সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপজ্জনক কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরও বেশি বিপজ্জনক।—আব্রাহাম লিংকন
বাঙালি মাত্রেই অপচয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় এ প্রবচনটি উচ্চারণ করে থাকেন—‘লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।’ কোনো ধনী আত্মীয়ের ওপর নির্ভর করে কেউ দুহাতে টাকা ওড়ালে আমরা তখন বলি-চিন্তা কী খরচ করে যান, লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। তবে প্রবচনের মানুষটি সম্পর্কে সবাই জানতে আগ্রহী—কে এই গৌরী সেন? এ রকম একজন উদার দানশীল মানুষ আসলেই কি এদেশে ছিলেন? জবাব হচ্ছে, হ্যাঁ এমন একজন ছিলেন। তিনি ছিলেন অনেকের ভরসাস্থল। তার কাছে কেউ টাকা চাইলে তিনি ফেরাতেন না, তাকে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই টাকা দিতেন।
এই লোকটির নাম হচ্ছে গৌরীকান্ত
-
[বোরহানউদ্দিন খান সম্পাদিত পাকিস্তান সরকারের শ্বেতপত্র—‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পাকিস্তান’-এর ভূমিকা হিসেবে প্রকাশিত]
II ১ II
অতীতের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে চাই। এই অতীত হচ্ছে পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের পাঁজর ভেঙ্গে বাংলাদেশের আবির্ভাব। বাংলাদেশের আবির্ভাব ঘটেছে যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে। পাকিস্তান যুদ্ধ করেছে বাংলাদেশকে ঔপনিবেশিকতার মধ্যে কবজা করে রাখার জন্য। বাংলাদেশ যুদ্ধ করেছে পাকিস্তানের কবজা ভাঙ্গার জন্য। সেজন্য এই যুদ্ধ আমার দিক থেকে নির্দিষ্ট শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই: পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দোসর জামাতে ইসলাম, আলবদর রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। এর মধ্যে কোন দ্বিধা নেই এবং দ্বন্দ্ব নেই। এই হচ্ছে ইতিহাসবোধ। এই বোধ বাদ দিয়ে অতীতের সঙ্গে কি বোঝাপড়া
-
বিংশ শতাব্দীর এক যুগসন্ধিক্ষণে জন্মেছিলেন বিপ্লবের কিংবদন্তী, কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু কমরেড সন্তোষ ব্যানার্জী। ১৩২২ বঙ্গাব্দের জন্মাষ্টমীর দিনে তিনি ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন মায়ের অষ্টম গর্ভের সন্তান হিসেবে। মাদারীপুর শহরের এ পরিবারটি ছিল খুবই সম্ভ্রান্ত ও সম্পন্ন। তাঁর পিতার নাম প্রতাপচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা- সৌদামিনী। পূর্ণিমার মতো চাঁদমুখ পুত্রসন্তানটি তাঁরা পেয়েছিলেন পর পর সাত কন্যার পরে। তাই সেদিন তাঁদের আনন্দের আর সীমা ছিল না। তাঁরা চোখের মণির মতো ছেলেকে পরম আদর-যত্ন ও স্নেহ-ভালোবাসায় লালন-পালন করতে থাকলেন। বয়স হলে তাঁকে স্থানীয় মাদারীপুর স্কুলে ভর্তি করে দেন। লেখাপড়া চলছিল ভালোভাবেই। কিন্তু সে কালে ব্রিটিশবিরোধী যে তুমুল আন্দোলন গড়ে উঠেছিল দেশব্যাপী তার ঢেউ মাদারীপুরেও
-
রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। বাংলার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাদেশিকচেতনা উন্মেষে যে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বয়স যখন পাঁচ বছর, ১৮৬৬ সালে ঠাকুর পরিবারের সুহৃদ, রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষক রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা সভা’ এবং ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭)। পরবর্তী সময় থেকে এ মেলার নামকরণ করা হয় ‘চৈত্রমেলা’। স্বাদেশিকতাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ১৮৭৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সঞ্জিবনী সভা’। কিশোরকাল থেকেই রবীন্দ্রনাথ এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁরআত্মপরিচয়গ্রন্থে লিখেছেন:
