-
যদি বলি ১৯৭১ সালে একটি বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল, তাহলে সম্ভবত কেউই আমার সঙ্গে একমত হবেন না। তবে একাত্তর সালটিকে যারা 'গণ্ডগোলের বছর আখ্যা দেয়, কিংবা যারা বলে যে ওই বছরে ভারতের উস্কানিতে একটা গৃহযুদ্ধ হয়ে তাদের সাধের পাকিস্তানটি ভেঙে গিয়েছিল—এমন কিছু অর্বাচীন মূৰ্খ বা ধুরন্ধর জ্ঞানপাপী বা কুলাঙ্গার দেশদ্রোহী ছাড়া আর সবাই-যে ওই বছরটিকে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর বলে গৌরবে উদ্দীপ্ত হবেন—এমন কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। তবু এরপরও আমি বলব: আমাদের মুক্তিযুদ্ধটি শুধু আমাদেরই যুদ্ধ ছিল না, ছিল বিশ্বযুদ্ধেরই অংশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রচলিত অর্থে যে আর কোনো বিশ্বযুদ্ধ হয় নি,—একথা অবশ্যই সত্য। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই যে বিশ্বব্যাপী
-
দেশের স্থান-ভুগোল ও জাতিগত পরিসর ভিন্নতায় কৃত্যের স্বর ও ভঙ্গিমা ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু দেশের বাঙালি কি আদিবাসী জীবনে কৃত্যের দার্শনিক ভিত্তি একই। নিম্নবর্গের কৃত্য-র্দশন হলো, প্রাণ ও প্রকৃতির আরাধনা। প্রাণবৈচিত্র্য ঘিরেই আমাদের জীবনের গতি। প্রাণের বৈচিত্র্য বিনা আমরা কোনোভাবেই আমাদের জগত সংসারের উন্নয়ন বিকাশ চিন্তা করতে পারি না। কিন্তু তাই ঘটে চলেছে, নির্দয়ভাবে দেশের প্রাণের অসীম বিস্তার ও সম্ভবনাকে জোর করে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ এমন এক পুঁজিবাদী করপোরেট অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বেছে নিয়েছে যা কোনোভাবেই দেশের প্রাণ ও প্রকৃতির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। তারপরও ৩০টি কৃষিপ্রতিবেশ, ১৭টি হাইড্রলজিক্যাল অঞ্চল, ২৩০টি নদ-নদী, দুনিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য, দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত,
-
এ বছরের প্রথম দিনে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভিয়েতনামে বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছাত্র সমাজ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সংগঠিত করে। বিক্ষোভকারী ছাত্র সমাজের শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর পুলিশ অন্যায়ভাবে গুলিবর্ষণ করে। ফলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে দ'জন বীর সৈনিক শহীদ মতিউল ও কাদের। আহত হয় আরো অনেকে। স্বাধীন স্বদেশের মাটি আবার নতুন করে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের বুকের রক্ত পান করে। সেই ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অবধি যে লাখো লাখো বীর মানুষের বুকের রক্তধারা সাম্রাজ্যবাদ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে উঠেছিল তার সাথে নতুন করে ১লা জানুয়ারীর রক্তস্রোত মিশে গেল ৷ বায়ান্ন সালে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ
-
যে-যুগে শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার যোগাযোগ ক্ষীণ হয়ে গেছে, অধ্যাপনার সঙ্গে পান্ডিত্যের যোগাযোগ বলতে গেলে লুপ্ত, সেই সংকটকালে এখনো যে-স্বল্পসংখ্যক শ্রদ্ধাভাজন মনীষী প্রায়-অন্ধকার শিক্ষাঙ্গনে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের মতো অকাতরে আলোক বিতরণ করছেন তাঁদের একজন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আমি তাঁর একেবারে পেছনের কাতারের একজন ছাত্র। তাঁর পাণ্ডিত্যের পরিচয় দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁকে আমি যেমনটা দেখেছি, সেটা বলা হয়ত অসম্ভব নয়।
আত্মবিশ্বাসের অভাব আর মিশতে পারার অক্ষমতা—এই দুই কারণে সবার পেছনে আমি লুকিয়ে থেকেছি চিরদিন। এতে আমার আগাগোড়াই ক্ষতি হয়েছে, তবে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে ছাত্রজীবনে। শিক্ষকদের কাছাকাছি যেতে পারি নি। যে-সাহায্য এবং শিক্ষা তাঁদের কাছ থেকে পাওয়ার সুযোগ এসেছিল, তার সদ্ব্যবহার
-
