-
কমরেড মণি সিংহ আজন্ম সংগ্রামী এক বাঙালি বীর পুরুষ। তিনি ছিলেন এ দেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের স্থপতি। তিনি ছিলেন এ দেশের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনের অগ্রসেনা। সারা জীবন আন্দোলন করেছেন নিপীড়িত-নির্যাতিত-মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য।
মেহনতি শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে কমরেড মণি সিংহ জীবনের বহু সময় থেকেছেন আত্মগোপনে। বহুদিন তিনি বন্দি থেকেছেন জেলে। ১৯৬৭ সালে বন্দি হয়ে দীর্ঘদিন তিনি জেলে ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের চাপে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁকেও মুক্তি দেয়। কিন্তু ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে জেনারেল ইয়াহিয়া সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করলে সে বছরই জুলাই মাসে কমরেড মণি সিংহকে গ্রেপ্তার করা
-
আমাদের বাংলার মুসলমান সমাজ যে বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা বলিয়া স্বীকার করিয়া লইয়াছেন এবং অত্যল্পকাল মধ্যে আশাতীতভাবে উন্নতি দেখাইয়াছেন, ইহা সকলেই বলিবেন; এবং আমাদের পক্ষে ইহা কম শ্লাঘার বিষয় নহে। সাধারণ-অসাধারণ প্রায় সকল বাঙালি মুসলমানই এখন বাংলা পড়িতেছেন, বাংলা শিখিবার চেষ্টা করিতেছেন ইহা বড়োই আশা ও আনন্দের কথা। বাংলা সাহিত্যের পাকা আসন দখল করিবার জন্য সকলেরই মনে যে একটা তীব্র বাসনা জাগিয়াছে, এবং ইহার জন্য আমাদের এই নূতন পথের পথিকগণ যে বেশ তোড়জোড় করিয়া লাগিয়াছেন, ইহা নিশ্চয়ই সাহিত্যে আমাদের জীবনের লক্ষণ। ইহারই মধ্যে আমাদের কয়েকজন তরুণ লেখকের লেখা দেখিয়া আমাদের খুবই আশা হইতেছে যে, ইঁহারা সাহিত্যে বহু উচ্চ আসন পাইবেন।
এখন
-
ভাবে আর কাজে সম্বন্ধটা খুব নিকট বোধ হইলেও আদতে এ জিনিস দুইটায় কিন্তু আশমান-জমিন তফাৎ।
ভাব জিনিসটা হইতেছে পুষ্পবিহীন সৌরভের মতো, একটা অবাস্তব উচ্ছ্বাস মাত্র। তাই বলিয়া কাজ মানে যে সৌরভবিহীন পুষ্প, ইহা যেন কেহ মনে করিয়া না বসেন। কাজ জিনিসটাই ভাবকে রূপ দেয়, ইহা সম্পূর্ণভাবে বস্তুজগতের।
তাই বলিয়া ভাবকে যে আমরা মন্দ বলিতেছি বা নিন্দা করিতেছি, তাহা নহে; ভাব জিনিসটা খুবই ভালো। মানুষকে কব্জায় আনিবার জন্য তাহার সর্বাপেক্ষা কোমল জায়গায় ছোঁয়া দিয়া তাহাকে মাতাইয়া না তুলিতে পারিলে তাহার দ্বারা কোনো কাজ করানো যায় না, বিশেষ করে আমাদের এই ভাব-পাগলা দেশে। কিন্তু শুধু ভাব লইয়াই থাকিব, লোককে শুধু কথায় মাতাইয়া
-
আমাদের হিন্দুস্থান যেমন কীর্তির শ্মশান, বীরত্বের গোরস্থান, তেমনই আবার তাহার বুক অত্যাচারীর আততায়ীর আঘাতে ছিন্নভিন্ন। সেইসব আঘাতের কীর্তিস্তম্ভ বুকে ধরিয়া স্তম্ভিতা এই ভারতবর্ষ দুনিয়ার মুক্তবুকে দাঁড়াইয়া আজ শুধু বুক চাপড়াইতেছে। অত্যাচারীরা যুগে যুগে যত কিছু কীর্তি রাখিয়া গিয়াছে, এইখানে তাহাদের সব কিছুরই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের চোখে শূলের মতো বাজিতেছে। কিন্তু এই সেদিন জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হইয়া গেল, যেখানে আমাদের ভাইরা নিজের বুকের রক্ত দিয়া আমাদিগকে এমন উদ্বুদ্ধ করিয়া গেল, সেই জালিয়ানওয়ালাবাগের নিহত সব হতভাগ্যেরই স্মৃতিস্তম্ভ বেদনা-শেলের মতো আমাদের সামনে জাগিয়া থাক, ইহা খুব ভালো কথা, – কিন্তু সেই সঙ্গে তাহাদেরই দুশমন ডায়ারকে বাদ দিলে চলিবে না। ইহার যে স্মৃতিস্তম্ভ খাড়া করা
-
