্জিন ও প্রপেলার পরীক্ষা করে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পাওয়া যায় নি। ডুবন্ত 'সোনার তরী'র খোলের ভিতরকার স্থানগুলোতে কিছুটা পলিমাটি ভরে থাকলেও, কোনো মালামাল ছিল না। 'অ্যাটলাসের' অবস্থান ছিল মাঝনদী থেকে কিছুটা বাঁয়ে।
জন্নোতিন্ মানচিত্র নিয়ে আমার কাছে চলে এলেন।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি, নগ্ন সামরিক শাসন ব্যবস্থা এবং তথাকথিত মৌলিক গণতন্ত্রী ব্যবস্থায় ১৯৬৫ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষমতা আইনানুগ করার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানকে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী সামরিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্তি আর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ক্ষমতার বাইরে রাখার নীলনকশা কার্যকর করা। সেই কঠোর সামরিক শাসনের মধ্যে ও পূর্ব বাংলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংস্কারবিরোধী ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দাঁড়ানোর আন্দোলন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনভোকেশন হাঙ্গামাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও সংবাদপত্র নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, অর্থনৈতিক বৈষম্যবিরোধী দুই অর্থনীতির জন্য আন্দোলন ছিল প্রকৃত প্রস্তাবে সামরিক স্বৈরাচার ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন, যেসব আন্দোলনের
-
Author: Susan Brownmiller
Indira Gandhi's Indian Army had successfully routed the West Pakistanis and had abruptly concluded the war in Bangladesh when small stories hinting at the mass rape of Bengali women began to appear in American newspapers. The first account I read, from the Los Angeles Times syndicated service, appeared in the New York Post a few days before Christmas, 1971. It reported that the Bangladesh government of Sheik Mujibur Rahman, in recognition of the particular suffering of Bengali women at the hands of Pakistani soldiers, had proclaimed all raped women "heroines" of the war for independence. Farther on
-
আবাল্য, যখন থেকে হাফপ্যান্ট পরে পাঠশালায় যেতে শুরু করেছি, সে নৈসর্গিককাল থেকেই আমি গৃহকাতর। পাঠশালার লম্বা বেঞ্চে বসে আদর্শলিপির বড়ো বড়ো অক্ষরের ভেতর আমি গৃহকে দেখতাম, মাস্টারসাব যখন বানান শেখাতেন, ক এবং ত যুক্ত হয়ে কি হয়, বলতেন, তখন আমার সরল অগোলকদ্বয়ের মধ্যে গৃহের চিত্র ভাসতো। অবশ্য, আমার গৃহ যে কোনটি, তা আমি তখনো স্থির করে উঠতে পারিনি, কখনো মনে হতো মায়ের বাহুই আমার গৃহ, কখনো মনে হতো আমার বিছানা আমার গৃহ, কখনো শুধুমাত্র লালনীল নকশিকাঁথাটিকেই মনে হতো আমার গৃহ। সে থেকে আমি গৃহকাতর, এবং তারপরে যখন বড়ো হতে লাগলাম, ক্লাশ ফোরে ওঠলাম, তখন আমার গৃহবোধ ভূগোলবোধের সাথে সাথে বিস্তৃত
-
আমার বাড়ির পাশেই বাজারের কসাইখানা। সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই মোষ, গোরু, ছাগল জবাই হয়। এমনকি সপ্তাহের যে দু'দিন মাংসবিহীন থাকার কথা সে নিয়মও কেউ খুব কড়াকড়ি মানে না। মাঝে মাঝে হাড় জিরজিরে মৃতপ্রায় কিংবা চোরাই গোরু, এমনকি ভাগাড়ে যাওয়ার পথ থেকেও দু’-একটা কসাইখানায় চলে আসে। এসব অবশ্য শোনা কথা। তাই বলে বিক্রি না হয়ে দু’-চার টুকরো পড়ে থাকে এমনটিও কেউ কখনো দেখে নি।
বাড়ির পাশেই মিশনারী হাসপাতাল ও স্কুল। পাহাড়ের উপর বাংলোবাড়িতে ডাক্তারদের ঘর। পাশে কর্ণফুলী। কর্ণফুলীতে মিশেছে একটা ছড়া। এই ছড়া বা নদীর ওপারে বাজার, এপারে আমার বাড়ির পাশেই কসাইখানা।
মাঝে মাঝে আমি হাটে যাই। স্কুল ছুটির পর ঠাণ্ডা ভাত
-
লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এ স্বাধীনতা। আমাদের প্রিয় স্বাধীনতার জন্য অনেক মা হারিয়েছেন তার সন্তান, নারী হারিয়েছেন তার সম্ভ্রম। ১৯৭১ সালে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি নরপিশাচেরা তখন পৈশাচিক কার্যকলাপে নিয়োজিত, বহু নারীর জীবন ধ্বংসের খেলায় ছিল মাতোয়ারা। তেমনই ভয়াল কালো থাবার শিকার বীরাঙ্গনা নারী কাননবালা। তখন গোপালগঞ্জের ভাজন্দি গ্রামের এক হিন্দু পরিবারের কিশোরী কাননবালা। তারা ছয় ভাই ও দুই বোন। ১৯৭১ সালের আষাঢ় মাসের এক বৃষ্টিভেজা অন্ধকার রাতে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি সেনারা ঘিরে ফেলে কাননবালাদের বাড়ি। ঠাকুরমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় তাকে। তার বাবা-মা-ভাইদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। কাননবালার চোখ বেঁধে তাকে নিয়ে
-
স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পরও, বহু মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় রয়ে গেছে পর্দার আড়ালে। যাদের বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশে বসবাসের সুযোগ অর্জন করেছি, নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের অনেকের পরিচয় রয়ে গেছে অজানা। একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখা শুরু করে এদেশের সকল নারী ও পুরুষ। পরে সে স্বপ্নকে পূর্ণ করতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী নারীর সংখ্যা ব্যাপক। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকাকে অনেক সময় কম মূল্যায়ন করা হয়। সে সময় বহু নারী অস্ত্র হাতে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। অনেক নারী মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্নার কাজে, চিকিৎসক বা নার্স হিসেবে সেবার কাজে নিয়োজিত