আনিসুজ্জামান বাংলা বিদ্যাভুবনের এক বিরাট ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বলতম ছাত্র। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্নেহধন্য তিনি। মুহম্মদ আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, সৈয়দ আলী আহসান প্রমুখ বিখ্যাত শিক্ষকেরা সবাই একবাক্যে বলে গেছেন তাঁদের সেরা ছাত্রটি হলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর শিক্ষক ডক্টর কাজী দীন মুহম্মদেরও একই কথা। আনিসুজ্জামানের ছাত্রত্বের অবসান হয়েছে পঞ্চাশ বছর আগে। তারপর তিনি নিজেও হাজার হাজার ছাত্রের জন্ম দিয়েছেন, ঐ ছাত্ররা আবার তাদের ছাত্র গড়েছে। আসলে আনিসুজ্জামান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষক। তিনি এখনও শিক্ষকতা করছেন এবং নিশ্চয়ই আজীবন তাঁর শিক্ষকতার অবসান হবে না। কেবল পরীক্ষার ফলে নয়, বিদ্যাবত্তা, পাণ্ডিত্য ও গবেষণার জন্য তরুণ বয়স থেকেই আনিসুজ্জামানের খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল।
-
আমাদের কালের অন্যতম এক শ্রেষ্ঠ বাঙালি আনিসুজ্জামান। জীবনাচরণে মার্জিত রুচির এমন বাঙালি সহজে চোখে পড়ে না। বাংলাদেশের যে-কোনো সংকটে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা পথিকৃতের। তাঁর অ্যাকাডেমিক প্রত্যয় ও অর্জন ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাঙালি সমাজের পুরোধা। তাঁকে ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ উপাধি দিয়ে যে সম্মান প্রদর্শন করেছে তাতে আমরা গর্বি। তাঁর বহুমুখী কর্ম এ দেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে যে শক্তি জুগিয়েছে তা হয়ে উঠেছে অনুকরণী। অসাম্প্রদায়িক চেতনা সঞ্চার, গণতন্ত্র ও একটি শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের জন্য তাঁর অবিচলিত ও দৃঢ় প্রত্যয় বাঙালিকে সতত প্রাণিত করছে।
পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে তাঁকে চিনি। প্রথমে ছিলাম তাঁর ছাত্র। দেখেছি তখন কত ছাত্রকে দীক্ষিত করেছেন সাহিত্যের রস গ্রহণে,
-
বাংলাদেশে বিদ্বজ্জনের একেবারে আকাল পড়ে নি, জ্ঞান-সাধনায় নিমগ্ন মানুষও দুর্লক্ষ্য নয়, কিন্তু বাঙালি মনীষা আমি বিশেষ দেখতে পাই না। বাঙালির মনস্বিতার একটি আলাদা মাত্রা রয়েছে, এর গড়নটি আমরা পরিপূর্ণভাবে বুঝি পাই পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মধ্যে, উনিশ শতকের বঙ্গীয় সমাজে। তিনি জ্ঞানের সাধক বটে, তবে বিশুদ্ধ জ্ঞান বলতে যেমন পরীক্ষাগারের শীতলতা বোঝায় তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রক্তমাংসের সজীব এই সাধনা, যে-সাধনার পরতে পরতে মিশে থাকে মানবিকতা। জ্ঞানোপলব্ধি সাধককে সমকালীন সমাজ থেকে অনেক অগ্রসর করে দিলেও সেই অগ্রমান্যতা তিনি মানতে রাজি নন, বরং পরম নিষ্ঠা ও একাগ্রতা নিয়ে ব্রতী থাকেন সকলকে সেই অগ্রবর্তিতার সাথী করে নিতে। এমন প্রবলভাবে সামাজিক মনস্বিতাকেই আমি বলব
-
প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপজ্জনক কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরও বেশি বিপজ্জনক।—আব্রাহাম লিংকন
বাঙালি মাত্রেই অপচয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় এ প্রবচনটি উচ্চারণ করে থাকেন—‘লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।’ কোনো ধনী আত্মীয়ের ওপর নির্ভর করে কেউ দুহাতে টাকা ওড়ালে আমরা তখন বলি-চিন্তা কী খরচ করে যান, লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। তবে প্রবচনের মানুষটি সম্পর্কে সবাই জানতে আগ্রহী—কে এই গৌরী সেন? এ রকম একজন উদার দানশীল মানুষ আসলেই কি এদেশে ছিলেন? জবাব হচ্ছে, হ্যাঁ এমন একজন ছিলেন। তিনি ছিলেন অনেকের ভরসাস্থল। তার কাছে কেউ টাকা চাইলে তিনি ফেরাতেন না, তাকে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই টাকা দিতেন।
এই লোকটির নাম হচ্ছে গৌরীকান্ত
-
কিছুকাল ধ’রে বাংলা সাহিত্য-সমালোচনায় সাহিত্য ও রাজনীতির সম্বন্ধ নিয়ে একটি বাদ-বিসম্বাদের ধারা চলে আসছে যার তীব্রতার বহু মাত্রাভেদ দেখা গেলেও সমগ্রভাবে কোনো মীমাংসা সর্বজনগ্রাহ্য হ’চ্ছে না ৷