জাতীয় (ন্যাশনাল) বিদ্যালয় লইয়া একটু খোঁচা দিয়াছি, তাহা অন্য কোনো ভাব-প্রণোদিত হইয়া নয়। জাতীয় জিনিস লইয়া জাতির প্রত্যেকেরই ভালো-মন্দ বিচার করিয়া দেখিবার অধিকার আছে। তাহা ছাড়া, ‘মুনিনাঞ্চ মতিভ্রমঃ’, ভুল সকলেরই হয়; নিজের ভুল নিজে দেখিতে পায় না। অতএব আমাদেরই জাতীয় বিদ্যালয়ের যে ভুল আমাদের চোখে পড়িবে, তাহা আমাদেরই শোধরাইয়া লইতে হইবে। প্রথম কোনো বড়ো কাজ করিতে গেলে অনেক রকম ভ্রম-প্রমাদ হওয়া স্বাভাবিক জানি, এবং তাহাকে ক্ষমা করিতেও পারা যায় – যদি জানি যে তাঁহারা জানিয়া ভুল করিতেছেন না। কিন্তু যদি দেখি যে, এই সব হোমযজ্ঞের হোতারা জানিয়া শুনিয়া ভুল করিতেছেন বা জাতীয় শিক্ষা-রূপ পবিত্র জিনিসের নামেই নিজ-নিজ স্বার্থসিদ্ধির পথ খুঁজিতেছেন,
-
একবার এক ব্যঙ্গ-চিত্রে দেখিয়াছিলাম, ডাক্তারবাবু রোগীর টিকি-মূলে স্টেথিস্কোপ বসাইয়া জোর গ্রাম্ভারি চালে রোগ নির্ণয় করিতেছেন! আমাদের রাজনীতির দণ্ডমুণ্ড হর্তা-কর্তা-বিধাতার দলও আমাদের হিন্দু-মুসলমানের প্রাণের মিল না হওয়ার কারণ ধরিতে গিয়া ঠিক ওই ডাক্তারবাবুর মতোই ভুল করিতেছেন। আদত স্পন্দন যেখান যেখান হইতে প্রাণের গতি-রাগ স্পষ্ট শুনিতে পাওয়া যায়, সেখানে স্টেথিস্কোপ না লাগাইয়া টিকি-মূলে যদি ব্যামো নির্ণয় করিতে চেষ্টা করা হয়, তাহা হইলে তাহা যেমন হাস্যাস্পদ ও ব্যর্থ, রাজনীতির দিক দিয়া হিন্দু-মুসলমানের প্রাণের মিলনের চেষ্টা করাও তেমনই হাস্যস্পদ ও ব্যর্থ। সত্যিকার মিলন আর স্বার্থের মিলনে আশমান জমিন তফাত। প্রাণে প্রাণে পরিচয় হইয়া যখন দুইটি প্রাণ মানুষের গড়া সমস্ত বাজে বন্ধনের ভয়-ভীতি দূরে সরাইয়া
-
প্রথম মহাযুদ্ধ ও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ। মাঝখানে একটা যুগ; বেশীদিন নয়, বছর কুড়ি-পঁচিশ। বাংলার মুসলমানের জাতীয় জীবনে এটা একটা বিশেষ স্মরণীয় যুগ। উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে জাতির জীবনে যে ক্ষীণ চেতনার সঞ্চার হয়েছিল, এ যুগে তা যেন হঠাৎ জোয়ারের মত ভেঙে পড়ল। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামকে আশ্রয় করেই মূখ্যত এসেছিল এই জোয়ার। নজরুলের আবির্ভাব অস্বাভাবিক না হলেও অত্যন্ত আকস্মিক তাঁর আগুন ঝরা লেখা হঠাৎ চমক লাগালো বাঙালি পাঠক সমাজের মনে।
যুদ্ধ-ফেরতা নজরুলের যখন প্রথম আবির্ভাব হল কলকাতায়, আমার স্বামী ঐ সময় কলিকাতা মেডিকেল কলেজের ছাত্র। তখনকার কথা পরে তাঁর মুখে যেমন গল্প শুনেছি, ঠিক তেমনি বলছি। তিনি বলেছেন—‘মেডিক্যাল কলেজের সামনে
-
প্রতিভাবানরা সকলেই জগজ্জয়ী শক্তির অধিকারী হবেন এমন কোন নিয়ম নেই। প্রতিভার ছোঁয়াচটা লেগেছে, মানুষটা জ্বলেও উঠেছিল কিন্তু অল্পকাল জ্বলেই হঠাৎ নিবে গিয়েছে এমন দৃষ্টান্তও আছে। আরম্ভটা যেমন চমক লাগানো, শেষটা আবার তেমনি মিয়োনো। যে কারণেই হোক শেষরক্ষা হয়নি। তাহলেও মানুষটা যে অসাধারণ তার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাবেই। প্রতিভা জিনিসটাই বেহিসেবী; ওকে সামলে রাখতে না পারলে হিসাবে গরমিল হয়ে যায়, আকাঙ্খিত ফল পাওয়া যায় না। সামান্যটুকু করতে গিয়ে অনেকটুকু নিয়ে টান ধরে; লাভ হয় যতখানি, ক্ষয় হয় তার চাইতে বেশি। ফলে সমস্ত শক্তিই অকালে নিঃশেষিত হয়। এই যে বেহিসেবী উড়নচণ্ডী প্রতিভা—এর দৃষ্টান্ত সকল কালে, সকল দেশেই দেখা গিয়েছে। দূরে যেতে হবে
-