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈপ্লবিক ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বৈপ্লবিক সংগঠন ‘সঞ্জিবনী সভা’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি স্থাপন করেছিলেন। সমিতির সভাপতি ছিলেন হিন্দুমেলার উদ্যোক্তা রাজনারায়ণ বসু
-
অনাদিকাল জ্বলে থাকা অরূন্ধুতির আলো
নিভে যায় অনুল্লেখ আঁধারী আলোর টানে।
অতিকায় অভিমানের ভারে ভারাক্রান্ত মানুষটিকেও
পেরোতে হয় এক অনতিক্রম্য পথ।
মানুষ জানে, মানুষের হৃদয়ে মানুষের নিঃস্বার্থ ঠাঁই নেই।
মিথোজীবি মন কখনো কখনো পরাশ্রয়মুক্ত জীবনের খোঁজে
হাঁতড়ে বেড়ায় আলোকিত আঁধার।
তবুও চাতক অপেক্ষায় অনুনমিত সহসাই
এবেলা-ওবেলার মত ফুরিয়ে যায় যাপিত জীবন।
-
দেখো দেখো, পিঁপড়ে দেখো! খুদে খুদে রাঙা রাঙা সরু সরু সব আনাগোনা করছে—ওরা সব পিঁপড়ে, যাকে সংস্কৃত ভাষায় বলে পিপীলিকা। আমি হচ্ছি ডেঞে, সমুচ্চ ডাঁইবংশসম্ভূত, ঐ পিঁপড়েগুলোকে দেখলে আমার অত্যন্ত হাসি আসে।
হা হা হা, রকম দেখো, চলছে দেখো, যেন ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে গেছে; আমি যখন দাঁড়াই তখন আমার মাথা আকাশে ঠেকে! সূর্য যদি মিছরির টুকরো হ ' ত আমার মনে হয় আমি দাঁড়া বাড়িয়ে ভেঙে ভেঙে এনে আমার বাসায় জমিয়ে রাখতে পারতুম। উঃ, আমি এত বড়ো একটা খড় এতখানি রাস্তা টেনে এনেছি, আর ওরা দেখো কী করছে–একটা মরা ফড়িং নিয়ে তিন জনে মিলে টানাটানি করছে। আমাদের মধ্যে এত ভয়ানক
-
আচার্য জগদীশচন্দ্রের সঙ্গে আমার পিতার যখন প্রথম পরিচয় হয় তখন আমি নিতান্ত শিশু। পরিচয় ক্রমশ যখন বন্ধুত্বে পরিণত হল তখনও আমি বালক। জগদীশচন্দ্র সম্বন্ধে আমার স্মৃতি তাই বাল্যস্মৃতির সঙ্গেই বেশি জড়িত।
জগদীশচন্দ্র ১৯০০ সালে লণ্ডন-প্রবাসকালে আমার পিতাকে লিখেছিলেন, 'তিন বৎসর পূর্বে আমি তোমার নিকট একপ্রকার অপরিচিত ছিলাম…'
জগদীশচন্দ্র ইউরোপ-ভ্রমণের পর কলকাতায় ফিরে আসেন ১৮৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। তাঁর জীবনীকার প্যাট্রিক গেডিস্ তাঁর বইয়ে লিখেছেন, পৌঁছ-সংবাদ পেয়ে আমার পিতা তাঁকে অভিনন্দন জানাবার জন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখেন তিনি বাড়িতে নেই। তখন তাঁর টেবিলে একটি ম্যাগনোলিয়া ফুল রেখে আসেন। দ্বিতীয়বার যখন দেখা করতে যান দুই বন্ধুর কিরকম মিলন ঘটেছিল তার বর্ণনা গেডিসের
-
মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধ কেবলমাত্র নয় মাসের সামরিক অ্যাকশন ছিল না। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে প্রায় দুই যুগ ধরে অব্যাহতভাবে যে গণসংগ্রাম চালিয়েছিল, সেই গণসংগ্রামের চূড়ান্ত বা শীর্ষবিন্দুটি ছিল নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম।
মহান মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক উপাদান ও চরিত্র নির্ধারণে এবং তার বাস্তবায়নের জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের ভিত্তিমূল রচনার ক্ষেত্রে এদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা ছিল অনন্য সাধারণ।
ষাট-সত্তরের দশকে সারা পৃথিবী জুড়ে ছিল জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের সোনালী সময়। উপনিবেশিকতার জাল ছিন্ন করে একে একে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হচ্ছিল চারদিকে। এসব ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে বাঙালি জাতির গণসংগ্রামও
-
আমরা উঠলুম ৩৬ নম্বর কামিনীভূষণ রুদ্র রোডে, যার পোশাকি নাম চাঁদনী ঘাট। ১৯৪৮-এর ঢাকা। ব্রিটিশ আমলের পুরো গন্ধ তো ছিলই, মোগল আমলের ছিটেফোঁটা লালবাগ, আমলিটোলা, চকবাজার, মোগলটুলি, ইসলামপুর-এসব এলাকার অলিগলিতে যেন বা সেকালও উঁকি মারত। আমাদের এই হিসেবে প্রাউডলকের উদ্যান নগরী শ্যামলী রমনা হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো এক বিস্ময়। এ কথা বলা যাবে না নবাবি আমলের ঢাকা সম্পর্কে। বিদ্যুতের ব্যবহার তখনো সর্বগামী ছিল না। ফলে সন্ধে নামলেই সেকালের জেলা শহরগুলোর মতোই অন্ধকার নেমে আসত ঢাকার শিরা-উপশিরায়, বাড়ি বাড়ি জ্বলে উঠতো হারিকেন লণ্ঠনের আলো। মাঝে মাঝে খাপছাড়াভাবে কোনো কোনো ভাগ্যবানের বাড়ির জানালা গলিয়ে বিদ্যুতের ঝলমলে নরম আলো এসে পড়ত খোয়াভাঙা রাস্তার