-
ঘটনাটি নিশ্চিতভাবেই ১৯৭১ সালের। আমি তখন লস অ্যাঞ্জেলেসে সাউন্ডট্র্যাকে রাগা অ্যালবামের কাজ করছি। রবি [শঙ্কর] আমার সঙ্গে কথা বলেন সে সময়টাতে। একটি কনসার্ট কীভাবে আয়োজন করা করা যেতে পারে, তিনি কথা বলেন তা নিয়ে। তিনি চাইছিলেন সে কনসার্টটি সাধারণের চেয়ে বড় আকারের হোক, যাতে বাংলাদেশে না খেয়ে থাকা মানুষের জন্য ২৫ হাজার ডলার তিনি ওঠাতে পারেন। তিনি জানতে চাইছিলেন, আমি কোনোভাবে তাতে সহযোগিতা করতে পারি কিনা। ধরা যাক, আমি কনসার্টের উপস্থাপনা করলাম বা পিটার সেলার্সকে নিয়ে এলাম...মানে যেকোনোভাবে হোক, তেমন কিছু একটা করা।
এরপর তিনি আমাকে বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের যুদ্ধ ও দারিদ্র্য-সম্পর্কিত সংবাদের কর্তিকা ও এ সংক্রান্ত লেখাগুলো দেখতে
-
একাত্তরে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে আয়োজিত 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর অন্যতম শিল্পী রিঙ্গো স্টার। সেই কনসার্টে রিঙ্গো তাঁর বিখ্যাত গান 'ইট ডোন্ট কাম ইজি' পরিবেশন করেন। তিনি দুনিয়া কাঁপানো ব্যান্ড দ্য বিটলসের ড্রামার ও শিল্পী। ব্রিটিশ সংগীত তারকা রিঙ্গো স্টারের পুরো নাম রিচার্ড স্টার্কি। তিনি ১৯৪০ সালের ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের লিভারপুলে জন্মগ্রহণ করেন।
আমার বয়স সত্তরের বেশি। কিন্তু আমি নিজেকে ৪০ বছর বয়সী ভাবি। এখনো তরুণ আমি। এই যে একটা গান আছে না, 'লাইফ বিগিনস অ্যাট ফোর্টি!' আমার বয়স যতই বাড়ছে আমি ততই জীবনযাপন শিখছি। পৃথিবীকে নতুন করে দেখছি।
১৩ বছর বয়স থেকে স্বপ্ন দেখি আমি বড় আসরে ড্রাম বাজাব। সেই
-
লেখক: অজয় দাশগুপ্ত
১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট ভারত সফরে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি। তিনি পাকিস্তানেও যেতে চেয়েছিলে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তার ভিসা বাতিল করে দেন। এর মাসখানেক আগে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ভারত সফরে এসেছিলেন। তিনি ভারতের রাজনীতিক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই পাকিস্তানের পথে পা বাড়ান। অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি চলে যান পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে। লাখ লাখ শরণার্থী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংস হামলার মুখে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে এসেছেন। তাদের অনেকে নিকটজন হারিয়েছেন।
দি ব্লাড টেলিগ্রাম: ইন্ডিয়াস সিক্রেট ওয়ার ইন ইস্ট পাকিস্তান গ্রন্থে গ্যারি জে বাস লিখেছেন, উন্নয়ন ও উদ্বাস্তু ত্রাণবিষয়ক আমেরিকান
-
বাংলাদেশে যখন মোট জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাত কোটি, তখন দেশের এক কোটি লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হলো। কেন এক কোটি বাংলাদেশি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার কয়েকটি রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কারণ ও প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা যেতে পারে:
রাজনৈতিক:
শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ ছিল হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এ সকল বাংলাভাষাবাসী হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত ভোট দিয়েছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরকে। কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে সব সময় বলে আসছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী এবং এই দল নির্বাচিত হলে তারা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সকল ধর্মের অনুসারীরা
-
লেখক: মশিউল আলমস্নায়ুযুদ্ধের কালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তাসখন্দে ওই দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা সোভিয়েত নেতাদের মধ্যস্থতার ফল। তার পরের বছরগুলোতেও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয় দেশকে নিজের প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। পাকিস্তান মার্কিন শিবিরের অধিকতর ঘনিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে তার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১৯৬৮ সালে মস্কো ও ইসলামাবাদের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পাকিস্তানকে সীমিত পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে রাজি হয়। এ ছাড়া পাকিস্তানের সবচেয়ে
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জহির রায়হান (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মণি সিংহ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৪)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান মুরশিদ (৬)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.