'সাম্প্রদায়িক' শব্দটি যে সর্বদা খারাপ বা নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়, তা অবশ্যই নয়। শব্দটির গঠনের দিকে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় যে, যা কিছু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা সম্প্রদায় সম্পর্কীয়, তা সবই সাম্প্রদায়িক (সম্প্রদায়+ঞিক)। কাজেই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে শব্দটি মোটেই নিন্দাৰ্থক নয়। যদি বলি: দুর্গা পূজা, ঈদ, বড়দিন, বুদ্ধপূর্ণিমা—এগুলো সবই সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান, তাহলে কি ওগুলোকে নিন্দা করা হলো? হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—এইসব ধর্মীয় সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা এই অনুষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের ধর্মের অনুশাসন রূপেই পালন করে থাকে। তাই এগুলো সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান। এতে নিন্দার কিছু নেই। কিন্তু অনুষ্ঠানগুলো যদি এ রকম হয়ে দাঁড়ায় যে হিন্দুরা দুর্গা পূজার পর বিসর্জন দেয়ার জন্য দুর্গা মূর্তি নিয়ে যাবে
-
পাকিস্তান নামক একটি অদ্ভুত রাষ্ট্রের অধীনে যখন আমরা বাস করতাম তখন, শুরু থেকেই, কতকগুলো ‘পাকিস্তানী দিবস’ পালন করতে হতো আমাদের। যেমন—তেইশে মার্চ ‘পাকিস্তান দিবস’, চৌদ্দই আগস্ট ‘আজাদী দিবস’, পঁচিশে ডিসেম্বর ও এগারোই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ‘জাতির পিতা'র জন্ম ও মৃত্যুদিবস।
উনিশ শো পঁয়ষট্টি সনের পর থেকে আরও একটি পাকিস্তানী দিবস আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছিল। সেটি ছয়ই সেপ্টেম্বর—‘প্রতিরক্ষা দিবস’। সে-সময়ে পাকিস্তানে চলছিল আইয়ুবি স্বৈরশাসন। সে-শাসনের বিরুদ্ধে গণ-অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিল। আইয়ুব ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নাম দিয়ে একটি শয়তানি ব্যবস্থা চালু করে একটি পেটোয়া গোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিল। তার আশা ছিল যে আশি হাজার অনুগত মৌলিক গণতন্ত্রীদের দিয়েই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারকে জোর করে
-
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা বাঙালি বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা (১৮৯৩-১৯৫৬)। বিজ্ঞান জগতে তাঁর সেরা অবদান হলো ‘তাপীয় আয়নন তত্ত্ব’। আর তাপীয় আয়নন ব্যাখ্যা করার জন্য যে সূত্র প্রণয়ন করেন তা ‘সাহা সমীকরণ’ নামে খ্যাত। জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানে একাধিক জটিল রহস্য উদঘাটনের জন্য তার সার্থক প্রয়োগ রয়েছে। ফলে এ-তত্ত্বটি বিজ্ঞান জগতে নতুন যুগের সূচনা করেছিলো। তার সুদূর প্রসারী প্রভাব ও পরবর্তীকালে লক্ষ্য করা গেছে। ১৯২০ সালে এ-তত্ত্বটি উদ্ভাবনকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন এবং তাঁর বয়স ছিলো ২৭ বছর। তাঁর এ-গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বটি সম্পর্কে সেকালের প্রতিথযশা জোতির্বিজ্ঞানী আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন মন্তব্য করে বলেছিলেন যে, ‘গ্যালিলিওয়ের পর থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে যে ১২টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের উল্লেখ
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বিজ্ঞানচেতনা
- পরিচয়
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- সুকান্তসমগ্র
- বাংলাদেশ ’৭৩
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বনে পাহাড়ে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বিজ্ঞান পাঠ
- কথা পাঞ্জাব
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.