গোড়ায় যখন “প্রচার”-সাহিত্যের আবেদন এসেছিল তখনকার পরিমাপে আজকের প্রচারবাদী সাহিত্যিকের সংখ্যা অনেক বিস্তৃতি লাভ করেছে, এবং কেবল যে নিরপেক্ষ ও বিরুদ্ধবাদী বহু সাহিত্যিককে আকৃষ্ট করে এনেছে তাই নয়, নতুন প্রগতিশীল ও সম্ভাবনাপূর্ণ সাহিত্য ও সাহিত্যিকের সৃষ্টি করেছে। এমন কি, দেখা যাচ্ছে যে, বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাও এখানেই অনেকাংশে কেন্দ্রীভূত। নতুন সাহিত্যের অন্য কোনো পথ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না।
এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন সাহিত্য নিজের অন্তরের কথাটিকে আরো স্পষ্ট করে, সম্পূর্ণ ক’রে দেখতে পাচ্ছে।
-
আর কিছুই নয়, মাসিক পত্রে একটা ভারি মজার প্রবন্ধ লিখিয়াছিলাম। পড়িয়া অন্তরঙ্গ বন্ধুরা তো হাসিয়াছিলই, আবার শত্রুপক্ষও খুব হাসিতেছে।
অষ্টপাইকা, সাপ্টিবারি ও টাঙ্গাইল হইতে তিন জন পাঠক জিজ্ঞাসা করিয়া পাঠাইয়াছেন প্রবন্ধটির অর্থ কী। তাঁহাদের মধ্যে একজন ভদ্রতা করিয়া অনুমান করিয়াছেন ইহাতে ছাপাখানার গলদ আছে; আর-এক জন অনাবশ্যক সহৃদয়তাবশত লেখকের মানসিক অবস্থা সম্বন্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করিয়াছেন; তৃতীয় ব্যক্তি অনুমান এবং আশঙ্কার অতীত অবস্থায় উত্তীর্ণ, বস্তুত আমিই তাঁহার জন্য উৎকন্ঠিত।
শ্রীযুক্ত পাঁচকড়ি পাল হবিগঞ্জ হইতে লিখিতেছেন—
‘গোবিন্দবাবুর এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য কী? ইহাতে কি ফরাসডাঙার তাঁতিদের দুঃখ ঘুচিবে? দেশে যে এত লোককে খেপা কুকুর কামড়াইতেছে এ প্রবন্ধে কি তাহার কোনো প্রতিকার কল্পিত হইয়াছে?’
-
বাংলা ছন্দ সম্বন্ধে এ কথা স্বচ্ছন্দে বলা যেতে পারে যে, সে এখন অনেকটা সাবালক হয়েছে। পয়ার-ত্রিপদীর গতানুগতিকতা থেকে খুব অল্প দিনের মধ্যেই বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্যের প্রগতিশীলতায় সে মুক্তি পেয়েছে। বলা বাহুল্য, চণ্ডীদাস-বিদ্যাপতির আমল থেকে ঈশ্বর গুপ্ত পর্যন্ত এতকাল পয়ার-ত্রিপদীর একচেটিয়া রাজত্বের পর রবীন্দ্রনাথের আবির্ভাবই বাংলা ছন্দে বিপ্লব এনেছে। মধুসূদনের ‘অমিত্রাক্ষর’ মিলের বশ্যতা অস্বীকার করলেও পয়ারের অভিভাবকত্ব ঐ একটি মাত্র শর্তে মেনে নিয়েছিল, কিন্তু বিহারীলাল প্রভৃতির হাতে যে-সম্ভাবনা চঞ্চল হয়ে উঠেছিল রবীন্দ্রনাথের হাতে তা সার্থক হল। শুধু সার্থক হল বললে খুব অল্পই বলা হয়; আসলে, বিহারীলাল প্রভৃতির হাতে যে-সম্ভাবনা লোহা ছিল রবীন্দ্রনাথের হাতে তা ইস্পাতের অস্ত্র হল। রবীন্দ্রনাথের হাতে ছন্দের ক্রমবর্ধমান
-
বই ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো পণ্যে সর্বজনীনভাবে ক্রেতা-পর্যায়ে কমিশন দেওয়ার রেওয়াজ নেই। শুধুমাত্র বইয়েই এই ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। হয়তো গোড়ায় কমিশন ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল পাঠককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। যারা এই ব্যবস্থার প্রবক্তা তাদের চিন্তার অসততা ছিল না, এটাও সহজেই অনুমেয়। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা বাজার অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া এই কমিশন ব্যবস্থা পাঠককে কোনো প্রকার সুবিধা দেয় না। শুধু পাঠক কেন, বই-বিক্রেতা অথবা প্রকাশক কাউকেই কোনো সুবিধা দেয় না। পাঠককে যে ২০% বা ২৫% ছাড় দেওয়া হয়, তা বই উৎপাদন-মূল্যের সঙ্গে আগেই যুক্ত করে একটা বাড়তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এটা প্রকাশক যেমন জানেন, তেমনি জানেন বই-বিক্রেতা ও
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- মূল্যায়ন
- বিজ্ঞানচেতনা
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- পরিচয়
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বনে পাহাড়ে
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- কথা পাঞ্জাব
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.