-
এ—ও গজখুড়োর মুখে শোনা।
বটুকদাদুর পৈতৃক বাড়ির মতো আরেকটা বাড়ি শুধু ভূ-ভারতে কেন, দুনিয়াতে কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। ওপরের রাস্তায় সদর ফটক, সেখান থেকে মনে হয় একতলা বাড়ি। আবার ঐ রাস্তাটাই একটা পাক খেয়ে যখন বাড়ির পেছন দিয়ে নিচে হিঞ্চে বাজারের দিকে নামতে থাকে, সেখান থেকে দেখলে বোঝা যায় আসলে তিনতলা বাড়ি। নিচের দুটো তলা পাহাড়ের গায়ে ঠেস দিয়ে হিমালয়মুখো দাঁড়িয়ে আছে।
এর আগে ন্যাকা-বোকা যায়নি কখনো ওখানে। তবে বটুকদাকে আলু— কাবলি কিম্বা চানাচূর খাওয়ালে, ঐ বাড়ির সম্বন্ধে যে—সব রোমাঞ্চকর গল্প বলত, তাই শুনে ওরা তাজ্জব বনে যেত। সব গল্পের কেন্দ্রে একজন রহস্যময লোকই থাকতেন। তিনি ওদের ছোটদাদু—যিনি প্রায় ২০
-
সারার পা দুখানা অচল হয়ে পড়ার আগে সে আমাদের কাছেই কাজ করতো। খুবই মোটা ছিল সে আর তার গায়ের রঙ ছিল হালকা হলদেটে-বাদামী, যেন একটা বেলুনের মতো, বেলুন ফোলালে যেমন রঙটা তার হালকা হয়ে যায়, পিগমেন্টের (প্রাণী ও উদ্ভিদের তত্ত্বরঞ্জক পদার্থ বিশেষ) পাতলা স্তরের নিচের মেদ বৃদ্ধি হলে সেটা টানটান হয়ে আরও বেশি পাতলাভাবে ছড়িয়ে যায়। গিল্টি করা ছোট্ট সরু ফ্রেমের চশমা পরতো সে আর ভালো রাঁধুনী ছিল, মাখনের ব্যাপারে শুধু যা তার হাতটা ছিল দরাজ।
তার সম্বন্ধে এই সব জিনিসগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু এর ওপর তার ছিল একটি মাত্র স্বামী, আইনসম্মতভাবে তার সঙ্গে গীর্জায় বিবাহিত, আর ছিল তিনটি
-
জলার্ক:কৃষণ চন্দর সম্পর্কে আপনার প্রাথমিক স্মৃতি কি?
শিবরাজ:কৃষণজীর সঙ্গে পরিচয় হয় তিনি যখন দিল্লীর অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ড্রামা ডাইরেক্টর ছিলেন তখন। অতি সুক্ষ্ম চিন্তার উন্নতমানের গল্প লেখক হওয়ার সুবাদে এ.আই.আর তাঁকে এই দায়িত্বে নিয়োগ করে। আমি ছিলাম ওখানকার শিল্পী। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ড্রামা হতো, ফলে তাঁর সঙ্গে গভীরভাবে মেশবার সুযোগ হলো। তিনি ছিলেন মহৎ অন্তঃকরণের আশ্চর্য মানুষ। সকলের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার ছিলো মধুর এবং হঠাৎ আমরা জানলাম যে তিনি পুনা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন। ডব্লু. জেড. আহমদ ছিলেন ওখানে। আহমদ সাহেব চেয়েছিলেন সব সেরা লেখকেরা শালিমার স্টুডিওতে যুক্ত হোন। কৃষণজী বললেন, রেডিওতে আমার সীমাবদ্ধ সুযোগ। তাই ওখানে গিয়ে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বইমেলা
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- জীবনী
- বই
- শিশুতোষ
- মুক্তিযুদ্ধ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গদ্য
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- সাম্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- লালন
- বিজ্ঞান
- অনুবাদ
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- বাংলা
- ভাষণ
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভাষা
- সমালোচনা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- কিশোর
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রূপকথা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- সমাজ
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- সরকার
- রাশিয়া
- খুলনা
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- ইংরেজি
- আর্টিস্ট
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- চিঠি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গান
- চিরায়ত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- নারী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.